Wednesday, 13 December 2017

আজ হাসুন বাংলা কৌতুক best Bangla jok


  • আজ হাসুন বাংলা কৌতুক best Bangla jok





বাবু খুব তোতলায়। এমনটা ছোটবেলায় হতো না, এখন কেন হচ্ছে জানার জন্যে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করলো সে।

ডাক্তার তাকে আপাদমস্তক পরীক্ষা করে কারণটা খুঁজে পেলেন। তিনি জানালেন, ‘দেখুন মিস্টার বাবু, আপনার বিশেষ প্রত্যঙ্গটি অত্যন্ত দীর্ঘ। সেটির ওজনে আপনার ভোকাল কর্ডে টান পড়েছে। প্রত্যঙ্গটি কেটে খানিকটা ছোট করা হলে সম্ভবত আপনার তোতলামি সেরে যাবে। আপনি রাজি হলে আমি এখন যা আছে, তার অর্ধেকে আপনাকে নামিয়ে আনতে পারি। তবে যে অর্ধেক সরিয়ে ফেলা হবে, সেটি কিন্তু আপনাকে হস্তান্তর করা হবে না। আপনি কি রাজি?’

কী আর করা, বাবু রাজি হলো। অপারেশন সফল হওয়ার পর তার তোতলামি সেরে গেলো। কিন্তু বাবুর বান্ধবী টিনা সব জানতে পেরে ভীষণ চটে গেলো। সে হুমকি দিলো, তোতলামি নিয়ে তার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু বাবুর অর্ধেক যদি বাবু ফেরত না নিয়ে আসে, এ সম্পর্ক সে রাখবে না। কী আর করা, মাসখানেক টিনাকে বোঝানোর চেষ্টা করে বিফল হয়ে শেষে বাবু আবার গেলো ডাক্তারের কাছে।

‘ডাক্তারসাহেব, আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন।’ আব্দার জানালো বাবু, তারপর বর্তমান পরিস্থিতি ডাক্তারকে বুঝিয়ে বললো।

কিন্তু ডাক্তার কোন জবাব দিলেন না, ভাবুক চোখে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে।

বাবু চটে গেলো। ‘কী হলো, কথা শুনতে পাচ্ছেন না আমার? আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন।’

ডাক্তারও চটে গিয়ে বললেন, ‘প-প-প-পারবো না। যান, ভ-ভ-ভাগেন এখান থেকে।’





: কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?

: কেন ?

: আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার ।

: তিন মাস পরে আসেন, উনি নারীঘটিত কেসে ছয় মাসের জন্য জেলে আছেন।





বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবে আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা করে ফেলি।”

আরেকদিন মাছি ঢুকতেই জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবেই আমারা আমাদের শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি”

পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা। বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল, “কি, তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই করো না?”

“হুমমমম…তোরা বুঝোস না কিছুই। এমন কাম করছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ হইতে পারবো না!”





নাইট-শো সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরছে এক লোক। হঠাৎ দেখল, তার আগে একটা মাতাল টলতে-টলতে যাচ্ছে। তার একটা পা ফুটপাতের উপরে, একটা পা রাস্তায়। লোকটি এগিয়ে গিয়ে মাতালটাকে রাস্তায় নামিয়ে দিল।
মাতাল তখন সোজা হয়ে হাঁটতে হাঁটতে বলল, আমি ভেবেছিলাম আমি বুঝি খোড়া হয়ে গেছি।




এক ভদ্রলোক এতই অলস ছিল যে বিয়ে করে বাসররাতে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে অপেক্ষায় ছিলেন কখন ভূমিকম্প হয়। হানিমুনটা তিনি ট্রেনেই সেরেছেন!!!





আলাল আর দুলাল ক্রিকেট খেলা দেখছে। যখনই তামিম একটা চার মারলো তখন….

আলাল: ওরে কি গোল মারছেরে।

দুলাল: আরে বেকুব, গোল এখানে না, গোল হয় ক্রিকেট খেলার মধ্যে….





ব্যাটসম্যান ছক্কা পেটাবার পর বলটা দর্শকদের ভিতরে গিয়ে পড়েছিল। একজন ফিল্ডার আস্তে আস্তে দৌড়ে গেল সেদিকে। বলটা ফেরত চাইল। কিন্তু বলটা কিছুতেই খুঁজে পাওয়া গেল না। দর্শকদের ভেতর বসে ছিল এক কমবয়েসী ছোকরা। সে খুব নিরীহ মুখে জানাল, আমার মনে হয়, বলটা বোধহয় এদিকে পড়ে নি। তবে আমি বাড়ি থেকে একটা বল নিয়ে এসেছি, আপনার খুব প্রয়োজন হলে একশ টাকা দিয়ে সেটা কিনতে পারেন। নেবেন?





নাইট-শো সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরছে এক লোক। হঠাৎ দেখল, তার আগে একটা মাতাল টলতে-টলতে যাচ্ছে। তার একটা পা ফুটপাতের উপরে, একটা পা রাস্তায়। লোকটি এগিয়ে গিয়ে মাতালটাকে রাস্তায় নামিয়ে দিল।
মাতাল তখন সোজা হয়ে হাঁটতে হাঁটতে বলল, আমি ভেবেছিলাম আমি বুঝি খোড়া হয়ে গেছি।





১ম বন্ধুঃ জানিস আমার বউ পানিকে বিশাল ভয় পায়।

২য় বন্ধুঃ কেমনে জানলি?

১ম বন্ধুঃ আজ অফিস থেকে ফিরে দেখি গোসল করার সময়ও সিকিউরিটি গার্ডকে বাথটাবে পাহারায় রেখেছে।





ক্লাস থ্রী এর দুই পিচ্চি পোলা টয়লেটে পিসাব করছে।

-দোস্ত! তোর জিনিসের ওপর চামড়া নাই ক্যান?

-আমার মুসলমানী হইছে।

- মুসলমানী কি জিনিস?

- মুসলমানীর সময় সামনের চামড়া কেটে ফেলে।

- তোর কবে করছে?

- জন্মের প্রথম সপ্তাহেই করছে।

- ব্যথা পাইছিলি দুস্ত?

- ছুটু ছিলাম ত কইতে পারি না। তবে হেভী ব্যথা পাইছিলাম এইটা শিওর। একবছর আমি হাটতেই পারি নাই!





বিদেশ থেকে দুবছর পর বাড়ি ফিরে হাসান দেখল তার বউয়ের কোলে ছয় মাসের একটা বাচ্চা। হাসান বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?

: কার আবার, আমার।

: কী! বল, তার নাম বল! কে আমার এত সর্বনাশ করেছে!

বউ চুপ।

: বল, কে সে? নিশ্চয়ই শয়তান জামাল!

: না

: তা হলে নিশ্চয়ই শয়তান জাফর!

: না, তাও না।

: তা হলে কে?

: তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ আমার কি কোনো বন্ধু থাকতে পারে না?





এক ক্রিকেটার নিজের উন্নতিতে বেশ অভিভূত। তাই এক খেলায় তার শাশুড়িকে দাওয়াত করলেন খেলা উপভোগ করতে। কিন্তু ব্যাট হাতে ক্রিজে গিয়ে তিনি কেন জানি স্নায়বিক দুর্বলতা অনুভব করছিলেন। তাই পেছনের উইকেট কিপারকে বললেন_ আমার খুব দুশ্চিন্তা হচ্ছে, এ বলটি ঠিকমতো হিট করতে পারব কি-না। গ্যালারির ওইখানে আমার শাশুড়ি বসে আছেন। উত্তরে উইকেট কিপার বললেন ভাই রে, আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তুমি কোনোদিনও অতদূরে তোমার শাশুড়িকে হিট করতে পারবে না!





ডাক্তার : আপনি বলছেন সারারাত ধরে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন দেখেন। রোগী : হ্যাঁ। ডাক্তার : কতদিন ধরে এটা চলছে? রোগী : প্রায় এক বছর। ডাক্তার : কিন্তু আপনার অন্য কোনো স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে না? যেমন ধরুন, খাবার-দাবার বা বেড়াতে যাওয়া? রোগী : ও সব করতে গিয়ে আমি আমার ব্যাটিংটা মিস করি আর কী?





সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে এক পকেটমার এসেছে জেলগেটে। এসেই সহকর্মীকে বলল :আজ সকালেই তোমার কেস নিয়ে লড়তে বিখ্যাত আইনজীবী মকমল সাহেবের সঙ্গে দেখা করে এলাম। নগদ বিশ হাজার টাকাও দিতে হলো। :টাকাটা কি তিনি পকেটে রাখলেন? :মকমল সাহেবের নিজের তো তাই ধারণা!





বাজার করে আসার পথে ববের গাড়ি খারাপ হয়ে গেলো। সে গাড়ি থেকে নেমে এল। তার ফার্মটা কাছেই। হেটে যেতে মিনিট দশেক লাগবে। সে আপাতত গাড়িটা ফেলে রেখে চলেই যেতে পারত। পরে মেকানিক নিয়ে এসে ঠিক করা যেত গাড়িটা। কিন্তু সমস্যা হল সাথে কিছু বাজার আছে। একটা বড় হাস, দুইটা মুরগি, একটা বালতি আর চার লিটার রঙের ডিব্বা। এতগুলা জিনিস কিভাবে নেয়া যায় সে বুঝে উঠতে পারছে না।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সে এটা নিয়ে ভাবছে, এমন সময় খুব সুন্দর এবং বছর চব্বিশের এক মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, ৭৭ নম্বর ফার্মটা কোনদিকে?

-৭৭?
আমার বাসার পাশেই। হেটে যেতে বড়জোর দশমিনিট লাগবে। আমিই আপনাকে সাথে নিয়ে যেতাম কিন্তু একটা হাস, দুইটা মুরগি, বালতি আর রঙের কৌটা নিয়ে হাটতে পারছি না।

-এক কাজ করেন। রঙের কৌটাটা নেন বালতির ভিতর। মুরগি দুইটা নেন দুই বগলে আর হাসটা নেন আরেক হাতে।

বব তাই করল। চমৎকার কাজ করছে। পথে কথাবার্তায় মেয়ের নাম জানা হল লিসা। সে যাচ্ছে কাজিন জনের বাসায়।

পথের এক জায়গায় বব বলল, এই ওয়ালটার পাশ দিয়ে একটা শর্টকাট – আছে। এখান দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে।

লিসা বলল, কিন্তু খুব নির্জন মনে হচ্ছে পথ।

-তাতে কি?

-আপনি একজন যুবক। আমি একজন তরুনী। ধরেন, আপনি যদি নির্জনে আমার সাথে u know what শুরু করতে চান?

-হা হা হা! আমার একহাতে বালতি, যেটার ভিতর রঙের কৌটা, আরেক হাতে হাস। দুই বগলে দুইটা মুরগি। আমি কিভাবে আপনার সাথে জোর করে কিছু করতে পারি?

-ধরেন, আপনি বালতি থেকে রঙের কৌটাটা বের করে সেটা উল্টিয়ে হাসটা রাখলেন। হাসটা যেন না পালাতে পারে সেজন্য রঙের কৌটাটা বালতির ওপর রাখলেন। তাহলেই হল।

-ভুল করছেন। দুইটা মুরগি আছে যে, সেগুলার কি করব শুনি?

একটু হেসে লিসা বলল, মুরগি দুইটা না হয় আমিই ধরে রাখলাম।

দম ফাটানো হাসির কৌতুকbangla koutuk harun kisinzar ,bangla koutuk 2018 ,bangla koutuk 2018 ,koutuk bangla new SMS bangla koutuk free download ,bangla koutuk mojibor ,bangla koutuk book app ,bangla koutuk golpo ছোট কৌতুক ,হাসির কৌতুক গল্প ,কৌতুক বাংলা ভিডিও ,মজার কৌতুক ১৮+B,কৌতুক ২০১৮ মজার হাসির কৌতুক ,মজার কৌতুক গল্প হাসির কৌতুক ১৮ ,হাসি sms হাঁসির sms ,মজার sms ,হাসির sms চাই ,বোকা বানানোর sms ,ইসলামিক sms ,বোকা বানানোর কৌশল ,সুখের sms