হিন্দু বাংলা এসএমএস Hindu bangla sms


হিন্দু বাংলা এসএমএস Hindu bangla sms



গীতা স্বর্গ গীতা ধর্ম গীতা কর্ম গীতা সুখ গীতা শান্তি গীতা মুক্তি

কর্কশ স্বরে কথা বলো না, তিক্ত কথা যেন মুখ ফসকে বেরিয়ে না যায়। [যর্জুবেদঃ ৫.৮]

এবার মাগো বিদায় তবে , আসছে বছর আবার হবে ,সবাইকে মা রেখো সুখে ,শুভ বিজয়া মিষ্টি মুখে !

একজন নিরীহ মানুষের ক্ষতি যে করে সে মানুষ নয়, সে হায়েনা । তার কাছ থেকে দূরে থাকো । [ঋগবেদঃ ২.২৩.৭]

ঈশ্বরকে খুঁজলেই পাওয়া যায় না, তাঁর মধ্যে হারিয়ে গেলে তবেই তিনি ধরা দেন... জয় শ্রী কৃষ্ণা...

আর্যভট্ট তাঁর আর্যভট্টীয় বই এর ৪র্থ অধ্যায় গোলাপাদ এর ৩৭ নং সূত্রে উল্লেখ করেন যে সূর্যগ্রহণ এর জন্য চাঁদ এর ছায়া এবং চন্দ্র গ্রহণের জন্য পৃথিবীর ছায়া ক্রিয়াশীল। ভারতের বিজ্ঞান চিরকালই উন্নত ছিল..

আপ্যায়মানো অমৃতায় সোম দিবি শ্রবঃসুত্তমানি ধিস্ব।। (যজুর্বেদ ১২.১১৩) অনুবাদ- "হৃদয়ে সবসময় মহত্ ও দিব্য চিন্তা ধারন কর।খাদ্য যেমন তোমায় বাঁচিয়ে রাখে,এগুলো তোমার আত্মাকে তেমনি সজীব রাখবে।"

অহম(অহংকার) মনুষ্যের সবচেয়ে বড় শত্রু.. -ঋকবেদ

অজ্যেষ্ঠাসো অকনিষ্ঠাস এতে সং ভ্রাতারো তাবৃধুঃ সৌভগায় যুবা পিতা স্বপা রুদ্র এযাং সুদুঘা পুশ্নিঃ সুদিনা মরুদ্ভঃ ॥ (ঋগবেদ ৫.৬০.৫)

বঙ্গানুবাদ : কর্ম ও গুনভেদে কেউ ব্রাহ্মন,কেউ ক্ষত্রিয়,কেউ বৈশ্য,কেউ শুদ্র।তাদের মধ্যে কেহ বড় নয় কেহ ছোট নয়।ইহারা ভাই ভাই । সৌভাগ্য লাভের জন্য ইহারা প্রযত্ন করে ।ইহাদের পিতা তরুন শুভকর্ম ঈশ্বর এবং জননীরুপ প্রকৃতি।পুরুষার্থী সন্তানই সৌভাগ্য প্রাপ্ত হন।

অগ্নির্বৃত্রাণি জঙ্ঘনদ দ্রবিণস্যুর্বিপন্যয়া। সমিদ্ধঃ শুক্র আহূতঃ ॥

হে প্রাণসন্দীপ্ত, জ্যোতিষ্মান ,সমগ্র জগতে কীর্তিত,সকল প্রশংশায় প্রশংসিত,তুমি অন্যায়ের সংহার কর আর ন্যায়ের কর অধিষ্ঠান। -সামবেদ

অক্ষ্যৌ নৌ মধুসংকাশে অনীকং নৌ সমঞ্জনম্॥ অন্তঃ কৃণুষ্ব মাং হৃদি মন ইন্নৌ সহাসতি। --অথর্ববেদ, ৭. ৩৬. ১

অনুবাদ আমাদের আঁখি হোক মধুসিক্ত, অপাঙ্গ হয় যেন প্রেমে লিপ্ত। হৃদয়ের ব্যবধান হোক মুক্ত, আমাদের মন হোক যোগযুক্ত।

“পরের কৃত ও অকৃত কর্মের প্রতি লক্ষ্য না রেখে নিজের কৃত ও অকৃত কর্মের প্রতি লক্ষ্য রাখুন।” গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা

\"সমগ্র মহাবিশ্ব ধ্বংস বা পুনঃসৃষ্টি হলেও বেদ সকল কালের জন্য প্রযোজ্য ও সর্বদা অপরিবর্তিত থাকবে...।\"\" ঋগবেদ ১০/১৯০/১-৩

\"মানুষ তখনই কলুষিত হয় তখন যখন সে মাংস ভক্ষন, সুরাপান ও জুয়া খেলায় লিপ্ত হয়।\" অথর্ববেদ ১.৬০.৭

\"কখনো ভেবো না আত্মার পক্ষে কোনো কিছু অসম্ভব... এটা ভাবাই সবচেয়ে বড় অধর্ম ... পাপ যদি বলে কিছু থেকে থাকে তাহলে সেটা হল নিজেকে বা অন্য কাউকে দুর্বল ভাবা...\"

\"আমি যত মানুষেরর কথা জানি,তাঁদের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ সর্বাঙ্গ সুন্দর। তাঁর মধ্যে মস্তিষ্কের উৎকর্ষ, হৃদয়বত্তা ও কর্মনৈপুণ্য সমভাবে বিকশিত হয়েছিল।তিনি অনাসক্তির মহৎ দৃষ্টান্ত।তিনি অনেককে রাজা করেছেন,কিন্তু স্বয়ং সিংহাসনে আরোহণ করেননি।কৃষ্ণের মাহাত্ম্য এই যে, বেদের যত প্রচারক হয়েছেন,তাঁদের মধ্যে তিনি শ্রেষ্ঠ।\" -স্বামী বিবেকানন্দ

"বেদ হচ্ছে সকল সত্য জ্ঞানের উত্স.. মহাকর্ষ শক্তি যেমন আবিস্কারের আগেও বিদ্যমান ছিল, তেমনি মানবজাতি যদি এটা ভুলেও যায় তারপরও এটা অপরিবর্তিতভাবে বিদ্যমান থাকবে।ঠিক তেমনি বেদ" -স্বামী বিবেকানন্দ

"ধনীদের উচিত দুঃস্থদের দান করা,তাদের দুরদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়া উচিত কেননা ধনসম্পদ হল রথের চাকার মত,এখন যা এখানে পরমূহুর্তেই তা অন্যখানে গতিশীল হয়।" (ঋগ্বেদ ১০.১১৭.৫)

"দান করা কর্তব্য এই চিন্তা করে,প্রতিদানের আশা না রেখে সত্পাত্রে,উপযুক্তস্থানে, সঠিকসময় যে দান করা হয় তাই সাত্ত্বিক(উত্কৃষ্ট) দান।" (গীতা ১৭.২০)