Thursday, December 7, 2017

হাসুন প্রান খুলে বাংলা কৌতুক best funny jokes

হাসুন প্রান খুলে বাংলা কৌতুক best funny jokes




Bonus Jokes: বল্টু যে বাড়িতে কাজ করে, ঐ বাড়ীর মালিকের হুইস্কির বোতল থেকে দু -এক পেগ চুরি করে খায় আবার সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে রেখে দেয়। মালিকের সন্দেহ হত কিন্তু কিছু বলত না। কিন্তু যখন এটা রোজ হতে লাগলো,, তখন একদিন ড্রইংরুমে বৌয়ের সাথে বসে চিৎকার করে বল্টুকে ডাকতে লাগল।

বল্টু তখন রান্না ঘরে রান্না করছিল।

বল্টু জবাব দিন -জি মালিক।

আমার হুইস্কির বোতল থেকে হুইস্কি খেয়ে পানি মিশিয়ে কে রাখে?

রান্না ঘর থেকে কোন উত্তর এল না মালিক চিৎকার করে একই প্রশ্ন আবার. করলেন কিন্তু কোন জবাব. নেই।

মালিক রেগে রান্না ঘরে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন এসব কি হচ্ছে, যখন তোর নাম ধরে ডাকছি উত্তর দিচ্ছিস আর যখন অন্য কিছু জিেজ্ঞস করছি তো উত্তর দিচ্ছিস না?

বল্টু: -মালিক রান্না ঘর থেকে শুধু নাম শোনা যায় অন্য কিছু শোনা যায় না।

মালিক: চুপ মিথ্যাবাদী এরকম আবার হয় নাকি? তুই ড্রইংরুমে যা সেখান থেকে আমাকে প্রশ্ন কর আমি উত্তর দিচ্ছি...

বল্টু ড্রইংরুমে গিয়ে মালিকের বউয়ের পাশে বসে আওয়াজ দিল ...মালিক

মালিক: হ্যাঁ বল্টু শুনতে পাচ্ছি!

বল্টু :বাড়িতে কাজের মেয়েকে মোবাইল কে কিনে দিছে?

কোন উত্তর নেই ...

আবার প্রশ্ন করল কাজের মেয়েকে পার্কে ঘুরাতে কে নিয়ে গেছিল ওপাশ থেকে তখনো কোন উত্তরনেই।

মালিক বেরিয়ে এসে তুই ঠিক বলছিস তো বল্টু রান্না ঘর থেকে শুধু নামটাই শোনা যায় আর অন্য কিছু শোনা যায় না -

আজব ব্যাপার.....




বিচারক আসামীকে ২০ বছরের সাজা দিয়েছেন।
আসামী- হুজুর, আমি একটা জিনিস জানতে চাচ্ছিলাম।
বিচারক- বল। কি প্রশ্ন?
-যদি আমি আপনাকে শুয়োরের বাচ্চা বলে গালি দেই , তা হলে কি হবে?
-আদালত অবমাননার অভিযোগে, তোমার সাজা আমি আরো ২ বছর বাড়িয়ে দিব।
-যদি আমি মনে মনে চিন্তা করি, মনে মনে গালি দেই?
-তাহলে সমস্যা নাই।
-তাইলে আমি মনে মনে ভাবছি, আপনি একটা মোটা মাদী শুয়োরের ভোটকা একটা বাচ্চা।




একজন ছাত্র পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখল, সে কোনো উত্তর পারে না। তখন ছাত্রটি খাতায় লিখল, ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম, নম্বর দেওয়া স্যারের কাম।’
পরীক্ষার কাগজ পেয়ে শিক্ষকও খাতায় লিখে দিলেন, ‘হরে হরে হরে, নম্বর কি গাছে ধরে?’





লাঞ্চ আওয়ারের পরে অফিসে আসতে দেরি হওয়ায় বড় সাহেব ডেকে পাঠালেন কামাল সাহেবকে,
-এখন ক’টা বাজে কামাল সাহেব?
-(কাচুমাচু হয়ে)স্যার,লাঞ্চ করে বিছানায় একটু গা টানা দিতে গিয়ে হঠাত ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম।
-এ কেমন কথা!আপনি বাসায়ও ঘুমান!?





ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে প্রেমিক-প্রেমিকা গেল একটা দামি রেস্টুরেন্টে দিনটাকে সেলিব্রেট করতে।

প্রেমিকঃ কী খাবে বলো।

প্রেমিকাঃ তুমিই অর্ডার দাও।

প্রেমিকঃ না আজ তুমি অর্ডার দিবে। তুমি তো জেনেই গেছ আমি আসলে কী খেতে ভালোবাসি।

প্রেমিকাঃ অসম্ভব! এতো লোকের মাঝে সেটা আমি করতে পারব না।





এক ছেলে এবং তার নতুন বান্ধবী এক সন্ধ্যায় শহর থেকে একটু দূরে গাড়ী নিয়ে বেড়াতে বেড় হলো। গাড়ী কিছু দূর যাওয়ার পর একটা নির্জন জায়গা দেখে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে গাড়ী থামাতে বলল। ছেলেটি গাড়ী থামিয়ে মেয়েটির দিকে তাকাল। মেয়েটি বলল-”আসলে তোমাকে বলা হয়নি যে আমি একজন কল গার্ল এবং আমার রেট ২০০০ টাকা।” ছেলেটি অবাক না হয়ে তার দিকে তাকাল এবং তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে দুজন মিলন আনন্দে কিছুক্ষণ আদিম খেলায় মত্ত হলো। দৈহিক প্রশান্তির পর বান্ধবীর পেমেন্ট দিয়ে কিছুটা ক্লান্তি নিয়ে ছেলেটা একটা সিগারেট ধরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে কুন্ডলী পাকাতে লাগল। তার নির্লিপ্ততা দেখে বান্ধবী ছেলেটি কে বলল-”আমরা বসে আছি কেন? চলো ফিরে যাই।” ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল-”ও তোমাকে আগে বলা হয়নি আমি একজন টেক্সী ড্রাইভার, এখান থেকে শহরে ফেরার ভাড়া হচ্ছে ২৫০০টাকা।





প্রেমিকঃ আমার প্রেমে পড়ার আগে আর কারো সঙ্গে প্রেম হয়েছিল তোমার?

প্রেমিকা চুপ।

প্রেমিকঃ কথা বলছো না যে? রাগ করলে?

প্রেমিকাঃ রাগ করি নি, আমি গুনছি।





ভ্যালেন্টাইন ডে’তে এক বৃদ্ধ আর বৃদ্ধা কথা বলছে।

বৃদ্ধাঃ জানো আজ ভ্যালেন্টাইন ডে।

বৃদ্ধঃ তাই না-কি?

বৃদ্ধাঃ ওগো মনে আছে। সেই যে ৫০ বছর আগে এক ভ্যালেন্টাইন ডে’তে তোমার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়।

বৃদ্ধঃ হ্যা হ্যা মনে থাকবে না কেন! আমি তখন প্যারিসে ব্যবসা করতাম, সব ছবির মতো মনে পড়ছে।

বৃদ্ধাঃ আর ওটা মনে নেই?

বৃদ্ধঃ কোনটা বলো তো?

বৃদ্ধাঃ আহ্ আর ন্যাকামো করো না তো।

বৃদ্ধঃ ও হ্যা হ্যা মনে পড়েছে, ঐ দিন আমি তোমার গাল কামড়ে দেই।

বৃদ্ধাঃ (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) সেই দিন কি আর ফিরে আসবে?

বৃদ্ধঃ কেন আসবে না? দাঁড়াও বাথরুম থেকে নকল দাঁতটা লাগিয়ে আসি।





জেলারঃ আপনি জেলার পদে কাজ করতে পারবেন?
প্রার্থীঃ অবশ্যই পারব স্যার
জেলারঃ বলেন তো কয়েদীরা ঝামেলা করলে কি করবেন?sad
প্রার্থীঃ এক ঝাড়ি দিয়ে থামিয়ে দেবো স্যার
জেলারঃ যদি বেশি বেয়াদবী করে?
প্রার্থীঃ থাপ্পড় দিয়ে ওদেরকে জেল থেকে বের করে দিবো স্যার





এক লোক সবসময় ক্রিকেট নিয়ে মেতে থাকে। একদিন তার বৌ গোমড়া মুখে তাকে বলল, তোমার শুধু সবসময় ক্রিকেট আর ক্রিকেট ! তুমি তো বোধহয় আমাদের বিয়ের তারিখটাও বলতে পারবে না!

লোকটি লাফিয়ে উঠে বলল, ছি ছি, তুমি আমাকে কী মনে কর! আমি কি এতই পাগল নাকি? আমার ঠিকই মনে আছে, যেবার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ইন্ডিয়ার খেলায় টেন্ডুলকর এগার রানের মাথায় মুত্তিয়া মুরলিথরনের বলে আউট হয়ে গেল, সেদিনই তো আমাদের বিয়ে হল!





বাবা পুকুরে নেমে গোসল করছেন মা ও ছেলে পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে দেখছে। হঠাৎ ছেলেটি বললো মা আমিও বাবার সঙ্গে পুকুরে গোসল করব ।
মা- না বাবা তোমার এখন ও ইন্স্যুরেন্স করা হয়নি ।




শিক্ষক :- বলোতো বল্টু , পৃথিবীর আকার কিরকম........??

বল্টু :- গোল স্যার...........!!

শিক্ষক :- বাঃ......!! কি করে তুমি বুঝলে...........??

বল্টু :- এতে আর বোঝার কি আছে স্যার..........!!

প্রথম সাপ্তাহিক পরীক্ষায় লিখলাম পৃথিবী চৌকো, আপনি কেটে দিলেন.......... .!!

পরের পরীক্ষায় লিখলাম চ্যাপ্টা, আবার কেটে দিলেন...........!!

তার পরের পরীক্ষায় লিখলাম লম্বা, সেটাও কেটে দিলেন...........!!

একদিন ত্রিকোণ বলেছিলাম বলে আপনি মেরেছিলেন............!!

এখন হিসেব করে দেখলাম, "গোল" ছাড়া তো আর কিছুই পরে নেই, তাই স্যার এ সপ্তাহ থেকে পৃথিবী গোল...............!!




বল্টু এক মেয়ের পিছু নিয়েছে তাকে প্রপোজ করার জন্য,

>মেয়েঃ- এই ছেলে তুমি আমার পিছু নিয়েছো কেন??? তুমি কি জানো আমার পিছনে আমার মা-ও আসতেছে???

> বল্টু - আমরা প্রেমিক বংশের লোক!!!!! তোমার মায়ের পিছনে আমার বাবাও আসতেছে!!!!!!!

আর সামনে যে ছেলেটাকে দেখছো । অইটা আমার ছোট ভাই ।

ভালো করে দেখো ওর সামনে যে মেয়েটা হাটছে অইটা তোমার ছোট বোন!




বল্টু সদ্য গাঁজা খেয়ে বাড়ী ফিরেছে।

কোনভাবেই যেন বাবা টের না পায় সেজন্য খুব সতর্ক।

দরজা খুলে দিতেই সে এ্যাজ ইউজুয়াল কেমন আছো বলে দরজা লাগিয়ে দিলো। বেশী রাত হয়েছে বলে তার বাবা কটমট করে তাকিয়ে আছেন কিন্তু বকাবকি করছেন না।

বাবা বললেন, "ভাত খেয়ে নাও।"

. বল্টু গিয়ে টেবিলে বসেছে।

রগচটা বাবা দাড়িয়ে আছেন পাশে।

ভয়ে ভয়ে সে খুব সতর্ক ভাবে ভাত নেয়, তরকারী নেয়, তারপরে ঠিকঠাক মত খেতে থাকে।

এরপরে ডাল নেয়, ডাল দিয়ে খেতে থাকে।

এবার বাবার দিকে তাকিয়ে দেখে বাবা চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছেন। বল্টু কিছুতেই খুঁজে পায় না সে কি ভুল করেছে।

এক সময় বাবা চিৎকার করে বলে উঠলেন,

.
.
"হারামজাদা তোর প্লেট কই...?!"

দম ফাটানো হাসির কৌতুকbangla koutuk harun kisinzar ,bangla koutuk 2018 ,bangla koutuk 2018 ,koutuk bangla new SMS bangla koutuk free download ,bangla koutuk mojibor ,bangla koutuk book app ,bangla koutuk golpo ছোট কৌতুক ,হাসির কৌতুক গল্প ,কৌতুক বাংলা ভিডিও ,মজার কৌতুক ১৮+B,কৌতুক ২০১৮ মজার হাসির কৌতুক ,মজার কৌতুক গল্প হাসির কৌতুক ১৮ ,হাসি sms হাঁসির sms ,মজার sms ,হাসির sms চাই ,বোকা বানানোর sms ,ইসলামিক sms ,বোকা বানানোর কৌশল ,সুখের sms

Load comments