Tuesday, May 14, 2019

সমাজ নিয়ে স্টেটস এসএমএস Society bangla sms

সমাজ নিয়ে স্টেটস এসএমএস Society bangla sms 

সমাজ!
সে আবার কি?🤔🤔

সমাজ মানেই তো😑
ব্যর্থ ব্যাক্তিকে নিয়ে হাসাহাসি!🙁
আর সফল ব্যক্তিকে নিয়ে হিংসা!😤😤


কাউকে মন দিতে হলে মনের
ফটোকপি দেওয়া উচিত, মূলকপি
নয়।
মূলকপি দিয়ে দেওয়া মানে
নিজের গলায় দড়ি বেঁধে
দড়িটা
অপরের হাতে ধরিয়ে দেওয়া।
এবার সে ইচ্ছে হলেই দড়ি ধরে
বলদের মতো ঘোরাতেও পারে,
আবার ইচ্ছে না হলে দড়িটা
সরাসরি গাছের সাথে
ঝুলিয়েও
দিতে পারে।

এই মেয়ে তুমি কি জানো... তোমার জন্য যেই ছেলে আজ নিজের হাত কেটেছে সেই হাতে প্রতিদিন সকালে তার মা চুমু খেত। এই ছেলে তার মায়ের সাথে চোখ রাঙ্গিয়ে কথা বললেও শুধু মাত্র তোমার সঙ্গেই চোখ নিচু করে কথা বলতো.... জানো এই ছেলেকে তার মা প্রতি বেলায় ভাত নিজের হাতে খাইয়ে দিত। ছেলেটার বাবা কিছু টাকা বাচানোর জন্য প্রতিদিন দুই কিলোমিটারের পথ পায়ে হেটে অফিসে যেত। অনেক সময় দুপুরে লাঞ্চ না করে সেই টাকা বাঁচিয়ে ছেলের জন্য তার পছন্দের খাবারটি কিনে নিয়ে আসত। ওদিকে ছেলের কষ্ট হবে এই ভেবে প্রতিদিনই ছেলেকে কলেজে যাওয়ার জন্য রিকশা ভাড়া দিত। কষ্ট করে হলেও ছেলে বন্ধুদের কাছে যেন কখনো ছোট না হয় এই ভেবে প্রতি মাসে ছেলেকে হাত খরচের টাকা দিত। আর এই কষ্টের টাকা গুলো দিয়ে ছেলে তোমাকে নিয়ে দামি রেস্টুরেন্টে গিয়ে টাকা গুলো দুই দিনেই শেষ করে ফেলত। এইতো সেদিন হাত খরচের টাকা না পেয়ে ছেলেটা তার বাবা, মাকে কত আজেবাজে কথা শুনালো। কিন্তু বাবার চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়া জল তার অদেখাই থেকে গেল। এখনো যে দু মাসের ঘর ভাড়া, ছোট মেয়ের স্কুলের বেতন, বাড়িতে অসুস্থ মায়ের জন্য খরচের টাকা পাঠানো বাকি। তুমি ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে রাগারাগি করে সম্পর্ক ব্রেকাপ করলে,কিন্তু এতো কিছুর পরও ছেলেটার বাবা মা সর্বাত্মক চেষ্টা করছে তার ছেলের সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে, ব্রেক আপ না করতে,ছেলেকে সুখী রাখতে। তার পরও ছেলেটা শুধু মাত্র তোমাকেই চায়! -ছেলেটা চরম অকৃতজ্ঞ, আর তুমি প্রতারক!

এক ছোট্ট শিশু ভগবানকে জিজ্ঞাসা করলো :'ঈশ্বর, আল্লা , গড , গুরু --এদের মধ্যে তফাৎ কি ?'
ভগবান হেসে বললেন , 'এঁরা মা , আম্মি , মম , আই এর মতই সমান ...'

এই যে ম্যাডাম? ওড়না কোথায়? বুকটা কেন খালি? ইভটিজারে শিঁস মারিলে, তখন তো দেন গালি।

চুপ বেয়াদব! বলিস কীসব? ঘরে মা-বোন নেই? ড্যাব ড্যাব চোখে তাকিয়ে আছিস, দেখলি মেয়ে যেই। মেয়ের জাতি, মায়ের জাতি, মান্য করতে শিখ। নইলে পরে গায়ের উপর, পড়বে লাথির হিড়িক।

মায়ের জাতি তাই বলে কি, এই নগ্ন চলাফেরা? স্কীন-টাইট জামা কাপড়, নানা জায়গায় ছেড়া? ওড়না পরবো নাকি গলায়, বাঁধব রঙ্গীন ফিতা।

তোদের চেয়ে ঢের বুঝি ভাল, এটা নারীর স্বাধীনতা।

বেশ তো বোঝেন স্বাধীনতা আর, শান- শালীনতা ছাড়া। চামড়া দেখানো কাপড় গায়ে, দিয়ে যান আস্কারা। নেই হিজাব, নেই পর্দা, অশ্লীলতার জুড়ি। রাস্তায় নেমে ছেলেদের মনে, দিয়ে যান সুড়সুড়ি। এসব দেখে অবোধ ছেলেরা, যেই লেগে যায় পিছে। তখন কেন ক্ষেপেন ম্যাডাম? দোষ দেন কেন মিছে?

একজন মহিলার মন একজন পুরুষের মন অনেক বেশি পরিষ্কার...কারণ মহিলারা মাঝে মাঝেই নিজেদের মন বদলে ফেলে...

উত্সবের নামে আমরা তো কত অপচয়ই না করি ! আমরা পারি না আমাদের উত্সব বিলাস একটু কমিয়ে সেইসব মানুষদের মুখে একটু খাবার তুলে দিতে , যাদের দুবেলা দুমুঠো খাবার জোটে না ? অথবা সেই ছেলেটাকে একটা পোশাক দিতে যার পরনের পোশাকটুকুও নেই ?
আসুন সবাই আজ থেকে তাদের একটু একটু করে সাহায্য করার চেষ্টা করি..আমাদের একটু একটু সাহায্যতে তাদের জীবনধারণের রোজনামচাটা হয়তো আর একটু সহজ হবে...বিশ্বাস করুন আপনার মনেও খুশীর ঝলক দেখা দেবে...

একবার একজন ইংরেজ স্বামী বিবেকানন্দকে জিজ্ঞেস করলেন,"আপনি ভালো জামাকাপড় পড়েন না কেন,যাতে আপনাকে ভদ্রলোক মনে হয়?"

একদিন সোনা লোহা-কে জিজ্ঞেস করল যে "আমাদের দুজনকেই একই লোহার হাতুড়ি দিয়ে পেটানো হয়...তাহলে তুমি অত চেঁচাও কেন?"

লোহা উত্তর দিল,"কারণ যখন আপন কেউই কাউকে মারে তখন ব্যথাটা যেন আরো বেশি হয়.."


একদিকে আমরা ঘুষ-প্রথার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই আর অন্যদিকে বাড়ির ছেলেটার/মেয়েটার কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্যে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা \"ডোনেশন\" দিচ্ছি...আগে তো নিজেদের শুধরাতে হবে তবে না সমাজকে শুধরানোর চেষ্টা করা যাবে...

একটি মেয়ের অঙ্গের দিকে যখন তোমার নজর চলে যায় আপনাআপনি, মনে রেখো তার দিকে তাকানো অবস্থায় তোমায় দেখতে মোটেই ভালো লাগে না..এবং সেই অবস্থাতেই তোমায় চারপাশের লোকজনেরা দেখে..

একটি সত্যিকারের
ভালোবাসা একটি অসহায়
জীবনকে নতুন রূপ দিতে পারে,
আবার একটি মিথ্যা
ভালোবাসা একটি সুন্দর
জীবনকে ধ্বংস করে দিতে
পারে...!!

একটি অসাধারণ গল্প..পরে দেখুন একটু...

একটি ২৪-২৫ বছর বয়সী ছেলে তার বাবার সাথে ট্রেনে করে ফিরছিল...ছেলেটি জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছিল, হঠাত করে বলে উঠলো,\"বাবা দেখো গাছগুলো পেছনের দিকে সরে সরে যাচ্ছে...\"
বাবা হেসে ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিল...
আবার কিছুক্ষন পর ছেলে বলল,\"বাবা দেখো মেঘগুলো আমাদের সাথে সাথে যাচ্ছে...\"
পাশে একজন ভদ্রলোক অনেকক্ষন ধরে দেখছিলেন...
এবার আর সামলাতে না পেরে বললেন,\" আপনি আপনার ছেলেকে কোনো ভালো ডাক্তার দেখাচ্ছেন না কেন?\"
লোকটি হেসে বলল,\" তাইই করেছিলাম, আমার ছেলের ছোটবেলা থেকে চোখের দৃষ্টি ছিল না,আজই ফিরে পেয়েছে...\"

একটি হিসেব বলছে যে এ'বছরও অনেক প্রাণ গেছে বাজির অত্যাচারে...আমরা কি এতটাই নিচে নেমে গেছি?

বিবেকানন্দ উত্তর দিলেন,"তোমাদের সংস্কৃতিতে একজন দর্জি সবাইকে ভদ্রলোক বানিয়ে দিতে পারে,কিন্তু আমাদের সংস্কৃতিতে আমাদের চরিত্রই আমাদের ভদ্রলোক বানায়.."

কাউকে কখনো তার বাইরের আচরণ দিয়ে বিচার কোরো না! যদি তা করো তবে জেনে রেখো সেটা হবে তোমার জীবনের অন্যতম ভুল!

কখনোই কাউকে খুব বেশি বিশ্বাস করবেন না।। খুব বেশি ভালোবাসবেন না।। প্রিয়জনের কাছ থেকে খুব বেশি আশা ও করবেন না।। কারণ আপনি যখন কাউকে খুব বেশি ভালোবাসবেন, বিশ্বাস করবেন, সে তখন আপনাকে এতোটাই কষ্ট দিবে যা আপনি সহ্য করতে পারবেন না..

একটা সাপকে তুমি নিয়ে এসে যদি পোষ মানাতে চাও,
তাহলে কোনো দিনই তুমি ১০০% সফল হতে পারবে না...তোমার শত ভালোবাসাও সে ক্ষেত্রে বিফল!

একটা মেয়ে যখন
হাজারটা ছেলের
সাথে বন্ধুত্ব করে
তখন মেয়েটা
\"ফ্রেন্ডলি\", আর একটা
ছেলে যখন মেয়েদের
সাথে
বন্ধুত্ব করে তখন
ছেলেটা হয় লুচ্ছা
,প্লে বয় ..
.
একটা মেয়ে যখন
বাসের ধাক্কায়
ছেলের গায়ে পড়ে তখন
\"আরে ঠিক আছে\"..আর
ছেলেটা যদি মেয়ের
গায়ে পড়ে তবে
নিশ্চয়ই বদ
মতলব আছে ।
.
একটা ছেলে যখন
চুপচাপ থাকে তখন সে
বোকা,আর মেয়ে চুপচাপ
থাকলে ভদ্র ।
.
একটা ছেলে যখন কাঁদে
তখন সে অর্ধ-নারী,
আর মেয়ে যখন
কাঁদে তখন সে
আবেগপ্রবণ..
.
একটা ছেলে যখন
কোনো মেয়ের
স্বপ্ন ভেঙে তাকে
ছেড়ে চলে যায় তখন
সে লম্পট,আর মেয়েটা
বাবা
মায়ের কথা ভেবে যখন
ছেলেটার
স্বপ্ন ভেঙে ছেলেটার
জীবন নষ্ট
করে অন্য কাউকে
বিয়ে করে সে তখন
বাবা মায়ের অনুগত
সন্তান।
.
একটা মেয়ের পিছে
ঘুরলে ছেলেরা
এমনই....আর মেয়েটা
যখন ইশারায়
প্রেমের ফাঁদ পাতে
তখন বুক ফাটে তো
মুখ ফোটে না....
.
ছেলেরা মেয়েদের হয়ে
কথা বললে
নিশ্চয়ই লাইন মারার
তালে আছে,আর
মেয়েরা কথা বললে
জনদরদী..


একটা কথা মনে প্রাণে বুঝে নিও যে ভেতর থেকে প্রত্যেকটা মানুষই স্বার্থপর হয়...
নাহলে সারা জীবন তুমি সবার উপর স্বার্থপর হওয়ার দোষ চাপিয়ে বেড়াবে...


কাউকে ভালোবাসলেই তার সাথে ঘর বাঁধা যায় না,..
হাজার বছর সাথে থাকলেও কেউ কেউ
কখনই আপন হয় না...


একটা টার্গেট ঠিক করে নিয়ে তাদের ঘাড়ে দোষ চাপানো আমাদের প্রিয় টাইমপাস। সে আমেরিকা হোক বা কেন্দ্রীয় বঞ্চনা। মানে ধরুন “পাড়ার কুকুর মরল কেন?”- “আমেরিকা জবাব দাও” কিংবা “আমার পটী পাতলা কেন?” - “কেন্দ্রীয় সরকার জবাব দাও” এরকম টাইপ আরকি! যাই হোক এই টার্গেট বাছাতেও আমাদের জুড়ি মেলা ভার। টার্গেট এমন হতে হবে যাতে সে মাল আমাদের পালটা দেবার সুযোগ না পায়। সব ব্যাটাকে ছেড়ে বেঁড়ে ব্যাটাকে ধর আর কি। মানে পাড়ার ম্যাদামারা বিড়ালটাকে যখন ইচ্ছে লাথাও; খেঁকুড়ে কুকুর বাড়ির সামনে হাগলেও চুপ থাকো- এই আমাদের মোটো।

একজন সবাইকে সাহায্য করতে পারবে না,
কিন্তু প্রত্যেকে অন্তত একজনকে সাহায্য করতেই পারে...

কাউকে কথা দিয়ে আঘাত করা যায়
কাউকে অস্ত্র দিয়ে
কিন্তু আমার মতে সবচেয়ে বড় আঘাত হল
কারো বিশ্বাস ভেঙে দেওয়া...

কাউকে গালাগালি দিয়ে তোমার মনে হতেই পারে তুমি হিরো...কিন্তু মনে রেখো যাকে গালি দিচ্ছ তার সম্মানের কথা আমি জানি না, কিন্তু তোমার সম্মানও কিন্তু সবার সামনে অনেকটা নিচে নেমে যাচ্ছে...

কাউকে দুঃখ দিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে দুঃখ নিয়ে বেঁচে থাকা অনেক ভাল। কারণ নিজের কষ্টের জন্য কারো কাছে জবাবদিহি করতে হয় না, কিন্তু অন্যকে কষ্ট দিলে জীবন ভরে তার অভিশাপ মাথায় নিয়ে চলতে হয়...


কাউকে নিচে নামিয়ে তুমি কখনো বড় হতে পারবে না...
তুমি যদি উপরে উঠতে চাও,তবে বাকি সবাইকেও সাহায্য করো তোমার সমকক্ষে আসতে!


কাজী নজরুল ইসলাম যদি বেঁচে থাকতেন
তাহলে
তিনি বর্তমান সমাজের অবস্থা দেখে মনে
হয় কবিতা টি
এমনটাই লিখতেন_____
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
চল চল চল, উর্দ্ধ মহলে চোরের দল,
খাটিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বল
দেশের ১২টা বাজিয়ে চল |
চলরে চলরে চল, চল চল চল । .
দেশের কপালে হানি আঘাত
জনতা খাবে পান্তা ভাত
আখের গোছায় নেতার হাত
দেশ সেবাতে ছল;
চলরে চলরে চল, চল চল চল।
গরিবের লাগি গাহিয়া গান
দেশ বানাবো মহা শশ্বান
দেশ করিব দুর্বল;
চলরে চলরে চল, চল চল চল।
বুবুরা এখন বিড়াল পোষেন,
যাকে খুশি তাকেই দোষেন
থলের বিড়াল বেড়িয়ে গেলে
উপায় কি আর বল;
চলরে চলরে চল, চল চল চল।
সুর্যের চেয়ে বালি গরম,
ইহাই সত্য ইহাই পরম
খালি পায়ে বালির উপর
আম জনতার ঢল;
চলরে চলরে চল, চল

Load comments