Saturday, September 24, 2016

বাংলা হাসির কৌতুক ২০১৬

বাংলা কৌতুক
 bangla jokes, bangla facebook States, bangla hasir golpo, sss,message,  বাংলা হাসির গল্প, এসএমএম,মেসেজ , কৌতুক  ফেইসবুক স্ট্যাটাস , মজার কাহিনি,ঘটনা,নাট বল্টুর কান্ড কারখানা,বাংলা জোকস,সেরা গল্প ২০১৬,১৭,১৮,বাংলা বোকা বানানোর / sms,bangla gopal bar,var ar golpo, banglahasir quaid,fools sm s বাংলা গোপালভাড়ের গল্প


এখান থেকে দূর হ হতভাগা


মাইকেল কথায় কথায় রেগে যায়। হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। একদিন মাইকেলের সঙ্গে দেখা করতে গেল তার বন্ধু জনি।

 জনি: কেমন আছো, মাইকেল?

মাইকেল: ভালো। এখন এখান থেকে দূর হ হতভাগা!

 নাহ, মাইকেলের অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। ভেবে মন খারাপ করে বাড়ি ফিরল জনি।

 এক মাস পর আবার গেল তাকে দেখতে।
 জনি: এখন তোমার শরীরটা কেমন মাইকেল?

 মাইকেল: ভালো। এখন এখান থেকে দূর হ হতভাগা।

আবার মন খারাপ করে ফিরল জনি।

 এক মাস পর আবার গেল মাইকেলকে দেখতে। ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘এখন কেমন বোধ করছ মাইকেল?’ মাইকেল জবাব দিল, ‘ভালো।’

 উচ্ছ্বসিত হয়ে জনি গেল ডাক্তারের কাছে। বলল, ‘বাহ, আপনারা তো ওকে সুস্থ করে ফেলেছেন! কীভাবে করলেন?’

 ডাক্তার: এখন এখান থেকে দূর হ হতভাগা!


♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

বিয়েবাড়িতে জামাই



পাগলাগারদে সব পাগল নাচানাচি করছিল। শুধু একজন বসে ছিল চুপ করে।

অন্য পাগলেরা জিগ্যেস করল, ‘কী হে, তুমি বসে আছ কেন?

’ সে উত্তর দিল, ‘দূর ব্যাটা, বিয়েবাড়িতে জামাই কখনো নাচে?’



♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

কাঠ কাটছি



মানসিক হাসপাতালের চিকিত্সক প্রতিদিনের মতো সকালে গিয়েছেন রোগীদের খোঁজখবর নিতে। এক নম্বর কক্ষে ঢুকে দেখেন, একজন মাটিতে বসে খুব মনোযোগ দিয়ে কিছু একটা কাটছে। আরেকজন উল্টো হয়ে ছাদের একটা কাঠে পা বেঁধে ঝুলে আছে!

 চিকিত্সক প্রথমজনকে জিজ্ঞেস করলেন, কী করছেন আপনি?

কেন দেখতে পারছেন না, আমি একটা কাঠ কাটছি!

ও আচ্ছা, কাঠ কাটছেন, ভালো কথা।

 ছাদের জনকে দেখিয়ে বললেন, কিন্তু উনি ছাদে এভাবে উল্টো হয়ে ঝুলে কী করছেন?
কী আর করবে, সে আসলে নিজেকে একটা বাল্ব ভাবছে।
চিকিত্সক চিন্তিত মুখে বললেন, কিন্তু তার সব রক্ত তো মাথায় চলে এসেছে, ভয়ানক ব্যাপার এটা! আপনি তার বন্ধু হয়েও এটা দেখছেন! তাকে নামানোর চেষ্টা করছেন না কেন?
তা শুনে প্রথমজন দাঁত কেলিয়ে হেসে বলে, আরে ধুর, ওরে নামাইলে তো সব অন্ধকার হয়ে যাবে! তখন আমি কাজ করব ক্যামনে?

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

সবাই কী ভাববে



২১২ জন যাত্রী নিয়ে জেট বিমানটি ৩৫ হাজার ফুট উপরে। হঠাৎ বিমানের পাইলট অট্রহাসি হাসতে লাগল। মাইক্রোফোনে সে হাসি শোনা গেল। দ্রুত ককপিটে গিয়ে একজন যাত্রী জনতে চাইল, এমনভাবে কেন হাসছেন, ক্যাপ্টেন?
 : আমি ভাবছি, সবাই কী ভাববে, যখন পাগলাগারদের ডাক্তার, নার্স, পাহাদাররা টের পাবে পাবে যে আমি পালিয়ে এসেছি। হা -হা-হা। -

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

রুম বুক

একবার এক পরিদর্শক পাগলাগারদ পরিদর্শনে গেলেন।
 পরিদর্শকঃ আপনারা কীভাবে বোঝেন যে একজন রোগী সুস্থ হয়েছে?

 ডাক্তারঃ প্রথমে আমরা রোগীদের বাথরুমে বাথটাবের কাছে নিয়ে যাই। বাথটাবটা পানি দিয়ে পূর্ণ করি। তাদের আমরা একটি চামচ, একটি মগ ও একটি কাপ দিই। তারপর তাদের বাথটাবটি পানিশূন্য করতে বলি। তাদের পানিশূন্য করার নিয়ম দেখেই আমরা বুঝি কে সুস্থ হয়েছে।

 পরিদর্শকঃ যদি তারা মগ দিয়ে পানি ফেলে দেয়। তাহলে নিশ্চয়ই আপনারা তাকে সুস্থ বলেন? ডাক্তারঃ না, যদি তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়, তবে বাথটাবের পানি বের করার প্লাগ তুলে ফেলবে, তবেই আমরা ধরে নেই, সেই রোগী এখন সুস্থ হয়েছে। তা, আপনার জন্য কী এখানকার একটা রুম বুক করব? -

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

তিন পাগলের মেলা



পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের পরীক্ষা নিচ্ছেন। পরীক্ষায় পাস করলে তিনজনকে পাগলাগারদ থেকে মুক্তি দেওয়া হবে, কিন্তু ফেল করলেই পাঁচ বছরের জন্য তাদের আটকে দেওয়া হবে। ডাক্তার তিন পাগলকে একটা ফাঁকা, জলবিহীন সুইমিং পুলের সামনে নিয়ে গিয়ে ঝাঁপাতে বললেন। প্রথম পাগলটি তৎক্ষণাৎ তাতে ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙে ফেলল। দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের নির্দেশমতো পুলে ঝাঁপ দিল এবং হাত ভেঙে ফেলল। তৃতীয় পাগলটি কিন্তু কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না। ডাক্তারটি উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, ‘আরে, তুমি তো কামাল করে দিয়েছ! যাও, তুমি মুক্ত। তবে একটা কথা বলো, তুমি পুলে ঝাঁপ দিলে না কেন?’ নির্দ্বিধায় পাগলটি জবাব দিল, ‘দেখুন ডাক্তারবাবু, আমি সাঁতারটা একেবারে জানি না!’ -

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

পাগল প্রেসিডেন্ট



পাগলদের স্বভাব তো আপনারা সবাই কম বেশি জাননে। কোন পাগল বলে আমি বাংলাদেশের president ছিলাম, আবার কোন পাগল বলে আমি আমেরিকার president ইত্যাদি……

যাইহোক- একবার-president জিয়াউর রহমান পাবনার পাগলা গারদ পরিদর্শনে গিয়েছিল । ঐখানে পাগলদের মাঝখানে দাড়িয়ে president জিয়াউর রহমান পাগলদের উদ্দেশ্যে বলছেন- এই যে তোমরা আমাকে চেন ? আমি বাংলাদেশের president জিয়াউর রহমান !!

পাগলদের এক জন জবাব দিল- হি:! হি:! চিনি–চিনি, প্রথম – প্রথম সবাই এইরকম president থাকে- পরে সব ঠিক হয়ে যায় !

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣


জ্যোতিষী নিয়োগ

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

পত্রিকায় ছাপা হয়েছে একটি চাকরির বিজ্ঞাপন: এই প্রতিষ্ঠানে উচ্চ বেতনে একজন জ্যোতিষী নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে কোথায়, কখন, কার সঙ্গে দেখা করতে হবে, তা নিশ্চয় তাঁর জানা আছে! -

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

ডাক্তার দেখা



দুয়ারে নতুন বছর। ভাগ্যের হালচালটা জেনে নিতে হাবলু হানা দিল এক জ্যোতিষবাবার আস্তানায়। বলল, ‘বাবা, কদিন হলো ডান হাতটা খুব চুলকাচ্ছে। কিসের লক্ষণ বলুন তো?’ জ্যোতিষবাবা: হুম্! তোর ওপর মঙ্গলের প্রভাব রয়েছে। আসছে বছর তোর হাতে প্রচুর টাকা আসবে। হাবলু: বাবা, আমার বাঁ হাতের তালুও চুলকায়। জ্যোতিষবাবা: বলিস কী? তোর তো বিদেশযাত্রা শুভ! হাবলু: (খুশিতে গদগদ হয়ে) বাবা, আমার ডান পা’টাও কিন্তু একটু একটু চুলকাচ্ছে। জ্যোতিষবাবা: দূর ব্যাটা, তোর চুলকানি আছে। ডাক্তার দেখা।



♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

জ্যোতিষী



জ্যোতিষীর কাছে গেছে ব্যাঙ।

জ্যোতিষী: খুব শিগগিরই তোমার একটা সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে দেখা হবে। সে তোমার ব্যাপারে সবকিছু জানবে।

ব্যাঙ: সত্যি! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? নিশ্চয়ই কোনো পার্টিতে!

জ্যোতিষী: না। মেয়েটির জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক ক্লাসে!

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

নিখুঁত বিজ্ঞান


জ্যোতিষবিদ্যা আসলে নিখুঁত বিজ্ঞান। রাশিচক্রে যা বলা হয়, সবই ফলে। শুধু কবে, কোথায়, কার সঙ্গে—সেটা কেউ বলতে পারে না। -

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

ধারণা



এক লোক মেলায় ঘোরাঘুরি করে এক জায়গায় এসে দেখল ভাগ্য গণনা করা হচ্ছে। মজা করার জন্য সেও সেখানে গেল। জ্যোতিষী লোকটিকে দেখেই বেশ বিজ্ঞের মতো বললেন, ‘আপনি দুই সন্তানের বাবা।’
‘হা-হা, আপনার কি তাই-ই ধারণা? আমার তিনজন সন্তান।’ লোকটি বলল।
জ্যোতিষী তখন হেসে বললেন, ‘হা-হা, আপনার কি তাই-ই ধারণা?’



আমাকে ধরতে পারবে কি না

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

– হাত দেখে জ্যোতিষী বলল, ‘সর্বনাশ! দুদিন পরই আপনার শাশুড়ি মারা যাবে!’ -জানি, জানি, সেটা জানি। কিন্তু আমাকে ধরতে পারবে কি না, তা বলুন। -

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

দুই গালে দুটো চড়



গণক: আপনি কমসে-কম আশি বছর বাঁচবেন।

ব্যক্তি: যদি না বাঁচি?

গণক: তা হলে এসে আমার দুই গালে দুটো চড় মারবেন। -

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

কোথায় দেখা হবে

একদিন এক ব্যাঙ ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য জোতিষীর কাছে গেলো।

জোতিষী তাকে বললো : খুব শীঘ্রই এক সুন্দরী মেয়ের সাথে তোমার দেখা হবে। মেয়েটি তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানে।

ব্যাঙ: চমৎকার! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? পার্টিতে নাকি অন্য কোথাও?

জোতিষী : না! মেয়েটির বায়োলজি ক্লাশে।



♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

১০০ বছর বাঁচবেন



জ্যোতিষী : আপনি নিশ্চিত ১০০ বছর বাঁচবেন।
ভদ্রলোক : যদি এর আগে মরে যাই?
জ্যোতিষী : তাহলে মূল্য ফেরত নিয়ে আমায় জুতোপেটা করবেন!


♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣


 বেয়াদব এবং ছোটলোক
myboffer.com


থানায় ঢুকেই ভদ্রমহিলা রাগে ফেটে পড়লেন, ইন্সপেক্টর সাহেব, আমি আমার প্রতিবেশীর বিচার চাই। লোকটা একটা আস্ত বেয়াদব এবং ছোটলোক। ইন্সপেক্টর: কেন? কী করেছে সে? ভদ্রমহিলা: আমি যখনই তার বাড়িতে উঁকি দিই, দেখি সে-ও উঁকি দিয়ে আছে!

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

প্রতিবেশীর কুকুরের চিৎকার



প্রতিবেশীর কুকুরটার চিৎকারে বিরক্ত এক দম্পতি। এক মাঝরাতে বিছানা থেকে উঠেই গেলেন বাড়ির কর্তা। বললেন, অনেক হয়েছে। আজ এর একটা বিহিত করতে হবে। বলেই হনহন করে বেরিয়ে গেলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর ফিরলেন।mybdoffer.com স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন, কি হেনস্তা করে এলে, শুনি? কর্তা: কুকুরটাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে এসেছি। এবার বুঝুক, প্রতিবেশীর কুকুরের চিৎকার কেমন লাগে! -

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

কথা বলা ঘড়ি



বন্ধুর নতুন বাসা ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন রকিব। দেয়ালে একটা পিতলের থালা আর একটা হাতুড়ি ঝোলানো দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কী? বন্ধু বললেন, এটা একটা ‘কথা বলা ঘড়ি’। রকিব: তাই নাকি? দেখি তো কেমন কথা বলে? বন্ধু হাতুড়ি দিয়ে থালায় আঘাত করলেন, প্রচণ্ড শব্দ হলো। সঙ্গে সঙ্গে দেয়ালের ওপাশ থেকে প্রতিবেশী চিৎকার করে বললেন, নালায়েক! রাত ১০টার সময় কেউ এত জোরে শব্দ করে?

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

গোলপোস্ট



বাড়ির সামনে প্রতিবেশী বাচ্চাগুলোকে খেলতে দেখে রহমান সাহেব বললেন, বাচ্চারা, খেলছ ভালো কথা। কিন্তু আমার গাড়িতে যেন বল না লাগে। এক বাচ্চা বলে উঠল, অবশ্যই আঙ্কেল, আপনার গাড়িটাই তো আমাদের গোলপোস্ট। আমরা গোল হতে দিলে তো! -

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

চেঁচামেচির যন্ত্রণা



এক বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। প্রতিবেশীর বাড়িতে অনুসন্ধানের কাজে গেছেন গোয়েন্দা।
গোয়েন্দা: গত রাতে পাশের বাসা থেকে আপনারা কোনো শব্দ শুনতে পেয়েছেন?
প্রতিবেশী: নাহ্! mybdoffer.comগোলাগুলি, চিৎকার আর ওদের কুকুরটার চেঁচামেচির যন্ত্রণায় কিছু শোনাই যাচ্ছিল না!

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

কথার প্যাঁচ



ছোট্ট আরিয়ান গেছে বন্ধু সোহানের বাড়ি।

সোহানের মা: কী চাই?

আরিয়ান: আন্টি, সোহান কি বাইরে এসে আমাদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে পারে?

সোহানের মা: না! বাইরে ভীষণ গরম!

আরিয়ান: ঠিক আছে, আন্টি। সোহান না-হয় না-ই এল। সোহানের ফুটবলটা কি বাইরে এসে আমাদের সঙ্গে খেলতে পারে?









 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

চারপাশে সব অন্ধকার



এক প্রতিবেশীর সাথে দেখা হল আরেক প্রতিবেশীর। : শুভ সন্ধ্যা। : সন্ধ্যা মানে? এই ভর দুপুরে বলছেন শুভ সন্ধ্যা? : আমি খুবই দুঃখিত। কিন্তু কী করব বলুন, আপনাকে দেখলেই আমার চারপাশে সব অন্ধকার হয়ে আসে যে।

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

ট্রেন ধরতে



আপনার কুকুরটা আমাকে স্টেশন পর্যন্ত তাড়া করেছিল আজ? আমি আপনার নামে মামলা করব! : এ জন্য তো আপনার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। : কেন? : কুকুরটা তাড়া না করলে আপনি ট্রেন ধরতে পারতেন না। -



হাতের লেখা আর বানান ভুল

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

পাশের বাসার কলেজপড়ুয়া ছেলেটিকে ডেকে এনেছেন এক বৃদ্ধ। নিজে পড়ালেখা জানেন না। ছেলেটার হাতে একটা বিস্কুট ধরিয়ে দিয়ে বললেন, বাবা, আমার হয়ে একটা কাজ করে দেবে? কী কাজ? বলেন। তেমন কিছু না, যদি একটা চিঠি লিখে দিতে! আচ্ছা ঠিক আছে, বলেন কী লিখতে হবে। এরপর ঘণ্টাখানেক ধরে লোকটার কথানুযায়ী পুরো চিঠিটাই লিখে ফেলল ছেলেটা। চিঠি লেখা হলে সে লোকটাকে জিজ্ঞেস করল, আর কিছু? বৃদ্ধ মাথা চুলকে বললেন, হ্যাঁ, চিঠির নিচে লিখে দাও—জঘন্য হাতের লেখা আর বানান ভুলের জন্য মার্জনা করিবেন।

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

মেয়ের জামাই আর পুত্রবধূ



এক বৃদ্ধা পাশের বাড়ির মহিলার কাছে তাঁর মেয়ের জামাই আর পুত্রবধূর কথা বলছিলেন। : মেয়ের জামাই আমার খুবই ভালো। প্রতি সকালে মেয়ের জন্য নাশতা বানিয়ে বিছানায় নিয়ে আসে। অফিস থেকে ফিরে আবার রান্নাঘরে ঢোকে। রাতে বিছানার মশারিটাও টানায় জামাই। জামাই আমার মেয়েকে বড় সুখে রেখেছে। : আর ছেলের বউ কেমন? : বউটার কথা আর বলবেন না। অলসের এক শেষ। ডাইনি আমার ছেলের হাড়-মাংস জ্বালিয়ে খেল। সকালে ঘুম থেকে ওঠে ১০ টার সময়। উঠার সাথে সাথে ছেলে গিয়ে বেড টি দিয়ে আসে। তারপর আবার সকালের নাস্তা দিতে হয়। অফিস থেকে ফেরার পরও নিস্তার নেই। রান্নাঘরে ঢুকে। ছেলের হোম-ওয়ার্ক দেখিয়ে দিতে হয়। আর নবাবজাদি পায়ের উপর পা তুলে বসে বসে টিভি দেখে না হলে ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে। -

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

জলাতঙ্ক





একজন ভদ্রলো্‌ক তাঁর প্রিয় কুকুরটি হারিয়ে যাওয়ায় কাগজে বিজ্ঞাপন দিলেন : আমার হারিয়ে যাওয়া কুকুরটি একটা কালো রঙের বুলডগ, জিমি, জিমি বললে সাড়া দেয়, লেজ নাড়ে, কিন্তু দুঃখের কথা কয়েকদিনের মধ্যেই কুকুরটির জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ দেখা দেবে। ঠিক তার পরদিনই তিনি কুকুরটি ফেরত পেলেন। -

 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

হ্যালো ফায়ার সার্ভিস



ফায়ার সার্ভিস অফিসে একটা ফোন এল।
-হ্যাঁলো, এটা কি ফায়ার সার্ভিস অফিস?
-হ্যাঁ, বলুন।
-দেখুন, মাত্র কিছুদিন হলো আমি আমার ফুলের বাগান করেছি। ছোট্ট সুন্দর বাগান, নানা জাতের ফুল ফুটেছে···
-আগুন লেগেছে কোথায়?
-গোলাপের চারাগুলো খুব দামি, অর্ডার দিয়ে বিদেশ থেকে আনিয়েছি···
-কোথায় আগুন লেগেছে তা-ই বলুন, শিগগির।
-তাই তো বলছি। আগুন লেগেছে আমার পাশের বাড়ি। আপনারা তো এক্ষুনি আসবেন। তাই আগে থেকেই অনুরোধ করছি, আগুন নেভানোর ফাঁকে একটু পানি ছিটিয়ে দিয়েন, অনেক দিন পানি দেওয়া যাচ্ছে না।

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

ব্যাঙের ছাতা কোথায় পান



-আপনারা ব্যাঙের ছাতা কোথায় পান? -প্রতিবেশীর বাড়ির ছাদ থেকে। -ওখানে কি ওরা ব্যাঙের ছাতার চাষ করে? -না, ওখানে ওরা সেগুলো শুকাতে দেয়।



 ♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣


শিক্ষক: কে ''I lovE YOu'' আবিঙ্কার
করেছে ??
ছাত্র.: CHina কোমপানী|
শিক্ষক: (অবাক হয়ে) কীভাবে বুঝলে
বাবা??
ছাত্র: এর কোন GUARAntee নাই QUAlity ও
নাই....|mybdoffer.com
....
....
টিকলে সারাজীবন টিকে না টিকলে ২
দিন ও টিকে না.......

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

২) বল্টু কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিয়েই
বললো,,
“আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই”!
.
.
মেয়ে এক্সিকিউটিভ: “হ্যালো স্যার, বলুন
আপনাকে কি সাহায্য করতে পারি?”
বল্টু: “আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই”
মেয়েঃ “সরি স্যার, আপনি মনে হয় ভুল
নাম্বারে কল দিয়েছেন”mybdoffer.com
বল্টু:“না আমি ঠিক নাম্বারেই ফোন
দিয়েছি। প্লিজ আমাকে বিয়ে করুন”
.
মেয়েঃ “সরি স্যার। আমি এখন বিয়ে
করতে
আগ্রহী না।“
বল্টু: “আরে শুনুন না। বিয়ের পর হানিমুনে
সেইন্ট মার্টিনে নিয়ে যাবো আপনাকে”
মেয়েঃ “স্যার, বলছি আমি আগ্রহী না।
তবুও
আপনি কেন এরকম করছেন?”
বল্টু: “আচ্ছা আপনি হানিমুনে বিদেশে
যেতে চান?? ঠিক আছে তাহলে
মালয়েশিয়া,
থাইল্যান্ডে হানিমুন হবে”
.
মেয়েটি ফোন কেটে ব্লক করে দিল
এবার
বল্টু মেসেজ পাঠানো শুরু করলো
“আপনি যেখানে চান সেখানে বিয়ের
অনুষ্ঠান হবে।“
একটু পর আবার মেসেজ
“বিয়ের জন্যে শপিং সব আপনার ইচ্ছাতেই
হবে”
.
.
শেষমেশ মেয়ে এক্সিকিউটিভ বিরক্ত
হয়ে
ফোন করল
বল্টু কে ... .
মেয়েঃ “স্যার বুঝার চেষ্টা করুন, আমি
বারবার বলছি যে আমি আগ্রহী না। তবুও
কেন
আপনি এরকম করছেন??”
বল্টুঃ “তাহলে তোরা ডাইনীর বাচ্চারা
কেন সারাদিন আমাকে মেসেজ পাঠাস?
কল
করস তোগো দুনিয়ার সব সার্ভিস আমারে
জোর কইরা বুঝাস, রাত বিরাতে ঘুম
ভাঙ্গাস,
যদিও আমি আগ্রহী একফোটাও না !
কেনো
কেনো কেনো, জবাব দে ডাইনী,,,,!

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

৩)
আমাদের ইয়ারুল ভাই
বলটু
ঢাকার এক চায়ের
স্টলে চা খেতে
গেছেন।
বল্টু তার সাইকেলটি
বাহিরে রেখে চা খাচ্ছিলেন।
দোকানের মালিক আবার
সাইকেল
চোরাচক্রের সাথে যুক্ত।
দোকানদার সাইকেলটি
সরিয়ে ফেললেন।চা পান শেষে
সাইকেলের মালিক
বল্টু ইয়ারুল ভাই বেজায়
রেগে গেলেন।
বল্টু ইয়ারুল ভাই দোকানের মালিককে
শাসালেন"অবিলম্বে আমার সাইকেল
ফেরত
দেয়ার ব্যবস্থা কর, নইলে
চট্টগ্রামেmyboffer.com
যা করেছিলাম এখানেও তা-ই
করব"
তার তর্জন-গর্জনে
ভীতু হয়ে দোকানদার
চোরদের কাছ
থেকে সাইকেলটি
নিয়ে তাকে ফেরত দিলেন। উপস্থিত উৎসুক
জনতা জানতে চাইল
চট্টগ্রামে তিনি
সাইকেল হারিয়ে কী করেছিলেন বল্টু
ইয়ারুল ভাই গম্ভীর হয়ে জবাব
দিলেন কী আর করব? সাইকেল
না পেয়ে  দুজন হেটেয় চললাম।

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

৪) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাসায় বড় বড়
কবিদের আড্ডা হচ্ছে....... ""
বল্টু সেখানে সবার জন্যে চা বানিয়ে
নিয়ে গেছে।
.
বল্টুর বানানো চা খেয়ে প্রথমে
"কবিগুরু" বললেন, . 'আমারো পরাণো
যাহা চায়, তার কিছু নাই, কিছুই নাহি
এই চায়ে গো......
.
এটা শুনে বিদ্রোহী কবি নজরুল লাফ
দিয়ে উঠে বললেন, "আমি বিদ্রোহী
রণক্লান্ত, আমি সেইদিন হব শান্ত! যদি
ভালো করে কেউ চা বানিয়ে
আনতো!"
.
নজরুলের কথা শুনে.. উদাস মুখে
জীবনানন্দ দাস বললেন, 'আর আসিবনা
ফিরে,রবি ঠাকুরের নীড়ে, গরম চায়ে
মুখ দিয়ে ঠোঁট গিয়েছে পুড়ে...
.
খানিক পরেই কবি সুকান্ত বললেন,
'কবিতা তোমাকে দিলাম বিদায়,এক
কাপ চা যেনো ঝলসানো ছাই!
.mybdoffer.com
হেলাল হাফিজ তখন গুমরে বললেন, 'নষ্ট
পাতির সস্তা চায়ে মুখ হয়েছে তিতা!
কষ্ট চেপে নষ্ট চায়ে, মুখ দিয়েছি
কিতা?
.
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ নরম কন্ঠে বললেন,
'ভালো আছি,ভালো থেকো!
চায়েতে চিনি বেশি মেখো! দিও
তোমার......
.
তাকে থামিয়ে দিয়ে..... __ . কবি
নির্মলেন্দু গুণ বললেন, 'আমি হয়তো মানুষ
না, মানুষগুলো অন্যরকম! মানুষ হলে এমন
চায়ে চুমুক দিতাম না! .

পরিশেষে রবীন্দ্রনাথ অসহায় চোখে
বল্টুর পানে তাকিয়ে বললেন.. "ওরে
অধম, ওরে কাচা! ভালো করে চা
বানিয়ে, আমাকে তুই বাচা!


♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣


৫): এক পাগলের হাতে বই দেখে ডাক্তার
পাগলকে জিজ্ঞেস করল ডাক্তার,
:
তোমার হাতে এটা কিসের বই?
:
পাগলঃ- এই ৫০০ পাতার বইটার লেখক
আমি।
:
ডাক্তারঃ- কি বলো????
:
তো বইতে কি লিখলে?
:
পাগলঃ- প্রথম পাতায় লিখেছি,
এক রাজা ঘোড়া নিয়ে জংগলের
দিকে রওনা হলো।
আর
শেষ পাতায় লিখেছি,
রাজা জংগলে পৌঁছে গেল।
:
ডাক্তারঃ- হতচ্ছারা তাইলে বাকী
পৃষ্ঠায় কি লিখলি?
,
,
,
,
,
পাগল:- টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
টিকডিক
,
,
mybdoffer.com,
ডাক্তারঃ- হতভাগা তোর এই বই পড়বে
কে.................????
:
পাগলঃ- ফেইচবুকে ছেড়ে দিবো ।
সেখানে অনেক পাগল আছে।
এবং
অলরেডি এক পাগলে পরতেছে আর
মুচকি
মুচকি হাসছে ।
:
হি হি হি হি হি হি হি হি হি হি হি




tag,
bangla jokes, bangla facebook States, bangla hasir golpo, sss,message,  বাংলা হাসির গল্প, এসএমএম,মেসেজ , কৌতুক  ফেইসবুক স্ট্যাটাস , মজার কাহিনি,ঘটনা,নাট বল্টুর কান্ড কারখানা,বাংলা জোকস,সেরা গল্প ২০১৬,১৭,১৮,বাংলা বোকা বানানোর / sms,bangla gopal bar,var ar golpo, banglahasir quaid,fools sm s
বাংলা গোপালভাড়ের গল্প 

Load comments