Monday, September 30, 2019

ছাত্র শিক্ষকের জোকস ছাত্র ও শিক্ষক বল্টু এবং শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক

 ছাত্র শিক্ষকের জোকস ছাত্র ও শিক্ষক বল্টু এবং শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক বল্টু বনাম শিক্ষক ছাএ শিক্ষক বল্টু vs শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক জোকস


১) শিক্ষকঃ বলো তো, কোনটি আমাদের জন্য অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ, সূর্য না চাঁদ?
ছাত্রঃ চাঁদ, স্যার।
শিক্ষক(অবাক হয়ে): কেন?
ছাত্রঃ চাঁদ আমাদের রাতে আলো দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন হয় কিন্তু সূর্য দিনে দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন নেই।

২) শিক্ষকঃ শেরশাহ প্রথম ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন ।
ছাত্রঃ কেন স্যার, এর আগে কি ঘোড়ারা ডাকতে পারতো না?

৩) স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে।
স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়?
মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!

৪) পরীক্ষার হল থেকে এক ছেলে স্যারের অনুমতি নিয়ে টয়লেটে গেলো। টয়লেটে আগেই একটা বই রাখা ছিলো, প্রশ্নের উত্তর বের করে পড়ে আসতে আসতেই অনেকক্ষণ দেরি হয়ে গেল তার। ফিরে আসতেই স্যার কষে ধমক লাগালেন।
-কী ব্যাপার, টয়লেট থেকে আসতে এতো দেরী হলো কেনো? আর কেউ যাবে না নাকি?
-না স্যার, ওরা ভালো করেই পড়াশোনা করে এসেছে।

৫) শিক্ষকঃ মন্টি, বলো তো হাসা এর ইংরেজী প্রতিশব্দটি কি?
মন্টিঃ লাফ।
শিক্ষকঃ তাহলে হাসাহাসি এর ইংরেজী কি হবে?
মন্টিঃ লাফালাফি স্যার!

৬) শিক্ষকঃ বলো তো বাতেন, ভেজাল এর বিপরীত কি?
বাতেনঃ খাঁটি স্যার।
শিক্ষকঃ গুড।
বাতেনঃ ব্যাড।
শিক্ষকঃ (রেগে) বেআদব!
বাতেনঃ আদব।
শিক্ষকঃ (আরো রেগে) ওঠ!
বাতেনঃ বস।

৭) শিক্ষক ছাত্রকে বললেন, লেখাপড়ায় তুমি বেজায় খারাপ করছো, কাল তোমার বাবাকে স্কুলে আসতে বলবে, তার সাথে পরামর্শ করতে হবে ।
ছাত্রঃ কিন্তু তার জন্য যে ফি লাগবে স্যার ।
শিক্ষকঃ ফি! কিসের জন্য?
ছাত্রঃ আমার বাবা যে উকিল। ফি ছাড়া তো তিনি পরামর্শ করেন না ।

৮) শিক্ষকঃ বলো তো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার পেছনে।
শিক্ষক (রেগে গিয়েঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি। তোমার কিছু হবে না!
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম, তবু তুই পাশ করতে পারলি না?

৯) স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।
শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?
ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।
শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?
ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ লিখবো কীভাবে।

১০) রিমন খুবই ফাঁকিবাজ। প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরিই থাকে! তো, একদিন দেরি করে কাসে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, রিমন, এতো দেরি হলো কেনো?
রিমন: আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে, এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা তো এ অবস্থায় পড়লে দেরি তো একটু হবেই।
স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না! স্কুলে আসলে কিভাবে?
রিমন: কেনো স্যার! স্কুলের দিকে পিছন ফিরে হেঁটে হেঁটে এলাম যে!

১১) বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছেলেকে বললেন, এই ছেলে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।
ছেলেটি হচকচিয়ে দাঁড়িয়ে বললো, ‘কে? আমি?’
শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।

১২) স্কুল পরিদর্শনে এসে ক্লাস নাইনের রুমে ঢুকলেন পরিদর্শক। তখন ইতিহাস ক্লাস চলছিলো। ফার্স্ট বয়কে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বলোতো, সোমনাথের মন্দির কে ভেঙেছিলো?’
ফার্স্ট বয়: (ভয় পেয়ে) আমি ভাঙিনি স্যার, বিশ্বাস করেন, স্যার, আমি কোনোরকম ভাঙচুর করিনি! আমাকে মাফ করে দেন স্যার।
পরিদর্শক তখন ক্লাস টিচারের দিকে তাকিয়ে বলছেন, ‘কি বলে আপনার ছাত্র এসব উল্টা পাল্টা?’
শিক্ষক: উল্টা পাল্টা নয় স্যার। আমি ওকে সেই ছোটবেলা থেকেই চিনি। খুব ভালো ছেলে স্যার। মন্দির-মসজিদ ভাঙার মতো কোনো কাজ ও করতেই পারেনা।
পরিদর্শক রেগে গিয়ে হেডমাস্টারের কাছে জানতে চাইলেন, ‘এর একটা বিহিত করুন। আপনার সামনেই আপনার ছাত্র আর শিক্ষক মিলে এগুলো কি কথা বলছে?’
প্রধান শিক্ষক: আপনার হয়তো একটু ভুল হচ্ছে স্যার। আমি ইতিহাস শিক্ষককে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। সৎ ও সত্যবাদী মানুষ। আমার ছাত্র যদি মন্দির ভাঙতো, তাহলে তিনি সেটা নিশ্চয়ই বলতেন। তাছাড়া আমার ছাত্ররাও খুব ভালো স্যার, ওরা জানালার কাঁচ পর্যন্ত ভাঙেনা, আর আপনি বলছেন মন্দির ভাঙা। আপনি সত্যি সত্যি ভুল করছেন স্যার। পরিদর্শক: !!??!!

১৩) শিক্ষক: রনি, এই ম্যাপে দেখাও তো দেখি আমেরিকা কোথায়?
রনি গিয়ে দেখিয়ে আসার পর
শিক্ষক: ভেরি গুড। এবার জনি বলতো, আমেরিকা কে আবিস্কার করেছেন?
জনি: রনি, স্যার।

১৪) শিক্ষক: বলোতো মন্টু, উভচর কাকে বলে?
মন্টু: যা জলে ও স্থলে উভয় জায়গায় চলতে পারে, তাকে বলে উভচর।
শিক্ষক: ভেরি গুড। এবার রন্টু একটা উভচর প্রাণীর উদাহরণ দাওতো।
রন্টু: হাঁস, স্যার।

১৫) ছাত্র তার স্যারকে জিজ্ঞেস করল, ‍‌স্যার আপনার মাথায় এত্ত বড় টাক কেন?
এই কথা শুনে স্যার তার চুল ধরে ইচ্ছেমত টেনে দিল।তখন ছাত্রটি বলল, স্যার এটা মুখে বললেই হত, শুধু প্রাকটিক্যাল দেখাতে গেলেন কেন?

১৬) - তাহলে তোমরা তো বুঝতেই পারছো, যে প্রাণীটা পানির মধ্যে থাকে তাকে বলে মাছ। আসিফ, বলতো, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ছোট্ট মাছ কী?
- স্যার, জীবাণু।
অঙ্কের ক্লাশ চলছে। শিক্ষক এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘১৫ জন মিলে একটা দেয়াল গাঁথতে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। ৫ জন মিলে সেই দেয়াল গাঁথতে কতোক্ষণ সময় লাগবে?’
ছাত্রটি উত্তর দিলো- ‘ঐ দেয়াল আবার গাঁথতে যাবে কেনো? দেয়াল তো আগের ১৫ জনই গেঁথে দিয়েছে!’

১৭) একদিন ক্লাশে শিক্ষক ছাত্রদেরকে অতিথি পাখি সম্পর্কে বলছিলেন। ঐ যে, যে পাখিগুলো শীতকালে শীতের হাত থেকে বাঁচার জন্য শীতের দেশ থেকে উড়ে উড়ে গরমের দেশে চলে আসে। তো শিক্ষক বলতে বলতে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা, তোমরা কি বলতে পারবে, অতিথি পাখিরা শীতকালে এতো দূরে উড়ে আসে কেনো?’ এক ছাত্র তখন তখনই দাড়িয়ে উত্তর দিলো, ‘এতো দূর তো আর হেঁটে আসা সম্ভব নয়, তাই উড়ে উড়ে আসে!’

১৮) বিজ্ঞান ক্লাস চলছে। শিক্ষক বোঝাচ্ছেন, আমাদের জন্য অক্সিজেন কতো প্রয়োজনীয়। ‘আমরা আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। সারাটা দিন আমরা নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। তাহলে রাতে আমরা নিঃশ্বাসের সাথে কি গ্রহণ করি?’ সামনের বেঞ্চ থেকে এক ছাত্র দাড়িয়ে বললো, ‘নাইট্রোজেন, স্যার!’

১৯) রতন আজকে ক্লাসে দেরি করে এসেছে। আর যায় কোথায়, কুদ্দুস স্যার ওকে ক্যাঁক করে পাকড়াও করলেন। তার জোড়াবেতে তেল দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি হে রতন, এতো দেরি করে এলে কেন? রাস্তায় খুব জ্যাম ছিলো বুঝি?’ রতন গোবেচারার মতো মুখ করে বললো, ‘আজ্ঞে না স্যার। আমি তো ঘুমাতে ঘুমাতে স্বপ্ন দেখছিলাম। দেখছিলাম কি, আমি ফুটবল ম্যাচ খেলছি। তো ৯০ মিনিট শেষ হয়ে গেলো, কেনো দলই কোনো গোল দিতে পারলো না। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো। তাতেও কোনো গোল হলো না। এরপরে হলো টাইব্রেকার। তাতে অবশ্য আমরাই জিতলাম। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময়ও তো আমাকে ঘুমাতে হলো। নইলে যে খেলাটাই পণ্ড হয়ে যায়। আর তাতেই দেরি হয়ে গেলো! কি করবো স্যার, পুরো খেলা নষ্ট হতে দেয়া যায় না, তাই না স্যার?’

২০) ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে- ১৫৪২- ১৬০৫!
নিশি : ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!

২১) স্কুলে পরীক্ষার সময় সবাই গণহারে দেখাদেখি করে লিখছে। সামনের বেঞ্চের একজন স্টুডেন্ট লিখলো সম্রাট শাহজাহান দুঃসময়ে ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না। পিছনের বেঞ্চের একজন স্টুডেন্ট এটা দেখে লিখতে গিয়ে লিখলো সম্রাট শাহজাহান দুঃসময়ে জাঙ্গিয়া পরিতেন না।

২২) টীচার: এই ছেলে তুমি ক্লাসে ঘুমাচ্ছ কেন?
স্টুডেন্টঃ- ম্যাডাম আপনার কন্ঠ এত সুইট…শুনতে শুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি টেরই পাইনি…!
টীচারঃ- তাহলে অন্য স্টুডেন্টরা কেন ঘুমাচ্ছে না?
স্টুডেন্টঃ- কারন ওরা আমার মত আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে না, তাই

২৩) একদিন এক ক্লাক তার এক বন্ধুকে বলল , জানিস কাল থেকে আমার অফিস দু সপ্তাহ ছুটি । বন্ধুটি জানতে চাইল , কি ভাবে ? কাল থেকে আমি এক সপ্তাহ ছুটিতে যাচ্ছি । তার পরের সপ্তাহে আমার বস ছুটিতে যাচ্ছেন।

২৪) মহিলা টাইপিস্ট পুরো দেড় ঘন্টা লেট করে অফিসে এলো | দেরির কারন জানতে চাইলেন বড়কর্তা | টাইপিস্ট বললেন, আমি ঠিক সময়ে আসতে চেয়েছিলাম . কিন্ত একটা যুবক আমাকে ফলো করছিলো | : কিন্ত টাই বলে দেড় ঘন্টা লেট? : কি করবো বলুম যুবকটি যে বড্ড ধীরে ধীরে হাটঁছিল |

২৫) ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল এর ইংরেজি কি হবে? : এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি | : আরবিটা পার ? ঠিক আছে বল | : ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন

২৬) টিচার: এই আবুল বলতো জনক কয় প্রকার?
ছাত্র: স্যার জনক হল ২ প্রকার৷ একটা হল 'জাতির জনক' আর আরেকটা হল 'আশঙ্কাজনক'৷ (ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শুনে দাঁত কেলিয়ে ফটাফট দাড়িয়ে উত্তর দিল)
টিচার: উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়ে বলল, তোর উত্তর হয় নাই৷ আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি তোরে এখন বেত দিয়া পিটাইমু৷ আর সেইটা হবে তোর জন্য 'বিপদজনক'৷
ছাত্র: স্যার আপনেরটাও হয় নাই৷ আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি এখন খিচ্চা দৌড় দিয়া পলামু৷ আর সেইটা হবে আমার জন্য 'সুবিধাজনক'৷
তখন পাশ থেকে আরেক ছাত্র উঠে বলল,
স্যার: আরেক প্রকার জনক আছে৷ আপনে যদি দৌড়াইয়া আবুইল্লারে না ধইরা আনতে পারেন, তবে সেইটা হবে আপনার জন্য 'লজ্জাজনক'৷

২৭) কলেজে যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে। এক পর্যায়ে শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করালেন এবং বললেন
শিক্ষকঃ আচ্ছা ধর, তুমি চেয়ারে বসেছ চেয়ার মাটিতে স্পর্শ করে আছে অর্থাৎ তুমি মাটিতে বসেছ। এ রকম একটা উদাহরণ দাও তো?
ছাত্রঃ ধরুণ স্যার, আপ্নিন মুরগী খেয়েছেন আর মুরগি কেঁচো খেয়েছে সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।
শিক্ষকঃ খুব হয়েছে । বস।

২৮) শিক্ষক দ্বিতিয় শ্রেণীর ছাত্রী পড়াচ্ছেন বাড়িতে
শিক্ষকঃ বলতো ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে স্যারের মাথা।
ছাত্রীর বাবাঃ বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে বাবার মাথা।
ছাত্রীর ভাই, বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে ভাইয়ার মাথা, এরপর মা।
ছাত্রীর মাঃ বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।

২৯) ছাত্রীঃ এবার বুঝেছি ‘মাই হেড’ মানে সবার মাথা।
শিক্ষকঃ বলো তো! টেবিলে যদি পাঁচটা মাছি থাকে, আর একটি মাছি থাপ্পর দিএয় মেরে ফেলা হয় তাহলে টেবিলে আর কয়টা মাছি থাকবে?
ছাত্রঃ একটা স্যার।
শিক্ষকঃ অবাক হয়ে, কিভাবে?
ছাত্রঃ সবগুলো উড়ে যাবে, শুধু মরাটা পড়ে থাকবে।

৩০) স্যার:কিরে তর মন খারাপ কেন ..।।
ছাএ:স্যার কই নাতো!!
স্যার:আরে লজ্জা পাওয়ার কি আছে,
আমাকে বন্ধু ভেবে বলতো।। . .
ছাএ:আর বলিস না দোস্ত,তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মত ভালবাসে না ।
স্যার:বেঁ-হুশ ।

Load comments