Monday, April 13, 2020

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী ২০২০ ক্যালেন্ডার ramadan calendar 2020 in bangladesh pdf file download


ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বায়তুল মুকাররম, ঢাকা-১০০০
সাহরী ও ইফতারের সময়সূচী
(শুধুমাত্র ঢাকা জেলার জন্য প্রযোজ্য)

সাহরী ও ইফতারের সময়সূচী  2020 pdf file download



নরসিংদি, লারায় আর
মূলীল তার . চাদপুর,১  মিঃ ১ মিঃ
কিশোলভোলা,: ২ মিঃ ২ মিঃ
লোকেলানা, কুমিললা. ৩ মি ৪৩ মি ৪
ৰি-বাড়িয়ানোয়াখালীলামা লড - মি ঃ ৪ মিঃহবিগল ড. নেলীবাজারসিলেট, ৬ মিঃ৬ মিঃ
মৌলভী বাজারগা ছড়ি, রাঙ্গামাটি ৭ মিঃ ৭ মি 8=
কার
তারার সময়ের পরেরগা জীপুর, পৰীৱাত সা.মা দারীপুর পিরোজপুর-১ মিঃ ১ মিঃ
বরিশাল, কলকলাটী,ম ময়মনসিংহ তাহলাইল,
বাগেরহাট শেরপুর, ২ মিঃ ২ মিঃ
মানিত লণ্ডনফ ফরিদপুর সিরাজপেত,
খুলনা, গোপালপতন , ৩ মি ৪৩ মিঃ
মাইল।সা ধনা রাজবা, ৪ মি ঃ ৪ মিঃ
কুলটিরা, সাতক্ষীরা,যা শোর কিনাদত,লেী লামারী,বু লগ্রিাম, পাইলাদা
৫ মিঃ ৫ মিঃ
রাজশাহীমেহেরপুর,আ আলালমনিরহাট বা ৬ মি মিঃ
৯,চা  পাতল
নওগাঁ, নাটোর ।  মি ও ৭ মিঃ
সেহরি ও ইফতারের স্থায়ী সময়সূচী ,সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি 2020 ,আজকের সেহরির শেষ সময় ,সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি 2020 ,সেহরির শেষ সময় ২০২০ ,আজকের ইফতারের সময়সূচি ,আজকের সেহরির শেষ সময় ২০২০ ,আজ সেহরীর শেষ সময়

Tag:-

আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
সেহরি ও ইফতারের স্থায়ী সময়সূচী
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি 2020
সেহরি ও ইফতারের স্থায়ী সময়সূচী ২০২০
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী ২০২০
সেহরির শেষ সময় ২০২০
রোজার সময়সূচি ২০২০
সেহরির স্থায়ী সময়সূচী
ramadan calendar 2020 in bangladesh
ramadan 2020 bangladesh
1st ramadan 2020 in bangladesh
ramadan 2020 bangladesh
ramadan 2020 date in bangladesh
roja 2020 bangladesh
ramadan 2020 calendar


Tuesday, September 25, 2018

ঘুমানোর পূর্বে রাসূল সঃ এর ১০টি বৈজ্ঞানীক সুন্নাহ ঘুমানোর নিয়ম (সুন্নাহ বনাম বিজ্ঞান)

ঘুমানোর পূর্বে রাসূল সঃ এর ১০টি বৈজ্ঞানীক সুন্নাহ ঘুমানোর নিয়ম (সুন্নাহ বনাম বিজ্ঞান)

১- ঘুমানোর পূর্বে ওযু করে নেওয়া-
২- শয়ন অবস্হায় সূরা ফালাক, নাস ও ইখলাস পাঠ করাঃ
৩- আয়াতুল কুরশি পাঠ করাঃ
৪- ঘুমানোর পূর্বে বিছানা ভালোভাবে ঝেড়ে নেওয়াঃ
৫- সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করাঃ
৬- ঘুমানোর পূর্বে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করাঃ
৭-ডান কাত হয়ে ঘুমানোঃ
৮- তাসবি পাঠ করাঃ
৯- সূরা মুলক পাঠ করাঃ
১০- রাতে এক শো আয়াত পাঠ করা-


ইসলামিক স্কুলের সাথে বিশুদ্ধ ইসলাম শেখা কখনো থামিও না। এখানে তুমি পাবে নিজেকে ইসলামিক জ্ঞানে দক্ষ করার জন্য দেশের, বিদেশের বিভিন্ন ইসলামিক স্কলারদের একক আলোচনা, যৌথ আলোচনা, সিরিজ আলোচনা, খন্ড আলোচনা, কোরআন তিলাওয়াত, অনুবাদ, হাদিস শিক্ষার ক্লাস, কোরআন ও বিজ্ঞান, ইসলামিক কুইজ এছাড়া আরো অনেক কিছু যা থেকে তুমি নিজেকে একজন প্রাক্টিচিং মুসলিম হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

ইসলামে ঘুমানোর নিয়ম, ঘুমানোর সঠিক নিয়ম, ইসলামে স্বামী স্ত্রী ঘুমানোর নিয়ম, ঘুমানোর সঠিক পদ্ধতি, ঘুমানোর সময়, ঘুমানোর দোয়া, ছেলেদের ঘুমানোর নিয়ম, স্বামী স্ত্রীর শোয়ার নিয়ম

Wednesday, January 24, 2018

দুয়া ও যিকির নিয়ে ইসলামের বিধান জানেন কি Al hadis

দুয়া ও যিকির নিয়ে ইসলামের বিধান জানেন কি Al hadis

৭৫৪. প্রশ্নঃ নিদ্রা যাওয়ার সময় কোন দুআ পাঠ করতে হবে?

উত্তরঃ নিদ্রা যাওয়ার সময় দুআঃ
আরবীঃ
بِاسْمِكَ اللهُمَّ أَمُوتُ وَأَحْيَا

উচ্চারণঃ বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমূতু ওয়া আহইয়া।

অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার নামে মৃত্যু বরণ করছি, তোমার নামেই জীবিত হব।


৭৫৫. প্রশ্নঃ নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে কোন দুআ পাঠ করতে হবে?

উত্তরঃ নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ

উচ্চারণঃ আল হামদু লিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন্নুশূর।

অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন। আর তার কাছেই আমাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।

৭৫৬. প্রশ্নঃ আযানের শেষে পঠিতব্য দুআটি কি?

উত্তরঃ আযানের শেষে পঠিতব্য দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ্‌ দওয়াতিত্‌ তাম্মাহ ওয়াস্‌ সালাওয়াতিল কায়িমাহ আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতি ওয়াল ফযীলাহ ওয়াবআছহু মাকামাম্মাহমূদানিল্লাজি ওয়াআদতাহ।

অর্থঃ হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান এবং এই প্রতিতি নামাযের তুমিই প্রভূ। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে দান কর সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান এবং সুমহান মর্যাদা। তাঁকে প্রতিষ্ঠিত কর প্রশংসিত স্থানে যার অঙ্গিকার তুমি তাঁকে দিয়েছো।

৭৫৭. প্রশ্নঃ ওযুর শুরুতে কি পাঠ করতে হবে?

উত্তরঃ ওযুর শুরুতে পাঠ করতে হয়ঃ
আরবীঃ
بسم الله

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ। (ছাড়া অন্য কোন দুআ পড়া বিদআত।)

৭৫৮. প্রশ্নঃ ওযুর শেষে কোন দুআ পাঠ করলে বেহেস্তের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে?

উত্তরঃ ওযুর শেষে এই দুআ পাঠ করলে বেহেস্তের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হয়ঃ
আরবীঃ
أشْهَدُ أنْ لإَاِلَهَ إلاَّاللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أنَّ مُحَمَّدًاعَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

উচ্চারণঃ আশহাদুআল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লাশারীকালাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।

৭৫৯. প্রশ্নঃ মসজিদে প্রবেশের দুআ কি?

উত্তরঃ মসজিদে প্রবেশের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মাফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকা।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করে দাও।

৭৬০. প্রশ্নঃ মসজিদ থেকে বের হওয়ার দুআ কি?

উত্তরঃ মসজিদ থেকে বের হওয়ার দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাযলিকা।

অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার অনুগ্রহ প্রর্থনা করছি।

৭৬১. প্রশ্নঃ টয়লেটে প্রবেশের দুআ কি?

উত্তরঃ টয়লেটে প্রবেশের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ

উচ্চারণঃ আল্লাহম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ।

অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার নিকট আশ্রয় কামনা করি- যাবতীয় দুষ্ট জিন ও জিন্নী থেকে।

৭৬২. প্রশ্নঃ টয়লেট থেকে বের হওয়ার দুআ কি?

উত্তরঃ টয়লেট থেকে বের হওয়ার দুআঃ
আরবীঃ
غُفْرَانَكَ

উচ্চারণঃ গুফরানাকা

অর্থঃ তোমার ক্ষমা চাই হে প্রভু!

৭৬৩. প্রশ্নঃ রাগম্বিত হলে রাগ দূর করার দুআ কি?

উত্তরঃ রাগম্বিত হলে রাগ দূর করার দুআঃ
আরবীঃ
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

উচ্চারণঃ আউযু বিল্লাহি মিনাশ্‌ শায়তানির রাযীম।

৭৬৪. প্রশ্নঃ লাইলাতুল ক্বদরের দুআ কি?

উত্তরঃ লাইলাতুল ক্বদরের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওয়ুন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করাকে আপনি পছন্দ করেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন।

৭৬৫. প্রশ্নঃ কেউ কোন উপকার করলে তার জন্য কি দুআ করতে হয়?

উত্তরঃ কেউ কোন উপকার করলে তার জন্য দুআঃ
আরবীঃ
جَزَاكَ اللَّهُ خَيْراً

উচ্চারণঃ যাজাকাল্লাহু খাইরান।

৭৬৬. প্রশ্নঃ রোগী দেখার সময় পাঠ করার দুআ কি?

উত্তরঃ রোগী দেখার সময় পাঠ করার দুআঃ
আরবীঃ
لَا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

উচ্চারণঃ লা বাস তাহূর ইনশাআল্লাহ।

অর্থঃ আপনার কোন অসুবিধা না হোক! আল্লাহ চাহে তো আপনি অতি সত্বর সুস্থ হয়ে উঠবেন।

৭৬৭. প্রশ্নঃ পানাহারের শুরুতে কি দুআ বলতে হয়?

উত্তরঃ পানাহারের শুরুতে দুআঃ
আরবীঃ
بسم الله

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ

৭৬৮. প্রশ্নঃ পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে কি করবে?

উত্তরঃ পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে তার দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি ফী আওয়ালিহি ওয়া আখিরিহি।

৭৬৯. প্রশ্নঃ পানাহার শেষ করে পাঠ করার দুআ কি?

উত্তরঃ পানাহার শেষ করে পাঠ করার দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلاقُوَّةٍ

উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আত্বআমানী হাযা ওয়া রাযাকানীহে মিন গাইরি হাওলিন মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন।

অর্থঃ সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাকে ইহা খাইয়েছেন ও রিযিক হিসেবে দান করেছেন। যাতে আমার শক্তি ও সামর্থ কিছুই ছিল না।

৭৭০. প্রশ্নঃ কেউ যদি খানাপিনা করায়, তবে তাকে উদ্দেশ্য করে কি দুআ বলবে?

উত্তরঃ কেউ যদি খানাপিনা করায়, তবে তাকে উদ্দেশ্য করে দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِي وَأَسْقِ مَنْ أَسْقَانِي

উচ্চারণঃ (আল্লাহুম্মা আত্‌য়েম্‌ মান্‌ আত্‌আমানী ওয়াস্‌ কে মান আসক্বানী)

অর্থঃ হে আল্লাহ আমাকে যে খাইয়েছে তাকে তুমি খাদ্য দান কর, যে আমাকে পান করিয়েছে তাকে তুমি পান করাও।

৭৭১. প্রশ্নঃ পিতা-মাতার জন্য কি দুআ পড়তে হয়?

উত্তরঃ পিতা-মাতার জন্য দুআঃ
আরবীঃ
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا

উচ্চারণঃ রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানী সাগীরা।

অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার উভয়ের উপর অনুগ্রহ করুন, যেমনভাবে তারা আমাকে ছোটকালে লালন-পালন করেছিল।

৭৭২. প্রশ্নঃ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য দুআ কি?

উত্তরঃ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য দুআঃ
আরবীঃ
رَبِّ زِدْنِيْ عِلْماً

উচ্চারণঃ রাব্বি যিদনী ইলমা।

অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও।

৭৭৩. প্রশ্নঃ দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণ কামনার দুআ কি?

উত্তরঃ দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণ কামনার দুআঃ
আরবীঃ
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণঃ রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতান ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতান ওয়া ক্বিনা আযাবান্নার।

অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান কর। আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।

৭৭৪. প্রশ্নঃ আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাত থেকে বের হওয়ার পর কোন্‌ দুআটি পাঠ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন?

উত্তরঃ আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাত থেকে বের হওয়ার পর এই দুআটি পাঠ করেনঃ
আরবীঃ
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنْ الْخَاسِرِينَ

উচ্চারণঃ রাব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইন্‌ লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খাসেরীন।

অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিজেদের উপর যুলুম করেছি। তুমি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না কর, আমাদের প্রতি দয়া না কর, তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাব।(সূরা আরাফঃ ২৩)

৭৭৫. প্রশ্নঃ বিপদ-মুছীবতে পড়লে কোন দুআ পাঠ করবে?

উত্তরঃ বিপদ-মুছীবতে পড়লে এই দুআঃ
আরবীঃ
لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنْ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণঃ লা-ইলাহা ইল্লা আন্‌তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যালেমীন।

৭৭৬. প্রশ্নঃ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কি দুআ পড়তে হয়?

উত্তরঃ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি।

৭৭৭. প্রশ্নঃ সোওয়ারীতে আরোহন করার দুআ কি?

উত্তরঃ সোওয়ারীতে আরোহন করার দুআঃ
আরবীঃ
سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ

উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাযী সাখ্‌খারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরেনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবূন।

৭৭৮. প্রশ্নঃ গৃহে প্রবেশ করার দুআ কি?

উত্তরঃ গৃহে প্রবেশ করার দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا وَعَلَى اللَّهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা ওয়া আলা রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা।

৭৭৯. প্রশ্নঃ ইউনূস (আঃ) মাছের পেটে থাকাকালিন কোন দুআ পড়েছিলেন?

উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنْ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লা আন্‌তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যালেমীন।

৭৮০. প্রশ্নঃ জান্নাতের একটি গুপ্তধন কি?

উত্তরঃ জান্নাতের একটি গুপ্তধন হলোঃ
আরবীঃ
لا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

উচ্চারণঃ লাহাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

৭৮১. প্রশ্নঃ দুটি কালেমা- মুখে উচ্চারণ করতে খুবই সহজ, পাল্লায় অনেক ভারী এবং আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। উহা কি?

উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ

উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম।

৭৮২. প্রশ্নঃ নতুন কাপড় পরিধান করার দুআ কি?

উত্তরঃ নতুন কাপড় পরিধান করার দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي هَذَا الثَّوْبَ وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلا قُوَّةٍ.

উচ্চারণঃ আল্‌ হামদুলিল্লাহিল্লাযী কাসানী হাযাছ্‌ ছওবা ওয়া রাযাক্বানীহে মিন গায়রে হাওলীন্‌ মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন্‌।

অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে এই পোষাক পরিয়েছেন এবং জীবিকা হিসেবে দান করেছেন, যাতে আমার শক্তি ও সামর্থ কিছুই ছিল না।

৭৮৩. প্রশ্নঃ একটি দুআ আছে কোন মানুষ যদি উহা দিনে একশত বার পাঠ করে, তাকে দশজন ক্রীতদাস মুক্ত করার ছওয়াব দেয়া হবে, তার জন্য একশতটি নেকী লেখা হবে, একশতটি গুনাহ ক্ষমা করা হবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন উহা তার জন্য রক্ষা কবচ হবে এবং তার চাইতে উত্তম আমল কেউ আর নিয়ে আসতে পারবে না- তবে ঐ ব্যক্তির কথা ভিন্ন যে এর চাইতে বেশী আমল করবে। সে দুআটি কি?

উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লী শাইয়্যিন ক্বাদীর।

৭৮৪. প্রশ্নঃ কোন্‌ তাসবীহটি দৈনিক একশতবার পড়লে- পাপ সমূহ সমুদ্রের ফেনারাশী পরিমাণ হলেও ক্ষমা করা হবে?

উত্তরঃ তাসবীহটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
سبحان الله وبحمده

উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহি।

৭৮৫. প্রশ্নঃ সকাল-সন্ধ্যায় পঠিতব্য অনেক দুআ আছে তম্মধ্যে একটি উল্লেখ কর?

উত্তরঃ তাসবীহটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
اللهُمَّ بِكَ أصْبَحْناَ وبِكَ أمسَيْناَ وبِكَ نَحْياَ وَبِكَ نَمُوْتُ وَإلَيْكَ النُّشُوْرُ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা বিকা আস্‌বাহনা ওয়া বিকা আমসায়না ওয়া বিকা নাহইয়া ওয়া বিকা নামূতু ওয়া ইলাইকান্‌ নুশূর।

অর্থঃ হে আল্লাহ তোমার অনুগ্রহে সকাল করেছি এবং তোমার অনুগ্রহে সন্ধ্যা করেছি, তোমার করুণায় জীবন লাভ করি এবং তোমার ইচ্ছায় আমরা মৃত্যু বরণ করব, আর কিয়ামত দিবসে তোমার কাছেই পূণরুত্থিত হতে হবে।

৭৮৬. প্রশ্নঃ নব বিবাহিত বরের উদ্দেশ্যে কি দুআ বলবে?

উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

উচ্চারণঃ (বারাকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকা ওলাইকা ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফী খাইরিন্‌।)

৭৮৭. প্রশ্নঃ কোন দুআটি একবার পাঠ করলে আল্লাহ দশবার রহমত নাযিল করবেন?

উত্তরঃ দরূদ শরীফ।
আরবীঃ
"اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، وَ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ"

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইব্‌রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ, ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাক্‌তা আলা ইব্‌রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ"।

অর্থঃ " হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্‌রাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত সম্মানিত।"

আপনি মুহাম্মাদ ও তার বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্‌রাহীম ও তার বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত, সম্মানিত"।

৭৮৮. প্রশ্নঃ বিপদ-মুসীবতে পড়লে কোন দুআ পাঠ করবে?

উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
إناَّ للهِ وإناَّ إلَيْهِ راَجِعُوْنَ، اللهمَّ أجُرْنِيْ فِيْ مُصِيبَتِيْ واَخْلُفْ لِيْ خَيْراً مِنْهاَ

উচ্চারণঃ (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেঊন, আল্লাহুম্মাজুরনী ফী মুছীবাতী ওয়াখ্‌লুফলী খায়রান্‌ মিনহা)

অর্থঃআমরা আল্লাহরজন্য এবংআমরা আল্লাহর কাছেই প্রত্যাবর্তন করব।হেআল্লাহ আমার বিপদে আমাকে প্রতিদান দাও এবং আমাকে এর বিপরীতে উত্তম বিষয় দান কর।

৭৭৯. প্রশ্নঃ হজ্জের মাঠে (আরাফাতের দিবসের) শ্রেষ্ঠ দুআ কি?

উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لاَ إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লী শাইয়্যিন ক্বাদীর।

৭৯০. প্রশ্নঃ শরীরের কোন স্থানে জখম বা ফোঁড়া হলে কি দুআ পড়বে?

উত্তরঃ তর্জনী আঙ্গুলে থুথু লাগাবে তারপর তা দ্বারা মাটি স্পর্শ করবে এবং সেই মাটি জখম বা ফোঁড়ার স্থানে লাগাবে ও সে সময় এই দুআ পাঠ করবে:
আরবীঃ
بِسْمِ الله، تُرْبَةُ أرْضِناَ بِرِيْقَةِ بَعْضِناَ، يُشْفَى سَقِيْمُناَ بإذْنِ رَبِّناَ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ, তুরবানতু আরযেনা বেরীক্বাতে বা’যেনা ইউশ্‌ফা সাক্বীমুনা বিইযনে রাব্বিনা

অর্থঃ আল্লাহর নামে, আমাদের যমীনের কিছু মাটি, আমাদের একজনের থুথুর দ্বারা আমাদের রবের অনুমতিতে আমাদের রুগীর আরোগ্য হবে।

Monday, January 22, 2018

হযরত আলী (রা.) এর কয়েকটি অমূল্য বাণী। যা সব সময় আমাদের কর্মের সাথে মিল থাকছে

হযরত আলী (রা.) এর কয়েকটি অমূল্য বাণী। যা সব সময়
আমাদের কর্মের সাথে মিল থাকছে


আসসালামু আলাইকুম।
অনেক দিন পরে ইসলামিক পোস্ট নিয়ে হজির হইলাম।
সব গুলো বাণী একত্রিত করতে প্রায় তিন লাগলো।
ইসলমিক পোস্ট গুলোতো আর অন্যান্য পোস্টের মতো
বানানো যাবেনা নিজেও কিছু বলা যাবেনা,
আবার কোন পোস্ট রেফারেন্স ছারাও দেওয়া যায়না,
তাই এমন পোস্ট খুব কমেই পোস্ট করা হয়।
চলুন তাহলে উপদেশ গুলো দেখি,
১. হজরত আলী (রা.) বলেন, ‘মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে,
প্রেম-ভালোবাসার জন্য; আর বস্তু সৃষ্টি করা হয়েছে
ব্যবহারের জন্য। সমস্যার জন্ম নেয়, যখন বস্তুকে
ভালোবাসা হয় এবং মানুষকে ব্যবহার করা হয়।
২. মানুষ উত্তম নিয়তের কারণে সওয়াব/পুরস্কারপ্রাপ্ত
হয়, যা অনেকক্ষেত্রে ভালো আমলের পরও পাওয়া যায়
না। কেননা নিয়তের ক্ষেত্রে লোক-দেখানো বা
লৌকিকতার সুযোগ নেই।
৩. ধনসম্পদ মাটিতুল্য; আর মাটি সংরক্ষণের যথাযোগ্য
স্থান হচ্ছে পদতলে। তা যদি মাথার ওপর রাখা হয়, সেটা
কবরের নামান্তর হয়। আর কবর তো জীবিত মানুষের জন্য
নয়।
৪. সময় ও সম্পদ এমন দুইটি জিনিস, যা মানুষের ইচ্ছাধীন
নয়। সময় মানুষকে বাধ্য করে, আর সম্পদ অহংকারী করে
তোলে।
৫. নেককারদের সাহচর্য দ্বারা মানুষ শুধু মঙ্গলই পেয়ে
থাকে। কেননা বাতাস যখন ফুলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত
হয়, তাতে নিজেই সুগন্ধিযুক্ত হয়ে যায়।
৬. মূর্খলোক সম্পদের জন্য অন্তরের শান্তি বিসর্জন দেয়;
আর বুদ্ধিমান ব্যক্তি মনের শান্তির জন্য সম্পদ লুটিয়ে
দেয়।
৭. কখনও কারও সামনে নিজের সততা-ভালো হওয়ার কথা
বলতে যাবে না। কেননা তোমার প্রতি যার বিশ্বাস
আছে, তার কাছে তেমনটির প্রয়োজনই নেই; আর তোমার
প্রতি যার ভক্তি-বিশ্বাস নেই, সে তা মেনে নেবে না।
৮. জীবজন্তুর মাঝে থাকে প্রবৃত্তি-কামনা এবং
ফেরেশতাদের মধ্যে থাকে বুদ্ধি-বিবেক; কিন্তু মানুষের
মধ্যে থাকে উভয়টি। মানুষ যদি বিবেক-বুদ্ধিকে চেপে
যায়, পশু হয়ে যায় আর যদি প্রবৃত্তি-কামনা-বাসনাকে
চেপে যায়, ফেরেশতাসম হয়ে যায়।
৯. সৎমানুষের এটাও অন্যতম গুণ যে, তাদের ইচ্ছা করে
মনে রাখতে হয় না; তাদের কথা এমনিতেই মনে পড়ে।
১০. ‘শব্দ-কথা’ মানুষের ইচ্ছাধীন দাস হয়ে থাকে; তবে তা
বলার আগ পর্যন্ত। বলে ফেললে, মানুষ তার দাসে পরিণত
হয়।
১১. ভালোবাসা সবাইকে নিবেদন করো; তবে তাকে
সর্বাধিক ভালোবাস, যার অন্তরে তোমার জন্য তোমার
চেয়েও অধিক ভালোবাসা বিদ্যমান।
১২. যে কাউকে একাকী উপদেশ দেয়, সে তাকে সজ্জিত
করে; আর যে কাউকে সবার সামনে উপদেশ দেয়, সে
তাকে আরও বিগড়িয়ে ফেলে।
১৩. জীবনযাপনকে প্রয়োজনের মধ্যে সীমীত রাখো; শখ-
বাসনার দিকে নিয়ে যাবে না। চাহিদা একজন
ফকিরেরও পূর্ণ হয়ে যায়। আর শখ-বাসনা একজন রাজা-
বাদশাহরও পূর্ণ হয় না।
১৪. কথা বল পার্থক্য-জ্ঞানসহ, প্রশ্ন-প্রতিবাদ কর
প্রমাণসহ। কেননা মুখ তো পশু-প্রাণীরও থাকে; কিন্তু
তারা জ্ঞান-বুদ্ধি-ভদ্রতা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে।
১৫. কোনো মানুষের ভালো বা গুণের কিছু জানলে, তা
বল, প্রকাশ কর। কিন্তু কোনো ত্রুটি পেলে সেক্ষেত্রে
তোমার নিজের গুণের পরীক্ষা বলে মনে করবে।
১৬.সেসব মানুষের ওপর আস্থা-ভরসা রাখবে, যারা
তোমার তিনটি বিষয় মূল্যায়ন করে।
ক. তোমার হাসি-আনন্দের ক্ষেত্রে অব্যক্ত দয়া পোষণ
করে,
খ. তোমার ক্রোধের ক্ষেত্রে অব্যক্ত ভালোবাসা পোষণ
করে,
গ. তোমার মৌনতার ক্ষেত্রে গোপনমুখ হিসেবে কাজ
করে।

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী


♥♥আসসালামু আলাইকুম♥♥
♥ সবাই কেমন আছেন?আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আর আপনাদের দোয়ায় আমিও আলহামদুলিল্লাহ
ভালো আছি।
পোস্টের বিষয়ঃ
👉আবারও আপনাদের সামনে একটি ইসলামিক
পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।আজকে আলোচনা করব।
হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) মহামূল্যবান বাণী পার্ট ৬ নিয়ে
আলোচনা করব।এর আগের পার্ট গুলো যারা দেখিনি
প্লিজ তারা আগের পার্টগুলো পড়বেন।
👉আগের পার্ট গুলো দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক
করুন।
👍প্রথম পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👍দ্বিতীয় পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👍তৃতীয় পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👍চার নাম্বার পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👍পাঁচ নাম্বার পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
👉হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী পার্ট ৬
👉(আল্লাহ বলেন) মহত্ত্ব আমার পায়জামা এবং
শ্রেষ্টত্ব আমার চাদরস্বরূপ। যে আমার এদুটো
জিনিসে ভাগ বসাতে চায়, তাকে আমি লন্ডভন্ড করে
দেই। (আবু দাউদ , ইবনে মাজাহ)
👉যে ব্যক্তি স্বভাবের নম্রতা হইতে বঞ্চিত
হয়েছে, সে কল্যাণ হইতে বঞ্চিত হয়েছে। (আল
হাদিস)
👉যে ব্যক্তি দ্বীনি / ইসলামী জ্ঞান অর্জন করে,
তার সর্ব প্রকার চিন্তা-ভাবনার জন্য আল্লাহই
যথেষ্ট। তাকে অকল্পনীয় স্থান থেকে জীবিকা
সরবরাহ করা হবে। (খতীব)
👉যারা শিশুদের কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি
ক্রুদ্ধ হন। (আল হাদীস)
👉ঈমানদার ব্যক্তি কখনও বিদ্বেষপরায়ণ বা
পরশ্রীকাতর হতে পারে না। (আল হাদীস)
👉ইসলামকে পূনর্জীবিত করার লক্ষে
জ্ঞানার্জনেরত অবস্থায় যারা মৃত্যুবরণ করে,
বেহেশতে নবীদের সাথে তাদের মাত্র একটি স্তরের
ব্যবধান থাকবে। (দারেমী)
👉সমস্ত সৃষ্টির চাইতে যিনি আমার নিকট অধিক
প্রিয় ও সম্মানিত এবং যার পবিত্র নাম আসমান,
জমীন, চন্দ্র , সূর্য সৃষ্টি করার বিশ লক্ষ বছর পূর্বে
আরশে মোয়াল্লায় আমার নামের পাশে লিখে
রেখেছি, তিনি বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি ও তার
উম্মতগণ জান্নাতে প্রবেশ না করা পযর্ন্ত অন্যদের
জান্নাতে প্রবেশ হারাম। -(আল হাদীস)
👉(হযরত আনাস (রাঃ) বলেন) আমি সুদীর্ঘ দশ বৎসর
রাসুলুল্লাহ (দঃ) এর খেদমত করেছি। এই সুদীর্ঘ সময়ের
মধ্যে তিনি কখনও বলেননি যে, অমুক কাজটি এভাবে
করলে কেন কিংবা অমুক কাজটি করলে না কেন।
(আল হাদীস)
👉সেই ব্যক্তি সুখী যে নিজের দোষ দেখে অন্যের
দোষ অনুসন্ধান বন্ধ করে দেয়। উপার্জিত অর্থ হালাল
পথে খরচ করে, জ্ঞানীদের সাথে চলাফেরা করে
এবং পাপীদের থেকে দূরে সরে থাকে। (আল হাদীস)
👉সব আলেমের কাছে বসো না বরং এমন আলেমের
সান্নিধ্যে বসো, যে পাঁচ বিষয়ের দিক থেকে অন্য
পাঁচটি বিষয়ের দিকে আহ্বান করে ; যেমন (১)
সন্দেহের দিক থেকে দৃঢ় বিশ্বাসের দিকে, (২) লোক
দেখানোর দিক থেকে আন্তরিকতার দিকে , (৩)
দুনিয়ার প্রতি মোহ থেকে দুনিয়া বিমুখতার দিকে ,
(৪) অহমিকার দিক থেকে বিনয়ের দিকে , (৫) শত্রুতার
দিক থেকে মিত্রতার দিকে। (আল হাদিস)
👉কোনো বান্দা যখন আল্লাহর উদ্দেশ্যে সিজদা
করে, তখন আল্লাহ তাকে একটি সওয়াব দান করেন,
তার একটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তাকে একটি
সম্মান বৃদ্ধি প্রদান করেন। – (ইবনে মাজাহ শরীফ)
👉হে লোক সকল ! তোমরা গোপন শিরক থেকে
বেঁচে থাক। মানুষ যখন নামাজে দন্ডায়মান হয় তখন
অন্যের চোখে ভাল দেখানোর উদ্দেশ্যে খুব সুন্দর
করে নামাজ পড়ে আর এটাই হলো গোপন শিরক। -
(ইবনে খোজায়মাহ)
👉তুমি তোমার ঘরের সবাইকে নামায পড়তে বল,
আল্লাহ তোমাকে কল্পনাতীত স্থান থেকে জীবিকা
দান করবেন । (আল হাদীস)
👉মানুষ বলে ‘আমার ধন, আমার সম্পদ’ অথচ তোমার
অংশ তো ততটুকুই যতটুকু তুমি খেয়ে শেষ করে ফেল
অথবা পরিধান করে পুরনো করে ফেল অথবা দান করে
পরপারে পাঠিয়ে দাও। এতদ্ব্যতিত যা কিছু আছে তা
তোমার হাত থেকে চলে যাবে অন্যের কব্জায়।
(তিরমিযী)
👉তোমরা বিয়ের প্রচারণা করবে, বিবাহকার্য
মসজিদে সম্পন্ন করবে। – (মেশকাত শরীফ)
👉বেহেশতে কারও সন্তানের আকাঙখা হলে
গর্ভধারণ, প্রসব ও সন্তানের দৈহিক বৃদ্ধি, সবই এক
মুহূর্তের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাবে। (আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় একশ’ বার করে
“সোবহান্নাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী” পাঠ করে, তার
গোনাহ্ মাফ করা হবে যদিও তা সমুদ্রের ঢেউ
অপেক্ষাও বেশী হয়। -(আল হাদিস)
👉যারা আল্লাহ ব্যতিত অন্য কিছুর নামে কসম করে
তারা অবশ্যই আল্লাহর সাথে শরীক করে। (তিরমিযী
শরীফ)
👉গুনাহ নেই এমন কোন লোক নেই। কিন্তু যাহার
জ্ঞানবুদ্ধি প্রখর এবং বিশ্বাস স্বভাবগত, গুণাহ তার
কোন ক্ষতি করতে পারে না। কেননা সে গুণাহ করা
মাত্র তার মধ্যে অনুশোচনা আসে, ফলে সে তওবা
করে গুনাহর ক্ষতিপুরণ করে নেয়। তাতে তার সওয়াব
অবশিষ্ট থাকে বলে সে বেহেশতী হয়।(আল হাদিস)
👉কাফেরদেরকে পদব্রজে হাঁকিয়ে হাশরের
ময়দানে একত্রিত করা হবে আর ঈমানদারদেরকে
উৎকৃষ্ট উটের পিঠে চড়িয়ে আল্লাহর দরবারে হাজির
করা হবে। রোজ কেয়ামতে আল্লাহ পাক
ফেরেশতাদের নির্দেশ দিবেন, “হে ফেরেশতাগণ !
আমার প্রিয় বান্দাদেরকে পায়ে হাঁটিয়ে আমার
নিকট উপস্থিত করো না, বরং উৎকৃষ্ট উটের পিঠে
চড়িয়ে তাদেরকে আমার নিকট হাজির করো। কেননা
পৃথিবীতে আরোহণ করা তাদের সহজাত স্বভাব ছিল।
সর্বপ্রথম পিতার ঔরসে, অতঃপর মাতৃজঠরে
অনততপক্ষে ছয়মাস তারা আরোহণ করেছে। জন্মের
পর স্তন্যপানের সময় দু’বছর মায়ের কোলে ও পিতার
কাঁধে চড়ে কাটিয়েছে। তারপর পৃথিবীতে জলে-
স’লে নৌকা, গাধা, ঘোড়া ও খচচরে চড়ে ভ্রমণ
করেছে। তাছাড়া মৃত্যুর পরও স্বীয় ভ্রাতার কাঁধে
চড়ে কবরে পৌঁছেছিল। অতএব হাশরের মাঠেও
তাদেরকে পায়ে হাঁটিয়ে চালিও না। কেননা তারা
হাঁটতে অভ্যস্থ ছিল না। এই কাজে তাদের জন্যে উট
অথবা কোরবাণীর পশুর ব্যবস্থা কর। – (আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি ফরজ নামায ব্যতিত দিবা-রাত্রের
মধ্যে অতিরিক্ত বার রাকাত নামায আদায় করবে,
তার জন্য বেহেশতে একটি গৃহ নির্মিত হবে। -(মুসলিম
শরীফ)
👉মেরাজের রাত্রে আমি এমন লোকদের নিকট
দিয়ে যাচিছলাম, যাদের ঠোঁট আগুনের কাঁচি দিয়ে
কাটা হচিছল । আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তোমরা
কারা ? তারা বলল, আমরা অন্যদের সৎকাজ করতে
বলতাম, অথচ নিজেরা তা করতাম না। অন্যদের অসৎ
কাজ করতে নিষেধ করতাম কিন্তু নিজেরা তাতে
লিপ্ত হতাম। (আল হাদিস)
👉হে লোক সকল ! আমি তোমাদের জন্য দু’টি
জিনিস রেখে যাচিছ, যতদিন তোমরা এই দুটোকে
দৃঢ়ভাবে ধারণ করবে ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না,
আর তা হলো আল্লাহর কোরআন এবং আমার সুন্নাহ।
(আল হাদীস)
👉আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল সেটাই
যা নিয়মিত আদায় করা হয়, যদিও তা পরিমাণে অল্প
হয়ে থাকে। (আল হাদিস)
👉এমন গুনাহ থেকেও বিরত থাকতে সচেষ্ট হও যাকে
ছোট ও নগণ্য মনে করা হয়ে থাকে। কেননা, ইহার
জন্যও আল্লাহর তরফ থেকে পাকড়াও করা হবে।
(নাসায়ী , ইবনে মাজাহ)
👉বেহেশতে আল্লাহ এমন সব নেয়ামত রেখেছেন যা
কোন চক্ষু দেখেনি, কোন কান শ্রবণ করেনি এবং
মস্তিষ্ক তা কল্পনাও করেনি। তন্মধ্যে একটি নেয়ামত
হলো আল্লাহর দর্শন লাভ। (আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মসজিদ
নির্মাণ করে, যদিও তা একটি ক্ষুদ্র পাখির বাসার মত
হয়, আল্লাহ বেহেশতে একটি মহল তৈরী করবেন। (আল
হাদিস)
👉শয়তান কখনও কখনও জ্ঞানের মাধ্যমেই
তোমাদের ওপর আধিপত্য বিসতার করবে। জিজ্ঞাসা
করা হলো, ইয়া রাসুলুল্লাহ (দঃ) ! তা কেমন করে ?
তিনি বললেন, শয়তান বলবে, জ্ঞান অর্জন করো এবং
জ্ঞানার্জন সমাপ্ত না হওয়া পযর্ন্ত আমল করো না।
ফলে মানুষ এলেম নিয়ে ব্যস্ত থাকবে কিন্তু আমলে
বাহানা করবে। শেষ পযর্ন্ত আমলশূণ্য অবস্থায়ই তার
মৃত্যু এসে যাবে। (আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি মৃত্যুর সময়ে পবিত্র অনতঃকরণে
(আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই) বলবে সে
জান্নাতে যাবে। -(আল হাদীস)
👉তোমরা সেই মৎস আহার কর যা সাগর থেকে
নিক্ষিপ্ত হয় কিংবা সাগরের পানি নেমে গেলে
ধরা পড়ে। আর সেই মৎস আহার করোনা যা সাগরের
পানিতে মরে ভেসে ওঠে। (আল হাদিস)
👉 মৃত্যুর ফেরেশতা যখন আল্লাহর কোনো প্রিয়
বান্দার নিকট আসেন তখন প্রথমে তাকে সালাম
করেন এবং বলেন—হে আল্লাহর বন্ধু ! তোমাকে
সালাম। সেই ঘর থেকে বেরিয়ে এসো যাকে তুমি
ধ্বংস করেছ এবং সেই ঘরের দিকে চল যাকে তুমি
যত্নের সাথে গড়েছ। -(আল হাদীস)
👉কেয়ামতের দিন মানুষ তিনটি দলে বিভক্ত হবে।
একদল উদরপূর্তি এবং পোষাক পরিহিত অবস্থায়
বাহনে আরোহণ করে হাশরের ময়দানে আসবে।
দ্বিতীয় দল আসবে পায়ে হেঁটে এবং তৃতীয় দলকে
উপুড় অবস্থায় পা ধরে টেনে-হিঁচড়ে ময়দানে আনা
হবে। (আল হাদিস)
👉ফজরের দু’রাকাত সুন্নাত নামায দুনিয়া ও তার
মধ্যকার যা কিছূ আছে, তা হতে উত্তম। – (মুসলিম
শরীফ)
👉মদীনা মানুষের পঙ্কিলতাকে দূর করে দেয়
যেভাবে কামারের ফাপর দূর করে লোহার মরিচাকে।
-(বোখারী শরীফ)
👉একজনের অপরাধের জন্য অন্যকে শাস্তি দেওয়া
যায় না। এখন থেকে পিতার অপরাধের জন্য পুত্রকে
আর পুত্রের অপরাধের জন্য পিতাকে দায়ী করা
যাবে না। (আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি স্বেচছায় নামায ছেড়ে দিল সে
কাফের হয়ে গেল। (আল হাদিস)
👉সর্বনিকৃষ্ট আলেম হলো সে যে শাসকদের কাছে
আসা-যাওয়া করে আর সর্বোৎকৃষ্ট শাসক সে যে
আলেমদের নিকট আসা-যাওয়া করে । (আল হাদিস)
👉কবুল হজ্জের পুরস্কার জান্নাত ভিন্ন কিছুই নয়। -
(আল হাদীস)
👉তুমি তোমার নিজ বিবেক থেকে ফতোয়া গ্রহন
কর যদিও মানুষ তোমাকে ফতোয়া দিক না কেন ?
(আল হাদিস)
👉মানুষ কখনও কখনও কোন ভাল কথা বলে যাতে
আল্লাহ তা’আলা খুবই সন্তুষ্ট হন। অথচ সে হাল্কা
বিষয় মনে করেই কথাটি বলে এবং জানতেও পারে না
যে, ইহার সওয়াব এত সুদূর প্রসারী যে আল্লাহ
তা’আলা তার জন্য কেয়ামত পযর্ন্ত স্থায়ী সন্তুষ্টি
লিখে দেন। তেমনিভাবে আল্লাহর অসন্তুষ্টিমুলক
কথাও অনেক সময় মানুষ হালকা মনে করে বলে থাকে।
অথচ সে ধারণাও করতে পারে না যে, ইহার পরিণাম
এত ভয়ঙ্কর হতে পারে যে আল্লাহ তা’আলা কেয়ামত
পযর্ন্ত স্থায়ী অসন্তুষ্টি লিখে দেন । (মুুসনাদে
আহমদ)
👉একজন নিন্মশ্রেনীর জান্নাতবাসীকেও আশি
হাজার খাদেম এবং বাহাত্তর জন সত্রী দেওয়া হবে।
তার জন্যে গম্বুজ আকৃতির ছাউনি স্থাপন করা হবে যা
মনি-মুক্তা হীরা ও ইয়াকুত দ্বারা নির্মিত। সেই
ছাউনির প্রশস’তা হবে জাবিয়া হতে শান্আর
মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান। জান্নাতবাসীদের মস্তকে
এমন মুকুট পরানো হবে যার সামান্য একটা মুক্তা
দুনিয়ার পূর্ব প্রানত হতে পশ্চিম প্রানত পযর্ন্ত
আলোকিত করে ফেলবে। -(আল হাদীস)
👉তোমরা খ্রীস্টান এবং ইহুদীদেরকে সালাম দিও
কিন্তু আমারা উম্মতের ইহুদীদেরকে সালাম দিও না।
সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ !
আপনার উম্মতের ইহুদী কারা ?’’ জবাবে নবী করীম
(দঃ) বললেন, “যারা আজান শুনেও জামায়াতে
উপস্থিত হলো না, তারা আমার উম্মতের ইহুদী। যে
ব্যক্তি জামায়াত ত্যাগকারীকে সামান্য খাদ্য
দিয়ে সাহায্য করল, সে যেন নবীদের হত্যাকান্ডে
সহায়তা করল। সে মৃত্যুবরণ করলে তাকে গোসল ,
জানাযা এবং মুসলমানদের কবরস্থানে দাফন করো
না। এমনকি জামায়াত বর্জনকারী একাই যদি সমস্ত
উম্মতের সমতুল্য নামায পড়ে, সকল আসমানী কিতাব
পাঠ করে, সারা বছর রোজা রাখে এবং সমস্ত
উম্মতের সমতুল্য দান-খয়রাত করে, তবু সে জান্নাতের
গন্ধ থেকেও বঞ্চিত হবে। আল্লাহ পাক জীবিত
কিংবা মৃত কোন অবস্থায়ই তার দিকে রহমতের
দৃষ্টিতে তাকাবেন না। -(আল হাদীস)
👉যে ব্যক্তি ক্বদরের রাত্রে চার রাকাত নামায
আদায় করবে এবং তার প্রতি রাকাতে সুরা ফাতিহার
পর একুশ বার সুরা ইখলাস পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে
সদ্য ভূমিষ্ট শিশুর ন্যায় নিষপাপ করে দেবেন। -(আল
হাদীস)
👉যে ব্যক্তি রোজাদার অবস্থায় মারা যাবে
আল্লাহ তাকে ঐ দিন থেকে কেয়ামত পযর্ন্ত
রোজার সওয়াব দান করবেন। -(আল হাদীস)
👉একদা নবী করীম (দঃ) ভাষণ দেওয়ার উদ্দেশ্যে
মিম্বরে ওঠে দেখতে পেলেন যে, হাসান ও হোসাইন
(রাঃ) ছুটাছুটি করছেন এবং ক্ষণে ক্ষণে আছাড়
খেয়ে পড়ে যাচেছন। তিনি ভাষণ দেওয়া স’গিত
রেখে মিম্বর থেকে নেমে শিশু দু’টির দিকে এগিয়ে
গেলেন এবং তাদেরকে দু’হাতে উঠিয়ে নিলেন।
তারপর মিম্বরে আরোহণ করে বললেন – হে লোক
সকল, তোমাদের ধন-সমপদ এক পরীক্ষার বস্তু,
আল্লাহর এ বাণী অতীব সত্য। আল্লাহর কসম , আমি
আমার এই দুই নাতিকে দৌড়াদৌড়ি আর আছাড় খেয়ে
পড়ে যেতে দেখে নিজেকে সংবরণ করতে পারলাম
না, তাই দৌড়ে গিয়ে এদের তুলে আনলাম। -(মুসলিম
শরীফ)
👉যে ব্যক্তি বিনা দাওয়াতে ভোজ অনুষ্টানে যোগ
দেয়, সে চোররূপে প্রবেশ করে এবং ডাকাতরূপে
প্রত্যাবর্তন করে। -(আবু দাউদ শরীফ)
👉পরনিন্দা ব্যভিচার অপেক্ষাও মারাত্মক গোনাহ।
সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন, এটা
কিভাবে হতে পারে ? রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন,
ব্যভিচার করার পর তওবা করলে তার গোনাহ মাফ হয়ে
যায় অথচ গীবত করার পর যার গীবত করা হয়েছে, সে
মাফ না করা পযর্ন্ত তার গোনাহ মাফ হয় না। (আল
হাদিস)
👉মৃত্যু বিনা মূল্যে পাওয়া বস্তু আর পাপাচার হলো
বিপদ। দরিদ্রতা হলো শানিত আর ধনী হওয়া হলো
শাস্তি। জ্ঞান হলো উপহার এবং মূর্খতা হলো
অন্ধকার। অত্যাচার লজ্জাদানকারী আর ইবাদত
চোখের প্রশানিত। আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন হলো
জাহান্নাম থেকে মুক্তি আর অত্যধিক হাসি হলো
শরীরের জন্য পীড়া। পাপের অনুশোচনাকারী হলো ঐ
ব্যক্তির ন্যায় যে পাপই করেনি। -(আল হাদীস)
👉যদি কোন মুসলমানের মৃত্যু হয় এবং তার জানাযায়
এমন চল্লিশ জন লোক অংশ নেয় যারা আল্লাহর সাথে
কাউকে শরীক করে না, তবে আল্লাহ পাক মৃত ব্যক্তি
সম্পর্কে তাদের সুপারিশ কবুল করেন। (আল হাদিস)
👉একজন বয়োজেষ্ট-প্রবীন লোক তার সমপ্রদায়ের
মধ্যে এমন, স্বয়ং নবী তার উম্মতের জন্য যেমন। (আল
হাদিস)
👉রাসুলুল্লাহ (দঃ) এর সাথে আমরা কথা বলতাম
এবং তিনি আমাদের সাথে কথা বলতেন, কিন্তু
নামাযের সময় উপস্থিত হলে তিনি যেন আমাদেরকে
চিনতেন না এবং আমরাও তাঁকে চিন্তাম না। (আল
হাদিস)
👉মুসলমান অবস্থায় যার চুল সাদা হয়েছে,
কেয়ামতের দিন সেই চুল তার জন্য নূর হবে। (আল
হাদিস)
👉যে কেউ জুমআর দিনে আশিবার দরূদ শরীফ পাঠ
করবে, আল্লাহ তার আশি বছরের গুলাহ মাফ করে
দেবেন। (আল হাদিস)
👉বিবেকহীন মানুষ অজ্ঞতার কারণে স্বভাবগত
পাপাচারীর চেয়েও বেশী পাপ করে ফেলে। বিবেক
মানুষকে সৎপথ প্রদর্শন করে এবং বিনাশ হওয়া থেকে
বাঁচিয়ে রাখে। কারো বিবেক পূর্ণ না হওয়া পযর্ন্ত
তার ঈমান পূর্ণ হয় না এবং দ্বীন যথার্থ হয় না।
প্রত্যেক জিনিসেরই একটি ভিত্তি থাকে,
ঈমানদারের ভিত্তি হলো তার বিবেক। (আল হাদিস)
👉কোনো বান্দা যদি কখনও কোন গুনাহ্ করে ফেলে,
তবে সে যেন সাথে সাথে অজু করে দু’রাকাত নফল
নামায আদায় করে এবং তওবা করে; এতে হয়ত
আল্লাহ পাক তার গুনাহ্ মাফ করে দেবেন। -
(তিরমিযী)
👉খবরদার ! কোন পরপুরুষই যেন কোন পরনারীর সহিত
একাকী অবস্থান না করে। কারণ, যখনই কোন পুরুষ
কোন মহিলার সাথে নির্জনে একত্রিত হয়, তখনই
শয়তান হয় তাদের তৃতীয়জন এবং তাদের পিছূ নেয়।
(আল হাদিস)
👉পরিচছন্নতা ঈমানের অর্ধেক। (আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি তার অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী কর্ম
করে আল্লাহ তখন তাকে সে সব জ্ঞানও শিখিয়ে
দেন যা সে শেখেনি। (আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি জোহরের ফরজ নামাযের পূর্বে চার
রাকাত নামায আদায় করবে তার জন্য জাহান্নামের
আগুন হারাম হয়ে যায়। -(আবু দাউদ)

Wednesday, January 10, 2018

আল কুরআন সম্পর্কে সেরা প্রশ্ন ও উত্তর

আল কুরআন সম্পর্কে সেরা প্রশ্ন ও উত্তর


১০০)প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনুল কারীমে কতটি সূরা আছে?

উত্তরঃ ১১৪টি।

১০১) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের প্রথম সূরার নাম কি?

উত্তরঃ সূরা ফাতিহা।

১০২) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের সবচেয়ে বড় সূরার নাম কি?

উত্তরঃ সূরা বাকারা।

১০৩) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের সবচেয়ে ছোট সূরার নাম কি?

উত্তরঃ সূরা কাওছার।

১০৪) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের মধ্যে সবচেয়ে বড় আয়াত কোনটি কোন সূরায়?

উত্তরঃ সূরা বাক্বারার ২৮২ নং আয়াত।

১০৫) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের মধ্যে সবচেয়ে ফযীলতপূর্ণ আয়াত কোনটি?

উত্তরঃ আয়াতুল কুরসী। (সূরা বাক্বারা ২৫৫ নং আয়াত।

১০৬) প্রশ্নঃ ফরয নামাযান্তে কোন আয়াতটি পাঠ করলে, মৃত্যু ছাড়া জান্নাতে যেতে কোন বাধা থাকে না?

উত্তরঃ আয়াতুল কুরসী।

১০৭) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ সূরাটি পাঠ করলে কবরের আযাব থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ সূরা মুলক। (৬৭নং সূরা)

১০৮) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরাটি কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান?

উত্তরঃ সূরা ইখলাছ। (১১২ নং সূরা)

১০৯) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার প্রতি ভালবাসা মানুষকে জান্নাতে নিয়ে যাবে?

উত্তরঃ সূরা ইখলাছ।

১১০) প্রশ্নঃ কোন সূরাটি পবিত্র কুরআনের চতুর্থাংশের সমপরিমাণ?

উত্তরঃ সূরা কাফেরূন। (১০৯ নং সূরা)

১১২. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরাটি জুমআর দিন বিশেষভাবে পাঠ করা মুস্তাহাব?

উত্তরঃ সূরা কাহাফ (১৮ নং সূরা))

১১৩ প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার প্রথমাংশ তেলাওয়াতকারীকে দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা করবে?

উত্তরঃ সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত। (১৮ নং সূরা))

১১৪) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন দু’টি সূরা জুমআর দিন ফজরের নামাযে তেলাওয়াত করা সুন্নাত?

উত্তরঃ সূরা সাজদা ও দাহার।

১১৫ প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন দু’টি সূরা জুমআর নামাযে তেলাওয়াত করা সুন্নাত?

উত্তরঃ সূরা আ’লা ও গাশিয়া।

১১৬) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআন কত বছরে নাযিল হয়?

উত্তরঃ তেইশ বছরে।

১১৭) প্রশ্নঃ ‘মুহাম্মাদ’ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নাম পবিত্র কুরআনে কত স্থানে উল্লেখ হয়েছে?

উত্তরঃ চার স্থানে।
(১) সূরা আল ইমরান আয়াত- ১৪৪।
(২) সূরা আহযাব আয়াত নং ৪০।
(৩) সূরা মুহাম্মাদ আয়াত নং ২।
(৪) সূরা ফাতাহ্‌ আয়াত নং ২৯।

১১৮) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম কোন আয়াত নাযিল হয়?

উত্তরঃ সূরা আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত। ইক্বরা বিসমি রাব্বিকাল্লাযী…..

১১৯) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন আয়াতটি সর্বশেষ নাযিল হয়?

উত্তরঃ আল্লাহ্‌ বলেন,
(وَاتَّقُوا يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللَّهِ ثُمَّ تُوَفَّى كُلُّ نَفْسٍ مَا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ)
সূরা বাক্বারার ২৮১ নং আয়াত।
(ইবনু আবী হাতেম সাঈদ বিন জুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, এই আয়াত নাযিল হওয়ার পর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নয় দিন জীবিত ছিলেন।
- আল ইতক্বান ফি উলূমিল কুরআন)

১২০) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম কোন সূরাটি পূর্ণাঙ্গরূপে নাযিল হয়?

উত্তরঃ সূরা ফাতিহা।

১২১) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআন প্রথম যুগে কিভাবে সংরক্ষিত ছিল?

উত্তরঃক. ছাহাবায়ে কেরামের স্মৃতিতে,
খ. লিখিত অবস্থায় চামড়ায়,
গ. হাড়ে,
ঘ. পাতায় এবং
ঙ. পাথরে।

১২২) প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কে কুরআন একত্রিত করেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

১২৩) প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে কুরআন একত্রিত করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল?

উত্তরঃ যায়েদ বিন ছাবেত (রাঃ)কে।

১২৪) প্রশ্নঃ কার পরামর্শে এই কুরআন একত্রিত করণের কাজ শুরু হয়?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

১২৫ প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন দু’টি সূরা জুমআর নামাযে তেলাওয়াত করা সুন্নাত?

উত্তরঃ সূরা আ’লা ও গাশিয়া।

১২৬) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআন কত বছরে নাযিল হয়?

উত্তরঃ তেইশ বছরে।

১২৭) প্রশ্নঃ ‘মুহাম্মাদ’ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরনাম পবিত্র কুরআনে কত স্থানে উল্লেখ হয়েছে?

উত্তরঃ চার স্থানে। (১) সূরা আল ইমরান আয়াত- ১৪৪। (২) সূরা আহযাব আয়াত নং ৪০। (৩) সূরা মুহাম্মাদ আয়াত নং ২। (৪) সূরা ফাতাহ্‌ আয়াত নং ২৯।

১২৮) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম কোন আয়াত নাযিল হয়?

উত্তরঃ সূরা আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত। ইক্বরা বিসমি রাব্বিকাল্লাযী…..

১২৯) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন আয়াতটি সর্বশেষ নাযিল হয়?

উত্তরঃ আল্লাহ্‌ বলেন, (وَاتَّقُوا يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللَّهِ ثُمَّ تُوَفَّى كُلُّ نَفْسٍ مَا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ) সূরা বাক্বারার ২৮১ নং আয়াত। (ইবনু আবী হাতেম সাঈদ বিন জুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, এই আয়াত নাযিল হওয়ার পর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নয় দিন জীবিত ছিলেন।- আল ইতক্বান ফি উলূমিল কুরআন)

১৩০) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম কোন সূরাটি পূর্ণাঙ্গরূপে নাযিল হয়?

উত্তরঃ সূরা ফাতিহা।

১৩১) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআন প্রথম যুগে কিভাবে সংরক্ষিত ছিল?

উত্তরঃ ছাহাবায়ে কেরামের স্মৃতিতে, লিখিত অবস্থায় চামড়ায়, হাড়ে, পাতায় এবং পাথরে।

১৩) প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কে কুরআন একত্রিত করেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

১৩৩) প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে কুরআন একত্রিত করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল?

উত্তরঃ যায়েদ বিন ছাবেত (রাঃ)কে।

১৩৪) প্রশ্নঃ কার পরামর্শে এই কুরআন একত্রিত করণের কাজ শুরু হয়?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

১৩৫) প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) এর ওহী লেখক কে কে ছিলেন?

উত্তরঃ আলী বিন আবী তালেব, মুআবিয়া বিন আবী সুফিয়ান, যায়েদ বিন ছাবেত ও উবাই বিন কা’ব প্রমুখ (রাঃ)।

১৩৬) প্রশ্নঃ কোন যুগে কার নির্দেশে কুরআনের অক্ষরে নকতা দেয়া হয়?

উত্তরঃ উমাইয়া খলীফা আবদুল মালিকের যুগে হাজ্জাজ বিন ইউসূফের নির্দেশে একাজ হয়।

১৩৭) প্রশ্নঃ কুরআনে নকতা দেয়ার কাজটি কে করেন?

উত্তরঃ নসর বিন আছেম বিন ই’য়ামার (রহঃ)।

১৩৮) প্রশ্নঃ কুরআনে কে হরকত (যের যবর পেশ ইত্যাদি) সংযোজন করেন?

উত্তরঃ খলীল বিন আহমাদ আল ফারাহীদী (রহঃ)।

১৩৯) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতবার ‘দুনিয়া’ শব্দটি এসেছে?

উত্তরঃ ১১৫ বার।

১৪০) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতবার ‘আখেরাত’ শব্দটি এসেছে?

উত্তরঃ ১১৫ বার।

১৪১) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতটি অক্ষর রয়েছে?

উত্তরঃ ৩২৩৬৭১টি।

১৪২)প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতটি শব্দ আছে?

উত্তরঃ ৭৭৪৩৯টি।

১৪৩) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতটি আয়াত আছে?

উত্তরঃ ৬২৩৬টি।

১৪৪) প্রশ্নঃ কোন সূরার শেষ দু’টি আয়াত কোন মানুষ রাত্রে পাঠ করলে তার জন্য যথেষ্ট হবে?

উত্তরঃ সূরা বাক্বারার শেষের আয়াত দু’টি। (২৮৫ ও ২৮৬ নং আয়ত)

১৪৫) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতটি সিজদা আছে এবং কোন কোন সূরায়?

উত্তরঃ১৫টি।
আ’রাফ (২০৬নং আয়াত),
রা’দ (১৫নং আয়াত),
নাহাল (৪৯নং আয়াত),
ইসরা (১০৭নং আয়াত),
মারইয়াম (৫৮নং আয়াত),
হাজ্জ (১৮ ও ৭৭ নং আয়াত),
ফুরক্বান (৬০নং আয়াত),
নামাল (২৫নং আয়াত),
সজিদা (১৫নং আয়াত),
সোয়াদ (২৪নং আয়াত),
হা-মীম আস সাজদাহ (৩৭নং আয়াত),
নাজম (৬২নং আয়াত),
ইনশক্বিাক (২১নং আয়াত),
আলাক (১৯নং আয়াত)।

১৪৬) প্রশ্নঃ কোন সূরায় দু’টি সিজদা রয়েছে?

উত্তরঃ সূরা হজ্জ। (18 ও ৭৭ নং আয়াত)

১৪৭) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতবার ‘রহমান’ শব্দের উল্লেখ হয়েছে?

উত্তরঃ ৫৭ বার।

১৪৮)প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতবার ‘জান্নাত’ শব্দ এসেছে?

উত্তরঃ ১৩৯ বার।
(একবচন, দ্বিবচন ও বহুবচন শব্দে)

১৪৯) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতবার ‘জাহান্নাম’ শব্দ এসেছে?

উত্তরঃ ৭৭বার।

১৫০. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতবার ‘নার বা আগুন’ শব্দ এসেছে?

উত্তরঃ ১২৬বার।

১৫১. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ আয়াতে আরবী ২৯টি অক্ষরই রয়েছে?

উত্তরঃ সূরা ফাতাহ এর ২৯ নং আয়াতে।

১৫২. প্রশ্নঃ সূরা ফাতিহায় ‘মাগযূবে আলাইহিম’ বলতে কাদেরকে বোঝানো হয়েছে এবং ‘যাল্লীন’ বলতে কাদেরকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তরঃ ‘মাগযূবে আলাইহিম’ বলতে ইহুদীদেরকে এবং ‘যাল্লীন’ বলতে খৃষ্টানদেরকে বোঝানো হয়েছে।

১৫৩. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরায় ‘মীম’ অক্ষরটি নেই?

উত্তরঃ সূরা কাওছার।

১৫৪. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরায় ك ‘কাফ’ অক্ষরটি নেই?

উত্তরঃ সূরা কুরায়শ, ফালাক ও আছর।

১৫৫. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরায় দুবার বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম রয়েছে?

উত্তরঃ সূরা নামল। (২৭ নং সূরা)

১৫৬. প্রশ্নঃ কুরআনের কোন সূরার প্রথমে বিসমিল্লাহ নেই?

উত্তরঃ সূরা তাওবা। (৯নং সূরা)

১৫৭. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে মোট কতবার ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম রয়েছে?

উত্তরঃ ১১৪ বার।

১৫৮. প্রশ্নঃ কোন্‌ সূরা সম্পর্কে ইমাম শাফেঈ বলেন, “মানুষের জন্য এ সূরাটি ব্যতীত অন্য সূরা নাযিল না হলেও যথেষ্ট ছিল”?

উত্তরঃ সূরা আছর।

১৫৯. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতজন নবীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে?

উত্তরঃ ২৫ জন।

১৬০. প্রশ্নঃ মাক্কী সূরা ও মাদানী সূরা বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ মাক্কীঃ মদীনায় হিজরতের পূর্বে যা নাযিল হয়েছে।

মাদানীঃ মদীনায় হিজরতের পর যা নাযিল হয়েছে।

১৬১. প্রশ্নঃ মাক্কী সূরার মৌলিক বৈশিষ্ট কি কি?

উত্তরঃ মাক্কী সূরার মৌলিক বৈশিষ্ট্য গুলো দেওয়া হলোঃ

১) তাওহীদ এবং আল্লাহর ইবাদতের প্রতি আহবান। জান্নাত-জাহান্নামের আলোচনা এবং মুশরিকদের সাথে বিতর্ক।

২) মুশরকিদের খুন-খারাবী, ইয়াতীমের সম্পদ ভক্ষণ প্রভৃতি কর্মের নিন্দাবাদ।

৩) সংক্ষিপ্ত বাক্য অথচ অতি উচ্চাঙ্গের সাহিত্য সমৃদ্ধ।

৪) নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)কে সান্তনা দেয়া ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্য ব্যাপকভাবে নবী-রাসূলদের কাহিনীর অবতারনা, এবং কিভাবে তাঁদের সমপ্রদায়ের লোকেরা তাঁদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছে ও কষ্ট দিয়েছে তার বর্ণনা।

১৬২. প্রশ্নঃ মাদানী সূরার মৌলিক বৈশিষ্ট কি কি?

উত্তরঃ মাদানী সূরার মৌলিক বৈশিষ্ট গুলো হলোঃ

(১) ইবাদত, আচার-আচরণ, দন্ডবিধি, জিহাদ, শান্তি, যুদ্ধ, পারিবারিক নিয়ম-নীতি, শাসন প্রণালী অন্যান্য বিধি-বিধানের আলোচনা।

(২) আহলে কিতাব তথা ইহুদী খৃষ্টানদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান।

(৩) মুনাফেকদের দ্বিমুখী নীতির মুখোশ উম্মোচন এবং ইসলামের জন্য তারা কত ভয়ানক তার আলোচনা।

(৪) সংবিধান প্রণয়ণের ধারা ও তার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করার জন্য দীর্ঘ আয়াতের অবতারণা।

১৬৩. প্রশ্নঃ মাদানী সূরা পরিচয়ের নিয়ম কি?

উত্তরঃ মাদানী সূরা পরিচয়ের নিয়ম গুলো হলোঃ

(১) যে সকল সূরায় কোন কিছু ফরয করা হয়েছে বা দন্ডবিধির আলোচনা করা হয়েছে।

(২) যে সকল সূরায় মুনাফেকদের সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

(৩) যে সকল সূরায় আহলে কিতাবদের সাথে বিতর্ক করা হয়েছে।

(৪) যে সকল সূরা “ইয়া আইয়্যুহাল্লাযীনা আমানূ” দ্বারা আরম্ভ হয়েছে।

১৬৪. প্রশ্নঃ মাক্কী সূরার সংখ্যা কতটি?

উত্তরঃ ৮৬টি সূরা।

১৬৫. প্রশ্নঃ মাদানী সূরার সংখ্যা কতটি?

উত্তরঃ ২৮টি সূরা।

১৬৬. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ সূরার প্রতিটি আয়াতে ‘আল্লাহ্‌ শব্দ আছে?

উত্তরঃ সূরা মুজাদালা। (৫৮ নং সূরা)

১৬৭. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ কোন্‌ সূরা ‘আল হামদুলিল্লাহ দ্বারা শুরু হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা ফাতিহা, সূরা আনআম, সূরা কাহাফ, সূরা সাবা ও সূরা ফাতির। (সূরা নং যথাক্রমে, ১,৬,১৮,৩৪ ও ৩৫)

১৬৮. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে ছয়জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ আছে যাঁরা সকলেই নবীর পুত্র নবী ছিলেন তাদের নাম কি কি?

উত্তরঃ পবিত্র কুরআনে ছয়জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ আছে যাঁরা সকলেই নবীর পুত্র নবী ছিলেন তাদের নামঃ
(১) ইবরাহীমের পুত্র ইসমাঈল
(২) ইবরাহীমের পুত্র ইসহাক,
(৩) ইসহাকের পুত্র ইয়াকূব
(৪) ইয়াকূবের পুত্র ইউসুফ,
(৫) যাকারিয়ার পুত্র ইয়াহইয়া ও
(৬) দাউদের পুত্র সুলাইমান (আলাইহিমুস্‌ সালাম)

১৬৯. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে জাহান্নামের ৬টি নাম উল্লেখ হয়েছে। উহা কি কি?

উত্তরঃ পবিত্র কুরআনে জাহান্নামের ৬টি নাম নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
(১) জাহান্নাম (সূরা নাবা: 21)
(২) সাঈর (সূরা নিসা: 10)
(৩) হুতামা (হুমাযা: 4)
(৪) লাযা (সূরা মাআরেজ: 15)
(৫) সাক্বার (সূরা মুদ্দাসসির: 42)
(৬) হাভিয়া (সূরা কারিয়া: 9)

১৭০. প্রশ্নঃ কুরআনের কোন সূরায় মুবাহালার আয়াত রয়েছে?

উত্তরঃ সূরা আলে ইমরান- আয়াত নং- ৬১।

মুবাহালা: হক ও বাতিলের মাঝে দ্বন্দ্ব হলে, বাতিল পন্থীর সামনে যাবতীয় দলীল-প্রমাণ উপস্থাপন করার পরও সে যদি হঠকারিতা করে, তবে তাকে মুবাহালার জন্য আহবান করা হবে। তার নিয়ম হচ্ছেঃ উভয় পক্ষ নিজের স্ত্রী, সন্তান-সন্ততিকে উপস্থিত করবে, অতঃপর প্রত্যেক পক্ষ বলবে, আমরা যদি বাতিল পন্থা উপর প্রতিষ্ঠিত থাকি, তবে মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লা’নত (অভিশাপ)। এটাকেই বলে মুবাহালা।



১৭১. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ সূরার কোন্‌ আয়াতে ব্যভিচারের দন্ডবিধির আলোচনা আছে?

উত্তরঃ সূরা নূর- আয়াত নং- ২।

১৭২. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কত নং আয়াতে ওযুর ফরয সমূহ উল্লেখ করা হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা মায়েদা- আয়াত নং- ৬।

১৭৩. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে চুরির দন্ডবিধি উল্লেখ হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা মায়েদা- আয়াত নং- ৩৮।

১৭৪. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে মিথ্যা অপবাদের শাস্তির বিধান উল্লেখ হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা নূর-
আয়াত নং- ৪।

১৭৫. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে মুমিন নারী-পুরুষকে দৃষ্টি অবনত রেখে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা নূর-
আয়াত নং ৩০-৩১।

১৭৬. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে মীরাছ (উত্তরাধীকার সম্পদ বন্টন) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা নিসা-
আয়াত নং- ১১, ১২ ও ১৭৬।

১৭৭. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে বিবাহ হারাম এমন নারীদের পরিচয় দেয়া হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা নিসা-
আয়াত নং- ২৩, ২৪।

১৭৮. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে যাকাত বন্টনের খাত সমূহ আলোচনা করা হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা তওবা-
আয়াত নং- ৬০।

১৭৯. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে ছিয়াম সম্পর্কিত বিধি-বিধান উল্লেখ হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা বাক্বারা-
আয়াত নং ১৮৩-১৮৭।

১৮০. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে বাহনে আরোহনের দুআ উল্লেখ করা হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা যুখরুফ-
আয়াত নং- ১৩।

১৮১. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরার কোন আয়াতে নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি দরূদ পড়ার আদেশ করা হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা আহযাব-
আয়াত নং ৫৬।

১৮২. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে হুনায়ন যুদ্ধের কথা আলোচনা করা হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা তওবা-
আয়াত নং- ২৫, ২৬।

১৮৩. প্রশ্নঃ কোন সূরায় বদর যুদ্ধের ঘটনাবলী উল্লেখ করা হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা আনফাল।
(আয়াত নং : 5-19, 41-48, 67-69)

১৮৪. প্রশ্নঃ কোন সূরায় বনী নযীরের যুদ্ধের ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা হাশর।
(আয়াত নং ২-১৪)

১৮৫. প্রশ্নঃ কোন সূরায় খন্দক যুদ্ধের ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা আহযাব
(আয়াত নং ৯-২৭)।

১৮৬. প্রশ্নঃ কোন সূরায় তাবুক যুদ্ধের ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা তওবা
(আয়াত নং ৩৮-১২৯)।

১৮৭. প্রশ্নঃ কোন সূরায় নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরতের ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা তওবা
(আয়াত নং ৪০)

১৮৮. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে হারূত-মারূতের ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা বাক্বারা-
আয়াত নং- ১০২।

১৮৯. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে কারূনের কাহিনী উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা ক্বাছাছ
আয়াত ৭৬-৮৩।

১৯০. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে সুলায়মান (আঃ)এর সাথে হুদহুদ পাখীর ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা নমল
আয়াত নং ২০, ৪৪।

১৯১. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে ক্বিবলা পরিবর্তনের ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা বাক্বারা-
আয়াত নং ১৪২-১৫০।

১৯২. প্রশ্নঃ কোন সূরায় নবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইসরা-মেরাজের ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা বানী ইসরাঈল (আয়াত নং ১) ও সূরা নজম (আয়াত: ৮-১৮)

১৯৩. প্রশ্নঃ কোন সূরায় হস্তি বাহিনীর ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা ফীল।

১৯৪. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে যুল ক্বারানাইন বাদশাহর ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা কাহাফ-
আয়াত নং- ৮৩-৯৮।

১৯৫. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে ত্বালুত ও জালুতের ঘটনা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা বাক্বারা-
আয়াত নং- ২৪৬-২৫২।

১৯৬. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে মসজিদে আক্বসার কথা উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ সূরা বানী ইসরাঈল-
আয়াত নং-১

১৯৭. প্রশ্নঃ কোন সূরার কোন আয়াতে পিতা-মাতার ঘরে প্রবেশের জন্য অনুমতি নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা নূর-
আয়াত নং- ৫৮, ৫৯

১৯৮. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী মক্কায় উচ্চ:স্বরে কুরআন পাঠ করেন?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ্‌ বিন মাসউদ (রাঃ)।

১৯৯. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরাটি ওমর (রাঃ)এর ইসলাম গ্রহণের কারণ ছিল?

উত্তরঃ সূরা ত্বাহা।

২০০. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের মধ্যে কোন পরিবর্তন-পরিবর্ধন হবে না। আল্লাহ নিজেই তার হেফাযতের দায়িত্ব নিয়েছেন। কথাটি কোন সূরার কত নং আয়াতে আছে?

উত্তরঃ সূরা হিজ্‌র ৯ নং আয়াত।

Wednesday, January 3, 2018

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী


♥♥আসসালামু আলাইকুম♥♥
♥ সবাই কেমন আছেন?আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আর আপনাদের দোয়ায় আমিও আলহামদুলিল্লাহ
ভালো আছি।
পোস্টের বিষয়ঃ
👉আবারও আপনাদের সামনে একটি ইসলামিক
পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।আজকে আলোচনা করব।
হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) মহামূল্যবান বাণী পার্ট ৭ নিয়ে
আলোচনা করব।এর আগের পার্ট গুলো যারা দেখিনি
প্লিজ তারা আগের পার্টগুলো পড়বেন।
👉আগের পার্ট গুলো দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক
করুন।
👍প্রথম পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👍দ্বিতীয় পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👍তৃতীয় পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👍চার নাম্বার পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👍পাঁচ নাম্বার পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
👉ছয় নাম্বার পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👉হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী পার্ট ৬
👉নামাজ ত কেবল নিরাশ্রয়তা, অসহায়তা ও
কাকুতি-মিনতি ছাড়া অন্য কিছুই নয়। মানুষ তার
নামাযের ঠিক ততটুকুই পাবে, যতটুকু সে বুঝে। (আল
হাদিস)
👉যে ব্যক্তির সর্বশেষ বাক্য “আল্লাহ ছাড়া কোন
উপাস্য নাই’’ হবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। -(আবু
দাউদ)
👉একজন যুবতী মেয়ে রাসুলুল্লাহ (দঃ)-এর দরবারে
এসে উপস্থিত হয়ে নালিশ করল যে, আমার পিতা
আমাকে জোরপূর্বক এক ছেলের সাথে বিয়ে
দিয়েছে যেই ছেলেকে আমি পছন্দ করি না। একথা
শুনে রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন ঃ তুমি ইচেছ করলে এই
বিয়ে বহাল রাখতে পারো আবার ভেঙ্গেও দিতে
পারো। -(আবু দাউদ শরীফ)
👉অনেক রোজাদার আছে এমন রোজার দ্বারা
যাদের ক্ষুধা-তৃষ্ণার কষ্ট ছাড়া আর কোন লাভ হয় না।
(আল হাদিস)
👉জামাতে নামায পড়া একাকী নামাযের তুলনায়
সাতাইশ গুণ বেশী সওয়াবের। -(আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর আয়াতুল
করসী পাঠ করবে, তার এবং জান্নাতের মধ্যে
একমাত্র পর্দা হলো মৃত্যু। -(আল হাদীস)
👉যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্জ
করল, হজ্জ পালনকালীন সময়ে কামাচার ও পাপাচার
থেকে বিরত থাকল, সে নবজাত শিশুর ন্যায় নিষপাপ
হয়ে ফিরবে। -(আল হাদীস)
👉হে মুসলমানগণ ! জুমু’আর দিনকে আল্লাহ্ পাক
তোমাদের জন্য ঈদের দিন ধার্য করেছেন। অতএব
এদিন তোমরা গোশল করবে, অবশ্যই মেসওয়াক করবে
এবং সম্ভব হলে সুগন্ধি ব্যবহার করবে। -(আল হাদিস)
👉অহঙ্কারী, স্বৈরাচারীদের কেয়ামতের দিন
ক্ষুদ্র পিপঁড়ার আকৃতিতে উঠানো হবে এবং লোকেরা
তাদেরকে পায়ের তলায় পিষ্ট করবে। চারিদিক
থেকে তাদের ওপর কেবল অপমান আর লাঞ্ছনাই
আসতে থাকবে। -তিরমিজী
👉হে ওমর ! তোমার তখনকার অবস্থা সম্পর্কে তুমি
কি মনে কর, যখন তুমি মৃত্যুবরণ করবে এবং তোমার
আত্মীয়-স্বজন তোমার জন্য চার হাত লম্বা ও আড়াই
হাত প্রস’ কবর খনন করে তোমাকে গোসল করিয়ে
কাফন পরিয়ে সেই কবরের মধ্যে রেখে তোমার উপর
মাটিচাপা দিয়ে প্রত্যেকে যার যার বাড়ি ফিরে
আসবে এবং তৎক্ষণাৎ তোমার কবরে মুনকার-নকীর
নামক ভয়ঙ্কর চেহারার দুই ফেরেশতা এসে হাজির
হবে। তাদের আওয়াজ হবে সহস্র বজ্রসম ভয়ঙ্কর,
চক্ষুদ্বয় বিজলীর ন্যায় ভয়ানক উজ্জ্বল। তাদের
ঘনকৃষ্ণ ও রুক্ষ কেশরাশি হবে মৃত্তিকা পযর্ন্ত
বিক্ষিপ্ত, লম্বা লম্বা সুতীক্ষ্ম দনতপাটির দ্বারা
কবরের মাটি লন্ডভন্ড করতে করতে এসে তোমাকে
হাতের ওপর নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে নানাবিধ
প্রশ্ন করতে থাকবে। হযরত ওমর (রাঃ) রাসুলুল্লাহ
(দঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন ঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ
(দঃ) ! আমার বুদ্ধিশুদ্ধি কি তখন ঠিক থাকবে ? তিনি
বললেন ঃ হ্যাঁ, তোমার বুদ্ধি ঠিক থাকবে। হযরত ওমর
(রাঃ) বললেন ঃ তাহলে আমার ভয়ের কিছূ নাই। আমি
তাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে দিব। (আল হাদিস)
👉তোমাদের কারও পক্ষেই আল্লাহর সম্পর্কে
সুধারণা পোষণ ব্যতিত মৃত্যুবরণ করা উচিত নয়।
(আল্লাহ বলেন) আমি আমার বান্দার সাথে তেমন
ব্যবহার করি আমার সম্পর্কে সে যেমন ধারণা রাখে।
(আল হাদিস)
👉ঈমানদার ব্যক্তির মৃত্যুর পর জমীন চল্লিশ দিন
পযর্ন্ত ক্রন্দন করে থাকে। -(আল হাদীস)
👉তোমাদের মধ্যে কেউ হজ্জ করতে বাধাগ্রস’ হলে
সে কাবা শরীফের তাওয়াফ ও সাফা মারওয়া সাঈ
করবে। অতঃপর সবকিছু থেকে মুক্ত হয়ে পরের বছর
হজ্জ করবে। সে কোরবানী করবে কিংবা
কোরবানীর পশু না পেলে রোজা রাখবে। -(আল
হাদীস)
👉জুমু’আর নামাযের জন্য পায়ে হেটে গেলে প্রতি
পদক্ষেপে এক বছর নফল রোজার সওয়াব পাওয়া যায়।
-(তিরমিযী শরীফ)
👉যে ব্যক্তি সন্দেহজনক কাজ থেকে বিরত থাকে,
সে তার ধর্মকে রক্ষা করে। আর যে ব্যক্তি
সন্দেহজনক কাজে লিপ্ত হয়, পরিণামে সে হারাম
কাজে জড়িয়ে পড়ে। (আল হাদিস)
👉কোন ব্যক্তি কেবলমাত্র তার পূণ্যের জোরে
বেহেশতে যেতে পারবে না যদি না আল্লাহর অনুগ্রহ
হয়। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন ঃ
আপনিও কি ? রাসুলু্ল্লাহ (দঃ) বললেন ঃ হ্যাঁ , আমিও।
(আল হাদিস)
👉যে ব্যক্তি ফজরের নামায আদায়ের পর সূর্যোদয়
পযর্ন্ত আল্লাহর জিকিরে মশগুল থেকে সূর্যোদয়ের
পর দু’রাকাত (এশরাকের) নামায আদায় করবে, সে
ব্যক্তি একটি হজ্জ ও ওমরার সওয়াব লাভ করবে। -
(তিবরানী শরীফ)
👉যে মুসলমান আমার ইনেতকালের পরে আমার
রওজা জিয়ারত করবে সে তদ্রুপই বরকত পাইবে যদ্রুপ
আমার জীবিত অবস্থায় আমার সাথে সাক্ষাত
করিলে পাইত। (আল হাদিস)
👉আমি তোমাদের জন্য দু’টি জিনিষ রেখেগেলাম ।
যতদিন তোমরা এ দু’টি জিনিসকে আকড়ে রাখবে
ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না । একটি হল আল্লাহর
কিতাব অর্থাৎ কোরআন আর অপরটি হল আমার সুন্নাহ
অর্থাৎ হাদীস ।
👉চরিত্রের মধ্যে যদি সত্যের শিখা দীপ্ত না হয়
তবে জ্ঞান, গৌরব, আভিজাতা শক্তি সবই বৃথা
👉যা পচে গেছে, যা মরে গেছে তাকে সিল্কের
কাপড় দিয়ে জড়িয়ে রাখলে লাভ কি ? তাতে আর
নবজিবন আসবে না । আজ যাতে জীবন নেই যাতে
গেছে জীবনের স্পন্দন তা যেমন নিজেকে চালাতে
পারেনা, অপরকেও চালাতে পারে না । তেমন জিনিস
যদি আমাদের অতি প্রিয় জিনিসও হয় তাকে কবর
দিয়ে আমাদের এগিয়ে চলতে হবে; জীন মানে
এগিয়ে চলা
👉আদর্শ হচ্ছে এমনি এক প্রহরী যা মানুষকে সৎপথে
চলতে শেখায়
👉আদর্শবান লোকদের বন্দুর সংখ্যা কম থাকে
👉মিখ্যা বলা যাদের অভ্যাস, তারা নিত্য নতুন
বিষয়ের অবতারণা করতে পারের কী অদ্ভুত রীতি ।
শুড়ি দোকন জোঁকে বসে থাকে আর দুনিয়ার লোক
তার দাকানে গিয়ে মদ কিনে । ওদিকে দেখ,
দুধওয়ালাকে ঘরে ঘরে ধন্না দিয়ে বেচতে হয়
👉তব্যসাধনে ও কথাবার্তায়া যখনই নিজের ত্রুটি
দেখিতে পাইবে স্বীকার করিও । উন্নতির পথে
আবর্জনা জন্মিতে দিও না
👉নিজের বিপদের কথা শত্রুকে বলো না, সে মুখে
দুঃখ প্রকাশ করবে আর অন্তরে উল্লাস বোধ করবে
নকে কলঙ্কিত কর কোন ক্ষতি নেই, আল্লাহকে
ডাকলেই সকল পাপ ধুয়ে যাবে । এটা যে মিথ্যা
একথা সকলেই বিশ্বাস করো
👉একটি ফুল দিয়ে কখনো মালা গাঁথা যায় না,
তেমনি একটি ভাল কাজ করে জীবকে সুন্দর করা যায়
না
👉প্রার্থনায় মন সামলাও, মজলিসে বাক্য সামলাও,
ক্রোধে হাত সামলাও, আহারে পেট সামলাও
👉আত্মার সাত্বিক কাছে জড়দেহের ভোগ, সুখের
মূল্য কিছুই না যত দিন না মানুষ পরকে সুখ দিতে আনন্দ
বোধ করবে ; তত দিন তার যথার্থ কল্যণ নাই
👉যে তার গোপনীয় কথা ভৃত্যকে বলে, সে ভৃত্যকে
প্রভুতে রুপান্তরিত করে
👉নামে মানুষকে বড়ো করেনা, মানুষই নামকে
জাকাইয়া তোলে । মন্দ কজ করিলেই মানুষের বদনাম
হয়, ভাল কাজ করিলেই মানুষের সুনাম হয় । বাবা
কেবল একটা নামই দিতে পারে কিন্তু ভাল নাম
কিংবা মন্দ নাম সে নিজেই দেয়
👉পাঁচটি ঘটনার পূর্বে পাঁচটি জিনিস মূল্যবান
জ্ঞান করিবেঃ তোমর বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার
যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে, দ্রারিদ্রোর
পূর্বে সচ্চলতাকে,
কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পূর্বে
জীবনকে
👉হে মুসলিম নারীগণ ! কোনো নারী যেন তার
প্রতিবেশী নারীকে উপহার দেওয়াকে তুচছ মনে না
করে, যদিও তা একটি বকরীর খুর হোক না কেন ।
(বোখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
👉আমার উম্মতের মধ্যকার যারা ভাগ্যে বিশ্বাস
করে না, তারা অগ্নিপূজক সমতুল্য। এদের কেউ অসুস্থ
হলে তোমরা তাদের দেখতে যাবে না । এদের কেউ
মৃত্যুবরণ করলে তাদের জানাযায় যাবে না । – আল
হাদীস
👉নিশ্চয়ই মানুষের শরীরে এমন একটি অংশ আছে যা
পবিত্র থাকলে গোটা দেহটাই সুস্থ থাকে আর তা
কলুষিত হলে গোটা দেহটাই অসুস্থ হয়ে পড়ে । জেনে
রেখো তার নাম হলো অন-করণ। – আল হাদীস
👉যে রাতে আমাকে উর্ধ্ব ভ্রমণ করানো হলো সে
রাতেই আমি জান্নাত পরিদর্শন করেছিলাম ।
জান্নাতে আমি চারটি নদী দেখেছিলাম যার একটি
পানির , একটি দুধের , একটি পবিত্র শরাবের এবং
একটি মধুর। – আল হাদীস
👉আল্লাহর কসম, সেই ব্যক্তি ঈমানদার নয় । (এভাবে
তিনবার বললেন) জিজ্ঞেস করা হলো- হে আল্লাহর
রাসুল (দঃ) , কে ঈমানদার নয় ? তিনি বললেন, সেই
ব্যক্তি যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরাও রেহাই
পায় না । – আল হাদীস – আল হাদীস (মুসলিম শরীফ)
👉আল্লাহ জ্ঞানকে মানুষের নিকট হইতে বলপূর্বক
কেড়ে নিবেন না বরং জ্ঞানীদেরকে উঠিয়ে নিয়ে
জ্ঞানকে উঠিয়ে নিবেন । যখন পৃথিবীতে কোন
জ্ঞানী ব্যক্তি থাকবে না , তখন মানুষেরা
মূর্খদেরকে নিজেদের নেতা নিযুক্ত করবে এবং
তাদের নিকটই সব কিছু জানতে চাইবে । তারা
অজ্ঞতার কারণে ভুল ফতোয়া দিয়ে নিজেরাও
পথভ্রষ্ট হবে এবং অপরকেও পথভ্রষ্ট করবে । – আল
হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
👉কেউ কোন সমপদের মালিক হলে বছরানেত তার
উপর যাকাত ফরজ হবে । যাকাত ছাড়াও দেয় আছে ।
(তিরমিযী , মুসলিম)
👉আমি যদি মানুষকে নির্দেশ দিতাম কাউকে
সেজদা করার জন্য তাহলে অবশ্যই স্ত্রীকে নির্দেশ
দিতাম তার স্বামীকে সেজদা করার জন্য । – আল
হাদীস (তিরমিযী)
তোমরা শিশুদের ভালবাস এবং তাদের প্রতি মমতা
প্রদর্শন কর। তাদেরকে কোনো প্রতিশ্রুতি দিলে তা
পূরণ কর। কেননা তারা তোমাদেরকে তাদের
রিজিকদাতা মনে করে থাকে । – আল হাদীস – আল
হাদীস (মুসলিম শরীফ)
👉এক মজলিসে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন , যে
ব্যক্তির অনতরে সরিষার দানা পরিমাণ অহঙ্কার
থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না । এক
ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করলেন , “ইয়া
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ! আমি পরিচছন্ন জামা-জুতো
পরিধান করতে পছন্দ করি । এটাও কি অহঙ্কারের
পর্যায়ে পড়ে ”? রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন , “ না ।
আল্লাহ সুন্দর , তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন এবং
বান্দাদের যে নেয়ামত দান করেছেন , তার কিছূটা
বহিঃপ্রকাশও তিনি দেখতে চান । সমপদ থাকা
সত্ত্বেও হত-দরিদ্রের বেশ ধরে থাকাকে তিনি পছন্দ
করেন না । প্রকৃতপক্ষে অহঙ্কার হলো অন্যকে তুচছ
জ্ঞান করা । যে ব্যক্তি নিজ হাতে জুতা পরিস্কার
করে , প্রয়োজনে নিজের পোষাকে তালি লাগায়
এবং সময়মত আল্লাহকে সেজদা করে , (ধরে নেওয়া
যায়) সে অহঙ্কার থেকে মুক্ত । (আল হাদীস)
👉কোন ব্যক্তি ততক্ষণ পযর্ন্ত ঈমানদার হতে পারবে
না যতক্ষণ পযর্ন্ত না সে চারটি বিষয়ের প্রতি ঈমান
আনবে। যথা-
(১) আল্লাহ ব্যতিত কোন উপাস্য নেই- বলে সাক্ষ্য
দেওয়া এবং ঘোষণা করা।
(২) আমি যে আল্লাহর রাসুল এবং তিনি আমাকে
সত্যসহ প্রেরন করেছেন ।
(৩) মৃত্যু এবং পুনঃরুত্থানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন
করা।
(৪) তকদীরের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। – আল
হাদীস
👉সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো কোনো ব্যক্তির এমন
বস্তু প্রদর্শন করা যা তার চক্ষুদ্বয় দর্শন করেনি। —
আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
👉যে ব্যক্তি ধর্মীয় জ্ঞান অন্বেষণে লিপ্ত থাকে
, আল্লাহ স্বয়ং তার জীবিকার দায়িত্ব গ্রহণ করেন ।
(কানযুল উম্মাল)
👉হে লোকেরা ! বাকশক্তিহীন প্রাণীদের
সম্পর্কে আল্লাহকে ভয় কর। (আল হাদীস)
👉তোমাদের কেহ পূর্ণ মোমিন হতে পারবে না যে
পর্যন- না সে নিজের ভাইয়ের জন্য তাই পছদে করবে ,
যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে। (- আল হাদীস
(বোখারী শরীফ ঃ))
👉যদি এমন কারো উপরে তোমাদের দৃষ্টি পড়ে যে
সম্পদ এবং সৌন্দর্যের দিক থেকে তোমাদের চাইতে
শ্রেষ্ট তাহলে সে যেন এমন ব্যক্তির দিকে দৃষ্টিপাত
করে যে এই বিষয়ে তার চাইতে নিকৃষ্ট । – আল হাদীস
(বোখারী শরীফ ঃ)
কেউ যদি একটি গাছের চারা লাগায় আর তা থেকে
কোন মানুষ বা অন্য কোন সৃষ্টজীব কিছু খায় তবে তা
সেই ব্যক্তির জন্য দান হিসাবে গণ্য হবে । (আল
হাদিস)
👉জ্ঞান হলো কর্মের নেতা এবং কর্ম হলো
জ্ঞানের অনুসারী । (মিনহাজুল আবেদীন)
👉ব্যভিচারী ব্যক্তি যখন ব্যভিচার করে তখন সে
ঈমানদার থাকে না , চোর যখন চুরি করে তখন সে
ঈমানদার থাকে না , মদ্যপ যখন মদ পান কবে তখন সে
ঈমানদার থাকে না । (বোখারী ,মুসলিম )
👉প্রতিটি বিষয়ই ভাগ্যলিপি অনুযায়ী সংঘটিত
হয়ে থাকে , এমনকি অক্ষমতা এবং বুদ্ধিমত্তাও ।
(মেশকাত)
👉তোমাদেব কেউ যেন নিজের স্ত্রীকে ভৃত্যের
ন্যায় প্রহার না কবে। কারণ দিনের শেষে সে তো
আবার সেই স্ত্রীর সাথেই সঙ্গম করবে। – আল হাদীস
(বোখারী শরীফ ঃ)
👉দুনিয়া ধ্বংস প্রাপ্ত হবে না যে পযর্ন্ত না আমার
খান্দানের এক ব্যক্তি সমগ্র আরব ভূ-খন্ডের অধিপতি
না হবে। তাঁর নাম হবে আমার নামে। — আল হাদীস
(আবু দাউদ শরীফ ঃ)
👉তোমরা কবরের নিকট আসা-যাওয়া করিও ।
এদ্বারা হিংসা রোগ দূর হয়ে যায় এবং বিরাট উপদেশ
লাভ হয় । – আল হাদীস
👉তোমরা দু’টি অভিশাপযোগ্য কাজ থেকে দূরে
থাকবে, যথা- লোকের চলাচলের রাস্থায় এবং
গাছের ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের স্থানে মল-মুত্র ত্যাগ
করা। – আল হাদীস (মুসলিম শরীফ ঃ)
👉প্রকৃত সম্পদশালীতা ধন-সম্পদের প্রাচুর্যে উপর
নির্ভরশীল নয় বরং প্রকৃত ধনাঢ্যতা হলো অন-রের
বড়ত্ব। – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
👉তুমি মোমিন ব্যতিত কারো সঙ্গ লাভ করো না
এবং তোমাদের নিমন্ত্রণের খাবার যেন ধার্মিক
লোক ভিন্ন কেহ আহার না করে। – আল হাদীস (আবু
দাউদ শরীফ ঃ)
👉আল্লাহর নিকট বৈধ কাজসমূহের মধ্যে তালাক
হইল সর্বাপেক্ষা ঘৃণ্য। – আল হাদীস (বোখারী
শরীফ ঃ)
👉নবী করীম (দঃ)-এর নেতৃত্বাধীন কোন যুদ্ধে এক
মহিলাকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। এতে নবী
করীম (দঃ) খুবই মর্মাহত হলেন এবং নারী ও শিশুদের
হত্যা করতে নিষেধ করে দিলেন । – আল হাদীস
(মুসলিম শরীফ)
👉কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর সময় যদি তার কপাল ঘর্ম
সিক্ত হয় , চক্ষু থেকে অশ্রু বের হয় এবং নাকের ছিদ্র
প্রসারিত হয় , তবে তা রহমতের লক্ষণ। পক্ষান্তরে
গলা থেকে যদি উটের গলা টিপার ন্যায় আওয়াজ
আসতে থাকে এবং চেহারা মলিন হয়ে মুখ থেকে
ফেনা বের হতে থাকে , তবে তা আজাবের লক্ষণ। –
আল হাদীস
👉যে ব্যক্তি ঋতুস্রাব অবস্থায় স্ত্রীসহবাস করল ,
স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সহবাস করল কিংবা কোন
জ্যোতিষীর কাছে গেল , সে মোহাম্মদ (সাঃ) এর
ধর্মকে অস্বীকার করল । – আল হাদীস (তিরমিযী)
👉কেয়ামতের দিন তোমাদের কেউ যেন এই
অবস্থায় আমার নিকট না আসে যে তার ছাগল তার
ঘাড়ের ওপর চাপানো থাকবে আর তা ভ্যাঁ ভ্যাঁ করতে
থাকবে এবং সে আমাকে (সাহায্যের জন্য) ডাকতে
থাকবে। আমি বলবো , তোমার জন্য আজ আমি কিছুই
করতে পারবো না । আমি তো আল্লাহর আদেশ-
নির্দেশ তোমাকে পৌছে দিয়েছিলাম । – আল
হাদীস
👉আমি সুদীর্ঘ দশ বৎসর রাসুলুল্লাহ (দঃ)-এর সেবা
করেছি। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি একদিনও আমাকে
বলেননি যে একাজটি কেন করলে বা ঐকাজটি কেন
করলে না । (আল হাদীস)
👉আকাশ এবং পৃথিবী সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বৎসর
পূর্বেই আল্লাহ সকল সৃষ্টজীবের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করে
রেখেছেন । তখন আল্লাহর সিংহাসন ছিল পানির
উপর। – আল হাদীস (মুসলিম শরীফ)
👉কোনো মহিলা যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায়
করে , রমজানের রোজা রাখে , নিজের সতীত্ব রক্ষা
করে চলে এবং স্বামী আদেশ মেনে চলে , তবে সে
যে দরজা দিয়ে ইচছা জান্নাতে প্রবেশ করতে
পারবে। – আল হাদীস (মেশকাত শরীফ)
👉আজ এখানেই শেষ করছি,সবাই ভালো থাকুন সুস্হ
থাকুন আর নিত্য নতুন নতুন ট্রিক্স ও টিপস এবং ইসলামিক
পোস্ট পেতে ট্রিকবিডির সাথেই থাকুন।