Monday, September 30, 2019

ছাত্র শিক্ষকের জোকস ছাত্র ও শিক্ষক বল্টু এবং শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক

 ছাত্র শিক্ষকের জোকস ছাত্র ও শিক্ষক বল্টু এবং শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক বল্টু বনাম শিক্ষক ছাএ শিক্ষক বল্টু vs শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক জোকস


১) শিক্ষকঃ বলো তো, কোনটি আমাদের জন্য অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ, সূর্য না চাঁদ?
ছাত্রঃ চাঁদ, স্যার।
শিক্ষক(অবাক হয়ে): কেন?
ছাত্রঃ চাঁদ আমাদের রাতে আলো দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন হয় কিন্তু সূর্য দিনে দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন নেই।

২) শিক্ষকঃ শেরশাহ প্রথম ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন ।
ছাত্রঃ কেন স্যার, এর আগে কি ঘোড়ারা ডাকতে পারতো না?

৩) স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে।
স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়?
মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!

৪) পরীক্ষার হল থেকে এক ছেলে স্যারের অনুমতি নিয়ে টয়লেটে গেলো। টয়লেটে আগেই একটা বই রাখা ছিলো, প্রশ্নের উত্তর বের করে পড়ে আসতে আসতেই অনেকক্ষণ দেরি হয়ে গেল তার। ফিরে আসতেই স্যার কষে ধমক লাগালেন।
-কী ব্যাপার, টয়লেট থেকে আসতে এতো দেরী হলো কেনো? আর কেউ যাবে না নাকি?
-না স্যার, ওরা ভালো করেই পড়াশোনা করে এসেছে।

৫) শিক্ষকঃ মন্টি, বলো তো হাসা এর ইংরেজী প্রতিশব্দটি কি?
মন্টিঃ লাফ।
শিক্ষকঃ তাহলে হাসাহাসি এর ইংরেজী কি হবে?
মন্টিঃ লাফালাফি স্যার!

৬) শিক্ষকঃ বলো তো বাতেন, ভেজাল এর বিপরীত কি?
বাতেনঃ খাঁটি স্যার।
শিক্ষকঃ গুড।
বাতেনঃ ব্যাড।
শিক্ষকঃ (রেগে) বেআদব!
বাতেনঃ আদব।
শিক্ষকঃ (আরো রেগে) ওঠ!
বাতেনঃ বস।

৭) শিক্ষক ছাত্রকে বললেন, লেখাপড়ায় তুমি বেজায় খারাপ করছো, কাল তোমার বাবাকে স্কুলে আসতে বলবে, তার সাথে পরামর্শ করতে হবে ।
ছাত্রঃ কিন্তু তার জন্য যে ফি লাগবে স্যার ।
শিক্ষকঃ ফি! কিসের জন্য?
ছাত্রঃ আমার বাবা যে উকিল। ফি ছাড়া তো তিনি পরামর্শ করেন না ।

৮) শিক্ষকঃ বলো তো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার পেছনে।
শিক্ষক (রেগে গিয়েঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি। তোমার কিছু হবে না!
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম, তবু তুই পাশ করতে পারলি না?

৯) স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।
শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?
ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।
শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?
ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ লিখবো কীভাবে।

১০) রিমন খুবই ফাঁকিবাজ। প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরিই থাকে! তো, একদিন দেরি করে কাসে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, রিমন, এতো দেরি হলো কেনো?
রিমন: আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে, এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা তো এ অবস্থায় পড়লে দেরি তো একটু হবেই।
স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না! স্কুলে আসলে কিভাবে?
রিমন: কেনো স্যার! স্কুলের দিকে পিছন ফিরে হেঁটে হেঁটে এলাম যে!

১১) বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছেলেকে বললেন, এই ছেলে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।
ছেলেটি হচকচিয়ে দাঁড়িয়ে বললো, ‘কে? আমি?’
শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।

১২) স্কুল পরিদর্শনে এসে ক্লাস নাইনের রুমে ঢুকলেন পরিদর্শক। তখন ইতিহাস ক্লাস চলছিলো। ফার্স্ট বয়কে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বলোতো, সোমনাথের মন্দির কে ভেঙেছিলো?’
ফার্স্ট বয়: (ভয় পেয়ে) আমি ভাঙিনি স্যার, বিশ্বাস করেন, স্যার, আমি কোনোরকম ভাঙচুর করিনি! আমাকে মাফ করে দেন স্যার।
পরিদর্শক তখন ক্লাস টিচারের দিকে তাকিয়ে বলছেন, ‘কি বলে আপনার ছাত্র এসব উল্টা পাল্টা?’
শিক্ষক: উল্টা পাল্টা নয় স্যার। আমি ওকে সেই ছোটবেলা থেকেই চিনি। খুব ভালো ছেলে স্যার। মন্দির-মসজিদ ভাঙার মতো কোনো কাজ ও করতেই পারেনা।
পরিদর্শক রেগে গিয়ে হেডমাস্টারের কাছে জানতে চাইলেন, ‘এর একটা বিহিত করুন। আপনার সামনেই আপনার ছাত্র আর শিক্ষক মিলে এগুলো কি কথা বলছে?’
প্রধান শিক্ষক: আপনার হয়তো একটু ভুল হচ্ছে স্যার। আমি ইতিহাস শিক্ষককে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। সৎ ও সত্যবাদী মানুষ। আমার ছাত্র যদি মন্দির ভাঙতো, তাহলে তিনি সেটা নিশ্চয়ই বলতেন। তাছাড়া আমার ছাত্ররাও খুব ভালো স্যার, ওরা জানালার কাঁচ পর্যন্ত ভাঙেনা, আর আপনি বলছেন মন্দির ভাঙা। আপনি সত্যি সত্যি ভুল করছেন স্যার। পরিদর্শক: !!??!!

১৩) শিক্ষক: রনি, এই ম্যাপে দেখাও তো দেখি আমেরিকা কোথায়?
রনি গিয়ে দেখিয়ে আসার পর
শিক্ষক: ভেরি গুড। এবার জনি বলতো, আমেরিকা কে আবিস্কার করেছেন?
জনি: রনি, স্যার।

১৪) শিক্ষক: বলোতো মন্টু, উভচর কাকে বলে?
মন্টু: যা জলে ও স্থলে উভয় জায়গায় চলতে পারে, তাকে বলে উভচর।
শিক্ষক: ভেরি গুড। এবার রন্টু একটা উভচর প্রাণীর উদাহরণ দাওতো।
রন্টু: হাঁস, স্যার।

১৫) ছাত্র তার স্যারকে জিজ্ঞেস করল, ‍‌স্যার আপনার মাথায় এত্ত বড় টাক কেন?
এই কথা শুনে স্যার তার চুল ধরে ইচ্ছেমত টেনে দিল।তখন ছাত্রটি বলল, স্যার এটা মুখে বললেই হত, শুধু প্রাকটিক্যাল দেখাতে গেলেন কেন?

১৬) - তাহলে তোমরা তো বুঝতেই পারছো, যে প্রাণীটা পানির মধ্যে থাকে তাকে বলে মাছ। আসিফ, বলতো, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ছোট্ট মাছ কী?
- স্যার, জীবাণু।
অঙ্কের ক্লাশ চলছে। শিক্ষক এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘১৫ জন মিলে একটা দেয়াল গাঁথতে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। ৫ জন মিলে সেই দেয়াল গাঁথতে কতোক্ষণ সময় লাগবে?’
ছাত্রটি উত্তর দিলো- ‘ঐ দেয়াল আবার গাঁথতে যাবে কেনো? দেয়াল তো আগের ১৫ জনই গেঁথে দিয়েছে!’

১৭) একদিন ক্লাশে শিক্ষক ছাত্রদেরকে অতিথি পাখি সম্পর্কে বলছিলেন। ঐ যে, যে পাখিগুলো শীতকালে শীতের হাত থেকে বাঁচার জন্য শীতের দেশ থেকে উড়ে উড়ে গরমের দেশে চলে আসে। তো শিক্ষক বলতে বলতে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা, তোমরা কি বলতে পারবে, অতিথি পাখিরা শীতকালে এতো দূরে উড়ে আসে কেনো?’ এক ছাত্র তখন তখনই দাড়িয়ে উত্তর দিলো, ‘এতো দূর তো আর হেঁটে আসা সম্ভব নয়, তাই উড়ে উড়ে আসে!’

১৮) বিজ্ঞান ক্লাস চলছে। শিক্ষক বোঝাচ্ছেন, আমাদের জন্য অক্সিজেন কতো প্রয়োজনীয়। ‘আমরা আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। সারাটা দিন আমরা নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। তাহলে রাতে আমরা নিঃশ্বাসের সাথে কি গ্রহণ করি?’ সামনের বেঞ্চ থেকে এক ছাত্র দাড়িয়ে বললো, ‘নাইট্রোজেন, স্যার!’

১৯) রতন আজকে ক্লাসে দেরি করে এসেছে। আর যায় কোথায়, কুদ্দুস স্যার ওকে ক্যাঁক করে পাকড়াও করলেন। তার জোড়াবেতে তেল দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি হে রতন, এতো দেরি করে এলে কেন? রাস্তায় খুব জ্যাম ছিলো বুঝি?’ রতন গোবেচারার মতো মুখ করে বললো, ‘আজ্ঞে না স্যার। আমি তো ঘুমাতে ঘুমাতে স্বপ্ন দেখছিলাম। দেখছিলাম কি, আমি ফুটবল ম্যাচ খেলছি। তো ৯০ মিনিট শেষ হয়ে গেলো, কেনো দলই কোনো গোল দিতে পারলো না। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো। তাতেও কোনো গোল হলো না। এরপরে হলো টাইব্রেকার। তাতে অবশ্য আমরাই জিতলাম। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময়ও তো আমাকে ঘুমাতে হলো। নইলে যে খেলাটাই পণ্ড হয়ে যায়। আর তাতেই দেরি হয়ে গেলো! কি করবো স্যার, পুরো খেলা নষ্ট হতে দেয়া যায় না, তাই না স্যার?’

২০) ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে- ১৫৪২- ১৬০৫!
নিশি : ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!

২১) স্কুলে পরীক্ষার সময় সবাই গণহারে দেখাদেখি করে লিখছে। সামনের বেঞ্চের একজন স্টুডেন্ট লিখলো সম্রাট শাহজাহান দুঃসময়ে ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না। পিছনের বেঞ্চের একজন স্টুডেন্ট এটা দেখে লিখতে গিয়ে লিখলো সম্রাট শাহজাহান দুঃসময়ে জাঙ্গিয়া পরিতেন না।

২২) টীচার: এই ছেলে তুমি ক্লাসে ঘুমাচ্ছ কেন?
স্টুডেন্টঃ- ম্যাডাম আপনার কন্ঠ এত সুইট…শুনতে শুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি টেরই পাইনি…!
টীচারঃ- তাহলে অন্য স্টুডেন্টরা কেন ঘুমাচ্ছে না?
স্টুডেন্টঃ- কারন ওরা আমার মত আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে না, তাই

২৩) একদিন এক ক্লাক তার এক বন্ধুকে বলল , জানিস কাল থেকে আমার অফিস দু সপ্তাহ ছুটি । বন্ধুটি জানতে চাইল , কি ভাবে ? কাল থেকে আমি এক সপ্তাহ ছুটিতে যাচ্ছি । তার পরের সপ্তাহে আমার বস ছুটিতে যাচ্ছেন।

২৪) মহিলা টাইপিস্ট পুরো দেড় ঘন্টা লেট করে অফিসে এলো | দেরির কারন জানতে চাইলেন বড়কর্তা | টাইপিস্ট বললেন, আমি ঠিক সময়ে আসতে চেয়েছিলাম . কিন্ত একটা যুবক আমাকে ফলো করছিলো | : কিন্ত টাই বলে দেড় ঘন্টা লেট? : কি করবো বলুম যুবকটি যে বড্ড ধীরে ধীরে হাটঁছিল |

২৫) ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল এর ইংরেজি কি হবে? : এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি | : আরবিটা পার ? ঠিক আছে বল | : ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন

২৬) টিচার: এই আবুল বলতো জনক কয় প্রকার?
ছাত্র: স্যার জনক হল ২ প্রকার৷ একটা হল 'জাতির জনক' আর আরেকটা হল 'আশঙ্কাজনক'৷ (ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শুনে দাঁত কেলিয়ে ফটাফট দাড়িয়ে উত্তর দিল)
টিচার: উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়ে বলল, তোর উত্তর হয় নাই৷ আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি তোরে এখন বেত দিয়া পিটাইমু৷ আর সেইটা হবে তোর জন্য 'বিপদজনক'৷
ছাত্র: স্যার আপনেরটাও হয় নাই৷ আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি এখন খিচ্চা দৌড় দিয়া পলামু৷ আর সেইটা হবে আমার জন্য 'সুবিধাজনক'৷
তখন পাশ থেকে আরেক ছাত্র উঠে বলল,
স্যার: আরেক প্রকার জনক আছে৷ আপনে যদি দৌড়াইয়া আবুইল্লারে না ধইরা আনতে পারেন, তবে সেইটা হবে আপনার জন্য 'লজ্জাজনক'৷

২৭) কলেজে যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে। এক পর্যায়ে শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করালেন এবং বললেন
শিক্ষকঃ আচ্ছা ধর, তুমি চেয়ারে বসেছ চেয়ার মাটিতে স্পর্শ করে আছে অর্থাৎ তুমি মাটিতে বসেছ। এ রকম একটা উদাহরণ দাও তো?
ছাত্রঃ ধরুণ স্যার, আপ্নিন মুরগী খেয়েছেন আর মুরগি কেঁচো খেয়েছে সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।
শিক্ষকঃ খুব হয়েছে । বস।

২৮) শিক্ষক দ্বিতিয় শ্রেণীর ছাত্রী পড়াচ্ছেন বাড়িতে
শিক্ষকঃ বলতো ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে স্যারের মাথা।
ছাত্রীর বাবাঃ বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে বাবার মাথা।
ছাত্রীর ভাই, বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে ভাইয়ার মাথা, এরপর মা।
ছাত্রীর মাঃ বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।

২৯) ছাত্রীঃ এবার বুঝেছি ‘মাই হেড’ মানে সবার মাথা।
শিক্ষকঃ বলো তো! টেবিলে যদি পাঁচটা মাছি থাকে, আর একটি মাছি থাপ্পর দিএয় মেরে ফেলা হয় তাহলে টেবিলে আর কয়টা মাছি থাকবে?
ছাত্রঃ একটা স্যার।
শিক্ষকঃ অবাক হয়ে, কিভাবে?
ছাত্রঃ সবগুলো উড়ে যাবে, শুধু মরাটা পড়ে থাকবে।

৩০) স্যার:কিরে তর মন খারাপ কেন ..।।
ছাএ:স্যার কই নাতো!!
স্যার:আরে লজ্জা পাওয়ার কি আছে,
আমাকে বন্ধু ভেবে বলতো।। . .
ছাএ:আর বলিস না দোস্ত,তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মত ভালবাসে না ।
স্যার:বেঁ-হুশ ।

Thursday, September 19, 2019

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes

 বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes  



 1) মনোবিজ্ঞানী : যদি দুনিয়াটা পাল্টে দিতে চান তাহলে বিয়ে করার আগেই সে চেষ্টা করুন।
 পাত্র : কেন? বিয়ের পরে সমস্যা কী?
 মনোবিজ্ঞানী : কারণ বিয়ের পর আপনি দুনিয়া তো দূরের কথা নিজের ঘরে টিভির চ্যানেলটাও নিজের ইচ্ছায় পাল্টাতে পারবেন না!

   2) টিভি দর্শক : মেয়েদের কাছে অতি জনপ্রিয় আমি যেন এক প্রজাপতি সিরিয়ালের সব গৃহিণী চরিত্রকে হরদম হাসিখুশি দেখা যায়। এর কারণ কী?
 পরিচালক : কারণ নাটকে ওই নারীদের কারোরই শাশুড়ি নেই!

   3) সাংবাদিক : নির্বাচনে দাঁড়ানোর প্রেরণা আপনি কার থেকে পেলেন?
 মহিলা প্রার্থী : আমার স্বামীর কাছ থেকে।
 সাংবাদিক : সেটা কিভাবে? যদি একটু বুঝিয়ে বলেন।
 মহিলা প্রার্থী : এতে বোঝাবুঝির আর কী আছে? যতবার আমি ওর সঙ্গে লড়েছি, আমিই জিতেছি!

   4) ঈদের ছুটিতে তোর ভাবীকে বাপের বাড়ি পাঠাতে রেলস্টেশনে গিয়েছিলাম।
 তো?
 ওকে ট্রেনে তুলে দিয়ে বিদায় জানাতে গিয়ে খুশির চোটে ট্রেনের ইঞ্জিনে চুমু দিয়ে ফেলেছিলাম!

   5) এক মহাধরিবাজ ঠিকাদার মহাসড়কের বড় একটি কাজের কন্ট্রাক্ট পাবার চেষ্টা করছিলেন। শেষতক প্রতিষ্ঠানের বড়কর্তার সঙ্গে মোটা টাকার ঘুষে কাজটি পেতে অলিখিত চুক্তিতে আবদ্ধ হলেন।
 প্রজেক্ট ডাইক্টের সেইমত ফাইলে লিখে দিলেন, Approved.
 কিন্তু দুদিন অপেক্ষার পরও ঠিকাদার চুক্তিমত টাকা দিতে এল না। এমনকি ফোন পর্যন্ত ধরে না। তিনি খুব রেগে গেলেন- কিন্তু করার কিছু নেই। ফাইলে তো নিজ হাতে Approved লিখে ফেলেছেন!
 এসময় মুশ্কিল আসান হিসেবে এগিয়ে এল তার এইট পাস পিওন। সে বলল, কোনো চিন্তা করবেন না স্যার। আমি চেয়ারম্যানের টেবিল থেইকা ফাইলটা নিয়ে আসছি আবার।
 আপনি Approved শব্দটির আগে Not লিখে দিন। বড় বড় পাস দেওয়া বড় কর্তা তাই করলেন, হয়ে গেল Not Approved।
 এই ওষুধে কাজ হলো।
 দুদিন পর ঠিকাদার এলেন টাকাভর্তি ব্যাগ নিয়ে। কিন্তু ভেজাল তো যাও হওয়ার হয়ে গেছে। মুখের সামনে রসগোল্লা- কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার সাহেব তা গিলতে পারছেন না। কারণ, এইট পাস পিওনের কথায় তিনি নিজ হাতে Not Approved লিখে ফেলেছেন ফাইলে! এবার কী উপায়!
 এবারও মোক্ষম বুদ্ধি নিয়ে হাজির সেই তিরিশ বছরের অভিজ্ঞ এইট পাস পিওন। হাল্কা হাসি দিয়ে বললো, কোনো চিন্তা করবেন না, বস! আমি আছি না! আমি ফাইলটি আবার নিয়ে আসছি। আপনি Not এর পরে এবার একটি e বসিয়ে দিন। হয়ে যাবে Note Approved.
 বড় বড় ইঞ্জিনিয়ারিং পাস দেওয়া বড় কর্তা আবারো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন আর পিওনের বুদ্ধির প্রশংসা করলেন। ঘোষণা করলেন তার জন্য ঘুষের বড় এক পার্সেন্টেজ।
 এখন কর্তা খুশি, পিওন খুশি, ঠিকাদার খুশি। সবাই হাসি, সবাই খুশি, হাসি-খুশী। শুধু জনগণ এর পরিণাম ভোগ করবে…

   6) একবার দশজন রাজনীতিবিদকে বহনকারী একটি বিমান দূর গ্রামে বিধ্বস্ত হলো।
 খবর পেয়ে রাজধানী থেকে উদ্ধারকারী দল রওনা হলো। ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যা প্রায়।
 দেখা গেল, গ্রামবাসীরা ইতোমধ্যে দশজনকেই দাফন করে ফেলেছে। সারিবদ্ধ দশটি কবর।
 উদ্ধারকারী দলনেতা জানতে চাইলেন, সবাই কি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন?
 গ্রামবাসী : না, কবর দেওয়ার আগ পর্যন্ত দুইজন বলছিলেন যে, তারা মারা যাননি। কিন্তু আমরা সে কথায় কর্ণপাত করিনি।
 জানেনই তো রাজনীতিবিদদের সব কথা বিশ্বাস করতে নেই!

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes 

   7) দৌড়ে পোস্ট অফিসে ঢুকলেন পলাশ। হাঁপাতে হাঁপাতে পোস্টমাস্টারকে বললেন: স্যার, স্যার... আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না।
 সম্ভবত কিডন্যাপ্ড হয়েছে...
 পোস্টমাস্টার: আপনি ভুল করেছেন! এটা পোস্ট অফিস, পুলিশ স্টেশন না।
 লজ্জিত হাসি দিয়ে পলাশ: সরি, ভুল হয়ে গেছে! খুশির চোটে কী করি কই যাই- সব ওলট পালট হয়ে গেছে...

   8) মন্টুর বাপ : হুজুর, রোজা রেখে কি নিজের বউরে আই লাভ ইউ বলা যাবে?
 হুজুর: স্ত্রীকে মোহাব্বতে নিষেধ নাই। কিন্তু...
 মন্টুর বাপ: কিন্তু আবার কী, হুজুর!
 হুজুর: রোজা রেখে মিথ্যা বলাটা ঠিক হবে না, ভাই সাহেব!

   9) মন্টুর মা স্বপ্নে দেখলো তার মৃত্যু হয়েছে এবং স্বর্গবাস হয়েছে তার।
 একদিন স্বর্গের বাগানে ঘুরতে ঘুরতে এক দেয়ালের সামনে এসে তাজ্জব হয়ে গেল। দেওয়াল জুড়ে অনেক অনেক ঘড়ি, বিভিন্ন সাইজের তবে কোনো ঘড়িই খুব একটা ঘুরছে না। স্বর্গের এক প্রহরীকে ডেকে জিজ্ঞেস করলো এর কারণ।
 প্রহরী: এসব হচ্ছে মিথ্যা মাপার ঘড়ি। দুনিয়ার সব মানুষের নামের একটি করে ঘড়ি আছে বেহেস্ত আর দোজখ দুইখানেই। আমরা এখানে বেহেস্তবাসীদের মাঝে যারা সবচেয়ে কম মিথ্যুক তাদের ঘড়ি ডিসপ্লে করেছি। তাই দেখতে পাবেন অনেক ঘড়ির কাঁটা হিলছেই না। তেমনি নরকে গেলে দেখবেন এমন একটি দেয়াল আছে সেখানে দুনিয়ার সেরা মিথ্যুকদের ঘড়ি আছে।
 মন্টুর মা: এইখানকার বাকি ঘড়িগুলো কোথায়?
 প্রহরী: গুণমান অনুযায়ী এই কমপ্লেক্সের বিভিন্ন অফিসে, ওয়ার্কস্টেশনে রাখা আছে সেগুলো।
 মন্টুর মা: তাইলে বাপু, আমার মন্টুর বাপের ঘড়িটা কই- একটু দেখাইবা আমারে?
 প্রহরী: সেটাতো আমাদের অফিসে রাখা আছে, কেরানীর টেবিলে।
 মন্টুর মা: সেখানে কেন?
 প্রহরী: ওটাকে টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করছে বেচারা। ঘড়িটা এত জোরে ঘোরে যে বাতাস মন্দ বের হয় না...
 জবাব শুনে মন্টুর মা কিছুটা দুঃখিত আর বিব্রত হলেও এটা মনে করে খুশি হলো, যাক বাবা। এতদিনে ওর আসল আমলনামাটা জানা গেল!
 মন্টুর মা: আর আমার নামের ঘড়িটা!
 প্রহরী: ও...ও...ও! সেটার কথা বলছেন! সেটাতো আমাদের জেনারেটর রুমে রাখা হয়েছে। জেনারেটর রুম থেকে আমাদের সবগুলো রুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, লাইট জ্বলে, ফ্যান ঘোরে...
 মন্টুর মা: কেন কেন! আমার ঘড়ি জেনারেটর রুমে কেন?
 প্রহরী: কারণ, ওটা দিয়ে জেনারেটরটা ঘোড়ানো হয়... আর এর ফজিলতেই আপনাকে স্বর্গে স্থান দেওয়া হয়েছে, ম্যাম...

   10) শীর্ষ এক ব্যবসায়ীর সাক্ষাত্কার
 সাংবাদিক : রোজার মাসে সব পণ্যের দাম বাড়ান কেন?
 ব্যবসায়ী : আরে ভাই, বোঝেন না কেন? দাম বাড়লে মানুষ কেনাকাটা কম করবে। এতে সংযমটা পরিপূর্ণ হবে।


   11) টনি ব্লেয়ার একবার আমেরিকা সফরে গেলেন। হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট বুশ তাই ব্লেয়ারের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করলেন। ব্লেয়ার খাওয়ার সময় বুশের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করতে করতে বুশকে একটা ধাঁধা জিজ্ঞেস করলেন-
 ব্লেয়ার : আমার বাবা-মায়ের একটি সন্তান, কিন্তু সে আমার ভাইও না বোনও না: বলেন তো সে কে?বুশ : জানি না তো ভাই।
 ব্লেয়ার : ওটা হলো আমি।
 বুশ খুব মজা পেলেন। এরপর এক অনুষ্ঠানে বুশের সঙ্গে ক্লিনটনের দেখা হলে বুশ তাকে ধাঁধাটি জিজ্ঞেস করলেন।
 ক্লিনটন একটু চিন্তা করে জবাব দিলেন-
 ক্লিনটন : মিস্টার প্রেসিডেন্ট, ওটা হলেন আপনি।
 বুশ : হয়নি মিস্টার ক্লিনটন, এর উত্তর হলো টনি ব্লেয়ার!

   12) ছেড়া-ফাটা জিন্স ব্যবসায়ী ফজলু সকালবেলা থানায় হাজির-
 ডিউটি অফিসার : সকাল সকাল থানায় কেন আসছেন ভাই?
 ফজলু : আমার বউয়ের বিরুদ্ধে সেফারেশন কেস দেব। গত ৫ বছর ধরে বউয়ের সঙ্গে আমার কোনো কথা হয় না।
 ডিউটি অফিসার : বাচ্চা-কাচ্চা কয়টা?
 ফজলু : ২টা ছেলে! বড় ছেলে ৪ আর ছোটটা ২ বছর!
 ডিউটি অফিসার : কী বলেন! একটু আগেই বললেন, ৫ বছর ধরে কথা হয় না! তাইলে কিভাবে কি ভাই?
 ফজলু : কী যে বলেন স্যার! বাচ্চা হওয়ার জন্য কি কথা বলতে হয় নাকি!

   13) ট্যাক্সি ড্রাইভারের গাড়ি চালানো দেখে মুগ্ধ হয়ে শিমুল বলল-
 শিমুল : বাহ! তুমি তো বেশ ভালো গাড়ি চালাতে পার। গাড়ি চালাতে কী তোমার খুব ভালো লাগে?
 ড্রাইভার : হ্যাঁ, লাগে। সবচেয়ে বড় কথা, কখন কী করতে হবে, সেই হুকুম দেওয়ার মতো মাথার উপর বস থাকে না।
 শিমুল : এবার ডানদিকে থামো।


   14) প্রেমিকার বাড়ির সামনে প্রেমিকাকে ড্রপ করার সময় সামনে পড়ল প্রেমিকার বাবা। বাবা জিজ্ঞেস করলেন-
 বাবা : ছেলেটা কে?
 প্রেমিকা : আব্বা, উনি পাঠাওয়ের ড্রাইভার।
 বাবা : ভাড়া কত হইছে?
 মেয়ে : একশ টাকা।
 বাবা : এই নাও, দিয়ে বিদায় করো।
 ছেলে : ধন্যবাদ, ফুচকার দোকানে খরচ হওয়া একশ টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য।

   15) ট্রেনে এক টি টি এক সাধু কে বলল.....
 টি টি : কোথায় যাবেন?
 সাধু : যেখানে রাম জন্মেছিল :
 টি টি : টিকিট আছে?
 সাধু : না।
 টি টি : তাহলে চলুন ..
 সাধু : কোথায়?
 টি টি : যেখানে কৃষ্ণ জন্মেছিল

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes 

   16) বাস কন্ডাক্টর: লেডিস সিটে বসেছো কেন আঙ্কেল? তোমরা তরুণরা যদি এমন করো...
 মন্টু: ফেসবুকে লিজা নামের যে মেয়ের সঙ্গে রসালো চ্যাট করছো গত একমাস ধরে- সেটা কিন্তু মামা আমি। তোমরা মুরুব্বিরা যদি এই বয়সে এমন করো...
 এই শক সামলাতে পারলো না কন্টাডক্টর- মাথা ঘুরে পড়ে গেল.

   17) বল্টুর মামা: কিরে! তোর রেজাল্টের খবর কী? এ প্লাস পেয়েছিস?
 বল্টু: না মামা! এ প্লাস পাইনি।
 বল্টুর মামা: তো এ মাইনাস?
 বল্টু : না মামা, আমিতো ফেল করেছি।
 বল্টুর মামা: আর এই কথা তুমি এমন হেসে হেসে খুশি হয়ে বলছিস? মানে কী?
 বল্টু: পাশের বাসায় নুসরাতও ফেল করেছে তাই।
 বল্টুর মামা: মানে কী? ঐ মেয়ের ফেলের সাথে তোর পাশ- ফেলের কী সম্পর্ক!
 বল্টু: আছেতো! ওর বাবা বলেছিল যে, ও ফেল করলে ওকে রিকাসাওয়ালার সাথে বিয়ে দিবে।
 বল্টুর মামা: আরে! ঐ রিকসাওয়ালার সাথে তোর কী সর্ম্পক!
 বল্টু: (লাজুক ভাব) আর আমার বাবা বলেছিল যে, ফেল করলে আমাকে রিকসা কিনে দিবে। আমাকে রিকসা চালাতে হবে, তাই।

   18) ডান্স পার্টি হচ্ছে। এক স্মার্ট যুবক তার চেয়েও লম্বা সুন্দরী এক তরুণীকে তার সাথে নাচার আমন্ত্রণ জানালো।
 মেয়ে : ধন্যবাদ। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে আমি নাচি না।
 ছেলে : সরি! মিস, আপনার যে বাচ্চা হবে তা আমি জানতাম না।

   19) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক ব্রিগেডিয়ার ম্যানহোলে পড়ে গেলেন। কিন্তু সাত দিনেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না।পরে এক সাংবাদিক তাকে টেনে তুললো।
 সাংবাদিক: আপনি সাত দিন যাবত কুয়োয় পড়ে ছিলেন! কেউ টেনে তুললো না! কেন?
 ব্রিগেডিয়ার: আমার ব্রিগেডের অধীনস্থ অফিসার ও সৈনিকরা অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু দড়ি দিয়ে টেনে যখন আমাকে প্রায় তুলে ফেলে, তখনই ওদের চোখ পড়ে যায় আমার ব্যাজের ওপর, সাথে সাথে ওরা দড়ি ছেড়ে দিয়ে আমাকে স্যালুট দেয়, আমি আবার কুয়োর মধ্যে পড়ে যাই।
 সাংবাদিক: তারপর?
 ব্রিগেডিয়ার: এভাবে দিন চারেক চললো। আমাকে কেউ তুলতে পারে না। পাড়ে উঠতেই স্যালুট এবং দড়ি ছেড়ে দেওয়া, তারপর ঝপাৎ! ঘটনা জানার পর আমাকে উদ্ধারে স্বয়ং তিন বাহিনীর প্রধানরা চলে আসলেন। তারা পরিস্থিতি দেখে ব্যাপক আলোড়িত হলেন এবং সবাইকে সরিয়ে দিয়ে তিন স্যার মিলে দড়ি টেনে আমাকে তোলা শুরু করলেন। আমি প্রায়ই উঠে গিয়েছিলাম... সাংবাদিক: ফের উঠেই গিয়েছিলেন! এর মানে কি? এবার কী হলো?
 ব্রিগেডিয়ার: আমি যখন কুয়োর পাড়ে উঠে গেছি প্রায়, তখন দেখলাম তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ তিন বস একসঙ্গে আমার সামনে দাঁড়িয়ে। বোঝেন অবস্থা! জীবনে এমন ঘটনা কমই ঘটেছে। এবার আমিই দড়ি ছেড়ে দিয়ে স্যালুট দিলাম। ব্যস, ফের ঝপাৎ... শেষে খবর দেওয়া হলো আপনাকে। সাংবাদিক তো আর আর্মিকে স্যালুট দেয় না। আর আর্মিও সাংবাদিককে দেয় না... তাই...

   20) ১ম ব্যক্তি : ভাই, এই রাস্তাটা কোথায় গেছে?
 ২য় ব্যক্তি : কেন! কোথাও যায়নি তো!
 ১ম ব্যক্তি : কেন মজা করছেন ভাই?
 ২য় ব্যক্তি : মজা কেন করবো? বিশ বছর ধরে দেখছি, রাস্তাটা এখানেই আছে।

   21) শাশুড়ি তার তিন জামাইয়ের ভালোবাসা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিলো-
 প্রথম দিন : শাশুড়ি পুকুরে ঝাপ দিলো। প্রথম জামাই বাঁচানোর জন্য পুকুরে লাফ দিলো। শাশুড়ি খুশি হয়ে তাকে একটি গাড়ি দিলো।
 দ্বিতীয় দিন : শাশুড়ি আবার পুকুরে ঝাপ দিলো। দ্বিতীয় জামাইও তাকে বাঁচালো। শাশুড়ি তাকেও একটি বাইক গিফট করলো।
 তৃতীয় দিন : শাশুড়ি আবার পুকুরে ঝাপ দিলো। তিন নম্বর জামাই মনে করলো, আমার ভাগ্যে তো সাইকেল ছাড়া কিছু নেই। তাই সে আর ঝাপ দিলো না। ফলে শাশুড়ি মারা গেল!
 পরদিন তৃতীয় জামাই একটা বিএমডব্লিউ পেল। কারণ শ্বশুর খুশি হয়ে তাকে এটা উপহার দিয়েছে।

   22) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বল্টুর গর্ভবতী স্ত্রীকে-
 নার্স : অভিনন্দন, আপনার ঘর আলোকিত করে ছেলে এসেছে।
 বল্টু : আরি বাবা! কী টেকনোলজির যুগ।
 নার্স : এ কথা বলছেন কেন?
 বল্টু : আমার বিবি হাসপাতালে আর ছেলে ঘরেই হলো।

   23) নিজের ভাগ্য জানতে মেরিনা গেল জ্যোতিষীর আস্তানায়-
 মেরিনা : কদিন হলো ডানহাতটা খুব চুলকাচ্ছে। কিসের লক্ষণ বলুন তো?
 জ্যোতিষী : হুম! কোটিপতির সাথে তোর বিয়ে হবে।
 মেরিনা : বামহাতের তালুও চুলকায়।
 জ্যোতিষী : বলিস কী? তোর তো বিদেশযাত্রা শুভ!
 মেরিনা : আমার ডান পা-টাও কিন্তু একটু একটু চুলকাচ্ছে।
 জ্যোতিষী : দূর হ বেটি, তোর চুলকানি আছে। জলদি ডাক্তার দেখা।

   24) ছোট্ট পিল্টু খুব বুদ্ধিমান, নারীদের সম্মান করতে পিছপা হয় না।
 একদিন বাসে এক মহিলা দাঁড়িয়ে ছিল! তো পিল্টু বলে উঠল-
 পিল্টু : আন্টি আমি উঠে যাই, আপনি আমার জায়গায় বসে যান।
 এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে মহিলা বল্টুকে ধমক দিয়ে এক চড় দিলো! পিল্টু বলল-
 পিল্টু : আন্টি, চড় মারলেন কেন?
 মহিলা : আমি কি তোর বাবার কোলে বসবো?

   25) একদল ডাকাত ব্যাংক ডাকাতি করা শেষে তারা দেখলো তাদের একজনের কালো মুখোশ খুলে গিয়েছে।তাদের ধারণা হলো তাদেরকে লোকে চিনে ফেলেছে। এই ডাকাতির সময় সেখানে ছিল পল্টু আর বল্টু।
 ডাকাতদের একজন খপ করে একজন ধরে বলল. . .
 ডাকাত : এই, তুই আমাদের ডাকাতি করতে দেখছিস?
 লোকটি : হা, আমি তোমাদের ডাকাতি করতে দেখছি।
 এ কথা শুনে ডাকাতদল দিল তাকে গুলি করে।
 ডাকাতদের আরেকজন ধরলো ব্যাংকের গার্ডকে. . .
 ডাকাত : এই, তুই কী আমাদের ডাকাতি করতে দেখছিস?
 গার্ড : দেখবো না মানে! আমার বন্দুক কেড়ে নিয়ে তোমরাই আমাকে আহত করে এই ডাকাতি করছো।
 এ কথা শুনে ডাকাতদল দিল গার্ডকেও গুলি করে।
 এবার বল্টুকে ধরলো ডাকাত
 ডাকাত : এই, তুই কিছু দেখছোস?
 বল্টু : (কিছুক্ষণ চিন্তা করে) না ভাই, আমি কিছু দেখি নাই। তবে...
 ডাকাত : তবে কী?
 বল্টু : আমার বউ দেখেছে!

   26) এক লোক স্টেশন মাস্টারকে বলছেন-
 লোক : ভাই, সিলেটের ট্রেনটা কখন ছাড়বে?
 মাস্টার : সাড়ে আটটায়।
 লোক : আর চট্টগ্রামেরটা?
 মাস্টার : এগারোটায়।
 লোক : তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেনটা যাবে কখন?
 মাস্টার : আরে, এতো ট্রেনের খবর নিচ্ছেন, আপনি যাবেন কোথায়?
 লোক : না, মানে আমি রেললাইনটা পার হয়ে ওপাশের প্ল্যাটফর্মে যাবো তো।

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes 

   27) মন্টুর ১০ লাখ টাকা হারিয়ে গেছে। তাই সে বিছানায় চিৎপটাং।
 মন্টু তখন ছেলেকে বলছে-
 মন্টু : আমাকে এক গ্লাস পানি দে ভাই।
 স্ত্রী : এসব তুমি কী বলছো? তোমার ছেলেকে তুমি ভাই বলছো।
 মন্টু : এত টাকা হারিয়ে গেলে এমনই হয় মা!
 মেয়ে : বাবা, তোমার মাথা ঠিক আছে তো। তুমি এসব কী বলছো?
 মন্টু : তুমি কে বোন?

   28) দুই ফকিরের কথোপকথন. . .
 ১ম ফকির : আইজকা মতিঝিলে একখান একশ টাকার নোট কুড়ায়ে পাইছিলাম!
 ২য় ফকির : কস কি? তোর তো দেখি বিরাট ভাইগ্য!
 ১ম ফকির : আরে না, নোট খান জাল আছিলো। তাই ফালাইয়া দিছি!
 ২য় ফকির : জাল আছিলো ক্যামনে বুঝলি?
 ১ম ফকির : তুই কোনোদিন একশ টাকার নোটে একের পর তিনটা শূন্য দেখছোস?

   29) পল্টুর মামা আমেরিকা যাওয়ার সময় পল্টুকে জিজ্ঞাসা করলো. . .
 মামা : ভাগ্নে, আমেরিকা থেকে তোর জন্য কী আনবো?
 পল্টু : একমুঠো মাটি।
 মামা : কী? সবাই মামার কাছে মোবাইল, ঘড়ি, ল্যাপটপ চায়। আর তুই চাস মাটি?
 পল্টু : হুম, আমার জন্য মাটিই আনবে। আমি অন্য কিছু চাই না।
 মামা : কেন?
 পল্টু : কারণ তোমার দেওয়া একমুঠো মাটিতে পা রেখে বলবো, আমিও একদিন আমেরিকার মাটিতে পা রেখেছিলাম।

   30) মাঝবয়সী কড়া মেজাজের মহিলা-
 মহিলা : এই যে খোকা, তোমার মা কি জানেন যে, তুমি সিগারেট টানো?
 খোকা : আচ্ছা ম্যাডাম, আপনার স্বামী কি জানেন যে আপনি রাস্তাঘাটে অচেনা লোকদের সঙ্গে কথা বলেন?

   31) লালু বিদেশ থেকে ফেরত এসেছে. . .
 চাচা : লালু, বিদেশে অনেক দিন থাকলা। ইংরেজি তো জানো মনে হয়?
 লালু : তা তো অবশ্যই!
 চাচা : তাহলে বল তো, আমি তোমাকে চিনি ইংরেজি কী?
 লালু : এটা তো সহজ, আই সুগার ইউ!
 চাচা : বাহ্ ভালো! এবার বল তো, ভালোবাসা ইংরেজি কী?
 লালু : ভাব নিয়ে! গুড হাউজ!

   32) ১৯৭২ সালের ঘটনা। সদ্য স্বাধীন দেশ, পাকমোটর নামের জায়গাটা বাংলামোটর নাম হয়েছে। পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকার নাম হয়েছে বাংলাদেশ অবজারভার। এমন আরও অনেক পরিবর্তন এসেছে। আসাটাই স্বাভাবিক।কিন্তু অনেক দিনের অভ্যাস আর এক রাজাকার পরিবর্তিত নাম বলতে চাইলনা।
 তিনি রিকশাওয়ালাকে ডেকে বললেন, এই রিকশা, পাকমোটর যাবা?
 রিকশাওয়ালা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি খেপে গেলেন। লোকটির ঠিক পেট বরাবর কষে একটা লাথি দিয়ে রিকসাওয়ালা বললেন, এখনও পাকমোটর কস, এত্ত সাহস তর! তুইতো দেহি রাজাকার! পাক নামের যা পাবি সব বাদ দিয়া বাংলা লাগাবি প্রচণ্ড ব্যথায় অস্থির হয়ে লোকটি গেলেন ডাক্তারের কাছে।
 ডাক্তারকে জানালেন- ডাক্তার সাহেব, কিছু একটা করেন, আমার বাংলাস্থলীতে প্রচণ্ড ব্যথা!

   33) এক অশিক্ষিত লোক তার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে শহরের ডাক্তারের কাছে-
 লোক : আমার বউ কি গর্ভবতী?
 ডাক্তার : আগে চেকআপ করতে হবে।
 চেকআপ করার পর-
 লোক : কী হয়েছে বলুন!
 ডাক্তার : আপনার বউ গর্ভবতী নয়। পেটে হালকা গ্যাস হয়েছে।
 লোক : আপনি ফাইজলামি করেন! আমি কি পাম্পার নাকি যে, আমার বউয়ের পেটে গ্যাস হবে!

   34) সমুদ্রে গোসল করতে নেমে ঢেউয়ের সময় একটি ছেলে তার প্যান্ট হারিয়ে ফেলল। উঠে আসতে লজ্জা লাগলেও কিছু হয়নি এমন ভাব করে লজ্জাস্থানে দুহাতে ঢেকে উঠে এলো। একটি মেয়ে সেটা দেখতে পেয়ে বলল.
 মেয়ে : আসল পুরুষ হলে হাত তুলেই হাঁটেন।
 ছেলে : আপনি আসল নারী হলে হাত এমনিতেই সরে যেত।

   35) একটি ভাঙাচোড়া গাড়ির নিলাম হচ্ছে. . .
 ১০ লাখ!
 ২০ লাখ!
 ৩০ লাখ!
 এক লোক গাড়ির অবস্থা দেখে আয়োজককে বলল. . .
 লোক : ভাই এই ভাঙা গাড়ির এত দাম কেন?
 আয়োজক : এই গাড়ির একটি বিশেষত্ব আছে। এ পর্যন্ত গাড়িটা প্রায় পঞ্চাশ বার অ্যাক্সিডেন্ট করেছে।
 লোক : তাতে দাম বাড়ার কী আছে?
 আয়োজক : আসল কথা হচ্ছে- প্রতিবারই শুধু মালিকের বউ মারা গেছে। স্বামী কোনোদিন মরে নাই।

   36) এক মার্কিন নাগরিক হোয়াইট হাইসে ফোন করেছে।
 অপারেটর : ইয়েস, হোয়াইট হাউস থেকে বলছি। বলুন কি বলতে চান, প্লিজ...
 নাগরিক : আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে চাই!
 অপারেটর : তুমি কি একটা উজবুক নাকি?
 নাগরিক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য এমন হওয়া কি বাধ্যতামূলক?

   37) বাজারে ডিম কিনতে গেলেন ছয় ফুটের বেশি লম্বা লোক।
 বাজারের এক কোনায় ঝুড়ি নিয়ে বসেছেন ডিমওয়ালা।
 ভদ্রলোক ডিমওয়ালার সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ডিমের হালি কত টাকা?
 ডিমওয়ালা: জ্বি, হালি ৩০ টাকা।
 ভদ্রলোক : বলো কী! এত ছোটছোট ডিম ৩০ টাকা! একটু বেশি হয়ে যাচ্ছেনা?
 ডিমওয়ালা এবার ভাল করে ভদ্রলোকের চেহারা দিকে তাকালেন।
 এরপর বললেন:স্যার, অত উঁচু থেকে দেখলে তো ছোটই মনে হইব। একটু বইসা দেখেন।

   38) ম্যানেজার : তুমি নাকি আলমারির চাবি আবারও হারিয়েছ?
 কেরানি : জ্বি স্যার।
 ম্যানেজার : আগে একটা হারিয়েছিলে। তাই এবার তালার সঙ্গে দুটো চাবিই তোমাকে দিয়েছিলাম।
 কেরানি : দুটো-ই হারাইনি স্যার! একটা হারিয়েছি।
 ম্যানেজার : তাহলে অন্যটা কোথায়?
 কেরানি : হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে আগে থেকেই সাবধান ছিলাম। তাই ওটা আলমারির মধ্যেই সংরক্ষণ করে রেখেছিলাম।

   39) ক্লাসে এক মেয়ে বলছে-
 মেয়ে : বল তো, কারা বেশি রাগ করে? ছেলেরা না মেয়েরা?
 ছেলে : অবশ্যই মেয়েরা।
 মেয়ে : কীভাবে?
 ছেলে : আমি যদি তোকে একটা চুমু দেই, তাহলে তুই রাগ করবি কিন্তু তুই আমাকে চুমু দিয়ে দেখ, আমি কখনোই রাগ করব না!

   40) খাবার খেতে খেতে বয়স নিয়ে দাদু ও নাতির মধ্যে কথা হচ্ছে—
 নাতিঃ আচ্ছা দাদু তোমার বয়স কত?
 দাদুঃ কুড়ি বছর।
 নাতিঃ তোমার চুল পেকে গেছে, নাতি নাতনি আছে, তবু তুমি বলছ তোমার কুড়ি বছর! কি বলছ দাদু?
 দাদুঃ আমি যে কুড়ির বেশি গুনতে পারি না। তাই আমার বয়স কুড়ি বছর।
 দাদুঃ আচ্ছা, আমার বয়স না হয় গেল। তোমার বয়স এখন কত ভাই?
 নাতিঃ সাত বছর।
 দাদুঃ সাত? সে তো গত তিন বছর ধরেই বলছ?
 নাতিঃ ঠিকই শুনেছো, দাদু। আমি অন্যের মতো আজ একরকম কাল অন্যরকম কথা বলি না।
 দাদুঃ ও, তাহলে বলতে পারো? তোর বাবার বয়স এখন কত হলো?
 নাতিঃ কেন, দশ বছর।
 দাদুঃ তা কি করে হয়? তোর বয়সই তো দশ বছর হয়েছে।
 নাতিঃ সে জন্যই তো বলছি। আমার জম্মের পরই তো তিনি বাবা হয়েছেন। তাইনা?

   41) বল্টুঃ দাদু ঘুম আসছে না। একটু টিভি দেখবো?
 দাদুঃ টিভি থাক দাদুভাই। তুমি আমার সাথে গল্প কর।
 বল্টুঃ না, টিভি দেখবো।
 দাদুঃ (একটু রাগান্বিত স্বরে) টিভি পরে দেখো।আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা নেই তোমার?
 বল্টুঃ ওকে। আচ্ছা দাদু আমাদের পরিবার কী সারা জীবন সাতজনেরই থেকে যাবে?
 দাদুঃ মানে?
 বল্টুঃ এইযে, তুমি, দাদি, বাবা, মা, বোন, আমি আর আমাদের বিড়াল ছানা ক্যাটি।
 দাদুঃ এবার আমরা একটা কুকুর কিনবো তখন আমরা আটজন হয়ে যাবো।
 বল্টুঃ কুকুরটা তো বিড়াল ছানাটাকে মেরে ফেলবে তখন আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
 দাদুঃ তুমি বিয়ে করে নতুন বউ আনবে তখন আমরা আবার আটজন হয়ে যাবো।
 বল্টুঃ কিন্তু বোন বিয়ে করে চলে গেলে আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
 দাদুঃ তোমার ছেলে-মেয়ে হলে আমরা আবার আটজন-নয়জন হয়ে যাবো।
 বল্টুঃ কিন্তু তুমি আর দাদি মারা গেলে আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
 দাদুঃ হারামজাদা! তুই যা গিয়ে টিভিই দেখ।

   42) বিয়ের কয়েক বছর পর শ্বশুর বল্টুকে ধরলো. . .
 শ্বশুর : এ কি জামাই, বিয়ের ৬ বছরে আমার মেয়ের ৬টি বাচ্চা হয়ে গেল?
 বল্টু : আব্বা, আমি তো আপনাকে কথা দিয়েছিলাম।
 শ্বশুর : কী কথা দিয়েছিলে?
 বল্টু : আমি যত গরিবই হই না কেন, আপনার মেয়ের পেট কখনো খালি রাখবো না!

   43) একবার ক্লাসে পরীক্ষা চলছে। যে শিক্ষক হল পরিদর্শনে আছেন, পুরো হলে চক্কর দিচ্ছেন। ছাত্ররা বিন্দুমাত্র সুযোগ পাচ্ছে না দেখাদেখি বা কথা বলার।
 ঠিক এ সময় একছাত্র শিক্ষককে একটি চিরকুট ধরিয়ে দিলো। সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক তার চেয়ারে গিয়ে চুপচাপ বসে পড়লেন!
 এই দেখে একছাত্র ওই ছাত্রকে বলল-
 ছাত্র : এই কী ছিল রে চিরকুটে? স্যার যে বসে পড়লেন।
 অপর ছাত্র : লেখা ছিল, স্যার, আপনার প্যান্ট পেছন থেকে ফাটা।

   44) বল্টু তার বউকে নিয়ে কফিশপে গেছে-
 বল্টু : কফিটা তাড়াতাড়ি শেষ করো, ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।
 বউ : হোক, সমস্যা কী?
 বল্টু : আরে বোকা! মূল্যতালিকা দেখনি? হট কফি- ২০ টাকা, কোল্ড কফি- ৫০ টাকা। ঠান্ডা হয়ে গেলে অযথা ৩০ টাকা বেশি দিতে হবে! জলদি খেয়ে নাওতো!
 কফিশপ থেকে বের হয়েই বল্টুর চোখে পড়লো রাস্তার ওপারের রেস্তোরাঁয় গরম গরম জিলাপি বানানো হচ্ছে। বল্টুর বউ বায়না ধরলো: এবার জিলাপি খাব।
 জিলাপি খেতে খেতে বল্টু জিলাপিওয়ালাকে জিজ্ঞাসা করলো-
 বল্টু: আচ্ছা ভাই আপনি কত বছর ধরে জিলাপি বানান?
 জিলাপিওয়ালা : আমি তো দীর্ঘ ১২ বছর ধরে জিলাপি বানাই, ভাই।
 বল্টু বড় আফসোস করে বললো: এতদিন ধরে জিলাপি বানাচ্ছেন! কিন্তু আজ পর্যন্ত জিলাপিটা সোজা করে বানানো শিখলেন না

   45) হ্যালো! এটা কি কাস্টমার কেয়ার?
 - হ্যাঁ ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
 - বলছি আমার ছেলেটা আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে।
 - দেখুন, আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন?
 - না আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টক টাইম আছে।
 - তাতে কি?
 - যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো!
 - কাস্টমার কেয়ারের এক্সিকিউটিভ অজ্ঞান!

   46) বল্টু পরীক্ষায় ফেল করল। একেবারে ডাবল জিরো পেল। কিন্তু বল্টু হতাশ। তার কাছে মনে হচ্ছে সবগুলো উত্তর ঠিক
 দিয়েছে সে। বল্টু তার রেজাল্ট নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়লো। ছেলের আত্মবিশ্বাস দেখে বল্টুর বাবা গেলেন স্কুলে।
 বল্টুর বাবা: দেখি কী লিখেছে আমার ছেলে! যে কিছুই হলোনা।
 শিক্ষক: এই নিন। নিজ চোখে আপনার পণ্ডিত ছেলের খাতা দেখে নিন।
 # খাতায় প্রশ্ন ও বল্টুর জবাব।
 ১. বরকত কোন আন্দলনে শহীদ হন ?
 বল্টুর উত্তর: তার জীবনের শেষ আন্দোলনে।
 ২. কাজী নজরুল ইসলামকে কোথায় দাফন করা হয় ?
 বল্টুর উত্তর: কবরস্থানে।
 ৩. স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন শহীদ হন ?
 বল্টুর উত্তর: পাকিস্তানি বাহিনী যত জনকে হত্যা করেছে।
 ৪. শহীদ মিনার কোথায় অবস্থিত ?
 বল্টুর উত্তর: যেখানে নির্মান করা হয়েছে সেখান।
 ৫. পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী লোক কে ?
 বল্টুর উত্তর: যার কাছে সবচেয়ে বেশী সম্পত্তি আছে সে।
 বল্টুর বাবা বাসায় এসে বল্টুকে কষে একখান চড় মারলো! বল্টু আবারো হতাশ।
 বাবাকে জিজ্ঞেস করলো: আপনি হলে আমাকে কত নাম্বার দিতেন?

   47) এক ছোকড়া এক মেয়ের বাবার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন-
 ছোকড়া: স্যার, প্রেম জিনিসটা কেমন?
 মেয়ের বাবা: প্রেম হলো স্বর্গীয় জিনিস, এর স্বাদ যে জীবনে পায়নি তাকে ঘৃণা করি।
 ছোকড়া: আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি।

   48) বল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল : স্যার আঙ্গুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
 অফিসার : না।
 বল্টু : তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
 অফিসার : না
 বল্টু : তা-হলে স্যার কত দিন পরে উঠবে?
 অফিসার : (বিরক্ত) এক বছর পর যাবে।
 বল্টু : তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
 অফিসার : কেন?
 বল্টু : চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাই গুলো এক সপ্তাহের বেশি থাকে না।
 পোলিং অফিসার অজ্ঞান।

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes 

  

Saturday, September 14, 2019

সেরা কিছু কৌতুক -বাংলা ফানি জোকস - best Bangla funny joks

সেরা কিছু কৌতুক -বাংলা ফানি জোকস - best Bangla funny joks  


মোরগ : এই শোনো!
মুরগি : আমাকে বলছেন?
মোরগ : হ্যাঁ, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। তোমার জন্য আমি সবকিছু করতে পারি।
মুরগি : সত্যি! তুমি আমার জন্য সবকিছু করতে পার? তাহলে কষ্ট করে একটা ডিম পেড়ে দেখাও না!

স্বামী-স্ত্রী শুয়ে আছে। ফোন বাজছে। বেজেই চলেছে।একপর্যায়ে স্ত্রী উঠে ফোন ধরতে গেলেন।
স্বামী টের পেয়ে বললেন: আমাকে চাইলে বলবে আমি বাসায় নাই।
স্ত্রী ফোন ধরে বললো: ও এখন বাসায়...
স্বামী ক্রুদ্ধ ভঙ্গিতে বিছানায় উঠে বসে: তোমাক কী বলতে বললাম আর তুমি কী বললা!
স্ত্রী: ওটা আমার কল ছিল...

জজ: স্বামীর মাথায় চেয়ার দিয়ে আঘাত করেছেন আপনি, কেন?
অভিযুক্ত নারী: কারণ, টেবিলটা ওঠাতে পারছিলাম না, হুজুর। অনেক ওজন ছিল ওটার… তাই চেয়ার দিয়েই...


ফুটপাতে এক বেকারকে শুয়ে থাকতে দেখে এক লোক বলল-

লোক: ওই ব্যাটা, আরামে ঘুমায় আছোস, কাম করতে পারোছ না?
বেকার: কাম কইরা কী করমু?
লোক: কাম করলে টাকা কামাইতে পারবি।
বেকার: টাকা কামাইয়া কী করমু?
লোক: টাকা কামাইলে বাড়ি-গাড়ি হইবো।
বেকার: বাড়ি-গাড়ি দিয়া কী করমু?
লোক: আরামে ঘুমাইতে পারবি।
বেকার: তো আমি এতক্ষণ কী করতাছিলাম?



বাংলা ক্লাসের ম্যাডাম ক্লাসে এসে সবাইকে বললো :কপাল –শব্দ দিয়ে একটা বাক্য রচনা করতে..
বল্টু তার খাতায় লিখলো :কপাল আমার ভিজে গেলো চোখেরই জলে
এই লেখা দেখে ম্যাডাম বল্টুকে একটা জোড়ে থাপ্পর দিলো এবংজিঙ্গেস করলো..
ম্যাডাম : গাঁধা ,চোখের জলে কি কখনো কপাল ভিজে ?
বল্টু : ম্যাডাম পরের লাইনটা হলো :পা দুটি বাধা ছিলোগাছের ঐ ডালে !!
ম্যাডাম : বেহুশ !!


বিয়ে মানে ম্যারিজ-এর সৃষ্টি তিনটি আংটি অর্থাৎ রিং-এর বন্ধনে।
এর প্রথমটা হচ্ছে এনগেজমেন্ট রিং,
দ্বিতীয়টি ওয়েডিং রিং আর
তৃতীয়টি হচ্ছে সাফারিং!

হাশেম আলীর শখ হয়েছে নির্বাচনে দাঁড়াবেন।তারপর তিনি যথারীতি দাঁড়িয়েও গেলেন। ভোট গণনা শেষে দেখা গেল যে,হাশেম আলী ভোট পেয়েছেন মোট তিনটি। ঝাঁটা হাতে ছুটে এলেন তাঁর স্ত্রী। রাগে গজগজ করতে করতে বললেন, মিনসের ঘরে মিনসে, তোমার নিশ্চয় অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে লটরপটর আছে! নইলে ৩ নম্বর ভোটটা দিল কে?



দাদা :তার নাতীকে বলছে, যা পালা তাড়াতাড়ি ।তুই আজকে স্কুলে যাস নাই তাই তোর টিচার বাড়িতে আসছে।
নাতী :আমি পালাবো না, তুমি বরং পালাও কারণ আমি স্যারকে বলেছি আমার দাদা মারা গেছে তাই স্কুলে যাইনি।


রোগী ও ডাক্তারের মধ্যে কথপোকথন-

রোগী: ডাক্তার সাব! বেশি দিন বাঁচোনের কোনো উপায় আছে কি?
ডাক্তার: যান বিয়ে করে ফেলুন।
রোগী: ক্যান? বিয়া করলে কি বেশি দিন বাঁচন যায়?
ডাক্তার: তা বলতে পারব না। তবে এটা বলতে পারি যে আপনি বিয়ে করার পর আর বেশি দিন বাঁচার চেষ্টাই করবেন না।

শিক্ষক : বল তো ল্যাবদা শিক্ষকের স্থান কোথায়?
ল্যাবদা : কেন স্যার আমার পিছনে।
শিক্ষক : শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শিখিসনি হতচ্ছাড়া? তোর কিচ্ছু হবে না।
ল্যাবদা : কেন স্যার বাবাই তো বলেন, তোর পিছনে এত মাস্টার লাগালাম তবু তুই পাশ করতে পারলিনা।


স্বামী : আমার স্ত্রী আয়নায় নিজেকে ভালকরে দেখে মুখ ভেটকে বলল,‘’আমাকে কি বাজে দেখতে হয়ে গিয়েছে।বুড়ি বুড়ি দেখতে, মোটা, কুৎসিত লাগছে।আমাকে অনুপ্রেরণা দিতে এখনি একটু প্রশংসা কর।‘’

স্বামী : তোমার দৃষ্টিশক্তি কিন্তু এখনও পারফেক্ট গিন্নি।ব্যস ঝগড়া শুরু।


মিলিটারী একাডেমীতে ট্রেনিং চলছে ...

OFFICER , ক্যাডেট পল্টুকে কে জিজ্ঞেস করল : ‘’তোমার হাতে এটা কি ?
পল্টু : ‘’Sir, এটা বন্দুক ...!’’
OFFICER : ‘’না ! এটা বন্দুক না ! এটা তোমার ইজ্জত , তোমার গর্ব , তোমার মা হয় মা !,
তারপর Officer দ্বিতীয় ক্যাডেট বল্টুকে জিজ্ঞেস করল : ‘’তোমার হাতে এটা কি ?’’
বল্টু : ‘’Sir, এটা পল্টুর মা , ওর ইজ্জত , ওর গর্ব !আমাদের আন্টি হয় আন্টি !’’

বল্টু আর তার স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়ার পর-
বল্টুর স্ত্রী : এবার কিন্তু আমি তোমাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হবো!
বল্টু : এই নাও চকোলেট খাও।
বল্টুর স্ত্রী : থাক থাক, আর রাগ ভাঙাতে হবে না।
বল্টু: না রে পাগলি, শুভ কাজের আগে একটু মিষ্টি মুখ করতে হয়!

একজন স্ত্রী তার স্বামীকে তার (স্ত্রী) সম্পর্কে বর্ননা করতে বলেছে…

স্বামী বর্ণনা করছে, “তুমি হচ্ছো A,B,C,D,E,F,G,H,I,J,K”
স্ত্রী জানতে চাইলো, “এর মানে কি?”
স্বামীঃ Adorable, Beautiful, Cute, Delightful, Elegant,Foxy, Gorgeous, Hot”
স্ত্রীঃ ওহ, কী যে সুন্দর! মন ভরে গেলো। ওগো,
বাকী তিনটা I,J,K-তে কী হয় গো?
স্বামীঃ I’m Just Kidding!!!



ছেলেপক্ষ গেছে মেয়ে পক্ষের বাড়িতে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে ছেলে-মেয়েকে একান্তে কথা বলার সুযোগ দেয়া হলো-

মেয়ে: তো, কী সিদ্ধান্ত নিলেন?
ছেলে: সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আমার একটা ইচ্ছা আছে।
মেয়ে: কী ইচ্ছা?
ছেলে: আপনার সঙ্গে একবার বৃষ্টিতে ভিজবো।
মেয়ে: উফফ! আপনি কি রোমান্টিক।
ছেলে: ইয়ে, আসলে ব্যাপার সেটা না। ব্যাপার হলো... আপনি যেই পরিমাণ মেক-আপ করেছেন, বৃষ্টিতে না ভিজলে আপনার আসল চেহারা দেখা যাবে না।


শরিফ আর সাকিব দুই বন্ধু। তাদের মধ্যে কথা হচ্ছে-

সাকিব : আচ্ছা, বল তো, তোকে যদি পুনর্জন্ম নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তুই কী হয়ে জন্ম নিবি?
শরিফ : তেলাপোকা।
সাকিব : কেন?
শরিফ : কারণ আমার স্ত্রী ওই একটা জিনিসই ভয় পায়!


বল্টু : স্যার, এবার আমার বেতনটা একটু বাড়িয়ে দিলে ভালো হতো।
স্যার : কেন?
বল্টু : গত সপ্তাহে বিয়ে করেছি। তাই আগের বেতনে দু’জনের চলাটা বেশ কষ্ট হবে স্যার।
স্যার : শুনুন, অফিসের বাইরের কোনো দুর্ঘটনার জন্য অফিস কোনোভাবেই দায়ী নয়। আর তার জন্য জরিমানা দিতেও অফিস রাজি নয়।


স্যার : কিরে মন খারাপ কেন?
রফিক : স্যার কই নাতো।
স্যার : আরে লজ্জা পাওয়ার কি আছে, বন্ধু ভেবে বলে ফেল।
রফিক : আর বলিস না দোস্ত। তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মতো ভালোবাসে না।

দুই মাতাল বন্ধু রাতে মদ খেয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আরেক জনকে বলছে-

১ম মাতাল : দেখ তো আকাশে চাঁদ নাকি সূর্য।
২য় মাতাল : ওটা সূর্য।
১ম মাতাল : নারে ওটা চাঁদ।

এ নিয়ে ওরা যখন তর্ক করছিলো তখন আরেকজন তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন ১ম মাতাল বললো-

১ম মাতাল : ভাই বলেন তো আকাশে চাঁদ নাকি সূর্য?
লোক : ভাই আমি বলতে পারবো না, আমি এই এলাকায় নতুন এসেছি।


এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-

ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।

Sunday, July 15, 2018

সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks





সান্টা : লোকে আমাকে ভগবান বলে ভাবে ..বান্টা : তুই কি করে বুঝলি ?? সান্টা : যখনই পার্কে যাই , সবাই বলে, 'ভগবান ! তুই আবার এলি !!

বান্টা : চল দুজনে দাবা খেলি ...সান্টা : একটু দাঁড়া , স্পোর্টস শু 'টা পরে আসি ..;-)!


জজ : কেন গ্রেপ্তার হলে ? সান্টা : তাড়াতড়ি কেনাকাটা করার জন্য জজ : কিন্তু সেটা তো দোষের নয় , আচ্ছা , কত তাড়াতড়ি কেনাকাটা করছিলে ? সান্টা : দোকান খোলার আগে ' !

সান্টা : অ্যাই ! কি করছিস ? বান্টা : তোর ছেলের কন্ঠস্বর রেকর্ড করছি ..সান্টা : কেন ?' বান্টা : যখন ও বড় হয়ে যাবে , জিগ্যেস করব যে এগুলো কি বোঝাতে চাইছে ?!

শিক্ষক : একটা বাক্য বল যাতে একটা শব্দ চারবার আসে ..সান্টা : লারা দত্ত ব্রায়ান লারাকে বিয়ে করলো এবং বিয়ের পর নাম হলো 'লারা লারা' !!

সান্টা : চল রেস্ লাগাই , যে হারবে সে ১০০০ টাকা দেবে ' বান্টা : ঠিক আছে , কিন্তু রাস্তাটা তো আমার পরিচিত নয় ? সান্টা : নো চিন্তা ! খালি তুই আমার পিছনে পিছনে আসিস .. !!

সান্টা : বেটিং এ ১০০০ টাকা হারালাম !' বান্টা : কিভাবে ?' সান্টা : একটা ক্রিকেট ম্যাচে বেটিং করে ৫০০ টাকা খোয়ালাম ' বান্টা : বাকি ৫০০ টাকাটা কোথায় গেল ?! সান্টা :আমি ম্যাচটার 'হাইলাইট্স' এও টাকা লাগিয়েছিলাম' !!

সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks


সান্টা : আরে ভাই ওঠ ওঠ ! ভূমিকম্প ! বান্টা : শুয়ে পড়, শুয়ে পড়, আমরা তো ভাড়াটে, বাড়ি ভাঙলে মালিকের যাবে .. ! ;-)

একটা কুকুর সান্টাকে তাড়া করছিল, সান্টা হাসতে হাসতে দৌড়াচ্ছিল ! তাদেখে পথচারী : 'আরে, হাসছ কেন ?!' সান্টা : আমার ফোনে এয়ারটেল , আর দেখ ভোডাফোনের নেটওয়ার্ক আমাকে ফলো করছে !' ;-)

সান্টা স্নান করার সময় শ্যাম্পুকে নিজের কাঁধেও মাখাচ্ছিল ..বান্টা : শ্যাম্পু কাঁধে লাগাচ্ছ কেন ?! ' সান্টা : এই শ্যাম্পুটা স্পেশাল, এতে পরিস্কার লেখা রয়েছে ' হেড এন্ড শোল্ডার ' !!

সান্টা খুব আস্তে আস্তে কিছু একটা লিখছিল ..বান্টা : এত আস্তে লিখছিস কেন ?!' সান্টা : এটা আমি আমার ৫ বছরের ছেলের জন্য লিখছি , ও দ্রুত পড়তে পারে না . !!

বাস এক্সিডেন্টে হাত কেটে যাওয়ায় এক যাত্রী চিত্কার করছে : ও বাবা মরে গেলাম রে '| সান্টা : চুপ কর ! ওই দেখ ওই লোকটার মাথা কেটে চলে গেছে ,তাও চুপচাপ আছে !

ট্যাক্সি চালক :'সরি দাদা ! মিটার চালু করতে ভুলে গেছি ! সান্টা : 'নো প্রবলেম ! আমিও মানিব্যাগ আনতে ভুলে গেছি ' !!


সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks


সান্টার গাড়ি খারাপ,ব্যাটারি বদলাতে হবে |মেকানিক : 'Excide এর দিয়ে দেব ?' সান্টা :'আরে ভাই দু সাইডেরই লাগা ,নয়তো ফের প্রবলেম হবে..!

সান্টা : নারকেল গাছে চড়লে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মেয়েদের দেখতে পাব !' বান্টা : হাত টা ছেড়ে দিস ,তাহলে মেডিকেল কলেজের মেয়েদেরও দেখতে পেয়ে যাবি !

সান্টা : ডাক্তারবাবু,দুবছর আগে জ্বর হয়েছিল | ডাক্তার : তো এখন কি প্রবলেম ? সান্টা :'না মানে ,আপনি স্নান করতে বারণ করেছিলেন, এবার কি স্নান করতে পারি ?'!

বান্টা :তোমার বউ তো গাড়ি চেয়েছিল ,তবুও হীরের আংটি উপহার দিলে যে ?! সান্টা :'আরে বাবা !নকল গাড়ি কোথায় পাব ?!

সান্টা : ডেটল সাবান আছে ?'দোকানদার : আছে ' সান্টা : ভালোটা ?'দোকানদার : হ্যাঁ' সান্টা : সব থেকে ভালোটা তো ?'দোকানদার :হ্যাঁ রে বাবা !'সান্টা :তাহলে ওই সাবানে হাত ধুয়ে এক কেজি আটা দিন তো !!

কিডন্যাপার:'তোর্ বউ আমাদের কবজায় ! প্রমান হিসেবে ওর হাতের একটা আঙুল পাঠাচ্ছি |সান্টা : বিশ্বাস করি না ,মুন্ডু পাঠাও |'!

একটা লোক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাইকের চাবি দিয়ে কান চুলকাচ্ছিল | তা দেখে সান্টা বলল ,'দাদা আপনার যদি স্টার্ট নিতে সমস্যা হয় ,আমি কি আপনাকে ধাক্কা দেব ?!

সান্টা একটি মেয়েকে প্রেম এবং বিয়ের প্রস্তাব জানালো |মেয়েটি : আমি তোমার থেকে এক বছর বড় তো ! সান্টা :'তাতে কি !এক বছর পরেই করব '!

শিক্ষক : আচ্ছা বল তো , কে আকাশে উড়ে কিন্তু বাচ্চা স্থলে পাড়ে ? সান্টা কিছুটা ভেবে ' বিমান সেবিকা , স্যার ' !

সান্টা বান্টা মারপিট করছে , সান্টা :মেরে তোর্ জামা -কাপড় ছিড়ে দেব ! বান্টা : দেখ সিরিয়াস মারপিটের সময় রোমান্টিক কথা বলবি না ..!

সান্টা : পড়শির বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না , বান্টা : তুই কি করলি ? সান্টা : বললাম , গুগল সার্চ করতে , পেলে ডাউনলোড করে নিতে ..!

সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks


সান্টার ছাতায় একটা বেশ বড় ফুটো দেখে একজন সেটার কারণ জানতে চাইল ,সান্টা : আরে ভাই ফুটো না থাকলে জানব কি করে যে বৃষ্টি থেমেছে !

পুলিশ দরজায় 'ঠক ঠক' সান্টা: কে ? পুলিশ:'পুলিশ,দরজা খোল,আমরা শুধু কথা বলব ..'সান্টা :'তোমরা কজন ?' পুলিশ:'তিনজন আছি '..সান্টা : আচ্ছা তো !তাহলে নিজেরা কথা বলছ না কেন ?..!

সান্টা আর বান্টা ক্লাস ৮ এ ফেল করেছে ..সান্টা : চল ভাই মরে যাই , বেঁচে আর কি লাভ বল ?!..বান্টা : পাগল নাকি ! আগামী জন্মে আবার নার্সারী থেকে শুরু করতে হবে !

সান্টা ব্যবসা -বানিজ্যর উপর একটা সংবাদপত্র পড়ছিল..শিরোনাম:'ফেসবুক ১৭ বিলিয়ন ডলারে Whatsapp কে কিনেছে'..সান্টা :'আরে বাপ ! কিনলি কেন ! ডাউনলোড করে নিতিস...!

সান্টা ব্যাংকে টাকা জমা করতে গেছে ..ক্যাশিয়ার: আপনার এই নোটটা নকল ..সান্টা : তাতে আপনার কি ! টাকাটা তো আমার একাউন্টয়েই জমা হবে ...!!

শিক্ষক:আপনার ছেলে ফেল করেছে,নম্বর গুলো দেখুন ..বাংলা : ২৪ , ইংরেজি: ১৭ , বিজ্ঞান : ২১ অঙ্ক : ১৩ , মোট : ৭৫ ...সান্টা : বাহ ! 'মোট' সাবজেক্টটায় তো দারুন করেছে , কে পড়ান ওই বিষয়টা ?..!!;-)

সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks


অঙ্কের পরীক্ষা, সবাই লিখছে কিন্তু সান্টা নাচছে !! ....কেন ?? ..কারণ কেউ তাকে বলেছে প্রতিটা 'স্টেপ ' এর জন্য নম্বর আছে !

সান্টা : বাবা , তারকারা যখন মন্দিরে যান, কালো চশমা পরেন কেন ?..বাবা :' পাছে ভগবান ওনাদের চিনতে পেরে অটোগ্রাফ চেয়ে বসেন ..!!


সান্টা : ' আমি দেখলাম আমার স্ত্রী চৌকিদারের সাথে সিনেমা দেখতে যাচ্ছে ..' বন্ধু : 'ওদের পিছু নিলে না ?!' সান্টা : না রে ! ওই সিনেমাটা আমি আগেই দেখেছি ..'..!!

সান্টা একটা কোম্পানি খুলেছে আর শুধু বিবাহিত ছেলেদেরই নিয়োগ করছে ..বান্টা : শুধু বিবাহিতই কেন ?? সান্টা : কারণ বিবাহিত ছেলেরা কথার বাধ্য় হয় ..!

সান্টা একটা খুব দামী বিদেশী গাড়ি নিয়ে পেট্রল পাম্পে গিয়ে বলল : ১০ টাকার পেট্রল ভরো। পাম্প কর্মী (রেগে গিয়ে ): কেন এত 'বেশি ' তেল নিয়ে কোথায় যাবেন ? সান্টা : আরে যাব তো কোথায়ই না ! আমি তো এসব টাকা এমনিই ওড়াই। ..!!

সান্টা : দ্যাখ ! তোর বউকে সাপে কাটছে। বান্টা : আরে ধুর ! সাপটার বিষ কমে গেছে , তাই রিচার্জ করাচ্ছে। ..! ;-)

সান্টা : তুই আয়নার সামনে বসে পড়ছিস কেন ? বান্টা : এতে দুটো লাভ হয় ১. একসাথে রিভিশনটাও হয়ে যায়। ২. পড়ার সময় নিজের উপর নজরও রাখতে পারি। !!

সান্টা একদিন রাতে স্বপ্নে দেখল যে সে খুন হচ্ছে। তারপরের দিনই ব্যাঙ্ক একাউন্ট বন্ধ করে দিল ! ...কারণ ? ওই ব্যাঙ্ক এর স্লোগান ছিল : 'আপনার স্বপ্ন করে সত্যি ' !!

সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks


পরীক্ষক : কল্পনা করো যে তুমি ৬ তলায় আটকে আছো , আর আগুন লেগে গেছে ! তুমি কি করে পালাবে ? সান্টা : এতো খুবই সহজ ! আমার কল্পনাটা বন্ধ করে দেব !! ;-)

সান্টা : আমি একটা চাবি খেয়ে ফেলেছি , ডাক্তার : কবে ? সান্টা : প্রায় ছমাস হতে চললো..ডাক্তার : তাহলে এদ্দিন কি করছিলে !?? সান্টা : ডুপ্লিকেট চাবিটা ব্যবহার করছিলাম ..!

সান্টা : আমি একটা চাবি খেয়ে ফেলেছি , ডাক্তার : কবে ? সান্টা : প্রায় ছমাস হতে চললো..ডাক্তার : তাহলে এদ্দিন কি করছিলে !?? সান্টা : ডুপ্লিকেট চাবিটা ব্যবহার করছিলাম ..!

ব্যক্তি : আমি এইমাত্র দেখে এলাম তোর এক বন্ধু তোর বাড়িতে তোর বৌকে চুমু খাচ্ছে ! তা শুনে সান্টা দৌড়ে বাড়ি গেল, কিছুক্ষণ পরে ফিরে এলো এবং লোকটাকে এক চড় কষিয়ে বলল, 'ও আমার বন্ধুই নয় ' !!;-)

সান্টার বউ : এই ! রান্না ঘরে মনে হচ্ছে চোর ঢুকে আমার তৈরী করা কেকটা খাচ্ছে ! সান্টা : তাই নাকি ! তাহলে পুলিশ না অ্যাম্বুলেন্স ডাকব ??!

পুলিশ : অপরাধীরা অপরাধের এর জায়গায় আঙুলের এর ছাপ রেখে যায় কেন ? সান্টা : অপরাধীরা সাধারণত কম লেখাপড়া শেখে , তাই সই করার বদলে টিপছাপ দিয়ে যায়। ..!!

সান্টা তার ছমাসের বাচ্চার জন্মদিন পালন করছে ..লোকে জিগ্যেস করল , ছমাসে কিকরে জন্মদিন হচ্ছে !!?? সান্টা : 'আমি সেমেস্টার সিস্টেম মেনে চলি ..' !!

চিত্র প্রদর্শনীতে সান্টা : এই জঘন্য দর্শন ছবিটাকে আপনারা আধুনিক চিত্রকলা বলেন ??!! প্রদর্শক : মাফ করবেন স্যার ! আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন ..!

সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks


বান্টা : মরার সময় মানুষকে কি দেওয়া উচিত ? সান্টা : ' বিড়লা সিমেন্ট ' বান্টা : কেন ?! সান্টা : কারণ এই সিমেন্টে জান আছে ! ;-)

সান্টা তার বৌকে : কি বাজে রান্না করেছো ! গোবরের মতো বিচ্ছিরি স্বাদ হয়েছে !..বৌ : ' হে ভগবান ! এই লোকটা আর কিসের কিসের স্বাদ নিয়েছে ! ' !!

সান্টা : আমি শেষপর্যন্ত বিয়েটা করে নিলাম ! নিজে নিজে রান্না করতে , কাপড় কাচতে , ঘর পরিস্কার করতে করতে ক্লান্ত হয়ে উঠেছিলাম ..বান্টা : আশ্চর্য ! আমিও ওই একই কারণগুলোর জন্যে ডিভোর্স নিলাম ! ;-)

বান্টা : তোর বউ তোকে এত বকছে কেন ?? সান্টা : আরে ভাই ! আমি ওর ছবি ফেসবুকে দিতে গিয়ে OLX এ আপলোড করে দিয়েছি ! ;-)

সান্টা:হে আমি একটা IPhone 6 কিনেছি. মেয়ে: কোন কোম্পানির? সান্টা: যাও বোন , তুমি বাড়ি যাও, Reebok কোম্পানীর...;-)

সান্টা: কাকু গায়ের রং ফর্সা করার ক্রীম আছে?দোকানদার : আছে . সান্টা : লাগাচ্ছো না কেন?, আমি রোজ তোমাকে দেখলেই ভয় পাই.

সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks


সান্টা: তোর রোল কত ? বান্টা: আটানব্বই, তোর ? সান্টা: ময়দানব্বই. বান্টা: ময়দা আবার রোল হয় নাকি ? সান্টা: তোরটা আটা হলে আমারটা ময়দা হবে না কেন ?

রোগী : ডাক্তারবাবু, এই ফুলের মালাটা কার জন্যে ?? ডাক্তার সান্টা : এটাই আমার প্রথম অপারেশন , সফল হলে আমার জন্যে , না হলে আপনার জন্যে ...!!;-)

ইন্টারভিউ এ : পৃথিবী আর চাঁদ এর মধ্যে কি সম্পর্ক ? সান্টা : ভাই -বোন ..প্রশ্নকর্তা : কিকরে ?!! সান্টা : পৃথিবী হলো মা আর চাঁদ হলো চাঁদুমামা ..!!

হেডস্যার, রেগে গিয়ে : ইস্কুলের টাইম তো ১০ টায় , আর তুমি ১১ টায় আসছো ?!! বান্টা : সরি স্যার , তবে আপনি ইস্কুল শুরু করে দেবেন , আমার জন্যে অপেক্ষা করবার দরকার নেই ..!

সান্টা আর বান্টা ফুটবল খেলা দেখতে গেছে ..সান্টা : ওরা বলটা নিয়ে কি করতে চাইছে ?! বান্টা: গোল করতে ..সান্টা : কিন্তু বলটা তো গোলই আছে ! আরো কত গোল করবে !!

সান্টা মদ খেতে খেতে কাঁদতে লাগলো ..বান্টা : কিরে কি হলো ! কাঁদছিস কেন ? সান্টা : আরে ভাই , যে মেয়েটাকে ভোলানোর জন্যে মাল খেলাম , তার নামটাই কিছুতেই মনে আসছে না ..!!

সান্টা তন্দুরি চিকেন খাওয়ার পরও বেশ কিছুক্ষন ধরে হাড়টা চিবিয়ে যাচ্ছিল , পাশে বসা এক পন্ডিত রুটি খাচ্ছিল ..এটা দেখে তিনি বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, 'তোমাদের এখানে কুকুরে কি খায় ??' সান্টা : 'রুটি '..;-)!!


বান্টা : ট্রাক দেখলেই তুই এরকম কাঁপিস কেন ?! সান্টা : একটা ট্রাক ড্রাইভারের সাথে আমার বউ পালিয়ে গিয়েছিল , তাই মনে হয় এই বুঝি আবার ফেরত দিতে এলো ..!;-)


সান্টা বান্টা মজার কৌতুক best bangla funny joks


টাইটানিক ডুবছে ; ব্যক্তি : স্থল এখান থেকে কদ্দুর ? সান্টা : ৩ কিমি ..ব্যক্তি জলে ঝাঁপ দিলেন ও বললেন , 'কোনদিকে?' সান্টা : নিচের দিকে ..!

সান্টার বিয়ের ১২বছর পর প্রথম বাচ্চা হোলো, উদাস হয়ে বসে রইলো ..বান্টা : আরে এত খুশির খবরে উদাস হয়ে গেছিস কেন ?? সান্টা : এতদিন পর বাচ্চা হলো , তাও এত ছোটো..!

সেলসম্যান : এই কম্পিউটারটা আপনার কাজের চাপ 50% কমিয়ে দেবে ..সান্টা : তাহলে এককাজ করুন , দুটো দিয়ে দিন ..!

Wednesday, February 21, 2018

চরম বাংলা জোকস এসএমএস best bangla jokes sms

চরম বাংলা  জোকস এসএমএস best bangla jokes  sms


১০০ টাকা ফী
এক জ্যোতিষী বিভিন্ন সমস্যায় মানুষকে নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বসে আছেন তিনি।
তাতে লেখা- ‘তিনটি প্রশ্নের ফি একশত টাকা’।
আগন্তুক : আপনি কি জ্যোতিষী, মানুষকে বিভিন্ন সমস্যার পরামর্শ দিয়ে থাকেন?
জ্যোতিষ্ক : হ্যাঁ
আগন্তুক : মাত্র তিনটি প্রশ্নের জন্য একশত টাকা ফি?
জ্যোতিষ্ক : হ্যাঁ
আগন্তুক : ফি টা একটু বেশি বেশি লাগছে না?
জ্যোতিস্ক : হ্যাঁ, ফি-টা একটু বেশিই, আপনার তিনটি প্রশ্নই শেষ। তাড়াতাড়ি একশত টাকা দিন।

০২.
হাবলু নতুন টেলিভিশন কিনছে। বাড়ি ফিরেই সে টেলিভিশনটা এক ড্রাম পানির ভেতর ডুবিয়ে দিল। ঘটনা দেখে ছুটে এলেন এক প্রতিবেশী।
প্রতিবেশী: আরে, করছেন কী, করছেন কী?
হাবলু: হে হে, আর বলবেন না। নতুন টিভি কিনলাম। দোকানদার বলল, রঙিন টিভি! ভাবলাম, ব্যাটা ঠকিয়ে দিল কি না, তাই
পানিতে ডুবিয়ে দেখছিলাম, রং উঠে যায় কি না!

০৩.
ইন্টারভিউ
ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো "ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল" এর ইংরেজি কি হবে?
এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি |
আরবিটা পার � ঠিক আছে বল |
ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন

০৪.
ইন্টারভিউ বোর্ডে বল্টুকে প্রশ্ন করলেন এক
প্রশ্নকর্তা, - "কল্পনা করো তো, তুমি একটা ২০ তলা
বাড়ির ১৫ তলায় আছ। এমন সময় ভীষণ আগুন লেগে
গেল। সবাই ছোটাছুটি শুরু করল। তুমি কী করবে?"
বল্টুঃ আমি কল্পনা করা বন্ধ করে দেব!

০৫.
এক লোক একদিন পথে টাকা
ভর্তি একটি মানি ব্যাগ পেলো
তো সে রেডিও সঙ্গিকে কল দিলো..
হ্যালো এটা কী রেডিও সঙ্গি??
আরজে- হ্যা বলুন??
আমি একটা টাকা ভর্তি মানিব্যাগ
পাইছি...
আরজে- তো আপনি কি মানিব্যাগ
টি ফেরত দিতে চান??
না আমি তো যার মানিব্যাগ
টা হারিয়ে গেছে তার জন্য
একটি Sad song এর
রিকুয়েস্ট করতে চাইছিলাম..

০৬.
দুই বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছে
১ম বন্ধু :কিরে তোর ব্যবসা কেমন চলছে।
২য় বন্ধু :ব্যবসা তো পা থেকে মাথায় উঠছে।
১ম বন্ধু :মানে?
২য় বন্ধু :আরে বুঝলিনা আগে করতাম
জুতার ব্যবসা এখন করি টুপির ব্যবসা।

০৭.
দাঁতের ডাক্তারের কাছে এক মেয়ে এসে বলল-
মেয়ে : ডাক্তার সাহেব, আপনি দাঁত তুলতে পারেন?
ডাক্তার : হ্যাঁ, পারি।
মেয়ে : তাহলে যে আমার সঙ্গে আমাদের বাড়ি যেতে হবে। আমার দাদির দাঁত তুলতে হবে।
ডাক্তার : তা যাওয়া যাবে। ফি কিন্তু ডাবল দিতে হবে।
মেয়ে : সেটা সমস্যা না, চলেন আমার সঙ্গে।
ডাক্তার মেয়েটার বাড়ি গেল। সেখানে গিয়ে মেয়েটার দাদিকে বলল-
ডাক্তার : দেখি, আপনার কোন দাঁত তুলতে হবে?
দাদি : আমার সঙ্গে একটু কষ্ট করে পুকুরপাড়ে চলেন।
পুকুরপাড়ে গিয়ে দাদি বললেন, আজ গোসল করতে গিয়ে পুকুরে দাঁত পড়ে গেছে। আপনি কষ্ট করে তুলে দেন!

০৮.
এক কৃপন লোক কোন এক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখল যে, এক মুমূর্ষ রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন। তার গ্রুপের সাথে মিল থাকায়
,সে পত্রিকায় দেয়া ঠিকানা মত ঐ রোগীর সাথে যোগাযোগ করল। । তো ঐ কৃপন লোক সেই রোগীকে ১ ব্যাগ রক্ত দিল।
রোগী ভদ্রলোক সুস্থ্য হয়ে কৃপন লোকটিকে ১ লাখ টাকা দিল।
এর কয়েক মাস পর ঐ রোগীর আবার রক্তের প্রয়োজন হওয়ায়, সে সেই কৃপন লোকটিকে খবর দিল।
কৃপন লোকটি আরো ১ লাখ টাকার লোভে আবার ১ ব্যাগ রক্ত দিল।
রক্ত দেয়ার পরে রোগী ভদ্রলোক তাকে ১০০ টাকার ১ টি নোট দিল। কৃপন লোকটি তাকে বললো,
ভাই এর আগে রক্ত দেয়ার পর আমাকে ১ লাখ টাকা দিয়েছিলেন, আজ ১০০ টাকা কেনো ?
উত্তরে লোকটি বললো, কি করবো ভাই, আমার শরীরে যে কৃপনের রক্ত ঢুকে গেছে

০৯.
কৃপণ এক লোক লটারিতে গাড়ি পেয়ে গেল। বন্ধুরা ছুটে এলো তাকে অভিনন্দন জানাতে, কিন্তু সে মুখ গোমড়া করে বসে রইল।
বন্ধুরাঃ কী ব্যাপার, লটারিতে গাড়ি পেয়েও তুমি মনমরা হয়ে বসে আছ কেন?
কৃপণ লোকঃ একটা বোকামি করে ফেলেছি, খামাখাই দুটো টিকিট কিনেছিলাম। একটা কিনলেই তো হতো।

১০.
অনেক দিন পর দুই বন্ধুর দেখা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্পের এক ফাঁকে একজন আরেক জনকে বর্তমানে চাকরি কার কেমন চলছে জিজ্ঞেস করতেই -
প্রথম বন্ধু : আজই চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে এলাম।
দ্বিতীয় বন্ধু : কেন? এ কী বলিস তুই? কী হয়েছিল মালিকের সঙ্গে?
প্রথম বন্ধু : আর বলিস না, কোম্পানির এমডি ডেকে নিয়ে যা বললেন, তাতে আর ওই অফিসে কাজ করা যায় না।
দ্বিতীয় বন্ধু : অত সেন্টিমেন্টাল হোস কেন রে? চাকরি করতে গেলে বসদের একটু-আকটু কথা শুনতেই হয়। বল তো এমডি তোকে কী বলেছেন?
প্রথম বন্ধু : একটি পত্র হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, এ মুহূর্তে তোমাকে বরখাস্ত করলাম।

১১.
ছেলে ও বাবার মধ্যে কথা হচ্ছেঃ
ছেলেঃ বাবা টাকা দাও। একটা মোবাইল কিনব।
বাবাঃ মোবাইল কিনবি? তোরে না দুই মাস আগেই ১০ হাজার টাকা দিলাম নতুন মোবাইলের লাইগা!
ছেলেঃ হে দিছ, কিন্তু এবার একটা থ্রিজি মোবাইল কিনব।
বাবাঃ থ্রিজি মোবাইল! সেইডা আবার কী?
ছেলেঃ থ্রিজি কী জানো না? থ্রিজি হলো থার্ড জেনারেশন মোবাইল ফোন।
বাবাঃ কী কইলি? তোর এত অধঃপতন! আমার কি টাকার অভাব?
তোরে আমি কুনো দিন সেকেন্ড হ্যান্ড জিনিস কিইনা দিইনি, আর আমার পোলা হইয়া সেই তুই কিনবি থার্ড হ্যান্ড মোবাইল!

১২.
এক কবুতর একটু নিচু হয়ে উড়ছিল...হঠাৎ এক গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো। এক লোক তাকে নিয়ে গিয়ে খাঁচায় রাখল।
যখন কবুতরের জ্ঞান ফিরল, তখন সে খাঁচার ভিতর নিজেকে দেখে বলল,
"হায় আল্লাহ! আমি জেলে! গাড়িওয়ালা কি মারা গেছে নাকি.?

১৩.
গ্রামের এক কৃষক
গেছে শহরে বেড়াতে ।
শহরের বড় বড়
বিল্ডিং দেখে সে তাজ্জব
হয়ে গেছে ।তাই
সে একটা বিল্ডিং এর
তলা গুনতে শুরু করল ।
হঠাত্ একটা চিটার
এসে বলছে,শহরের
বিল্ডিং এর
তলা গুনলে তলা প্রতি ১
টাকা দিতে হয় ।
তাড়াতাড়ি টাকা বের কর ।
গ্রামের লোকটা ১৩
টাকা দিয়ে বলল,আমিও
কম চালাক
না, গুনেছি ১৮
তলা আর দিছি ১৩ টাকা ।

১৪.
একবার কালু আর লালু
দুজনে এক দোকানে গেল.
দোকানে সবাইকে কাজে ব্যাস্ত
দেখে কালু ৩টে চকলেট
পকেটে পুরে নিলো।
দোকানের
বাইরে এসে
কালুঃ দেখলি তো…আমি ৩টে
চকলেট তুলে নিলাম,
অথচ কেউ কিছু বুঝতেই
পারলো না।তুই কখনই
এটা করতে পারবি না।
এটা শুনে লালু খুব রেগে গিয়ে
বললঃ চল, আমি এর
থেকে কিছু
বেশি তোকে দেখাচ্ছি।
তারা দুজনে আবার
দোকানে গেল,
এবং লালু
দোকানদারকে বললঃ আঙ্কেল,
আপনি কি একটা জাদু দেখবেন?
দোকানদারঃ ঠিক
আছে দেখাও।
লালুঃ তাহলে এরজন্য
আমাকে ১টা চকলেট দিন।
দোকানদার লালুকে ১টা চকলেট দিল।
লালু সেটা খেয়ে নিয়ে আর ১টা চাইলো।
দোকানদার আবার১টা দিল।
লালু সেটা খেয়ে নিয়ে আবার ১টা চকলেট চাইলো।
দোকানদার এবারও তাকে চকলেট
দিতেই লালু সেটাও খেয়ে ফেললো।
দোকানদারঃ আরে বাছা, এতে
তোর জাদুটা কোথায় ??
লালুঃ উং…চুং…মুং. ….
এবার, আমার বন্ধুর পকেট
চেক করুণ,
আপনার ৩টে চকলেট
ফেরত পেয়ে যাবেন….।।

১৫.
ছেলেঃ ইশ!কেন যে আপেলের সাইজ তরমুজের সমান হল না!
বাবাঃকেন রে?
ছেলেঃমাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্রটা মুখস্ত হচ্ছে না !

১৬.
একবার রাজা মশাই শক্ত করে গোপাল ভাঁড়ের হাত আঁকড়ে ধরে বললেন, কী গোপাল, বুদ্ধির জোরে কি আর সব হয়? মাঝে গায়ের জোরও লাগে।
পারলে হাতখানা ছোটাও দেখি বাপু। দেখি, কেমন তোমার শক্তি!রাজা ভেবেছিলেন, গোপাল ভাঁড় হয়তো হাত ধরে টানাহেঁচড়া করবে, মোচড়ামুচড়ি করবে।
রাজাকে অবাক করে দিয়ে সে এসবের কিছুই করল না! শুধু বিড়বিড় করে রাম রাম বলতে লাগল।
রাজা মশাই: কী হলো, অত রাম রাম করছ কেন?
গোপাল বলল, রাজা মশাই, গুরুজনের মুখে শুনেছি, রামনাম জপলে ভূত ছাড়ে!
রাজা সঙ্গে সঙ্গে গোপালের হাত ছেড়ে দিলেন!

আজ হাসুন প্রাণ খুলে চরম জোকস Bangla funny jokes

আজ হাসুন প্রাণ খুলে চরম জোকস Bangla funny jokes

০১.
বিচারকঃ গাড়িটা কিভাবে চুরি করলে বল ?
অভিযুক্তঃ আমি চুরি করিনি হুজুর! গাড়িটা কবরস্থানের সামনে দাঁড়িয়েছিল কি না।
তাই ভাবলাম মালিক বোধহয় মারা গেছে, তার আর গাড়ির দরকার নেই।

০২.
১ম-ফকিরঃ আইজকা মতিঝিলে একখান১০০ টাকার নোট কুড়ায়ে পাইছিলাম.
২য়-ফকিরঃ কস কি..??তোর দেখি বিরাট ভাইগ্য!
১ম-ফকিরঃ আরে না,নোট খান জাল আছিল, তাই ফালাইয়া দিছি!
২য়-ফকিরঃ জাল আছিল ক্যামনে বুঝলি?
১ম ফকিরঃ তুই কোনোদিন ১০০টাকার নোটে ১এর পরে তিনটা শূন্য দেখছস?

০৩.
এক পাগল খুব মনোযোগ দিয়ে চিঠি লিখছে। তো সে সময় আরেকজন এসে তাকে জিজ্ঞেস করলো, ‘চিঠি লেখ? কাকে!
“নিজেকেই লিখি।” তখন লোকটা আবার বলল,“নিজেকে কি লেখ?”পাগলটা বললো,“আরে!
আগে তো চিঠিটা আমার কাছে আসুক, তারপর পড়ে দেখি, তারপরনা জানাবো!

০৪.
ঢাকা নিউইয়র্ক বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চলছে। এক
ভদ্রলোক টয়লেটে গেলেন। গিয়ে দেখেন আরেকজন
কমোডে বসে আছেন। কিছুক্ষন বাদে আবার গেলেন। দেখেন
সেই লোক বসে আছেন। তৃতীয় বারও একই অবস্থা। ভদ্রলোক
বিরক্ত হয়ে বিমানের ক্রুকে বললেন, ” এক জনই যদি এতক্ষন
ধরে বাথরুম করে অন্যরা কখন যাবে?”
ও, উনার কথা বলছেন? উনি তো উঠবেন না, এ ফ্লাইটে খুব
ভিড় তো, তাই ওটাই উনার সিট!”

০৫.
অ্যাম্বুলেন্স
সাদা হয় কেন ?
ছাত্রের উত্তর – অ্যাম্বুলেন্স…এ
অক্সিজেন সিলিন্ডার
থাকে আর অক্সিজেন
একটা গ্যাস|
গ্যাস রান্নার
কাজে ব্যবহার হয় আর খাবার
ভিটামিন এর উৎস|
আমরা সূর্য থেকে ভিটামিন Dপাই
আর সূর্য আলো দেয়|
আলো বাল্ব
থেকে আসে আর ক্রিসমাস
ট্রি তে ছোট
বাল্ব লাগান হয়!
ক্রিসমাস মানে গিফট আর
সান্তা গিফট নিয়ে আসে…
সান্তা দক্ষিন
মেরুতে থাকে আর
ওইখানের মেরুতে ভাল্লুক থাকে!
ওই মেরুর ভাল্লুক সাদা আর এই জন্য
অ্যাম্বুলেন্স ও সাদা ! !

০৬.
বিমানে স্থান বুঝা
৩ জন আবহাওয়াবিদ
বিমানে চড়ে ঘুরতে বেরিয়েছে।
১ম জনঃ আমি বিমানের
জানালা দিয়ে হাত বের
করেই বুঝলাম এটা সুইজারল্যান্ড।
কারণ,সুইজারল্যান্ডের ঠান্ডা বাতাস
আমি ভালোভাবেই চিনি।
একটু পরে
২য় জন বললঃ আমি বিমানের
জানালা দিয়ে হাত বের করেই বুঝলাম
এটা সৌদি আরব। কারণ, এখানকার গরম বাতাস
আমি ভালোভাবেই চিনি।
আরো কিছুক্ষণ পর
৩য় জন বললঃ আমি জানালা হাত বের
করেই বুঝলাম এটা বাংলাদেশের ঢাকার গূল্লিস্থান !!
বাকি ২ জনঃ কিভাবে বুঝলেন?
৩য় জনঃ কারণ, জানালা দিয়ে হাত বের
করতেই আমার
হাত-ঘড়িটা কেউ মেরে দিছে !!

০৭.
স্টিভ জবস ও বিল গেটসের মধ্যে কথা হচ্ছিল।
বিল গেটস: গতকাল একটু ব্যাংকে গিয়েছিলাম।
স্টিভ জবস: কেন?
বিল গেটস: একটা লোনের ব্যাপারে কথা বলতে।
স্টিভ জবস: তাই নাকি? তা কত টাকা লোন দরকার তোমার?
বিল গেটস: আমার না। ব্যাংকের দরকার!

০৮.
আমেরিকাঃ মোবাইল -আমাদের
আবিষ্কার।
চায়নাঃ সিমকার্ড আমাদের আবিষ্কার।
জাপানঃ এস.এম.এস আমাদের আবিষ্কার।
ইন্ডিয়াঃ আউট গোইং লক আমাদের
আবিস্কার।
বাংলাদেশঃমিসকল আমাদের দেশের আবিষ্কার!

০৯.
আবুল তার বউকে নিয়ে কফি-
শপে গেছে।
আবুলঃ কফিটা তাড়াতাড়ি শেষ
করো,
ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।
বউঃ হোক, সমস্যা কি? .
আবুলঃ আরে,
মূল্য তালিকা দেখো। হট কফি- ২০ টাকা, কোল্ড
কফি- ৫০টাকা।
ঠান্ডা হয়ে গেলেই
অযথা ৩০
টাকা বেশি দিতে হবে !

১০.
বাবাঃ যদি ফেল করিস তবে আমাকে তুই আর বাবা বলে ডাকবি না !
বলে দিলাম .. (রেজাল্ট বের হওয়ার পর)
বাবা : কিরে তোর রেজাল্ট কেমন হল ?
কিছু তো বললি না ↓ছেলেঃ আমি দুঃখিত, রফিক সাহে!

১১.
একটা আপেল দুই বন্ধু
ভাগাভাগি করে খাবে ।
১ম বন্ধু আপেল টা ভাগ করে বড় অংশ টুকু নিল
২য় বন্ধু : দোস্ত তুই বড় অংশ নিলি আর
আমাকে ছোট অংশ টা দিলি ?
১ম বন্ধু : তুই হলে কি করতি ?
২য় বন্ধু : আমি বড়
অংশটা তোকে দিতাম ।
১ম বন্ধু : তাইতো বড় অংশটা নিলাম!

১২.
বিচারক : তুমি পকেট মারতে গিয়ে ধরা পড়েছে। তোমার দোষ স্বীকারে আপত্তি আছে?
আসামি : আমি নিরপরাধ হুজুর। ধরা পড়ার জন্য আমি দায়ী নই।
লোকটার পকেট এত ছোট ছিল যে, হাতটা টুকিয়ে আর বের করতে পারি নাই।

১৩.
শীতের সকাল
শীতের সকালে দুই বন্ধুর
মাঝে কথা হচ্ছে:-
১ম বন্ধু: লতিফ দেখরে পুকুরে আগুন
ধরে গেছে!
২য় বন্ধু: কি ভাবে বুঝলি?
১ম বন্ধু: দেখ পুকুরের
পানি দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে।
২য় বন্ধু: আরে বোকা বুঝলি না ?
১ম বন্ধু: কি?
২য় বন্ধু: পুকুরের মাছ গুলো সিগারেট
খাচ্ছে!

১৪.
এক পাগল এক চাইনিজকে জিজ্ঞেস করছে, তুমি কি আমেরিকান??
চাইনিজঃনা…আমি চাইনিজ
পাগলঃ তুমি আমেরিকান না???
চাইনিজঃ না, আমি চাইনিজ
পাগলঃ মিথ্যা বলছ,তুমি অবশ্যই আমেরিকান
চাইনিজ লোকটি শেষে বিরক্ত হয়ে বলল হ্যাঁ বাবা। আমি আমেরিকান। খুশি??
পাগলঃ চেহারা দেখে তো মনে হয় তুমি চাইনিজ

১৫.
গির্জায় কনফেশন চলছে—
চুর: ফাদার, আমি একটি মুরগি চুরি করেছিলাম। সেটা নিয়ে আপনি আমাকে পাপমুক্ত করবেন?
ফাদার: না, এভাবে হয়না, তুমি যার মুরগি তাকে ফেরত দিয়ে আসো।
চুর: ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু মুরগির মালিক ফেরত নিতে চায় না।
ফাদার: সে ক্ষেত্রে তুমি পাপমুক্ত। কারণ তুমি মুরগির মালিককে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলে।
মুরগিচোর খুশিমনে মুরগি নিয়ে বাড়ি চলে গেল। ওদিকে পাদ্রি বাড়ি ফিরে দেখেন তাঁর মুরগিটি নেই।

Thursday, February 15, 2018

মজার প্রশ্ন - উত্তর funny questions and answers

মজার প্রশ্ন - উত্তর funny questions and answers


বিখ্যাতরা প্রায়ই বিভিন্ন প্রশ্নের মজার উত্তর দিয়ে থাকেন। যেহেতু তারা বিখ্যাত।
বিখ্যাত ব্যাক্তিদের এই রকম কিছু মজার প্রশ্ন ও তার উত্তর ……

১. সুপারম্যান খ্যাত অভিনেতা ক্রিস্টোফার রীভকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল -সুপারম্যান আর জেন্টেলম্যান এর মধ্যে পার্থক্য কি?
তিনি গম্ভীর মুখে উত্তর দিলেন- সহজ পার্থক্য। জেন্টেলম্যানরা আন্ডারঅয়্যার পরে প্যান্টের নিচে আর সুপারম্যান পরে ওপরে।

২. কিংবদন্তীমুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীকে প্লেনে উড়বার আগে সিট বেল্ট বাঁধার কথা মনে করিয়ে দিলেন বিমানবালা।
আলী অহংকারী গলায় উত্তর দিলেন- সুপারম্যানের সিট বেল্ট বাধার প্রয়োজন হয়না।
কিন্তু সত্যিকার সুপারম্যানের প্লেনে চড়বারও দরকার হয় না-বিমানবালা চটপট উত্তর দেয়।

৩. স্বামী বিবেকানন্দের বাবা তার বৈঠকখানায় অনেকগুলি হুকো রাখতেন যেন এক জনের পান করা হুকো মুখে দিয়ে অন্যের জাত না যায়। একদিন বিবেকানন্দ সবগুলো হুকোয় একবার করে টান দিলেন।
এ তুমি কি করলে -ক্ষেপে গিয়ে উনার বাবা জানতে চাইলেন। দেখলাম জাত যায় কিনা-বিবেকানন্দের উত্তর।

৪. একবার এক মহিলা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্য কিছু পিঠা বানিয়ে নিয়ে যান। কেমন লাগল পিঠা জানতে চাইলে কবি গুরু উত্তর দেন-
লৌহ কঠিন, প্রস্তর কঠিন, আর কঠিন ইষ্টক, তাহার অধিক কঠিন কন্যা তোমার হাতের পিষ্টক।

৫. কবি মাইকেল মধুসুদনের অর্থিক অনটনের সময় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনাকে টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করতেন। একদিন এক মাতাল ওনার কাছে সাহায্য চাইতে এলে বিদ্যাসাগর বললেন-আমি কোন মাতালকে সাহায্য করি না।
কিন্তু আপনি যে মধুসুদনকে সাহায্য করেন তিনি ও তো মদ খান -মাতালের উত্তর।
বিদ্যাসাগর উত্তর দেন -ঠিক আছে আমিও তোমাকে মধুসুদনের মত সাহায্য করতে রাজী আছি তবে তুমি তার আগে একটি মেঘনাথ বধ কাব্য লিখে আনো দেখি।

৬. বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন এর মেধার তুলনায় চেহারা ছিল নিতান্তই সাদামাটা। একবার এক সুন্দরী অভিনেত্রী প্রস্তাব দেন-চলুন আমরা বিয়ে করে ফেলি। তাহলে আমাদের সন্তানের চেহারা হবে আমার মত সুন্দর আর মেধা হবে আপনার মত প্রখর।
কিন্তু যদি ঠিক এর উল্টোটা ঘটে তবে কি হবে-আইনস্টাইন নির্বিকার ভাবে উত্তর দেন।

৭. স্যার উইন্সটন চার্চিলের তর্ক হচ্ছিল নারী নেত্রী ন্যান্সি অ্যাস্টয়ের সাথে। তর্ক একসময় রীতিমতো ঝগড়ার পর্যায়ে চলে যায়। গলা উচিয়ে ন্যান্সি বলেন-তোমার সাথে বিয়ে হলে কফিতে বিষ মিশিয়ে আমি তোমাকে খুন করতাম।
চার্চিল উত্তর দেন- তোমার মত বউ হলে বিষ খেয়ে মরতে আমার কোনও আপত্তি থাকত না।

৮. একবার এক ছাত্র মার্ক টোয়েনের কাছে এসে বলল-আমি ডাক্তারি পড়া ছেড়ে দিয়েছি। এখন সাহিত্য চর্চার মধ্য দিয়ে মানুষের উপকার করতে চাই।
মার্ক টোয়েন উত্তর দিলেন-তুমি ডাক্তারী পড়া ছেড়ে দিয়ে এমনিতেই মানবজাতির অনেক উপকার করেছ। আর উপকার না করলেও চলবে।

৯. মার্ক টোয়েন একবার উনার এক সাংবাদিক বন্ধুকে বললেন বছর দশেক লেখালেখি করার পর বুঝতে পারলাম এ ব্যাপারে আমার কোনও প্রতিভা নেই।
তাহলে এটা বুঝবার পরও তুমি কেন লেখালেখি চালিযে যাচ্ছ ? -বন্ধু জানতে চায়।
মার্ক টোয়েন উত্তর দেন-কি করব, ততদিনে আমি রীতিমতো বিখ্যাত হয়ে গেছি যে।

১০. সমাধীস্থলের চারদিকেল দেয়ালের জন্য মার্ক টোয়েনের কাছে চাঁদা চাইতে গেলে তিনি উত্তর দেন-সমাধীস্থলের চারদিকে দেয়াল দেয়ার কোন প্রয়োজন দেখি না। কারণ যারা ওখানে থাকে তাদের বাইরে বেরিয়ে আসার ক্ষমতা নেই। আর যারা বাইরে থাকেন তাদের ওখানে যাবার কোন ইচ্ছে আছে বলে আমার মনে হয় না।

১১. প্রশ্ন: আইন কেন একজন পুরুষকে একাধিক বিয়ে করতে দিতে চায় না?

উত্তর: কারণ একজনকে একটি অপরাধের শাস্তি মাত্র একবারই দেওয়া যায়।

১২. প্রশ্ন: ‘ফুটবলের রেফারির কি উচিত ঘুষ হিসেবে উপার্জিত টাকার ট্যাক্স পে করা?’

উত্তর: যদি রেফারি হয় সৎ ও নীতিবান।’

১৩. প্রশ্ন: রাত ১২:৩০ এ প্রেমিকের বাইকে করে বাসায় ফিরে এসে দেখলে মা রক্তচক্ষু আর ঝাড়ু নিয়ে দাড়িয়ে আছে। তখন কি বলবে তুমি?

উত্তর: “এখনও ঘর পরিষ্কার করছ?”

১৪. প্রশ্ন: পৃথিবীর সবচেয়ে প্রচীন প্রাণী কোনটি?

উত্তর: জেব্রা। কারন এটি সাদা-কালো !

১৫. প্রশ্ন: খালাম্মা ডেকচির ঢাকনা খুইজ্জা পাইনা?
উত্তর: এক কাজ কর। “ডেকচির ঢাকনা” লেইখা গুগলে সার্চ দে।

১৬ প্রশ্ন: ছোটাপ্পি, পাশের বাসার বাবুটার রক্তে ম্যালিরিয়ার ভাইরাস পাওয়া গেছে। আমার ও তো হতে পারে?
উত্তর: ভয় পাস না গিট্টু। তিন দিন পর পর তোর এন্টিভাইরাস নেট থেকে আপডেট করে দিবো। তুই খালি প্রতি সপ্তাহে পুরা বডি স্ক্যান করবি।

১৭. প্রশ্ন: আ-হায়রে দোস্ত শার্টে চা পইড়া তো ভাইসা গেলো। এখন কি হবে?
উত্তর: খাড়া ফটোশপ CS100 দিয়া তোর শার্টের দাগ মুইছা দিতাছি।

১৮ প্রশ্ন: ওগো শুনছো। আমার না খুব ভয় করছে। যদি রাতে চোরে আছে?
উত্তর: ভয় পেয়েও না। বাড়ির চারপাশে ফায়ারওয়াল এক্টিভেট করা আছে।

১৯ প্রশ্ন: এই বৃষ্টিতে কীভাবে স্কুলে যাবো মা?
উত্তর: তোমাকে ই মেইল করে স্কুলে পাঠাবো বাবা !!!

২০ প্রশ্ন: মানুষ মাত্রই কি ভুল হয়? নিজের ভুলভ্রান্তি নিয়ে কী ভাবতেন আইনস্টাইন?

১৯৩৫ সালে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল,

‘পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য আপনার কী কী দরকার?’

আইনস্টাইন বললেন, ‘একটা ডেস্ক, কিছু কাগজ আর একটা পেনসিল। সঙ্গে দরকার বড় একটা ডাস্টবিন, যেখানে আমার সব ভুল করা বা ভুলে ভরা কাগজগুলো ফেলব!’

২১ প্রশ্ন: নিজের যাবতীয় খুঁত ও ত্রুটি সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো পুরুষের কী করা উচিত?
উত্তর: বিয়ে।

২২ প্রশ্ন: বলুন দেখি, সত্য এবং মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: সত্য বলে ফেললেই হয়। কিন্তু মিথ্যা বলার পর মনে রাখতে হয়!

২৩ প্রশ্ন:ধরুন....আপনি একটি দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। এক পর্যায়ে আপনি দ্বিতীয় প্রতিযোগিকে ওভারটেক করলেন। আপনার অবস্থান কত?

উত্তর: যদি আপনি মনে করে থাকেন আপনার অবস্থান 'প্রথম'। তাহলে আপনার ধারনা ভুল। দ্বিতীয় প্রতিযোগিকে ওভারটেক করার পর... আপনি তৃতীয় অবস্থান থেকে এখন রয়েছেন দ্বিতীয় অবস্থানে। প্রথম প্রতিযোগি প্রথম অবস্থানেই আছেন।

২৪ প্রশ্ন: যদি আপনি সর্বশেষ প্রতিযেগিকে ওভারটেক করেন, তখন আপনার অবস্থান........কত?

উত্তর: যদি আপনার উত্তর হয়ে থাকে ''সর্বশেষ প্রতিযোগির ঠিক আগের অবস্থানে'', তাহলে আপনি এবারও ভুল! আপনি-ই বলেন, সর্বশেষ প্রতিযোগিকে কিভাবে ওভারটেক করা সম্ভব?!?! সেক্ষেত্রে আপনি নিজেই তো ছিলেন সর্বশেষ প্রতিযোগি!

২৫ প্রশ্ন: ১০০০ এর সাথে ৪০ যোগ করুন। যোগ করুন আরও ১০০০, তারপর আরও ৩০। এবার যোগ করুন আরও ১০০০ এবং ২০। এরপর যোগ করুন আরও ১০০০ এবং ১০। মোট কত হলো?

আপনার প্রাপ্ত যোগফল কি ৫০০০? সিওর?

সঠিক উত্তর ৪১০০। বিশ্বাস না হলে খাতা-কলমে যোগ করে দেখুন!

২৬ প্রশ্ন: একজন বোবা ব্যাক্তি একটি দোকানে গেছেন টুথব্রাশ কিনতে। তিনি বার বার অভিনয় করে... দাঁত ব্রাশ করার ভঙ্গি করে দোকানী-কে বোঝানোর চেষ্টা করলেন, তিনি কি চাচ্ছেন। দোকানী সহজেই বিষয়টি বুঝলো এবং লোকটিকে একটি টুথব্রাশ দিয়ে দিল।






এবার বলুন একজন অন্ধ ব্যক্তি একটি সানগ্লাস কেনার জন্য দোকানীকে কিভাবে বুঝাবেন, তিনি কি চাচ্ছেন?






প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সময় ১০ সেকেন্ড এবং সঠিক জবাবের জন্য নির্ধারিত নম্বর ১ হলে..... আপনার অবস্থান নির্ণয় করা মোটেই কঠিন কোন কাজ হবেনা আশা করি! কি বলেন?

২৭ প্রশ্ন: জন্মের সময় আমি খুব কেঁদেছিলাম কিন্তু এখন আমার সব কিছুতেই হাসি পায়।

আমি জন্মের প্রয়োজনে ছোট হয়েছিলাম এখন মৃত্যুর প্রয়োজনে বড় হচ্ছি।

২৯ প্রশ্ন: —–>জীবনের ৫টি চরম সত্য কি?<—–

১. মায়ের মত কেউ আপন হয় না ।

২. গরিবের কোন বন্ধু হয় না ।

৩. মানুষ সুন্দর মনকে খোজে না, সুন্দর চেহারা খোজে ।

৪. সম্মান শুধু টাকার আছে মানুষের নেই ।

৫. মানুষ যাকেই বেশি ভালবাসে সে বেশি কষ্ট দেয় ।

মা কখন মিথ্যে কথা বলে ????? ।



যখন রাতে মাত্র ৪ টা রুটি থাকে , আর সদস্য সংখা ৫ হয়, মা তখন বলে -” আমি একটু আগে খেয়েছি । “ মা এর ভালোবাসা এমন ই . . . . .

৩০ প্রশ্ন: এই পৃথিবীর সবচে’ সুন্দর জিনিস কী?

মানুষের বিস্মিত চোখ। আমার ধারণা, সৃষ্টিকর্তা মানুষের বিস্মিত চোখ দেখতেই সবচে’ পছন্দ করেন, যে কারণে প্রতিনিয়ত মানুষকে বিস্মিত করার চেষ্টা তিনি চালিয়ে যান। যাদের তিনি অপছন্দ করেন তাদের কাছ থেকে বিস্মিত হবার ক্ষমতা কেড়ে নেন। তারা প্রতিনিয়ত বিস্মিত হয় না …

৩১ প্রশ্ন: জুমু’আর দিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য:

১, এই দিনে আদম (আ:)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে।

২, এই দিনে আল্লাহ্ তা’আলা আদম (আ:)-কে দুনিয়াতে নামিয়ে দিয়েছেন।

৩, এই দিনে আদম (আ:) মৃত্যুবরণ করেছেন।

৪, এই দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যে সময়ে হারাম ছাড়া যে কোন জিনিস প্রার্থনা করলে আল্লাহ তা প্রদান করেন।

৫, এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। তাই আসমান, যমীন ও আল্লাহর সকল নৈকট্যশীল ফেরেশতা জুমু’আর দিনকে ভয় করে।(ইবনে মাজাহ্, মুসনাদে আহমদ)

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “জুম’আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়।

(ক) এক ধরনের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।

(খ) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুম’আয় হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না।

(গ) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুম’আয় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার দুই জুম’আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।” (আবু দাউদঃ ১১১৩)

৩২ প্রশ্ন: মেয়েদের যে যে সময় সবচেয়ে সুন্দর লাগে?

যখন হাসে। এই হাসিই তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

যখন ঘুমায়। তখন তাদের মায়াবী দেখায়।

যখন আগ্রহ দৃষ্টিতে কারো দিকে আড় চোখে তাকায়।

কান্নার আগমূহুর্তে।

যখন তারা নিজের ঠোটে কামড় দেয়।

গোসল করার পর ভেজা চুলে।

যখন তাদের মনে প্রচন্ড আনন্দ থাকে, কিন্তু কুখে একটা লজ্জার আবরণ দিয়ে সেই আনন্দটা ঢাকার চেষ্টা করে।

যখন তাদের প্রসংসা করা হয়।

যখন তারা রেগে যায়।

গোধুলির সময়।

মোমবাতির আলোতে।

৩৩ প্রশ্ন: চুরি ও গবেষনার মধ্যে পার্থক্য কি?
উত্তর: একটি বই থেকে নিয়ে লিখলে সেটা হয় চুরি। আর কয়েকটা বই থেকে নিয়ে লিখলে সেটা হয় গবেষণা।

৩৪ প্রশ্ন: প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি কারা?
উত্তর: প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হলেন তিনি, যাঁর বৃদ্ধি ওপর ও নিচ এ দুই প্রান্ত থেকে থেমে গেছে, কিন্তু পাশে বাড়ছে।

৩৫ প্রশ্ন: নির্বোধের সাথে র্তকে গেলে পরিনাম কি?
উত্তর: নির্বোধের সঙ্গে তর্কে যেয়ো না। সে তোমাকে নিজের পর্যায়ে নামিয়ে আনবে এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তোমাকে হারিয়ে দেবে।

৩৬ প্রশ্ন: সত্য একটি কথা?
উত্তর: মানুষ মাত্রেরই ভুল হয় কিন্তু অফিস মাত্রই তা ক্ষমা করে না।

৩৭ প্রশ্ন: আপনি কেমন করে মরতে পছন্দ করবেন?
উত্তর: আমি আমার দাদার মতো ঘুমের মধ্যে শান্তিতে মরতে চাই, তাঁর বাসের যাত্রীদের মতো চিত্কার করতে করতে নয়।

৩৮ প্রশ্ন: শিশুর সংজ্ঞা হলো কি?
উত্তর: যাদের জন্মের পর প্রথম দুই বছর চলে যায় হাঁটা আর কথা শেখায় এবং তার পরের ১৬ বছরই কেটে যায় তাদের মুখ বন্ধ রাখা আর স্থির হয়ে বসা শেখায়।

৩৯ প্রশ্ন: ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার সহজ উপায় কোনটি?
উত্তর: আপনার যথেষ্ট পরিমাণ টাকা আছে, শুধু এটা বোঝাতে পারলেই আপনি কোনো ব্যাংক থেকে টাকা ধার পেতে পারেন।

৪০ প্রশ্ন: যদি তোমার মনে হয় যে তুমি বেঁচে আছ নাকি মরে গেছ, তা নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথা নেই, তাহলে কি করবে?
উত্তর: এক-দুই মাস বাড়ি ভাড়া দেওয়ার কথা ভুলে গিয়ে দেখতে পার।

৪১ প্রশ্ন: ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়লেই কেবল আমরা কি সিন্ধ্যান্ত পৌঁছায়?
উত্তর: উপসংহারে পৌঁছাই।

৪২ প্রশ্ন: সন্ধ্যার খররে শুভসন্ধ্যা কেন বলা হয়?
উত্তর: সন্ধ্যার খবর শুরু করা হয় ‘শুভ সন্ধ্যা’ বলে। এরপর একে একে বলা হয় সন্ধ্যাটি কেন শুভ নয়।

৪৩ প্রশ্ন: যদি বলা হয় আকাশে কত তারা আছে?
উত্তর: আকাশে চার বিলিয়ন তারা আছে, তাহলে না গুনেই সবাই সেটা বিশ্বাস করবে। কিন্তু যদি বলা হয়, মাত্র রং করেছি, চেয়ারের রংটা এখনো শুকায়নি, তাহলে সবাই হাত দিয়ে দেখবে।

৪৪ প্রশ্ন: লক্ষ্যভেদ করতে চাইলে কি করতে হয়?
উত্তর: প্রথমে তীর ছোড়ো, তারপর যেটায় লাগে সেটাকেই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে প্রচার করো।

৪৫ প্রশ্ন: আতিথেয়তা কী?
উত্তর: একটি গুণ যার কারণে অতিথিরা ভাবে, যেন তারা নিজের বাড়িতেই আছে।

৪৬ প্রশ্ন: আমি কাজ খুব ভালোবাসি যেমনঃ
উত্তর: কাজ আমাকে আকৃষ্ট করে। আর তাইতো আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে কাজের দিকে শুধু তাকিয়েই থাকি।

৪৭ প্রশ্ন: একজন সেলসম্যান হলো?
উত্তর: সেই ব্যক্তি, যিনি এমনভাবে আপনাকে নরকে যেতে বলবেন যে আপনি যাত্রার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবেন।

৪৮ প্রশ্ন: মৃত্য কী ধরনের ব্যাপার?
উত্তর: মৃত্যু বংশানুক্রমিক একটা ব্যাপার।

৪৯ প্রশ্ন: পুরুষেরা কি ঘরের কাজে সাহায্য করে?
উত্তর: করে। মেয়েরা যখন ঘর পরিষ্কার করে, তখন তারা পা তুলে বসে।

৫০ প্রশ্ন: পৃথিবীতে তিন ধরনের মানুষ আছে যেমন?
উত্তর: ১. যারা গুনতে পারে। ২. যারা গুনতে পারে না।

৫১ প্রশ্ন: মানুষ যতদিনে বুঝতে পারে যে তার বাবা ঠিক কথাই বলত?
উত্তর: ততদিনে তার ছেলে বড় হয়ে তার ভুল ধরতে শুরু করে।

৫২ প্রশ্ন: কেউ যদি রলে অনেক ভালোবাসি তাহলে কি করা উচিত?
উত্তর: তাহলে তাজা গোলাপ ২৪ ক্যারেট সোনার ভেতর সিলমোহর করে পাঠাতে বলা উচিৎ।

৫৩ প্রশ্ন: আলঝেইমার (কিছু মনে না থাকার রোগ) রোগ হওয়ার একটি সুবিধা কি?
উত্তর: রোজই আপনি নতুন নতুন বন্ধু পাবেন।

৫৪ প্রশ্ন: যে লোক দুই কানে তুলা গুঁজে রাখে, তাকে কী বলা যায়?
উত্তর: তাকে যা ইচ্ছা তাই বলা যায়।

৫৫ প্রশ্ন: যে চিন্তাশক্তি দিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করা হয় তাদিয়ে কি হয় না?
উত্তর: সেই একই চিন্তাশক্তি দিয়ে তা সমাধান করা যায় না।

৫৬ প্রশ্ন: ব্রেকফাস্টের আগে যে জিনিস দুটো কখনোই খাওয়া সম্ভব নয়?
উত্তর: সেগুলো হলো লাঞ্চ আর সাপার।

৫৭ প্রশ্ন: হাতুড়ির সবচেয়ে নিরাপদ ব্যবহার হলো কোনটি?
উত্তর: পেরেকটা অন্য কাউকে ধরতে দেওয়া।

৫৮ প্রশ্ন: বাড়ির কাজ না আনার সবচেয়ে খারাপ অজুহাত হলো কোনটি?
উত্তর: আমি দেখে লেখার মতো কাউকে পাইনি।

৫৯ প্রশ্ন: ধরুন, কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় তাঁর শরীরের বাঁ-পাশ পুরোটাই হারিয়েছেন। এখন তাঁর কী হবে?
উত্তর: তিনি এখন ‘অল রাইট’।

৬০ প্রশ্ন: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায়ও কাজ করেন কেন?
উত্তর: আরে, উনি তো পি.এম, এ এম নন।

৬১ প্রশ্ন: স্কুলে একজন বোকাকে কীভাবে চেনা যায়?
উত্তর: শিক্ষক যখন বোর্ড মোছেন, সে তখন তার সব ক্লাসনোট কেটে দেয়।

৬২ প্রশ্ন: মা এবং স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: একজনের কারণে তুমি কাঁদতে কাঁদতে পৃথিবীতে এসেছিলে, অন্যজনের কারণে তুমি সারা জীবন কাঁদবে।

৬৩ প্রশ্ন: স্ত্রী ও চুম্বকের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: চুম্বকের একটি পজিটিভ দিক আছে।

৬৪ প্রশ্ন: বাচ্চা ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো কোনটি?
উত্তর: তার জন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করা।

৬৫ প্রশ্ন: পৃথিবীর স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একটি পজিটিভ দিক বলুন।
উত্তর: এইচ আই ভি।

৬৬ প্রশ্ন: দুজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার একসঙ্গে কীভাবে বড়লোক হতে পারে?
উত্তর: একজন ভাইরাস লিখে, অন্যজন অ্যান্টিভাইরাস লিখে।

৬৭ প্রশ্ন: গণিতের একটা বই আরেকটা বইকে কী বলে?
উত্তর: তোমার কথা জানি না, কিন্তু আমার ভেতরটা সমস্যায় ভর্তি।

৬৮ প্রশ্ন: আপনার স্ত্রী ড্রাইভিং শিখতে চাইলে কি করবেন?
উত্তর: তাঁর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না।

৬৯ প্রশ্ন: মোটা লোকদের ছবি প্রিন্ট করতে কোন সাইজ করা উচিৎ?
উত্তর: পোস্টার সাইজ ছাপা উচিৎ।

৭০ প্রশ্ন: বিয়ে কেমন হয়?
উত্তর: সব বিয়েই সুখের। পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে থাকতে গিয়েই যত ঝামেলা শুরু হয়।

৭১ প্রশ্ন: ব্যাচেলররা বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে বিবাহিতদের চেয়ে বেশি জানে কেন?
উত্তর: নইলে তারাও বিবাহিত হতো।

৭১ প্রশ্ন: উড়োজাহাজের পেছনের সারিতে বসার কারণ দুটি কি?
উত্তর: এক. হয় আপনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। দুই. আপনি আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচিত হতে চান।

৭২ প্রশ্ন: অভিজ্ঞতা যে কোনো কাজে লাগে না তার প্রমাণ হলো?
উত্তর: মানুষ একটা প্রেম শেষ হওয়ার পরও আরেকবার প্রেমে পড়ে।

৭৩ প্রশ্ন: তিনি খুব অল্প কথার মানুষ। তাই না?
উত্তর: হ্যাঁ, সারা সকাল ধরে সেই কথাটাই তিনি বোঝালেন।

৭৪ প্রশ্ন: একটি পরিচ্ছন্ন ডেস্ক কিসের প্রতীক?
উত্তর: একটি এলোমেলো ড্রয়ারের প্রতীক।

৭৫ প্রশ্ন: স্ত্রী স্বামীর কাছে আরও বেশি স্বাধীনতা দাবি করলে কি করবেন?
উত্তর: করায় স্বামী মিস্ত্রি ডেকে রান্নাঘরটা বড় করে দিলেন।

৭৬ প্রশ্ন: ৩৫-এর পর আমার কি আর বাচ্চা নেওয়া ঠিক হবে?
উত্তর: না। ৩৫টা বাচ্চাই যথেষ্ট।

৭৭ প্রশ্ন: মেকানিক্যাল আর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার অস্ত্র বানায় আর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বানায় অস্ত্রের টার্গেট।

৭৮ প্রশ্ন: রাজনীতির মূল মন্ত্র কোনটি?
উত্তর: রাজনীতির প্রথম কথা হচ্ছে, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।

৭৯ প্রশ্ন: নির্বাচন হচ্ছে গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থার একটি চমত্কার উদার দিক কোনটি?
উত্তর: যেখানে সবাই মিলে ঠিক করে কে কে তাদের শোষণ করবে।

৮০প্রশ্ন: কারচুপি একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শব্দ, পরাজিত দলের ভাষ্য কী?
উত্তর: স্থূল ও সূক্ষ্মরূপে জয়ী দল করে থাকে।

৮১প্রশ্ন: কোন খানা খাওয়া যায় না ?
উত্তর: কারখানা।।

৮২প্রশ্ন: কোন বরের বিয়ে হয় না ?
উত্তর: খবরের।।

৮৩প্রশ্ন: কোন তাল খাওয়া যায় না ?
উত্তর: হরতাল।।

৮৪প্রশ্ন: যে পানি খাওয়া যায় না ?
উত্তর: হ্যাপানি।।

৮৫প্রশ্ন: যে লেজ কোন পশুর নয় তা ?
উত্তর: কলেজ।।

৮৬প্রশ্ন: যে ডিম আজ পর্যন্ত দেখা যায় না ?
উত্তর: ঘোড়ার ডিম।।

৮৭প্রশ্ন: প্রাচীনকালে রোমান সৈন্যরা এক ধরনের বিশেষ পোশাক পরত, এখন মেয়েদের কাছে ওই বিশেষ পোশাকটাই ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। সেটি কোনটি?
উত্তর: স্কার্ট।

৮৮প্রশ্ন: কতটি চাঁদের সমান পৃথিবী ওজন?
উত্তর: ৮১টি চাঁদের সমান আমাদের পৃথিবীর ওজন।

৮৯প্রশ্ন: আঙুল ছাড়া আর কিসের ছাপ অন্য মানুষ থেকে আলাদা?
উত্তর: ঠোঁটের ছাপ।

৯০প্রশ্ন: মানুষ ছাড়া আর কোন কোন প্রাণী আয়নায় নিজেকে চিনতে পারে?
উত্তর: শিম্পাঞ্জি ও ডলফিন।

৯১প্রশ্ন: কখন বুজবেন আপনারে জিহ্বায় ব্যাকটেরিয়া জমেছে?
উত্তর: আয়নার সামনে গিয়ে জিহ্বা বের করে দেখুন। জিহ্বার রঙ যদি গোলাপি হয় তাহলে বুঝা যাবে জিহ্বায় কোনো জীবাণু নেই। আর যদি সাদা হয়, তাহলে ব্যাকটেরিয়া জমেছে।

৯২প্রশ্ন: আপনার দাদুর বয়স কি সত্তর?
উত্তর: তাহলে তিনি এ পর্যন্ত ৯ হাজার গ্যালন পানি পান করেছেন।

৯৩প্রশ্ন:আপনার নাকের দৈর্ঘ্য এর সাথে শরীরের কোন অংশের দৈর্ঘ্য এর মিল রয়েছে?
উত্তর: আপনার নাকের দৈর্ঘ্য ও বুড়ো আঙুলের দৈর্ঘ্য মিলে গেছে? যদি মিলে যায় তবে আপনি স্বাভাবিক। আর যদি না মেলে তবে আর কী করা? এমন ব্যতিক্রম খুব কমই হয়।

৯৪প্রশ্ন: সুপার কম্পিউটারের সাথে মানুষের একটি পার্থক্য?
উত্তর: আমাদের মস্তিষ্কে আছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন নার্ভ সেল। সবচেয়ে ক্ষমতাশালী কম্পিউটারের চেয়েও বেশ জটিল আমাদের একেকটি নার্ভ সেল।

৯৫প্রশ্ন: মানুষের শরীরে কতটি পেশি আছে?
উত্তর: ৬০০ টিরও বেশি।

৯৬প্রশ্ন: আমেরিকার ব্ল্যাক উইডো মাকড়সা কেমন বিষাক্ত ?
উত্তর: এক কামড়ে মানুষকে মেরে ফেলতে পারে।

৯৭প্রশ্ন: ভালুকের রং কি কালো হয়?
উত্তর: আমরা যাদের কালো ভালুক বলে চিনি, এরা কিন্তু মোটেও কালো নয়। এদের রং বাদামি, হলুদ, দারুচিনি এবং কখনো কখনো সাদা।

৯৮প্রশ্ন: আমরা তো খাবার খেয়েই ভাবি কাজ শেষ। এ খাবার পুরোপুরি হজম করতে পেটের কতক্ষণ সময় লাগে জানেন?
উত্তর: প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা।

৯৯প্রশ্ন: কোন মাছ পিছন দিকে সাঁতার কাটতে পারে?
উত্তর: ঈল মাছ পিছন দিকে সাঁতার কাটতে পারে।

১০০প্রশ্ন: উটপাখি কত গতিতে দৌড়াতে পারে?
উত্তর: ঘণ্টায় ৪৩ মাইল বা ৭০ কিলোমিটার বেগে। এ পাখি উড়তে পারেনা।

১০১প্রশ্ন: একজন মানুষ কোনো খাবার না খেয়ে বাঁচতে পারে কত দিন?
উত্তর: এক মাস, কিন্তু পানি পান না করলে এক সপ্তাহের বেশি বাঁচতে পারে না।

১০২প্রশ্ন: একটা বোয়িং ৪৭৪-৪০০ বিমানে কতটি যন্ত্রাংশ আছে?
উত্তর: ৬০ লাখ যন্ত্রাংশ আছে।

১০৩প্রশ্ন: একটি আনারস পূর্ণাঙ্গ হতে কত সময় লাগে?
উত্তর: দুই বছর।

১০৪প্রশ্ন: কোন প্রাণি বোমার মতো নিজেদের বিস্ফোরিত করতে পারে?
উত্তর: পিঁপড়ে

১০৫প্রশ্ন: কচ্ছপের কতটি দাঁত?
উত্তর: নেই।

১০৬প্রশ্ন: কুমির কিভাবে খাদ্য গ্রহণ করে?
উত্তর: গিলে। করণ কুমির চিবোতে পারে না।

১০৭প্রশ্ন: খুব জোরে হাঁচি দিলে শরীরের কিসমস্যা হতে পারে?
উত্তর: পাঁজরের হাড়ে চিড় ধরতে পারে। আবার চেপে রাখলে মাথা বা ঘাড়ের শিরা ছিঁড়ে যেতে পারে। সামান্য হাঁচির কী জোর রে বাবা!

১০৮প্রশ্ন: আপনি চোখ খোলা রেখে কোনটি কাজটি করতে পারবেন না?
উত্তর: হাঁচি।

১০৯প্রশ্ন: চার হাঁটুওয়ালা একমাত্র জন্তু নাম কি?
উত্তর: হাতি।

১১০প্রশ্ন: চোখের একটা পলক ফেলতে কত সময় লাগে জানো?
উত্তর: শূন্য দশমিক চার সেকেন্ড।

১১১প্রশ্ন: যখন আমরা কোনো কিছু স্পর্শ করি তখন ঘণ্টায় কত মাইল বেগে তথ্যটা মস্তিষ্কে পৌঁছায়?
উত্তর: ১২৪ মাইল বেগে।

১১২প্রশ্ন: টাইটানিক জাহাজ ও টাইটানিক সিরেমার মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: টাইটানিক জাহাজ বানাতে খরচ হয়েছিল সাত মিলিয়ন বা ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৫২ কোটি টাকা। আর দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘টাইটানিক’ সিনেমা বানাতে খরচ হয়েছে ২০০ মিলিয়ন ডলার, মানে ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

১১৩প্রশ্ন: ধরা যাক একটা সিংহ এবং ভালুকের মধ্যে লড়াই হলো। কে জিতবে ভাবো তো একবার?
উত্তর: বনের রাজা হলেও ওই লড়াইয়ে কিন্তু ভালুকই জিতবে।

১১৪প্রশ্ন: মানুষের ব্যক্তিগত শীতাতপ নিয়ন্ত্রকযন্ত্র কোনটি?
উত্তর: নাকই হচ্ছে আমাদের ব্যক্তিগত শীতাতপ নিয়ন্ত্রকযন্ত্র। কারণ এটা শীতল বাতাসকে গরম করে, আবার গরম বাতাসকে শীতল করে এবং ময়লা- আবর্জনা ছাঁকুনি দিয়ে বিশুদ্ধ বাতাস টেনে নেয়।


দম ফাটানো হাসির কৌতুক