Tuesday, May 8, 2018

কোরান হাদীস বাংলা ইসলামিক এসএমএস sms

কোরান হাদীস বাংলা ইসলামিক এসএমএস sms

১০টি কাজের ১০টি গুন। (১) তাওবায়- গুনাহ নষ্ট হয়্। (২) ধোকায়- রিজিক নষ্ট হয়। (৩) গীবতে- আমল নষ্ট হয়। (৪) বদ চিন্তায়- হায়াত নষ্ট হয়্। (৫) ছদ্কায়- বিপদ-আপদ দূর হয়। (৬) গোস্বায়- আকল নষ্ট হয়। (৭) দূর্বল ঈমানে -দান-খয়রাত বন্ধ হয়। (৮) অহংকার- জ্ঞান নষ্ট করে। (৯) নেকী- পাপ নষ্ট করে। (১০) ন্যায় বিচার- জুলুম নষ্ট করে।



 আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছেন ‘তোমরা বলতো যদি তোমাদের কারো বাড়ীর দরযায় একটি নদী থাকে আর সে তাতে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে, তাহলে কী তার শরীরে কোনরূপ ময়লা থাকবে? জবাবে সবাই বলল, না তার শরীরে কোন ময়লা থাকবে না। রসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের ব্যাপারটিও অনুরূপ। এর সাহায্যে আল্লাহ গুনাহসমূহের (ধুয়ে-মুছে) বিলোপ সাধন করেন। -বুখারী

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কোন কাজটি আল্লাহর নিকট সবচাইতে প্রিয়? তিনি বললেন, ‘ঠিক সময়ে নামায আদায় করা।’ তিনি (আবদুল্লাহ) পুনরায় বললেন, এরপর কোন কাজটি আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়? নবী (সাঃ) বললেন, ‘পিতামাতার সেবা ও আনুগত্য করা। তিনি আবারও জিজ্ঞেস করলেন, এরপর কোন কাজটি? জবাবে নবী (সাঃ) বললেন, ‘আল্লাহর পথে জিহাদ করা।

ওগো আল্লাহ ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি সুস্থতা , স্বস্তি , বিশ্বস্ততা , উত্তম চরিত্র আর তাকদীরের প্রতি সন্তুষ্টি। [ বায়হাকী ]

 বান্দাহ যখন অপরাধ স্বীকার করে এবং তাওবা করে , তখন আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন। [ সহীহ বুখারী ] ব্যাখ্যা : তাওবা মানে ফিরে আসা। তাওবা করার অর্থ – অন্যায় , অপরাধ ও ভুল হয়ে গেলে তা স্বীকার করে সে জন্যে অনুশোচনা করা ও তা থেকে, ফিরে আসা এবং এমন কাজ আর কখনো না করার সিদ্ধান্ত নেয়া।

 যে ব্যক্তি একজন মুসলমানের দোষ গোপন করবে , আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন করবেন। [ সহীহ মুসলিম ]

কোরান হাদীস বাংলা ইসলামিক এসএমএস sms
আয়না যেমন ময়লা দূর করতে এবং সাজ সৌন্দর্য গ্রহণ করতে সাহায্য করে , তেমনি একজন মুমিনের কর্তব্য তার মুমিন ভাইয়ের দোষ ত্রুটি দূর ও সুন্দর গুণাবলী অর্জন করার কাজে সাহায্য করা।

বান্দাহর উপর আল্লাহর অধিকার হলো , তারা কেবল তাঁরই আনুগত্য ও দাসত্ব করবে এবং তাঁর সাথে কোনো অংশীদার বানাবেনা । [ সহীহ বুখারী ]

শ্রেষ্ঠ কথা চারটি : ক. সুবহানাল্লাহ – আল্লাহ পবিত্র , খ. আল হামদুলিল্লাহ – সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর , গ. লা – ইলাহা ইল্লাল্লাহ – আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, ঘ. আল্লাহু আকবর – আল্লাহ মহান। [ সহীহ মুসলিম ]

যদি আমি এই কোরআনকে কোন পাহাড়ের উপর নাযিল করিতাম তবে তুমি (হে মোহাম্মদ!) নিশ্চয় উহাকে আল্লাহর ভয়ে বিদীর্ণ ও অবনত দেখিতে পাইতে, এবং এই সকল দৃষ্টান্ত আমি মানুষের জন্য বর্ণনা করিতেছি যেন তাহারা চিন্তা করে ও কোরানের মর্যাদা বুঝিতে পারে।  –আল–কুরআনের বঙ্গানুবাদ (৫৯:২১) সূরা হাশ্‌র।

এবং যাহারা আল্লাহ্‌কে ভুলিয়াছে তোমরা কখনও তাহাদের মত হইও না। এবং তিনি তাহাদের জীবনের কল্যাণ হইতে তাহাদিগকে ভুলাইয়া রাখিয়াছেন, কেননা তাহারা বাস্তবিকই বেঈমান লোক।  – আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ (৫৯:১৯) সূরা হাশ্‌র।

“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং নেক কাজ করে, তাদের সাথে আল্লাহ তায়ালা ওয়াদা করেছেন, তিনি জমিনে তাদের অবশ্যই ক্ষমতা এবং কর্তৃত্ব দান করবেন- যেমনিভাবে তিনি তাদের আগের লোকদের ক্ষমতা এবং কর্তৃত্ব দান করেছিলেন, যে জীবন বিধান তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন তাও তাদের জন্য সুদৃঢ় করে দেবেন, তাদের ভীতিজনক অবস্থার পর তিনি তাদের অবস্থাকে শান্তিতে বদলে দেবেন, তারা শুধু আমারই গোলামী করবে, আমার সাথে কাউকে শরীক করবেনা; এরপরও যে তাঁর নাফরমানী করবে তারাই গুনাহগার”।  (সুরাহ আন নুরঃ ৫৫)
কোরান হাদীস বাংলা ইসলামিক এসএমএস sms


 আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে করীমে এরশাদ করেন,   "তোমরা জেনে রাখ যে, দুনিয়ার জীবন ক্রীড়া কৌতুক, শোভা-সৌন্দর্য, তোমাদের পারস্পরিক গর্ব-অহংকার এবং ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে আধিক্যের প্রতিযোগিতা মাত্র। এর উপমা হল বৃষ্টির মত, যার উৎপন্ন ফসল কৃষকদেরকে আনন্দ দেয়, তারপর তা শুকিয়ে যায়, তখন তুমি তা হলুদ বর্ণের দেখতে পাও, তারপর তা খড়-কুটায় পরিণত হয়। আর আখিরাতে আছে কঠিন আযাব এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও সন্তুষ্টি। আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোঁকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।"     [সূরা আল-হাদীদ, আয়াত: ২০]

হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন.  রাসূল (স) ইরশাদ করেন. একজন মুসলিমের প্রতি অন্য মুসলিমের ছয়টি অধিকার রয়েছে। যথা: ১.কোন মুসলমানের সাথে সাক্ষাত্‍ হলে তাকে সালাম দেয়া । ২,কোন মুসলমান আহব্বান করলে তার আহব্বানে সাড়া দেয়া । ৩,কোন মুসলমান হাঁচি দিলে তার জবাব দেয়া । ৪.রোগাক্রান্ত হলে তার সেবা যত্ন করা । ৫,কোন মুসলমান মূত্যুবরণ করলে তার জানাযায় অংশ নেয়া । ৬.নিজের যা পছন্দ অন্যের জন্যেও তা পছন্দ করা ।

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-  রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “এমন দু’টি বাক্য আছে যা উচ্চারণ করতে খুবই সহজ, ওজন-দণ্ডের পরিমাপে খুবই ভারী, দয়াময় আল্লাহর নিকট খুবই প্রিয় (বাক্য দু’টি হলো)-  ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি  সুবহানাল্লাহিল ‘আযীম’ (অর্থ: মহা পবিত্র আল্লাহ্, তাঁর জন্য সমস্ত প্রশংসা।  মহা পবিত্র আল্লাহ্, তিনি মহামহিম।)”   [মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, বুখারী: ৬৪০৬, মুসলিম: ২৬৯৪]

আবু যার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সাঃ) বলেছেনঃ তিন ব্যক্তির সাথে কিয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না ।   (১) খোটা দাতা - যে ব্যক্তি কিছু দান করেই খোটা দেয়,   (২) যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করে এবং   (৩) যে ব্যক্তি টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে ইযার পরিধান করে।  [কিতাবুল ঈমান অধ্যায় ::  সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ১৯৩]
কোরান হাদীস বাংলা ইসলামিক এসএমএস sms

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের জিজ্ঞেস করলেন:  ‘তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ পড়তে পারবে?’   তারা এটাকে কঠিন মনে করল এবং বলল:  ‘হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের মধ্যে কেইবা সেটা করতে সক্ষম হবে?’   তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন :  "এ সূরাটি (সূরা এখলাছ) একবার পড়লে পুরা কুরআনের তিন ভাগের এক ভাগ তিলাওয়াত করার সাওয়াব পাওয়া যায়।’’

‘‘যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ’’ [সুনান আত-তিরমিযী: ২৯১০, সহীহ]।


হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন২টা জিনিশ কাছে রাখলে কোন দিন বিপদ আসবেনা ১=কোরআন ২=হাদিস। ইহা ১০০% সত্য

Load comments