Sunday, October 27, 2019

গভীর ভালবাসার এসএমএস valobasar sms 2020

গভীর ভালবাসার এসএমএস valobasar sms 2020

 @জোনাকির আলো জেলে
ইচ্ছের ডানা মেলে., মন চায়
হারিয়ে যাই., কোনো এক দুর
অজানায়. যেখানে আকাশ মিশে
হবে একাকার., আর তুমি
”রাজকুমারী“ হবে শুধু আমার...

2. @মনটা দিলাম তোমার হাতে
যতন করে রেখো,,হৃদয় মাঝে ছোট্ট
করে আমার ছবি এঁকো.স্বপ্ন গুলো
দিলাম তাতে আরও দিলাম আশা ,,
মনের মতো সাজিয়ে নিও আমার
ভালবাসা....

3. @কটি প্রকৃত ভালবাসা হতে
পারে দৈহিক অথবা ঐশ্বরিক| সত্য
ভালবাসা হচ্ছে,, এমন কিছু যা
শাশ্বত ও অধিক শান্তিপূর্ন...|

4. @চোখে আছে কাজল কানে
আছে দুল,,ঠোট যেন রক্তে রাঙা
ফুল,চোখ একটু ছোট মুখে মিষ্টি
হাসি,, এমন একজন মেয়েকে সত্যি
আমি ভালোবাসি...।

5. @কটা আকাশ হেরে গেলো,,
হারিয়ে তার মন.,. অন্য আকাশ হটাৎ
হল চাঁদের প্রিয়জন.. তবুও তার
ভালবাসা চাঁদের ভালো চায়,,
নতুন আকাশ চাঁদকে যেন সুখের
ছোঁয়া দেয়....!!

6. @ভালবেসে এই মন,, তোকে চায়
সারাক্ষন। আছিস তুই মনের মাঝে,
পাশে থাকিস সকাল সাঝেঁ। কি
করে তোকে ভুলবে এই মন,, তুই যে
আমার জীবন।। তোকে অনেক
ভালবাসি...

7. @যদি বৃষ্টি হতাম.. তোমার
দৃষ্টি ছুঁয়ে দিতাম। চোখে জমা
বিষাদ টুকু এক নিমিষে ধুয়ে
দিতাম। মেঘলা বরণ অঙ্গ জুড়ে তুমি
আমায় জড়িয়ে নিতে,,,কষ্ট আর
পারতো না তোমায় অকারণে কষ্ট
দিতে....!

8. @ফুলে ফুলে সাজিয়ে রেখেছি
এই মন,,, তুমি আসলে দুজনে সাজাবো
জীবন, চোখ ভরা স্বপ্ন বুক ভরা আশা,,,
তুমি বন্ধু আসলে দেবো আমার সব
ভালবাসা......

9. @টাপুর টুপুর বৃষ্টি লাগছে দারুন
মিষ্টি, কী অপরুপ সৃষ্টি দেয়
জুড়িয়ে দৃষ্টি,,, বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায়
তাজা ফুলের গন্ধয়ে,,, মনটা নাচে
ছন্দে উতলা আনন্দে,,,জানু তোমার
জন্য....

10. @এক পৃথিবীতে চেয়েছি
তোমাকে,,,, এক সাগর ভালবাসা
রয়েছে এ বুকে ,,,, যদি কাছে আসতে
দাও, যদি ভালবাসতে দাও, এক জনম
নয় লক্ষ জনম ভালবাসব তোমাকে.....

Wednesday, October 16, 2019

প্রেমিক প্রেমিকার জন্য সেরা কিছু কষ্টের SMS

প্রেমিক প্রেমিকার জন্য সেরা কিছু  কষ্টের SMS

১.

 কালি মধু যামিনীতে,
ভেবেছিলেম আনিয়াছো মনোহর পুষ্পরস,
ললাটে সইবে কি এমন সুখ?
পান করে দেখি, সে কি!!
এ যে গরল, নহে পুষ্প রস।
সর্বাঙ্গে গরল করিলো অবশ।
অদ্য আনন্দ তোমার, ক্রন্দন আমার
অদ্য রঙ্গমঞ্চ তোমার, আমার মৃত্যু।।।

 ২.

আজও কেন কাদাঁয় তোমার দেয়া স্মৃতিগুলো, ভেংগে দেয় মন অবেলায়, একা পরে থাকে তোমার লেখা চিঠি গূলো। শূণ্যতায় দিন যে হাড়ায়। সে কী জানে ভাংগা মনে কেউ ত বাসেনা খুব গোপনে, কতো যে ফাগূনে শরত্ ও বিকেলে ভিজে শ্রাবনে তুমি তো এলে না ফিরে এমনে । তোমায় ছুয়ে ছুয়ে মেঘের আঁচল টুরে কোথাও নিয়ে যায়

৩.

 ভেবেছিলাম তুমি আসবে! ভোরের কুয়াশায় হাটবো তোমার হাতটি ধরে।কিন্তু তুমি এলেনা ভেবে ছিলাম পড়ন্ত বিকেলে হয়তো গোধূলি লগ্নে তোমার দেখা পাবো! তখনো তুমি এলেনা ভেবে ছিলাম সন্ধ্যা তারাদের মাঝে তোমায় খুঁজে পাবো! অবশেষে খুজে পেলাম ঠিকই,কিন্তু তুমি ছিলো ঐ দূর আকাশে । আমার দিকে ফিরেও তাকালেনা। ভাবনা আমার ভাবনাই রয়ে গেলো বাস্তব আর হলোনা....

৪.

 Ami Sikheci Nijhum Rat Kalo der Kotha-Ami Dekheci Vor Sokaler Nirobota. Ami Heteci Rodro Klanto Dupure- Ami Sunce Tomar paer Sobdo Santo Bikele Gash Nupure. Ami Janina Tumi R Kokhono Asbe Naki Fire-Tobu Tomar Shekhano Valobasha Ajo Ache Amay Gire..

৫.

 রাতের শেষ প্রহরে,স্বপ্নকে হারিয়ে যেতে দেখেছি ..তাই বলে ভেবনা হারানো স্বপ্নের বিষাক্ততায়,আমি হারিয়ে গেছি..যদি কষ্টের বিষাক্ততায় চোখ ভিজে যায় জলে তবে আমায় ডেকো !!তোমার চোখের জল মুছতে আসবো আমি ফিরে॥

৬.

জানিনা সেদিন কি আসবে আবার জীবনে আমার,

হাজার ফুলের রঙিন জলসায় ডাকবে কি সুখ পাখি বারে বার।

স্বপ্ন ভেসে যায় এখনো কতনা রাত্রি,

খালি মন যেন অজানা পথের যাত্রী।

অশ্রু ভেজা চোখ কেবলি রয়েছে তোমার আশায়;

বেদনায় মন কাদে ভালোবাসায়,

স্মৃতির রেখায় পাই যে খুজে শুধু   তোমায়

৭.

তোমার চির-চেনা পথের ঐ সীমা ছাড়িয়ে,
এই প্রেম বুকে ধরে আমি হয়তো যাবো হারিয়ে।
চোখের গভীরে তবু মিছে ইচ্ছে জড়িয়ে;
একবার, শুধু একটি বার হাতটা দাও বাড়িয়ে।।

আসবেনা ফিরে তুমি জানি কোনদিন, তবু প্রার্থনা তোমার জন্য;
হবে না মলিন।।।, হবেনা মলিন।।।।।।

৮.

 হৃদয়টা তরুর ঝড়ে যাওয়া শুকনো পাতা,
যার উপর ভর পড়ে পথচারীর জোড়া পা।
টুকরো হওয়া শুকনো পাতা ধূলোয় মিশে যায়,
টুকরো হওয়া পাতা তবু তার কষ্ট কাউকে না দেখায়।
শুকনো হলেও পাতা তোমায় লাগে অনেক কাজে,
নিজের জীবন পোড়াও তুমি অন্যের খাদ্য প্রস্তুতে।।।

৯.

Dibbo kore bolchi tumai ar hobena vhul,

Hariye tumai aaj amija na pai vabe kul,

Roylo amar ai abedon grohon koro mura

Aager moto e badbo tumai nikhad premer dura

১০.

Tukro kichu kothar majhe aral kora sriti,

botol bondhi jibon jhapsa akkriti.

Fika jakhon hobe akash urbe jakhon dhulo,

porbe mone hararano sai sabuj sriti gulo.

১১. 

আর কত ভালবাসলেভালবাসবে তুমি আমায়আর কত কাঁদলেগলবে তোমার হৃদয়।আর কত রাত জাগলেবুঝবে তুমি আমায়আর কত অপেক্ষা করলেশেষ হবে অপেক্ষা আমার।আর কত দিন কাটলেআসবে তুমি কাছে আমারআর কত পোড়ায়েখাটি করবে আমার হৃদয়।আর কত সাগরে ভাসলেদেখা দিবে তুমি আমায়আর কত পরীক্ষার পরশেষ হবে আমাকে জানার।
১২. 

যদি আমি হরিয়ে যাই কখনো,

খুজে ফের তুমি আমায়;

জোসনার অই নীল চাদরে,

আকাশের তারার ভীড়ে;

আমি যাব না অতদূর,

যেখানে তোমার ছায়া নেই, যেখানে তোমার অস্তিত্ব নেই।

Friday, October 11, 2019

রোমান্টিক প্রেমের এসএমএস

রোমান্টিক প্রেমের এসএমএস


৫১. ৭ ফেব্রুয়ারি=রোজ ডে। ৮ ফেব্রুয়ারি= প্রপোস ডে। ৯ ফেব্রুয়ারি-চকলেট ডে। ১০ ফেব্রুয়ারি= টেডি ডে। ১১ ফেব্রুয়ারী= প্রমিস ডে। ১২ ফেব্রুয়ারী হাগ ডে। ১৩ ফেব্রুয়ারি কিস ডে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভেলেন্টাইনস ডে।

৫২. মন নেই ভালো, জানিনা কি হলো, পাশে নেই তুমি, কি করি আমি, পাখী যদিও হতাম আমি এই জীবনে, তোমায় নিয়ে উড়ে যেতাম অচিন ভূবনে, তুমি কি যাবে আমার সাথে!


৫৩. শুধু কাছে পাওয়ার জন্য ভালোবাসা নয়, শুধু ভালো লাগার জন্য ভালবাসা..নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে ভালবাসার মানুষকে সুখীই রাখার নামই ভালবাসা।
৫৪. আমাদের ভালবাসা হয়ে গেল ঘাস..খেয়ে গেল দিয়ে গেল বাস…!!


৫৫. আমি তো হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছি তোমার ভালবাসা নিবো বলে। দাও তুমি কতো ভালবাসা দেবে আমায়। বিনিময়ে একটা হৃদয় তোমায় দিবো যা কখনো ফিরিয়ে নেবার নয়।

৫৬. যার কাছে সব কিছু বলা যায়…যার হাতে হাত রেখে চলা যায়..যাকে আপন বলে ভাবা যায়…যার কাছে বিশ্বাস টুকো জমা রাখা যায়..তাকেই তো ভালবাসা যায়..


৫৭. মেয়েরা ভুলাতে পারে ছেলেদের মন মিষ্টি কথার ছলে, তাঁরা নিমিষেই ভাসাতে পারে সুখের সাগরে, তাঁরাই আবার ডুবিয়ে মারে চোখের নোনা জলে। খেলতে পারে সুন্দর করে নিঠুর প্রেমের খেলা। দিতে পারে হৃদয় জুড়ে মিছে প্রেমের জ্বালা।


৫৮. এতো কষ্ট পেয়েও তোমাকে ভুল বুঝি নি। এতো দূরে রয়েও তোমাকে ভুলে যায় নি। নির্ঘুম রাত জেগেও স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে আছি। কেনো জানো? তোমায় খুব ভালোবাসি তাই।


৫৯. টিপ দিলেই বলিস তুই টিপ হয়েছে বাঁকা, ঠিক করার অজুহাতে আমায় ছুঁয়ে থাকা। জ্বর এসেছে শুনলে জানি কপাল ছুঁয়ে দিবি, ভালোবাসি বলতে গাধা আর কত সময় নিবি?

৬০. যদি পৃথিবীর সব গোলাপ প্রতিদিন একটা করে তোমাকে দিয়ে বলি আমি তোমায় ভালবাসি, সব গোলাপ শেষ হয়ে যাবে..তবুও আমার ভালবাসা শেষ হবে না.. হয়তো আজও আমার ভালবাসার গভীরতা বুঝতে পারো নি………

Monday, September 30, 2019

ছাত্র শিক্ষকের জোকস ছাত্র ও শিক্ষক বল্টু এবং শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক

 ছাত্র শিক্ষকের জোকস ছাত্র ও শিক্ষক বল্টু এবং শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক বল্টু বনাম শিক্ষক ছাএ শিক্ষক বল্টু vs শিক্ষক বল্টু ও শিক্ষক জোকস


১) শিক্ষকঃ বলো তো, কোনটি আমাদের জন্য অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ, সূর্য না চাঁদ?
ছাত্রঃ চাঁদ, স্যার।
শিক্ষক(অবাক হয়ে): কেন?
ছাত্রঃ চাঁদ আমাদের রাতে আলো দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন হয় কিন্তু সূর্য দিনে দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন নেই।

২) শিক্ষকঃ শেরশাহ প্রথম ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন ।
ছাত্রঃ কেন স্যার, এর আগে কি ঘোড়ারা ডাকতে পারতো না?

৩) স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে।
স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়?
মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!

৪) পরীক্ষার হল থেকে এক ছেলে স্যারের অনুমতি নিয়ে টয়লেটে গেলো। টয়লেটে আগেই একটা বই রাখা ছিলো, প্রশ্নের উত্তর বের করে পড়ে আসতে আসতেই অনেকক্ষণ দেরি হয়ে গেল তার। ফিরে আসতেই স্যার কষে ধমক লাগালেন।
-কী ব্যাপার, টয়লেট থেকে আসতে এতো দেরী হলো কেনো? আর কেউ যাবে না নাকি?
-না স্যার, ওরা ভালো করেই পড়াশোনা করে এসেছে।

৫) শিক্ষকঃ মন্টি, বলো তো হাসা এর ইংরেজী প্রতিশব্দটি কি?
মন্টিঃ লাফ।
শিক্ষকঃ তাহলে হাসাহাসি এর ইংরেজী কি হবে?
মন্টিঃ লাফালাফি স্যার!

৬) শিক্ষকঃ বলো তো বাতেন, ভেজাল এর বিপরীত কি?
বাতেনঃ খাঁটি স্যার।
শিক্ষকঃ গুড।
বাতেনঃ ব্যাড।
শিক্ষকঃ (রেগে) বেআদব!
বাতেনঃ আদব।
শিক্ষকঃ (আরো রেগে) ওঠ!
বাতেনঃ বস।

৭) শিক্ষক ছাত্রকে বললেন, লেখাপড়ায় তুমি বেজায় খারাপ করছো, কাল তোমার বাবাকে স্কুলে আসতে বলবে, তার সাথে পরামর্শ করতে হবে ।
ছাত্রঃ কিন্তু তার জন্য যে ফি লাগবে স্যার ।
শিক্ষকঃ ফি! কিসের জন্য?
ছাত্রঃ আমার বাবা যে উকিল। ফি ছাড়া তো তিনি পরামর্শ করেন না ।

৮) শিক্ষকঃ বলো তো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার পেছনে।
শিক্ষক (রেগে গিয়েঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি। তোমার কিছু হবে না!
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম, তবু তুই পাশ করতে পারলি না?

৯) স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।
শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?
ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।
শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?
ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ লিখবো কীভাবে।

১০) রিমন খুবই ফাঁকিবাজ। প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরিই থাকে! তো, একদিন দেরি করে কাসে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, রিমন, এতো দেরি হলো কেনো?
রিমন: আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে, এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা তো এ অবস্থায় পড়লে দেরি তো একটু হবেই।
স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না! স্কুলে আসলে কিভাবে?
রিমন: কেনো স্যার! স্কুলের দিকে পিছন ফিরে হেঁটে হেঁটে এলাম যে!

১১) বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছেলেকে বললেন, এই ছেলে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।
ছেলেটি হচকচিয়ে দাঁড়িয়ে বললো, ‘কে? আমি?’
শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।

১২) স্কুল পরিদর্শনে এসে ক্লাস নাইনের রুমে ঢুকলেন পরিদর্শক। তখন ইতিহাস ক্লাস চলছিলো। ফার্স্ট বয়কে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বলোতো, সোমনাথের মন্দির কে ভেঙেছিলো?’
ফার্স্ট বয়: (ভয় পেয়ে) আমি ভাঙিনি স্যার, বিশ্বাস করেন, স্যার, আমি কোনোরকম ভাঙচুর করিনি! আমাকে মাফ করে দেন স্যার।
পরিদর্শক তখন ক্লাস টিচারের দিকে তাকিয়ে বলছেন, ‘কি বলে আপনার ছাত্র এসব উল্টা পাল্টা?’
শিক্ষক: উল্টা পাল্টা নয় স্যার। আমি ওকে সেই ছোটবেলা থেকেই চিনি। খুব ভালো ছেলে স্যার। মন্দির-মসজিদ ভাঙার মতো কোনো কাজ ও করতেই পারেনা।
পরিদর্শক রেগে গিয়ে হেডমাস্টারের কাছে জানতে চাইলেন, ‘এর একটা বিহিত করুন। আপনার সামনেই আপনার ছাত্র আর শিক্ষক মিলে এগুলো কি কথা বলছে?’
প্রধান শিক্ষক: আপনার হয়তো একটু ভুল হচ্ছে স্যার। আমি ইতিহাস শিক্ষককে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। সৎ ও সত্যবাদী মানুষ। আমার ছাত্র যদি মন্দির ভাঙতো, তাহলে তিনি সেটা নিশ্চয়ই বলতেন। তাছাড়া আমার ছাত্ররাও খুব ভালো স্যার, ওরা জানালার কাঁচ পর্যন্ত ভাঙেনা, আর আপনি বলছেন মন্দির ভাঙা। আপনি সত্যি সত্যি ভুল করছেন স্যার। পরিদর্শক: !!??!!

১৩) শিক্ষক: রনি, এই ম্যাপে দেখাও তো দেখি আমেরিকা কোথায়?
রনি গিয়ে দেখিয়ে আসার পর
শিক্ষক: ভেরি গুড। এবার জনি বলতো, আমেরিকা কে আবিস্কার করেছেন?
জনি: রনি, স্যার।

১৪) শিক্ষক: বলোতো মন্টু, উভচর কাকে বলে?
মন্টু: যা জলে ও স্থলে উভয় জায়গায় চলতে পারে, তাকে বলে উভচর।
শিক্ষক: ভেরি গুড। এবার রন্টু একটা উভচর প্রাণীর উদাহরণ দাওতো।
রন্টু: হাঁস, স্যার।

১৫) ছাত্র তার স্যারকে জিজ্ঞেস করল, ‍‌স্যার আপনার মাথায় এত্ত বড় টাক কেন?
এই কথা শুনে স্যার তার চুল ধরে ইচ্ছেমত টেনে দিল।তখন ছাত্রটি বলল, স্যার এটা মুখে বললেই হত, শুধু প্রাকটিক্যাল দেখাতে গেলেন কেন?

১৬) - তাহলে তোমরা তো বুঝতেই পারছো, যে প্রাণীটা পানির মধ্যে থাকে তাকে বলে মাছ। আসিফ, বলতো, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ছোট্ট মাছ কী?
- স্যার, জীবাণু।
অঙ্কের ক্লাশ চলছে। শিক্ষক এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘১৫ জন মিলে একটা দেয়াল গাঁথতে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। ৫ জন মিলে সেই দেয়াল গাঁথতে কতোক্ষণ সময় লাগবে?’
ছাত্রটি উত্তর দিলো- ‘ঐ দেয়াল আবার গাঁথতে যাবে কেনো? দেয়াল তো আগের ১৫ জনই গেঁথে দিয়েছে!’

১৭) একদিন ক্লাশে শিক্ষক ছাত্রদেরকে অতিথি পাখি সম্পর্কে বলছিলেন। ঐ যে, যে পাখিগুলো শীতকালে শীতের হাত থেকে বাঁচার জন্য শীতের দেশ থেকে উড়ে উড়ে গরমের দেশে চলে আসে। তো শিক্ষক বলতে বলতে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা, তোমরা কি বলতে পারবে, অতিথি পাখিরা শীতকালে এতো দূরে উড়ে আসে কেনো?’ এক ছাত্র তখন তখনই দাড়িয়ে উত্তর দিলো, ‘এতো দূর তো আর হেঁটে আসা সম্ভব নয়, তাই উড়ে উড়ে আসে!’

১৮) বিজ্ঞান ক্লাস চলছে। শিক্ষক বোঝাচ্ছেন, আমাদের জন্য অক্সিজেন কতো প্রয়োজনীয়। ‘আমরা আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। সারাটা দিন আমরা নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। তাহলে রাতে আমরা নিঃশ্বাসের সাথে কি গ্রহণ করি?’ সামনের বেঞ্চ থেকে এক ছাত্র দাড়িয়ে বললো, ‘নাইট্রোজেন, স্যার!’

১৯) রতন আজকে ক্লাসে দেরি করে এসেছে। আর যায় কোথায়, কুদ্দুস স্যার ওকে ক্যাঁক করে পাকড়াও করলেন। তার জোড়াবেতে তেল দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি হে রতন, এতো দেরি করে এলে কেন? রাস্তায় খুব জ্যাম ছিলো বুঝি?’ রতন গোবেচারার মতো মুখ করে বললো, ‘আজ্ঞে না স্যার। আমি তো ঘুমাতে ঘুমাতে স্বপ্ন দেখছিলাম। দেখছিলাম কি, আমি ফুটবল ম্যাচ খেলছি। তো ৯০ মিনিট শেষ হয়ে গেলো, কেনো দলই কোনো গোল দিতে পারলো না। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো। তাতেও কোনো গোল হলো না। এরপরে হলো টাইব্রেকার। তাতে অবশ্য আমরাই জিতলাম। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময়ও তো আমাকে ঘুমাতে হলো। নইলে যে খেলাটাই পণ্ড হয়ে যায়। আর তাতেই দেরি হয়ে গেলো! কি করবো স্যার, পুরো খেলা নষ্ট হতে দেয়া যায় না, তাই না স্যার?’

২০) ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে- ১৫৪২- ১৬০৫!
নিশি : ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!

২১) স্কুলে পরীক্ষার সময় সবাই গণহারে দেখাদেখি করে লিখছে। সামনের বেঞ্চের একজন স্টুডেন্ট লিখলো সম্রাট শাহজাহান দুঃসময়ে ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না। পিছনের বেঞ্চের একজন স্টুডেন্ট এটা দেখে লিখতে গিয়ে লিখলো সম্রাট শাহজাহান দুঃসময়ে জাঙ্গিয়া পরিতেন না।

২২) টীচার: এই ছেলে তুমি ক্লাসে ঘুমাচ্ছ কেন?
স্টুডেন্টঃ- ম্যাডাম আপনার কন্ঠ এত সুইট…শুনতে শুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি টেরই পাইনি…!
টীচারঃ- তাহলে অন্য স্টুডেন্টরা কেন ঘুমাচ্ছে না?
স্টুডেন্টঃ- কারন ওরা আমার মত আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে না, তাই

২৩) একদিন এক ক্লাক তার এক বন্ধুকে বলল , জানিস কাল থেকে আমার অফিস দু সপ্তাহ ছুটি । বন্ধুটি জানতে চাইল , কি ভাবে ? কাল থেকে আমি এক সপ্তাহ ছুটিতে যাচ্ছি । তার পরের সপ্তাহে আমার বস ছুটিতে যাচ্ছেন।

২৪) মহিলা টাইপিস্ট পুরো দেড় ঘন্টা লেট করে অফিসে এলো | দেরির কারন জানতে চাইলেন বড়কর্তা | টাইপিস্ট বললেন, আমি ঠিক সময়ে আসতে চেয়েছিলাম . কিন্ত একটা যুবক আমাকে ফলো করছিলো | : কিন্ত টাই বলে দেড় ঘন্টা লেট? : কি করবো বলুম যুবকটি যে বড্ড ধীরে ধীরে হাটঁছিল |

২৫) ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বল তো ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল এর ইংরেজি কি হবে? : এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি | : আরবিটা পার ? ঠিক আছে বল | : ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন

২৬) টিচার: এই আবুল বলতো জনক কয় প্রকার?
ছাত্র: স্যার জনক হল ২ প্রকার৷ একটা হল 'জাতির জনক' আর আরেকটা হল 'আশঙ্কাজনক'৷ (ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শুনে দাঁত কেলিয়ে ফটাফট দাড়িয়ে উত্তর দিল)
টিচার: উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়ে বলল, তোর উত্তর হয় নাই৷ আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি তোরে এখন বেত দিয়া পিটাইমু৷ আর সেইটা হবে তোর জন্য 'বিপদজনক'৷
ছাত্র: স্যার আপনেরটাও হয় নাই৷ আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি এখন খিচ্চা দৌড় দিয়া পলামু৷ আর সেইটা হবে আমার জন্য 'সুবিধাজনক'৷
তখন পাশ থেকে আরেক ছাত্র উঠে বলল,
স্যার: আরেক প্রকার জনক আছে৷ আপনে যদি দৌড়াইয়া আবুইল্লারে না ধইরা আনতে পারেন, তবে সেইটা হবে আপনার জন্য 'লজ্জাজনক'৷

২৭) কলেজে যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে। এক পর্যায়ে শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করালেন এবং বললেন
শিক্ষকঃ আচ্ছা ধর, তুমি চেয়ারে বসেছ চেয়ার মাটিতে স্পর্শ করে আছে অর্থাৎ তুমি মাটিতে বসেছ। এ রকম একটা উদাহরণ দাও তো?
ছাত্রঃ ধরুণ স্যার, আপ্নিন মুরগী খেয়েছেন আর মুরগি কেঁচো খেয়েছে সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।
শিক্ষকঃ খুব হয়েছে । বস।

২৮) শিক্ষক দ্বিতিয় শ্রেণীর ছাত্রী পড়াচ্ছেন বাড়িতে
শিক্ষকঃ বলতো ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে স্যারের মাথা।
ছাত্রীর বাবাঃ বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে বাবার মাথা।
ছাত্রীর ভাই, বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে ভাইয়ার মাথা, এরপর মা।
ছাত্রীর মাঃ বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।

২৯) ছাত্রীঃ এবার বুঝেছি ‘মাই হেড’ মানে সবার মাথা।
শিক্ষকঃ বলো তো! টেবিলে যদি পাঁচটা মাছি থাকে, আর একটি মাছি থাপ্পর দিএয় মেরে ফেলা হয় তাহলে টেবিলে আর কয়টা মাছি থাকবে?
ছাত্রঃ একটা স্যার।
শিক্ষকঃ অবাক হয়ে, কিভাবে?
ছাত্রঃ সবগুলো উড়ে যাবে, শুধু মরাটা পড়ে থাকবে।

৩০) স্যার:কিরে তর মন খারাপ কেন ..।।
ছাএ:স্যার কই নাতো!!
স্যার:আরে লজ্জা পাওয়ার কি আছে,
আমাকে বন্ধু ভেবে বলতো।। . .
ছাএ:আর বলিস না দোস্ত,তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মত ভালবাসে না ।
স্যার:বেঁ-হুশ ।

Wednesday, September 25, 2019

শুভ সকাল SMS - বাংলা কবিতা ।। প্রেমের কবিতা ।। ভালোবাসার গল্প


শুভ সকাল SMS - বাংলা কবিতা ।। প্রেমের কবিতা ।। ভালোবাসার গল্প


( 1 ): তুমি শিশির ভেজা গোলাপের পাপড়ি,
তুমি পাহাড়ের গায়ের ঝর্নার পানি,
তুমি বর্ষার এক পসলা ব্রিষ্টি,
তুমি সকালে উদিত সুর্যের আলো,
তুমি হলে বন্ধু আমার অনেক ভালো
"শুভ সকাল"



( 2 ): ছোট্ট পাখি বললো এসে আমার কানে কানে,
সূর্যি মামা উঠছে আবার নতুন কিছুর টানে,
সুখে থেকো ভালো থেকো রেখো ভালোবেসে,
মিষ্টি সকাল জানিয়ে দিলাম ছোট্ট এই এসএমএসে, শুভ সকাল



( 3 ): এমন করে কষ্ট দিলে কেমন করে সইব,
ভালোবাসি তোমায় আমি কী করে বুঝাবো,
মনে যদি হয় আমায় করিও স্বরণ, তোমার জন্য অপেক্ষা করব আমি সারা জীবন
দয়া করে মিসকল দিবেন না।।


( 4 ): এমন করে কষ্ট দিলে কেমন করে সইব, ভালোবাসি তোমায় আমি কী করে বুঝাবো, মনে যদি হয় আমায় করিও স্বরণ, তোমার জন্য অপেক্ষা করব আমি সারা জীবন।


( 5 ): ফুলের শুবাস চাঁদের হাসি,
নামাজ পড় বেশি বেশি,

নদীর ঢেউ পাখির গান.
কোরআন মোদের সংবিধান,

সবুজ শ্যামল স্বপ্নে ঘেরা,
ইসলাম ধর্ম সবার সেরা । ।


( 6 ): পাখির ঠোটে চিঠি দিলাম খুলে তুমি পড়,
স্বপ্ন দেখে ভয় পেলে হাতটি চেপে ধর,
রাত জাগা পাখির মত জেগে আছি,
মনটা আমার জানতে চাই কেমন আছ তুমি


( 7 ): আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আমার জন্য তুমি সৃষ্টি|তোমার জন্য কাদে মন দুরে থাক যতক্ষন|সকাল হল ঘুম ভাংল উঠে দেখি তুমি নাই|সপ্ন ভেঙে চুরমার হল কোথা গেলে তোমায় পায়|তুমি বন্ধু কেমন আছো জানিও আমায় এস এম এসএর উত্তর দিও ভালবাসবো তোমায়|



( 8 ): Misti 2mr sms misti 2mr kota,
2mr kono kosto hole amr lage betha.
Misti 2mar muker hasi misti muker vasa,
2mr jonno roilo amar opuronto Valobasa.


( 9 ): বন্ধু আমার হল পর,নিতে চায় না আমার খবর,আগে বন্ধু নিতো খোঁজ,sms দিতো আমায় রোজ,কি জানি তার কি হলো? sms করা ভুলে গেল।


( 10 ): স্কুল জীবনটা যে কত সুন্দর তা আজ বুঝতেছি।
কেননা স্কুল জীবনের মত বন্ধুত্ব
আর হয় না।

আর যদিও হয় সেটা নগন্য।



( 12 ): Ghume "ghume rat shesh" surjo mama utlo besh"
futlo abar vorer alo"dinta tomar katuk valo"shuru holo notun din"janai tomay


( 13 ): আমার কথা না ভেবেই তুমি ঘুমিয়ে পরবে এটা হতে পারে না.
ঘুমাতে গেলে আমার কথা তোমার মনে পর্বেই..
তোমার মন কে তুমি বাধা দিতে পারবে না.
এটাই হল ভালবাসা.
GOOD NIGHT


( 14 ): চুপ।এখন সপ্ন দেখার সময় এসেছে।আমি এখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে সপ্ন দেখার করব একটা নতুন শুরু।

Thursday, September 19, 2019

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes

 বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes  



 1) মনোবিজ্ঞানী : যদি দুনিয়াটা পাল্টে দিতে চান তাহলে বিয়ে করার আগেই সে চেষ্টা করুন।
 পাত্র : কেন? বিয়ের পরে সমস্যা কী?
 মনোবিজ্ঞানী : কারণ বিয়ের পর আপনি দুনিয়া তো দূরের কথা নিজের ঘরে টিভির চ্যানেলটাও নিজের ইচ্ছায় পাল্টাতে পারবেন না!

   2) টিভি দর্শক : মেয়েদের কাছে অতি জনপ্রিয় আমি যেন এক প্রজাপতি সিরিয়ালের সব গৃহিণী চরিত্রকে হরদম হাসিখুশি দেখা যায়। এর কারণ কী?
 পরিচালক : কারণ নাটকে ওই নারীদের কারোরই শাশুড়ি নেই!

   3) সাংবাদিক : নির্বাচনে দাঁড়ানোর প্রেরণা আপনি কার থেকে পেলেন?
 মহিলা প্রার্থী : আমার স্বামীর কাছ থেকে।
 সাংবাদিক : সেটা কিভাবে? যদি একটু বুঝিয়ে বলেন।
 মহিলা প্রার্থী : এতে বোঝাবুঝির আর কী আছে? যতবার আমি ওর সঙ্গে লড়েছি, আমিই জিতেছি!

   4) ঈদের ছুটিতে তোর ভাবীকে বাপের বাড়ি পাঠাতে রেলস্টেশনে গিয়েছিলাম।
 তো?
 ওকে ট্রেনে তুলে দিয়ে বিদায় জানাতে গিয়ে খুশির চোটে ট্রেনের ইঞ্জিনে চুমু দিয়ে ফেলেছিলাম!

   5) এক মহাধরিবাজ ঠিকাদার মহাসড়কের বড় একটি কাজের কন্ট্রাক্ট পাবার চেষ্টা করছিলেন। শেষতক প্রতিষ্ঠানের বড়কর্তার সঙ্গে মোটা টাকার ঘুষে কাজটি পেতে অলিখিত চুক্তিতে আবদ্ধ হলেন।
 প্রজেক্ট ডাইক্টের সেইমত ফাইলে লিখে দিলেন, Approved.
 কিন্তু দুদিন অপেক্ষার পরও ঠিকাদার চুক্তিমত টাকা দিতে এল না। এমনকি ফোন পর্যন্ত ধরে না। তিনি খুব রেগে গেলেন- কিন্তু করার কিছু নেই। ফাইলে তো নিজ হাতে Approved লিখে ফেলেছেন!
 এসময় মুশ্কিল আসান হিসেবে এগিয়ে এল তার এইট পাস পিওন। সে বলল, কোনো চিন্তা করবেন না স্যার। আমি চেয়ারম্যানের টেবিল থেইকা ফাইলটা নিয়ে আসছি আবার।
 আপনি Approved শব্দটির আগে Not লিখে দিন। বড় বড় পাস দেওয়া বড় কর্তা তাই করলেন, হয়ে গেল Not Approved।
 এই ওষুধে কাজ হলো।
 দুদিন পর ঠিকাদার এলেন টাকাভর্তি ব্যাগ নিয়ে। কিন্তু ভেজাল তো যাও হওয়ার হয়ে গেছে। মুখের সামনে রসগোল্লা- কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার সাহেব তা গিলতে পারছেন না। কারণ, এইট পাস পিওনের কথায় তিনি নিজ হাতে Not Approved লিখে ফেলেছেন ফাইলে! এবার কী উপায়!
 এবারও মোক্ষম বুদ্ধি নিয়ে হাজির সেই তিরিশ বছরের অভিজ্ঞ এইট পাস পিওন। হাল্কা হাসি দিয়ে বললো, কোনো চিন্তা করবেন না, বস! আমি আছি না! আমি ফাইলটি আবার নিয়ে আসছি। আপনি Not এর পরে এবার একটি e বসিয়ে দিন। হয়ে যাবে Note Approved.
 বড় বড় ইঞ্জিনিয়ারিং পাস দেওয়া বড় কর্তা আবারো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন আর পিওনের বুদ্ধির প্রশংসা করলেন। ঘোষণা করলেন তার জন্য ঘুষের বড় এক পার্সেন্টেজ।
 এখন কর্তা খুশি, পিওন খুশি, ঠিকাদার খুশি। সবাই হাসি, সবাই খুশি, হাসি-খুশী। শুধু জনগণ এর পরিণাম ভোগ করবে…

   6) একবার দশজন রাজনীতিবিদকে বহনকারী একটি বিমান দূর গ্রামে বিধ্বস্ত হলো।
 খবর পেয়ে রাজধানী থেকে উদ্ধারকারী দল রওনা হলো। ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যা প্রায়।
 দেখা গেল, গ্রামবাসীরা ইতোমধ্যে দশজনকেই দাফন করে ফেলেছে। সারিবদ্ধ দশটি কবর।
 উদ্ধারকারী দলনেতা জানতে চাইলেন, সবাই কি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন?
 গ্রামবাসী : না, কবর দেওয়ার আগ পর্যন্ত দুইজন বলছিলেন যে, তারা মারা যাননি। কিন্তু আমরা সে কথায় কর্ণপাত করিনি।
 জানেনই তো রাজনীতিবিদদের সব কথা বিশ্বাস করতে নেই!

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes 

   7) দৌড়ে পোস্ট অফিসে ঢুকলেন পলাশ। হাঁপাতে হাঁপাতে পোস্টমাস্টারকে বললেন: স্যার, স্যার... আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না।
 সম্ভবত কিডন্যাপ্ড হয়েছে...
 পোস্টমাস্টার: আপনি ভুল করেছেন! এটা পোস্ট অফিস, পুলিশ স্টেশন না।
 লজ্জিত হাসি দিয়ে পলাশ: সরি, ভুল হয়ে গেছে! খুশির চোটে কী করি কই যাই- সব ওলট পালট হয়ে গেছে...

   8) মন্টুর বাপ : হুজুর, রোজা রেখে কি নিজের বউরে আই লাভ ইউ বলা যাবে?
 হুজুর: স্ত্রীকে মোহাব্বতে নিষেধ নাই। কিন্তু...
 মন্টুর বাপ: কিন্তু আবার কী, হুজুর!
 হুজুর: রোজা রেখে মিথ্যা বলাটা ঠিক হবে না, ভাই সাহেব!

   9) মন্টুর মা স্বপ্নে দেখলো তার মৃত্যু হয়েছে এবং স্বর্গবাস হয়েছে তার।
 একদিন স্বর্গের বাগানে ঘুরতে ঘুরতে এক দেয়ালের সামনে এসে তাজ্জব হয়ে গেল। দেওয়াল জুড়ে অনেক অনেক ঘড়ি, বিভিন্ন সাইজের তবে কোনো ঘড়িই খুব একটা ঘুরছে না। স্বর্গের এক প্রহরীকে ডেকে জিজ্ঞেস করলো এর কারণ।
 প্রহরী: এসব হচ্ছে মিথ্যা মাপার ঘড়ি। দুনিয়ার সব মানুষের নামের একটি করে ঘড়ি আছে বেহেস্ত আর দোজখ দুইখানেই। আমরা এখানে বেহেস্তবাসীদের মাঝে যারা সবচেয়ে কম মিথ্যুক তাদের ঘড়ি ডিসপ্লে করেছি। তাই দেখতে পাবেন অনেক ঘড়ির কাঁটা হিলছেই না। তেমনি নরকে গেলে দেখবেন এমন একটি দেয়াল আছে সেখানে দুনিয়ার সেরা মিথ্যুকদের ঘড়ি আছে।
 মন্টুর মা: এইখানকার বাকি ঘড়িগুলো কোথায়?
 প্রহরী: গুণমান অনুযায়ী এই কমপ্লেক্সের বিভিন্ন অফিসে, ওয়ার্কস্টেশনে রাখা আছে সেগুলো।
 মন্টুর মা: তাইলে বাপু, আমার মন্টুর বাপের ঘড়িটা কই- একটু দেখাইবা আমারে?
 প্রহরী: সেটাতো আমাদের অফিসে রাখা আছে, কেরানীর টেবিলে।
 মন্টুর মা: সেখানে কেন?
 প্রহরী: ওটাকে টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করছে বেচারা। ঘড়িটা এত জোরে ঘোরে যে বাতাস মন্দ বের হয় না...
 জবাব শুনে মন্টুর মা কিছুটা দুঃখিত আর বিব্রত হলেও এটা মনে করে খুশি হলো, যাক বাবা। এতদিনে ওর আসল আমলনামাটা জানা গেল!
 মন্টুর মা: আর আমার নামের ঘড়িটা!
 প্রহরী: ও...ও...ও! সেটার কথা বলছেন! সেটাতো আমাদের জেনারেটর রুমে রাখা হয়েছে। জেনারেটর রুম থেকে আমাদের সবগুলো রুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, লাইট জ্বলে, ফ্যান ঘোরে...
 মন্টুর মা: কেন কেন! আমার ঘড়ি জেনারেটর রুমে কেন?
 প্রহরী: কারণ, ওটা দিয়ে জেনারেটরটা ঘোড়ানো হয়... আর এর ফজিলতেই আপনাকে স্বর্গে স্থান দেওয়া হয়েছে, ম্যাম...

   10) শীর্ষ এক ব্যবসায়ীর সাক্ষাত্কার
 সাংবাদিক : রোজার মাসে সব পণ্যের দাম বাড়ান কেন?
 ব্যবসায়ী : আরে ভাই, বোঝেন না কেন? দাম বাড়লে মানুষ কেনাকাটা কম করবে। এতে সংযমটা পরিপূর্ণ হবে।


   11) টনি ব্লেয়ার একবার আমেরিকা সফরে গেলেন। হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট বুশ তাই ব্লেয়ারের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করলেন। ব্লেয়ার খাওয়ার সময় বুশের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করতে করতে বুশকে একটা ধাঁধা জিজ্ঞেস করলেন-
 ব্লেয়ার : আমার বাবা-মায়ের একটি সন্তান, কিন্তু সে আমার ভাইও না বোনও না: বলেন তো সে কে?বুশ : জানি না তো ভাই।
 ব্লেয়ার : ওটা হলো আমি।
 বুশ খুব মজা পেলেন। এরপর এক অনুষ্ঠানে বুশের সঙ্গে ক্লিনটনের দেখা হলে বুশ তাকে ধাঁধাটি জিজ্ঞেস করলেন।
 ক্লিনটন একটু চিন্তা করে জবাব দিলেন-
 ক্লিনটন : মিস্টার প্রেসিডেন্ট, ওটা হলেন আপনি।
 বুশ : হয়নি মিস্টার ক্লিনটন, এর উত্তর হলো টনি ব্লেয়ার!

   12) ছেড়া-ফাটা জিন্স ব্যবসায়ী ফজলু সকালবেলা থানায় হাজির-
 ডিউটি অফিসার : সকাল সকাল থানায় কেন আসছেন ভাই?
 ফজলু : আমার বউয়ের বিরুদ্ধে সেফারেশন কেস দেব। গত ৫ বছর ধরে বউয়ের সঙ্গে আমার কোনো কথা হয় না।
 ডিউটি অফিসার : বাচ্চা-কাচ্চা কয়টা?
 ফজলু : ২টা ছেলে! বড় ছেলে ৪ আর ছোটটা ২ বছর!
 ডিউটি অফিসার : কী বলেন! একটু আগেই বললেন, ৫ বছর ধরে কথা হয় না! তাইলে কিভাবে কি ভাই?
 ফজলু : কী যে বলেন স্যার! বাচ্চা হওয়ার জন্য কি কথা বলতে হয় নাকি!

   13) ট্যাক্সি ড্রাইভারের গাড়ি চালানো দেখে মুগ্ধ হয়ে শিমুল বলল-
 শিমুল : বাহ! তুমি তো বেশ ভালো গাড়ি চালাতে পার। গাড়ি চালাতে কী তোমার খুব ভালো লাগে?
 ড্রাইভার : হ্যাঁ, লাগে। সবচেয়ে বড় কথা, কখন কী করতে হবে, সেই হুকুম দেওয়ার মতো মাথার উপর বস থাকে না।
 শিমুল : এবার ডানদিকে থামো।


   14) প্রেমিকার বাড়ির সামনে প্রেমিকাকে ড্রপ করার সময় সামনে পড়ল প্রেমিকার বাবা। বাবা জিজ্ঞেস করলেন-
 বাবা : ছেলেটা কে?
 প্রেমিকা : আব্বা, উনি পাঠাওয়ের ড্রাইভার।
 বাবা : ভাড়া কত হইছে?
 মেয়ে : একশ টাকা।
 বাবা : এই নাও, দিয়ে বিদায় করো।
 ছেলে : ধন্যবাদ, ফুচকার দোকানে খরচ হওয়া একশ টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য।

   15) ট্রেনে এক টি টি এক সাধু কে বলল.....
 টি টি : কোথায় যাবেন?
 সাধু : যেখানে রাম জন্মেছিল :
 টি টি : টিকিট আছে?
 সাধু : না।
 টি টি : তাহলে চলুন ..
 সাধু : কোথায়?
 টি টি : যেখানে কৃষ্ণ জন্মেছিল

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes 

   16) বাস কন্ডাক্টর: লেডিস সিটে বসেছো কেন আঙ্কেল? তোমরা তরুণরা যদি এমন করো...
 মন্টু: ফেসবুকে লিজা নামের যে মেয়ের সঙ্গে রসালো চ্যাট করছো গত একমাস ধরে- সেটা কিন্তু মামা আমি। তোমরা মুরুব্বিরা যদি এই বয়সে এমন করো...
 এই শক সামলাতে পারলো না কন্টাডক্টর- মাথা ঘুরে পড়ে গেল.

   17) বল্টুর মামা: কিরে! তোর রেজাল্টের খবর কী? এ প্লাস পেয়েছিস?
 বল্টু: না মামা! এ প্লাস পাইনি।
 বল্টুর মামা: তো এ মাইনাস?
 বল্টু : না মামা, আমিতো ফেল করেছি।
 বল্টুর মামা: আর এই কথা তুমি এমন হেসে হেসে খুশি হয়ে বলছিস? মানে কী?
 বল্টু: পাশের বাসায় নুসরাতও ফেল করেছে তাই।
 বল্টুর মামা: মানে কী? ঐ মেয়ের ফেলের সাথে তোর পাশ- ফেলের কী সম্পর্ক!
 বল্টু: আছেতো! ওর বাবা বলেছিল যে, ও ফেল করলে ওকে রিকাসাওয়ালার সাথে বিয়ে দিবে।
 বল্টুর মামা: আরে! ঐ রিকসাওয়ালার সাথে তোর কী সর্ম্পক!
 বল্টু: (লাজুক ভাব) আর আমার বাবা বলেছিল যে, ফেল করলে আমাকে রিকসা কিনে দিবে। আমাকে রিকসা চালাতে হবে, তাই।

   18) ডান্স পার্টি হচ্ছে। এক স্মার্ট যুবক তার চেয়েও লম্বা সুন্দরী এক তরুণীকে তার সাথে নাচার আমন্ত্রণ জানালো।
 মেয়ে : ধন্যবাদ। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে আমি নাচি না।
 ছেলে : সরি! মিস, আপনার যে বাচ্চা হবে তা আমি জানতাম না।

   19) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক ব্রিগেডিয়ার ম্যানহোলে পড়ে গেলেন। কিন্তু সাত দিনেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না।পরে এক সাংবাদিক তাকে টেনে তুললো।
 সাংবাদিক: আপনি সাত দিন যাবত কুয়োয় পড়ে ছিলেন! কেউ টেনে তুললো না! কেন?
 ব্রিগেডিয়ার: আমার ব্রিগেডের অধীনস্থ অফিসার ও সৈনিকরা অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু দড়ি দিয়ে টেনে যখন আমাকে প্রায় তুলে ফেলে, তখনই ওদের চোখ পড়ে যায় আমার ব্যাজের ওপর, সাথে সাথে ওরা দড়ি ছেড়ে দিয়ে আমাকে স্যালুট দেয়, আমি আবার কুয়োর মধ্যে পড়ে যাই।
 সাংবাদিক: তারপর?
 ব্রিগেডিয়ার: এভাবে দিন চারেক চললো। আমাকে কেউ তুলতে পারে না। পাড়ে উঠতেই স্যালুট এবং দড়ি ছেড়ে দেওয়া, তারপর ঝপাৎ! ঘটনা জানার পর আমাকে উদ্ধারে স্বয়ং তিন বাহিনীর প্রধানরা চলে আসলেন। তারা পরিস্থিতি দেখে ব্যাপক আলোড়িত হলেন এবং সবাইকে সরিয়ে দিয়ে তিন স্যার মিলে দড়ি টেনে আমাকে তোলা শুরু করলেন। আমি প্রায়ই উঠে গিয়েছিলাম... সাংবাদিক: ফের উঠেই গিয়েছিলেন! এর মানে কি? এবার কী হলো?
 ব্রিগেডিয়ার: আমি যখন কুয়োর পাড়ে উঠে গেছি প্রায়, তখন দেখলাম তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ তিন বস একসঙ্গে আমার সামনে দাঁড়িয়ে। বোঝেন অবস্থা! জীবনে এমন ঘটনা কমই ঘটেছে। এবার আমিই দড়ি ছেড়ে দিয়ে স্যালুট দিলাম। ব্যস, ফের ঝপাৎ... শেষে খবর দেওয়া হলো আপনাকে। সাংবাদিক তো আর আর্মিকে স্যালুট দেয় না। আর আর্মিও সাংবাদিককে দেয় না... তাই...

   20) ১ম ব্যক্তি : ভাই, এই রাস্তাটা কোথায় গেছে?
 ২য় ব্যক্তি : কেন! কোথাও যায়নি তো!
 ১ম ব্যক্তি : কেন মজা করছেন ভাই?
 ২য় ব্যক্তি : মজা কেন করবো? বিশ বছর ধরে দেখছি, রাস্তাটা এখানেই আছে।

   21) শাশুড়ি তার তিন জামাইয়ের ভালোবাসা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিলো-
 প্রথম দিন : শাশুড়ি পুকুরে ঝাপ দিলো। প্রথম জামাই বাঁচানোর জন্য পুকুরে লাফ দিলো। শাশুড়ি খুশি হয়ে তাকে একটি গাড়ি দিলো।
 দ্বিতীয় দিন : শাশুড়ি আবার পুকুরে ঝাপ দিলো। দ্বিতীয় জামাইও তাকে বাঁচালো। শাশুড়ি তাকেও একটি বাইক গিফট করলো।
 তৃতীয় দিন : শাশুড়ি আবার পুকুরে ঝাপ দিলো। তিন নম্বর জামাই মনে করলো, আমার ভাগ্যে তো সাইকেল ছাড়া কিছু নেই। তাই সে আর ঝাপ দিলো না। ফলে শাশুড়ি মারা গেল!
 পরদিন তৃতীয় জামাই একটা বিএমডব্লিউ পেল। কারণ শ্বশুর খুশি হয়ে তাকে এটা উপহার দিয়েছে।

   22) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বল্টুর গর্ভবতী স্ত্রীকে-
 নার্স : অভিনন্দন, আপনার ঘর আলোকিত করে ছেলে এসেছে।
 বল্টু : আরি বাবা! কী টেকনোলজির যুগ।
 নার্স : এ কথা বলছেন কেন?
 বল্টু : আমার বিবি হাসপাতালে আর ছেলে ঘরেই হলো।

   23) নিজের ভাগ্য জানতে মেরিনা গেল জ্যোতিষীর আস্তানায়-
 মেরিনা : কদিন হলো ডানহাতটা খুব চুলকাচ্ছে। কিসের লক্ষণ বলুন তো?
 জ্যোতিষী : হুম! কোটিপতির সাথে তোর বিয়ে হবে।
 মেরিনা : বামহাতের তালুও চুলকায়।
 জ্যোতিষী : বলিস কী? তোর তো বিদেশযাত্রা শুভ!
 মেরিনা : আমার ডান পা-টাও কিন্তু একটু একটু চুলকাচ্ছে।
 জ্যোতিষী : দূর হ বেটি, তোর চুলকানি আছে। জলদি ডাক্তার দেখা।

   24) ছোট্ট পিল্টু খুব বুদ্ধিমান, নারীদের সম্মান করতে পিছপা হয় না।
 একদিন বাসে এক মহিলা দাঁড়িয়ে ছিল! তো পিল্টু বলে উঠল-
 পিল্টু : আন্টি আমি উঠে যাই, আপনি আমার জায়গায় বসে যান।
 এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে মহিলা বল্টুকে ধমক দিয়ে এক চড় দিলো! পিল্টু বলল-
 পিল্টু : আন্টি, চড় মারলেন কেন?
 মহিলা : আমি কি তোর বাবার কোলে বসবো?

   25) একদল ডাকাত ব্যাংক ডাকাতি করা শেষে তারা দেখলো তাদের একজনের কালো মুখোশ খুলে গিয়েছে।তাদের ধারণা হলো তাদেরকে লোকে চিনে ফেলেছে। এই ডাকাতির সময় সেখানে ছিল পল্টু আর বল্টু।
 ডাকাতদের একজন খপ করে একজন ধরে বলল. . .
 ডাকাত : এই, তুই আমাদের ডাকাতি করতে দেখছিস?
 লোকটি : হা, আমি তোমাদের ডাকাতি করতে দেখছি।
 এ কথা শুনে ডাকাতদল দিল তাকে গুলি করে।
 ডাকাতদের আরেকজন ধরলো ব্যাংকের গার্ডকে. . .
 ডাকাত : এই, তুই কী আমাদের ডাকাতি করতে দেখছিস?
 গার্ড : দেখবো না মানে! আমার বন্দুক কেড়ে নিয়ে তোমরাই আমাকে আহত করে এই ডাকাতি করছো।
 এ কথা শুনে ডাকাতদল দিল গার্ডকেও গুলি করে।
 এবার বল্টুকে ধরলো ডাকাত
 ডাকাত : এই, তুই কিছু দেখছোস?
 বল্টু : (কিছুক্ষণ চিন্তা করে) না ভাই, আমি কিছু দেখি নাই। তবে...
 ডাকাত : তবে কী?
 বল্টু : আমার বউ দেখেছে!

   26) এক লোক স্টেশন মাস্টারকে বলছেন-
 লোক : ভাই, সিলেটের ট্রেনটা কখন ছাড়বে?
 মাস্টার : সাড়ে আটটায়।
 লোক : আর চট্টগ্রামেরটা?
 মাস্টার : এগারোটায়।
 লোক : তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেনটা যাবে কখন?
 মাস্টার : আরে, এতো ট্রেনের খবর নিচ্ছেন, আপনি যাবেন কোথায়?
 লোক : না, মানে আমি রেললাইনটা পার হয়ে ওপাশের প্ল্যাটফর্মে যাবো তো।

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes 

   27) মন্টুর ১০ লাখ টাকা হারিয়ে গেছে। তাই সে বিছানায় চিৎপটাং।
 মন্টু তখন ছেলেকে বলছে-
 মন্টু : আমাকে এক গ্লাস পানি দে ভাই।
 স্ত্রী : এসব তুমি কী বলছো? তোমার ছেলেকে তুমি ভাই বলছো।
 মন্টু : এত টাকা হারিয়ে গেলে এমনই হয় মা!
 মেয়ে : বাবা, তোমার মাথা ঠিক আছে তো। তুমি এসব কী বলছো?
 মন্টু : তুমি কে বোন?

   28) দুই ফকিরের কথোপকথন. . .
 ১ম ফকির : আইজকা মতিঝিলে একখান একশ টাকার নোট কুড়ায়ে পাইছিলাম!
 ২য় ফকির : কস কি? তোর তো দেখি বিরাট ভাইগ্য!
 ১ম ফকির : আরে না, নোট খান জাল আছিলো। তাই ফালাইয়া দিছি!
 ২য় ফকির : জাল আছিলো ক্যামনে বুঝলি?
 ১ম ফকির : তুই কোনোদিন একশ টাকার নোটে একের পর তিনটা শূন্য দেখছোস?

   29) পল্টুর মামা আমেরিকা যাওয়ার সময় পল্টুকে জিজ্ঞাসা করলো. . .
 মামা : ভাগ্নে, আমেরিকা থেকে তোর জন্য কী আনবো?
 পল্টু : একমুঠো মাটি।
 মামা : কী? সবাই মামার কাছে মোবাইল, ঘড়ি, ল্যাপটপ চায়। আর তুই চাস মাটি?
 পল্টু : হুম, আমার জন্য মাটিই আনবে। আমি অন্য কিছু চাই না।
 মামা : কেন?
 পল্টু : কারণ তোমার দেওয়া একমুঠো মাটিতে পা রেখে বলবো, আমিও একদিন আমেরিকার মাটিতে পা রেখেছিলাম।

   30) মাঝবয়সী কড়া মেজাজের মহিলা-
 মহিলা : এই যে খোকা, তোমার মা কি জানেন যে, তুমি সিগারেট টানো?
 খোকা : আচ্ছা ম্যাডাম, আপনার স্বামী কি জানেন যে আপনি রাস্তাঘাটে অচেনা লোকদের সঙ্গে কথা বলেন?

   31) লালু বিদেশ থেকে ফেরত এসেছে. . .
 চাচা : লালু, বিদেশে অনেক দিন থাকলা। ইংরেজি তো জানো মনে হয়?
 লালু : তা তো অবশ্যই!
 চাচা : তাহলে বল তো, আমি তোমাকে চিনি ইংরেজি কী?
 লালু : এটা তো সহজ, আই সুগার ইউ!
 চাচা : বাহ্ ভালো! এবার বল তো, ভালোবাসা ইংরেজি কী?
 লালু : ভাব নিয়ে! গুড হাউজ!

   32) ১৯৭২ সালের ঘটনা। সদ্য স্বাধীন দেশ, পাকমোটর নামের জায়গাটা বাংলামোটর নাম হয়েছে। পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকার নাম হয়েছে বাংলাদেশ অবজারভার। এমন আরও অনেক পরিবর্তন এসেছে। আসাটাই স্বাভাবিক।কিন্তু অনেক দিনের অভ্যাস আর এক রাজাকার পরিবর্তিত নাম বলতে চাইলনা।
 তিনি রিকশাওয়ালাকে ডেকে বললেন, এই রিকশা, পাকমোটর যাবা?
 রিকশাওয়ালা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি খেপে গেলেন। লোকটির ঠিক পেট বরাবর কষে একটা লাথি দিয়ে রিকসাওয়ালা বললেন, এখনও পাকমোটর কস, এত্ত সাহস তর! তুইতো দেহি রাজাকার! পাক নামের যা পাবি সব বাদ দিয়া বাংলা লাগাবি প্রচণ্ড ব্যথায় অস্থির হয়ে লোকটি গেলেন ডাক্তারের কাছে।
 ডাক্তারকে জানালেন- ডাক্তার সাহেব, কিছু একটা করেন, আমার বাংলাস্থলীতে প্রচণ্ড ব্যথা!

   33) এক অশিক্ষিত লোক তার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে শহরের ডাক্তারের কাছে-
 লোক : আমার বউ কি গর্ভবতী?
 ডাক্তার : আগে চেকআপ করতে হবে।
 চেকআপ করার পর-
 লোক : কী হয়েছে বলুন!
 ডাক্তার : আপনার বউ গর্ভবতী নয়। পেটে হালকা গ্যাস হয়েছে।
 লোক : আপনি ফাইজলামি করেন! আমি কি পাম্পার নাকি যে, আমার বউয়ের পেটে গ্যাস হবে!

   34) সমুদ্রে গোসল করতে নেমে ঢেউয়ের সময় একটি ছেলে তার প্যান্ট হারিয়ে ফেলল। উঠে আসতে লজ্জা লাগলেও কিছু হয়নি এমন ভাব করে লজ্জাস্থানে দুহাতে ঢেকে উঠে এলো। একটি মেয়ে সেটা দেখতে পেয়ে বলল.
 মেয়ে : আসল পুরুষ হলে হাত তুলেই হাঁটেন।
 ছেলে : আপনি আসল নারী হলে হাত এমনিতেই সরে যেত।

   35) একটি ভাঙাচোড়া গাড়ির নিলাম হচ্ছে. . .
 ১০ লাখ!
 ২০ লাখ!
 ৩০ লাখ!
 এক লোক গাড়ির অবস্থা দেখে আয়োজককে বলল. . .
 লোক : ভাই এই ভাঙা গাড়ির এত দাম কেন?
 আয়োজক : এই গাড়ির একটি বিশেষত্ব আছে। এ পর্যন্ত গাড়িটা প্রায় পঞ্চাশ বার অ্যাক্সিডেন্ট করেছে।
 লোক : তাতে দাম বাড়ার কী আছে?
 আয়োজক : আসল কথা হচ্ছে- প্রতিবারই শুধু মালিকের বউ মারা গেছে। স্বামী কোনোদিন মরে নাই।

   36) এক মার্কিন নাগরিক হোয়াইট হাইসে ফোন করেছে।
 অপারেটর : ইয়েস, হোয়াইট হাউস থেকে বলছি। বলুন কি বলতে চান, প্লিজ...
 নাগরিক : আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে চাই!
 অপারেটর : তুমি কি একটা উজবুক নাকি?
 নাগরিক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য এমন হওয়া কি বাধ্যতামূলক?

   37) বাজারে ডিম কিনতে গেলেন ছয় ফুটের বেশি লম্বা লোক।
 বাজারের এক কোনায় ঝুড়ি নিয়ে বসেছেন ডিমওয়ালা।
 ভদ্রলোক ডিমওয়ালার সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ডিমের হালি কত টাকা?
 ডিমওয়ালা: জ্বি, হালি ৩০ টাকা।
 ভদ্রলোক : বলো কী! এত ছোটছোট ডিম ৩০ টাকা! একটু বেশি হয়ে যাচ্ছেনা?
 ডিমওয়ালা এবার ভাল করে ভদ্রলোকের চেহারা দিকে তাকালেন।
 এরপর বললেন:স্যার, অত উঁচু থেকে দেখলে তো ছোটই মনে হইব। একটু বইসা দেখেন।

   38) ম্যানেজার : তুমি নাকি আলমারির চাবি আবারও হারিয়েছ?
 কেরানি : জ্বি স্যার।
 ম্যানেজার : আগে একটা হারিয়েছিলে। তাই এবার তালার সঙ্গে দুটো চাবিই তোমাকে দিয়েছিলাম।
 কেরানি : দুটো-ই হারাইনি স্যার! একটা হারিয়েছি।
 ম্যানেজার : তাহলে অন্যটা কোথায়?
 কেরানি : হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে আগে থেকেই সাবধান ছিলাম। তাই ওটা আলমারির মধ্যেই সংরক্ষণ করে রেখেছিলাম।

   39) ক্লাসে এক মেয়ে বলছে-
 মেয়ে : বল তো, কারা বেশি রাগ করে? ছেলেরা না মেয়েরা?
 ছেলে : অবশ্যই মেয়েরা।
 মেয়ে : কীভাবে?
 ছেলে : আমি যদি তোকে একটা চুমু দেই, তাহলে তুই রাগ করবি কিন্তু তুই আমাকে চুমু দিয়ে দেখ, আমি কখনোই রাগ করব না!

   40) খাবার খেতে খেতে বয়স নিয়ে দাদু ও নাতির মধ্যে কথা হচ্ছে—
 নাতিঃ আচ্ছা দাদু তোমার বয়স কত?
 দাদুঃ কুড়ি বছর।
 নাতিঃ তোমার চুল পেকে গেছে, নাতি নাতনি আছে, তবু তুমি বলছ তোমার কুড়ি বছর! কি বলছ দাদু?
 দাদুঃ আমি যে কুড়ির বেশি গুনতে পারি না। তাই আমার বয়স কুড়ি বছর।
 দাদুঃ আচ্ছা, আমার বয়স না হয় গেল। তোমার বয়স এখন কত ভাই?
 নাতিঃ সাত বছর।
 দাদুঃ সাত? সে তো গত তিন বছর ধরেই বলছ?
 নাতিঃ ঠিকই শুনেছো, দাদু। আমি অন্যের মতো আজ একরকম কাল অন্যরকম কথা বলি না।
 দাদুঃ ও, তাহলে বলতে পারো? তোর বাবার বয়স এখন কত হলো?
 নাতিঃ কেন, দশ বছর।
 দাদুঃ তা কি করে হয়? তোর বয়সই তো দশ বছর হয়েছে।
 নাতিঃ সে জন্যই তো বলছি। আমার জম্মের পরই তো তিনি বাবা হয়েছেন। তাইনা?

   41) বল্টুঃ দাদু ঘুম আসছে না। একটু টিভি দেখবো?
 দাদুঃ টিভি থাক দাদুভাই। তুমি আমার সাথে গল্প কর।
 বল্টুঃ না, টিভি দেখবো।
 দাদুঃ (একটু রাগান্বিত স্বরে) টিভি পরে দেখো।আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা নেই তোমার?
 বল্টুঃ ওকে। আচ্ছা দাদু আমাদের পরিবার কী সারা জীবন সাতজনেরই থেকে যাবে?
 দাদুঃ মানে?
 বল্টুঃ এইযে, তুমি, দাদি, বাবা, মা, বোন, আমি আর আমাদের বিড়াল ছানা ক্যাটি।
 দাদুঃ এবার আমরা একটা কুকুর কিনবো তখন আমরা আটজন হয়ে যাবো।
 বল্টুঃ কুকুরটা তো বিড়াল ছানাটাকে মেরে ফেলবে তখন আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
 দাদুঃ তুমি বিয়ে করে নতুন বউ আনবে তখন আমরা আবার আটজন হয়ে যাবো।
 বল্টুঃ কিন্তু বোন বিয়ে করে চলে গেলে আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
 দাদুঃ তোমার ছেলে-মেয়ে হলে আমরা আবার আটজন-নয়জন হয়ে যাবো।
 বল্টুঃ কিন্তু তুমি আর দাদি মারা গেলে আমরা আবার সাতজন হয়ে যাবো।
 দাদুঃ হারামজাদা! তুই যা গিয়ে টিভিই দেখ।

   42) বিয়ের কয়েক বছর পর শ্বশুর বল্টুকে ধরলো. . .
 শ্বশুর : এ কি জামাই, বিয়ের ৬ বছরে আমার মেয়ের ৬টি বাচ্চা হয়ে গেল?
 বল্টু : আব্বা, আমি তো আপনাকে কথা দিয়েছিলাম।
 শ্বশুর : কী কথা দিয়েছিলে?
 বল্টু : আমি যত গরিবই হই না কেন, আপনার মেয়ের পেট কখনো খালি রাখবো না!

   43) একবার ক্লাসে পরীক্ষা চলছে। যে শিক্ষক হল পরিদর্শনে আছেন, পুরো হলে চক্কর দিচ্ছেন। ছাত্ররা বিন্দুমাত্র সুযোগ পাচ্ছে না দেখাদেখি বা কথা বলার।
 ঠিক এ সময় একছাত্র শিক্ষককে একটি চিরকুট ধরিয়ে দিলো। সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক তার চেয়ারে গিয়ে চুপচাপ বসে পড়লেন!
 এই দেখে একছাত্র ওই ছাত্রকে বলল-
 ছাত্র : এই কী ছিল রে চিরকুটে? স্যার যে বসে পড়লেন।
 অপর ছাত্র : লেখা ছিল, স্যার, আপনার প্যান্ট পেছন থেকে ফাটা।

   44) বল্টু তার বউকে নিয়ে কফিশপে গেছে-
 বল্টু : কফিটা তাড়াতাড়ি শেষ করো, ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।
 বউ : হোক, সমস্যা কী?
 বল্টু : আরে বোকা! মূল্যতালিকা দেখনি? হট কফি- ২০ টাকা, কোল্ড কফি- ৫০ টাকা। ঠান্ডা হয়ে গেলে অযথা ৩০ টাকা বেশি দিতে হবে! জলদি খেয়ে নাওতো!
 কফিশপ থেকে বের হয়েই বল্টুর চোখে পড়লো রাস্তার ওপারের রেস্তোরাঁয় গরম গরম জিলাপি বানানো হচ্ছে। বল্টুর বউ বায়না ধরলো: এবার জিলাপি খাব।
 জিলাপি খেতে খেতে বল্টু জিলাপিওয়ালাকে জিজ্ঞাসা করলো-
 বল্টু: আচ্ছা ভাই আপনি কত বছর ধরে জিলাপি বানান?
 জিলাপিওয়ালা : আমি তো দীর্ঘ ১২ বছর ধরে জিলাপি বানাই, ভাই।
 বল্টু বড় আফসোস করে বললো: এতদিন ধরে জিলাপি বানাচ্ছেন! কিন্তু আজ পর্যন্ত জিলাপিটা সোজা করে বানানো শিখলেন না

   45) হ্যালো! এটা কি কাস্টমার কেয়ার?
 - হ্যাঁ ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
 - বলছি আমার ছেলেটা আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে।
 - দেখুন, আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন?
 - না আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টক টাইম আছে।
 - তাতে কি?
 - যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো!
 - কাস্টমার কেয়ারের এক্সিকিউটিভ অজ্ঞান!

   46) বল্টু পরীক্ষায় ফেল করল। একেবারে ডাবল জিরো পেল। কিন্তু বল্টু হতাশ। তার কাছে মনে হচ্ছে সবগুলো উত্তর ঠিক
 দিয়েছে সে। বল্টু তার রেজাল্ট নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়লো। ছেলের আত্মবিশ্বাস দেখে বল্টুর বাবা গেলেন স্কুলে।
 বল্টুর বাবা: দেখি কী লিখেছে আমার ছেলে! যে কিছুই হলোনা।
 শিক্ষক: এই নিন। নিজ চোখে আপনার পণ্ডিত ছেলের খাতা দেখে নিন।
 # খাতায় প্রশ্ন ও বল্টুর জবাব।
 ১. বরকত কোন আন্দলনে শহীদ হন ?
 বল্টুর উত্তর: তার জীবনের শেষ আন্দোলনে।
 ২. কাজী নজরুল ইসলামকে কোথায় দাফন করা হয় ?
 বল্টুর উত্তর: কবরস্থানে।
 ৩. স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন শহীদ হন ?
 বল্টুর উত্তর: পাকিস্তানি বাহিনী যত জনকে হত্যা করেছে।
 ৪. শহীদ মিনার কোথায় অবস্থিত ?
 বল্টুর উত্তর: যেখানে নির্মান করা হয়েছে সেখান।
 ৫. পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী লোক কে ?
 বল্টুর উত্তর: যার কাছে সবচেয়ে বেশী সম্পত্তি আছে সে।
 বল্টুর বাবা বাসায় এসে বল্টুকে কষে একখান চড় মারলো! বল্টু আবারো হতাশ।
 বাবাকে জিজ্ঞেস করলো: আপনি হলে আমাকে কত নাম্বার দিতেন?

   47) এক ছোকড়া এক মেয়ের বাবার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন-
 ছোকড়া: স্যার, প্রেম জিনিসটা কেমন?
 মেয়ের বাবা: প্রেম হলো স্বর্গীয় জিনিস, এর স্বাদ যে জীবনে পায়নি তাকে ঘৃণা করি।
 ছোকড়া: আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি।

   48) বল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল : স্যার আঙ্গুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
 অফিসার : না।
 বল্টু : তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
 অফিসার : না
 বল্টু : তা-হলে স্যার কত দিন পরে উঠবে?
 অফিসার : (বিরক্ত) এক বছর পর যাবে।
 বল্টু : তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
 অফিসার : কেন?
 বল্টু : চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাই গুলো এক সপ্তাহের বেশি থাকে না।
 পোলিং অফিসার অজ্ঞান।

বাংলা সেরা হাসির কৌতুক ফানি এসএমএস bangla funny sms jokes 

  

Saturday, September 14, 2019

সেরা কিছু কৌতুক -বাংলা ফানি জোকস - best Bangla funny joks

সেরা কিছু কৌতুক -বাংলা ফানি জোকস - best Bangla funny joks  


মোরগ : এই শোনো!
মুরগি : আমাকে বলছেন?
মোরগ : হ্যাঁ, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। তোমার জন্য আমি সবকিছু করতে পারি।
মুরগি : সত্যি! তুমি আমার জন্য সবকিছু করতে পার? তাহলে কষ্ট করে একটা ডিম পেড়ে দেখাও না!

স্বামী-স্ত্রী শুয়ে আছে। ফোন বাজছে। বেজেই চলেছে।একপর্যায়ে স্ত্রী উঠে ফোন ধরতে গেলেন।
স্বামী টের পেয়ে বললেন: আমাকে চাইলে বলবে আমি বাসায় নাই।
স্ত্রী ফোন ধরে বললো: ও এখন বাসায়...
স্বামী ক্রুদ্ধ ভঙ্গিতে বিছানায় উঠে বসে: তোমাক কী বলতে বললাম আর তুমি কী বললা!
স্ত্রী: ওটা আমার কল ছিল...

জজ: স্বামীর মাথায় চেয়ার দিয়ে আঘাত করেছেন আপনি, কেন?
অভিযুক্ত নারী: কারণ, টেবিলটা ওঠাতে পারছিলাম না, হুজুর। অনেক ওজন ছিল ওটার… তাই চেয়ার দিয়েই...


ফুটপাতে এক বেকারকে শুয়ে থাকতে দেখে এক লোক বলল-

লোক: ওই ব্যাটা, আরামে ঘুমায় আছোস, কাম করতে পারোছ না?
বেকার: কাম কইরা কী করমু?
লোক: কাম করলে টাকা কামাইতে পারবি।
বেকার: টাকা কামাইয়া কী করমু?
লোক: টাকা কামাইলে বাড়ি-গাড়ি হইবো।
বেকার: বাড়ি-গাড়ি দিয়া কী করমু?
লোক: আরামে ঘুমাইতে পারবি।
বেকার: তো আমি এতক্ষণ কী করতাছিলাম?



বাংলা ক্লাসের ম্যাডাম ক্লাসে এসে সবাইকে বললো :কপাল –শব্দ দিয়ে একটা বাক্য রচনা করতে..
বল্টু তার খাতায় লিখলো :কপাল আমার ভিজে গেলো চোখেরই জলে
এই লেখা দেখে ম্যাডাম বল্টুকে একটা জোড়ে থাপ্পর দিলো এবংজিঙ্গেস করলো..
ম্যাডাম : গাঁধা ,চোখের জলে কি কখনো কপাল ভিজে ?
বল্টু : ম্যাডাম পরের লাইনটা হলো :পা দুটি বাধা ছিলোগাছের ঐ ডালে !!
ম্যাডাম : বেহুশ !!


বিয়ে মানে ম্যারিজ-এর সৃষ্টি তিনটি আংটি অর্থাৎ রিং-এর বন্ধনে।
এর প্রথমটা হচ্ছে এনগেজমেন্ট রিং,
দ্বিতীয়টি ওয়েডিং রিং আর
তৃতীয়টি হচ্ছে সাফারিং!

হাশেম আলীর শখ হয়েছে নির্বাচনে দাঁড়াবেন।তারপর তিনি যথারীতি দাঁড়িয়েও গেলেন। ভোট গণনা শেষে দেখা গেল যে,হাশেম আলী ভোট পেয়েছেন মোট তিনটি। ঝাঁটা হাতে ছুটে এলেন তাঁর স্ত্রী। রাগে গজগজ করতে করতে বললেন, মিনসের ঘরে মিনসে, তোমার নিশ্চয় অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে লটরপটর আছে! নইলে ৩ নম্বর ভোটটা দিল কে?



দাদা :তার নাতীকে বলছে, যা পালা তাড়াতাড়ি ।তুই আজকে স্কুলে যাস নাই তাই তোর টিচার বাড়িতে আসছে।
নাতী :আমি পালাবো না, তুমি বরং পালাও কারণ আমি স্যারকে বলেছি আমার দাদা মারা গেছে তাই স্কুলে যাইনি।


রোগী ও ডাক্তারের মধ্যে কথপোকথন-

রোগী: ডাক্তার সাব! বেশি দিন বাঁচোনের কোনো উপায় আছে কি?
ডাক্তার: যান বিয়ে করে ফেলুন।
রোগী: ক্যান? বিয়া করলে কি বেশি দিন বাঁচন যায়?
ডাক্তার: তা বলতে পারব না। তবে এটা বলতে পারি যে আপনি বিয়ে করার পর আর বেশি দিন বাঁচার চেষ্টাই করবেন না।

শিক্ষক : বল তো ল্যাবদা শিক্ষকের স্থান কোথায়?
ল্যাবদা : কেন স্যার আমার পিছনে।
শিক্ষক : শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শিখিসনি হতচ্ছাড়া? তোর কিচ্ছু হবে না।
ল্যাবদা : কেন স্যার বাবাই তো বলেন, তোর পিছনে এত মাস্টার লাগালাম তবু তুই পাশ করতে পারলিনা।


স্বামী : আমার স্ত্রী আয়নায় নিজেকে ভালকরে দেখে মুখ ভেটকে বলল,‘’আমাকে কি বাজে দেখতে হয়ে গিয়েছে।বুড়ি বুড়ি দেখতে, মোটা, কুৎসিত লাগছে।আমাকে অনুপ্রেরণা দিতে এখনি একটু প্রশংসা কর।‘’

স্বামী : তোমার দৃষ্টিশক্তি কিন্তু এখনও পারফেক্ট গিন্নি।ব্যস ঝগড়া শুরু।


মিলিটারী একাডেমীতে ট্রেনিং চলছে ...

OFFICER , ক্যাডেট পল্টুকে কে জিজ্ঞেস করল : ‘’তোমার হাতে এটা কি ?
পল্টু : ‘’Sir, এটা বন্দুক ...!’’
OFFICER : ‘’না ! এটা বন্দুক না ! এটা তোমার ইজ্জত , তোমার গর্ব , তোমার মা হয় মা !,
তারপর Officer দ্বিতীয় ক্যাডেট বল্টুকে জিজ্ঞেস করল : ‘’তোমার হাতে এটা কি ?’’
বল্টু : ‘’Sir, এটা পল্টুর মা , ওর ইজ্জত , ওর গর্ব !আমাদের আন্টি হয় আন্টি !’’

বল্টু আর তার স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়ার পর-
বল্টুর স্ত্রী : এবার কিন্তু আমি তোমাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হবো!
বল্টু : এই নাও চকোলেট খাও।
বল্টুর স্ত্রী : থাক থাক, আর রাগ ভাঙাতে হবে না।
বল্টু: না রে পাগলি, শুভ কাজের আগে একটু মিষ্টি মুখ করতে হয়!

একজন স্ত্রী তার স্বামীকে তার (স্ত্রী) সম্পর্কে বর্ননা করতে বলেছে…

স্বামী বর্ণনা করছে, “তুমি হচ্ছো A,B,C,D,E,F,G,H,I,J,K”
স্ত্রী জানতে চাইলো, “এর মানে কি?”
স্বামীঃ Adorable, Beautiful, Cute, Delightful, Elegant,Foxy, Gorgeous, Hot”
স্ত্রীঃ ওহ, কী যে সুন্দর! মন ভরে গেলো। ওগো,
বাকী তিনটা I,J,K-তে কী হয় গো?
স্বামীঃ I’m Just Kidding!!!



ছেলেপক্ষ গেছে মেয়ে পক্ষের বাড়িতে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে ছেলে-মেয়েকে একান্তে কথা বলার সুযোগ দেয়া হলো-

মেয়ে: তো, কী সিদ্ধান্ত নিলেন?
ছেলে: সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আমার একটা ইচ্ছা আছে।
মেয়ে: কী ইচ্ছা?
ছেলে: আপনার সঙ্গে একবার বৃষ্টিতে ভিজবো।
মেয়ে: উফফ! আপনি কি রোমান্টিক।
ছেলে: ইয়ে, আসলে ব্যাপার সেটা না। ব্যাপার হলো... আপনি যেই পরিমাণ মেক-আপ করেছেন, বৃষ্টিতে না ভিজলে আপনার আসল চেহারা দেখা যাবে না।


শরিফ আর সাকিব দুই বন্ধু। তাদের মধ্যে কথা হচ্ছে-

সাকিব : আচ্ছা, বল তো, তোকে যদি পুনর্জন্ম নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তুই কী হয়ে জন্ম নিবি?
শরিফ : তেলাপোকা।
সাকিব : কেন?
শরিফ : কারণ আমার স্ত্রী ওই একটা জিনিসই ভয় পায়!


বল্টু : স্যার, এবার আমার বেতনটা একটু বাড়িয়ে দিলে ভালো হতো।
স্যার : কেন?
বল্টু : গত সপ্তাহে বিয়ে করেছি। তাই আগের বেতনে দু’জনের চলাটা বেশ কষ্ট হবে স্যার।
স্যার : শুনুন, অফিসের বাইরের কোনো দুর্ঘটনার জন্য অফিস কোনোভাবেই দায়ী নয়। আর তার জন্য জরিমানা দিতেও অফিস রাজি নয়।


স্যার : কিরে মন খারাপ কেন?
রফিক : স্যার কই নাতো।
স্যার : আরে লজ্জা পাওয়ার কি আছে, বন্ধু ভেবে বলে ফেল।
রফিক : আর বলিস না দোস্ত। তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মতো ভালোবাসে না।

দুই মাতাল বন্ধু রাতে মদ খেয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আরেক জনকে বলছে-

১ম মাতাল : দেখ তো আকাশে চাঁদ নাকি সূর্য।
২য় মাতাল : ওটা সূর্য।
১ম মাতাল : নারে ওটা চাঁদ।

এ নিয়ে ওরা যখন তর্ক করছিলো তখন আরেকজন তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন ১ম মাতাল বললো-

১ম মাতাল : ভাই বলেন তো আকাশে চাঁদ নাকি সূর্য?
লোক : ভাই আমি বলতে পারবো না, আমি এই এলাকায় নতুন এসেছি।


এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-

ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।

Thursday, September 12, 2019

বাংলাদেশ সকল থানার মোবাইল নাম্বার সকল থানার ওসিদের মােবাইল

বাংলাদেশ সকল থানার মোবাইল নাম্বার সকল থানার ওসিদের মােবাইল


পুলিশ বাহিনীর সকল থানার ওসিদের মোবাইল নাম্বার
বাংলাদেশের সকল ওসি সাহেবদের সরকারী মোবাইল নম্বর।

বাংলাদেশের সকল থানার ফোন নং apps

ডিএমপি, ঢাকা
১) ওসি রমনা- ০১৭১৩৩৭৩১২৫
২) ওসি ধানমন্ডি- ০১৭১৩৩৭৩১২৬
৩) ওসি শাহাবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১২৭
৪) ওসি নিউ মার্কেট- ০১৭১৩৩৭৩১২৮
৫) ওসি লালবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৩৪
৬) ওসি কোতয়ালী- ০১৭১৩৩৭৩১৩৫
৭) ওসি হাজারীবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৩৬
৮) ওসি কামরাঙ্গীরচর- ০১৭১৩৩৭৩১৩৭
৯) ওসি সুত্রাপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৪৩
১০) ওসি ডেমরা- ০১৭১৩৩৭৩১৪৪
১১) ওসি শ্যামপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৪৫
১২) ওসি যাত্রাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩১৪৬
১৩) ওসি মতিঝিল- ০১৭১৩৩৭৩১৫২
১৪) ওসি সবুজবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৫৩
১৫) ওসি খিলগাও- ০১৭১৩৩৭৩১৫৪
১৬) ওসি পল্টন- ০১৭১৩৩৭৩১৫৫
১৭) ওসি উত্তরা- ০১৭১৩৩৭৩১৬১
১৮) ওসি এয়ারপোর্ট- ০১৭১৩৩৭৩১৬২
১৯) ওসি তুরাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৬৩
২০) ওসি উত্তরখান- ০১৭১৩৩৭৩১৬৪
২১) ওসি দক্ষিনখান- ০১৭১৩৩৭৩১৬৫
২২) ওসি গুলশান- ০১৭১৩৩৭৩১৭১
২৩) ওসি ক্যান্টনমেন্ট- ০১৭১৩৩৭৩১৭২
২৪) ওসি বাড্ডা- ০১৭১৩৩৭৩১৭৩
২৫) ওসি খিলক্ষেত- ০১৭১৩৩৭৩১৭৪
২৬) ওসি তেজগাও- ০১৭১৩৩৭৩১৮০
২৭) ওসি তেজগাও শি/এ- ০১৭১৩৩৭৩১৮১
২৮) ওসি মোহাম্মদপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৮২
২৯) ওসি আদাবর- ০১৭১৩৩৭৩১৮৩
৩০) ওসি মিরপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৮৯
৩১) ওসি পল্লবী- ০১৭১৩৩৭৩১৯০
৩২) ওসি কাফরুল- ০১৭১৩৩৭৩১৯১
৩৩) ওসি শাহ আলী- ০১৭১৩৩৭৩১৯২


সিএমপি, চট্রগ্রাম
১) ওসি কোতয়ালী, সিএমপি-
০১৭১৩৩৭৩২৫৬
২) ওসি পাহাড়তলী (নর্থ জোন)-
০১৭১৩৩৭৩২৫৭
৩) ওসি পাচলাইশ- ০১৭১৩৩৭৩২৫৮
৪) ওসি চান্দগাও- ০১৭১৩৩৭৩২৫৯
৫) ওসি খুলসী- ০১৭১৩৩৭৩২৬০
৬) ওসি বাকুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৩২৬১
৭) ওসি ওসি বায়েজিদ বোস্তামী-
০১৭১৩৩৭৩২৬২
৮) ওসি বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩২৬৭
৯) ওসি ডাবল মুরিং- ০১৭১৩৩৭৩২৬৮
১০) ওসি হালিশহর- ০১৭১৩৩৭৩২৬৯
১১) ওসি পতেঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩২৭০
১২) ওসি কর্ণফুলি- ০১৭১৩৩৭৩২৭১
১৩) ওসি ইমিগ্রেশন (বন্দর)- ০১৭১৩৩৭৩২৭২
১৪) ওসি পাহাড়তলী (বন্দর জোন)-
০১৭১৩৩৭৩২৭৩


কেএমপি, খুলনা
১) ওসি খুলনা- ০১৭১৩৩৭৩২৮৫
২) ওসি সোনাডাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩২৮৬
৩) ওসি খালিশপুর- ০১৭১৩৩৭৩২৮৭
৪) ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৩২৮৮
৫) ওসি খানজাহান আলী- ০১৭১৩৩৭৩২৮৯
আরএমপি, রাজশাহী
১) ওসি বোয়ালিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩০৯
২) ওসি রাজপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৩১০
৩) ওসি মতিহার- ০১৭১৩৩৭৩৩১১
৪) ওসি শাহ মাকদুম- ০১৭১৩৩৭৩৩১২
ঢাকা বিভাগ
১) ওসি সাভার- ০১৭১৩৩৭৩৩২৭
২) ওসি ধামরাই- ০১৭১৩৩৭৩৩২৮
৩) ওসি কেরানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩২৯
৪) ওসি নবাবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৩০
৫) ওসি দোহার- ০১৭১৩৩৭৩৩৩১
৬) ওসি আশুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৩২
৭) ওসি দক্ষিন কেরানীগঞ্জ-
০১৭১৩৩৭৩৩৩৩
৮) ওসি নারায়নগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৫
৯) ওসি ফতুল্লা- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৬
১০) ওসি বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৭
১১) ওসি সিদ্দিরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৮
১২) ওসি আড়াইহাজার- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৯
১৩) ওসি সোনারগাও- ০১৭১৩৩৭৩৩৫০
১৪) ওসি রুপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৫১
১৫) ওসি জয়দেবপুর ০১৭১৩৩৭৩৩৬৩
১৬) ওসি টংগী- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৪
১৭) ওসি কালিয়াকৈর- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৫
১৮) ওসি শ্রীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৬
১৯) ওসি কাপাসিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৭
২০) ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৮
২১) ওসি মানিকগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৭৯
২২) ওসি ঘিওর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮০
২৩) ওসি শিবালয়- ০১৭১৩৩৭৩৩৮১
২৪) ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮২
২৫) ওসি হরিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৩
২৬) ওসি সাটুরিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৪
২৭) ওসি সিংগাইর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৫
২৮) ওসি মুন্সীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৬
২৯) ওসি টংগীবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৭
৩০) ওসি লৌহজং- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৮
৩১) ওসি শ্রীনগর- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৯
৩২) ওসি সিরাজদীখান- ০১৭১৩৩৭৩৪০০
৩৩) ওসি গজারিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৪০১
৩৪) ওসি নরসিংদী- ০১৭১৩৩৭৩৪১২
৩৫) ওসি রায়পুর- ০১৭১৩৩৭৩৪১৩
৩৬) ওসি শিবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪১৪
৩৭) ওসি বেলাবো- ০১৭১৩৩৭৩৪১৫
৩৮) ওসি মনোহরদী- ০১৭১৩৩৭৩৪১৬
৩৯) ওসি পলাশ- ০১৭১৩৩৭৩৪১৭
৪০) ওসি কোতয়ালী মযমনসিংহ-
০১৭১৩৩৭৩৪৩০
৪১) ওসি মুক্তাগাছা- ০১৭১৩৩৭৩৪৩১
৪২) ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৪৩২
৪৩) ওসি ত্রিশাল- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৩
৪৪) ওসি গৌরীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৪
৪৫) ওসি ঈশ্বরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৫
৪৬) ওসি নান্দাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৬
৪৭) ওসি ফুলপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৭
৪৮) ওসি হালুয়াঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৮
৪৯) ওসি ধোবাউরা- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৯
৫০) ওসি গফরগাও- ০১৭১৩৩৭৩৪৪০
৫১) ওসি ভালুকা- ০১৭১৩৩৭৩৪৪১
৫২) ওসি তারাকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৪৪২
৫৩) ওসি টাঙ্গাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৪
৫৪) ওসি মির্জাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৫
৫৫) ওসি নাগরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৬
৫৬) ওসি সখিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৭
৫৭) ওসি বাসাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৮
৫৮) ওসি দেলদুয়ার- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৯
৫৯) ওসি মধুপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬০
৬০) ওসি ঘাটাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৬১
৬১) ওসি কালিহাতি- ০১৭১৩৩৭৩৪৬২
৬২) ওসি ভুয়াপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৩
৬৩) ওসি ওসি যমুনা ব্রীজ পূর্ব-
০১৭১৩৩৭৩৪৬৪
৬৪) ওসি ধনবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৫
৬৫) ওসি গোপালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৬
৬৬) ওসি কিশোরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৮০
৬৭) ওসি করিমগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৮১
৬৮) ওসি তারাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৮২
৬৯) ওসি হোসেনপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৩
৭০) ওসি কটিয়াদী- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৪
৭১) ওসি বাজিতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৫
৭২) ওসি কুলিয়ারচর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৬
৭৩) ওসি ভৈরব- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৭
৭৪) ওসি ইটনা- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৮
৭৫) ওসি মিঠামইন- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৯
৭৬) ওসি নিকলী- ০১৭১৩৩৭৩৪৯০
৭৭) ওসি পাকুন্দিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৪৯১
৭৮) ওসি অষ্টগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৪৯২
৭৯) ওসি নেত্রকোনা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৫
৮০) ওসি বারহাট্টা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৬
৮১) ওসি কলমাকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৭
৮২) ওসি আটপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫০৮
৮৩) ওসি দুর্গাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫০৯
৮৪) ওসি পূর্বধলা- ০১৭১৩৩৭৩৫১০
৮৫) ওসি কেন্দুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৫১১
৮৬) ওসি মদন- ০১৭১৩৩৭৩৫১২
৮৭) ওসি মোহনগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫১৩
৮৮) ওসি খালিজুরি- ০১৭১৩৩৭৩৫১৪
৮৯) ওসি শেরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫২৩
৯০) ওসি নকলা- ০১৭১৩৩৭৩৫২৪
৯১) ওসি নলিতাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫২৫
৯২) ওসি শ্রীবর্দী- ০১৭১৩৩৭৩৫২৬
৯৩) ওসি ঝিনাইগাতি- ০১৭১৩৩৭৩৫২৭
৯৪) ওসি জামালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৩৮
৯৫) ওসি মেলান্দহ- ০১৭১৩৩৭৩৫৩৯
৯৬) ওসি সরিষাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫৪০
৯৭) ওসি দেওয়ানগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪১
৯৮) ওসি ইসলামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৪২
৯৯) ওসি মাদারগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৩
১০০) ওসি বকশীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৪
১০১) ওসি বাহাদুরাবাদ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৫
১০২) ওসি কোতয়ালী ফরিদপুর-
০১৭১৩৩৭৩৫৫৬
১০৩) ওসি মধুখালী- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৭
১০৪) ওসি বোয়ালমারী- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৮
১০৫) ওসি আলফাডাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৯
১০৬) ওসি চরভদ্রাসন- ০১৭১৩৩৭৩৫৬০
১০৭) ওসি নগরকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬১
১০৮) ওসি সদরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৬২
১০৯) ওসি সালতা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬৩
১১০) ওসি ভাংগা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬৪
১১১) ওসি গোপালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৭২
১১২) ওসি মকসুদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৩
১১৩) ওসি কাশিয়ানী- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৪
১১৪) ওসি কোটালীপাড়া-
০১৭১৩৩৭৩৫৭৫
১১৫) ওসি টুঙ্গিপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৬
১১৬) ওসি মাদারীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৫
১১৭) ওসি রাজৈর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৬
১১৮) ওসি কালকিনি- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৭
১১৯) ওসি শিবচর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৮
১২০) ওসি রাজবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫৯৮
১২১) ওসি বালিয়াকান্দি-
০১৭১৩৩৭৩৫৯৯
১২২) ওসি পাংশা- ০১৭১৩৩৭৩৬০০
১২৩) ওসি গোয়ালন্দ- ০১৭১৩৩৭৩৬০১
১২৪) ওসি গোসাইরহাট- ০১৭১৩৩৭৩৬১২
১২৫) ওসি ভেদরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৬১৩
১২৬) ওসি ডামুড্ডা- ০১৭১৩৩৭৩৬১৪
১২৭) ওসি জাজিরা- ০১৭১৩৩৭৩৬১৫
১২৮) ওসি নড়িয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬১৬
১২৯) ওসি পালং- ০১৭১৩৩৭৩৬১৭
১৩০) ওসি শখিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৬১৮


চট্রগ্রাম বিভাগ
১) ওসি রাউজান- ০১৭১৩৩৭৩৬৩৯
২) ওসি হাটহাজারী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪০
৩) ওসি ফটিকছড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৬৪১
৪) ওসি রাংগুনিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪২
৫) ওসি পটিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৩
৬) ওসি মীরসরাই- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৪
৭) ওসি সীতাকুন্ডু- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৫
৮) ওসি আনোয়ারা- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৬
৯) ওসি বোয়ালখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৭
১০) ওসি বাশখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৮
১১) ওসি সাতকানিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৯
১২) ওসি লোহাগড়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৫০
১৩) ওসি চান্দনাইশ- ০১৭১৩৩৭৩৬৫১
১৪) ওসি সন্দীপ- ০১৭১৩৩৭৩৬৫২
১৫) ওসি কক্সবাজার- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৩
১৬) ওসি রামু- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৪
১৭) ওসি উখিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৫
১৮) ওসি টেকনাফ- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৬
১৯) ওসি চকোরিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৭
২০) ওসি কুতুবদিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৮
২১) ওসি মহেষখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৯
২২) ওসি পেকুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৭০
২৩) ওসি কোতয়ালী কুমিল্লা-
০১৭১৩৩৭৩৬৮৫
২৪) ওসি চৌদ্দগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৬
২৫) ওসি দেবীদ্দার- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৭
২৬) ওসি হোমনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৮
২৭) ওসি লাকসাম- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৯
২৮) ওসি দাউদকান্দি- ০১৭১৩৩৭৩৬৯০
২৯) ওসি বুড়িচং- ০১৭১৩৩৭৩৬৯১
৩০) ওসি চান্দিনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯২
৩২) ওসি বরুরা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৩
৩৩) ওসি লাঙ্গলকোট- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৪
৩৪) ওসি মুরাদনগর- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৫
৩৫) ওসি ব্রাক্ষ্মনপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৬
৩৬) ওসি মেঘনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৭
৩৭) ওসি মনোহরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৮
৩৮) ওসি তিতাস- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৯
৩৯) ওসি সদর দক্ষিন কুমিল্লা-
০১৭১৩৩৭৩৭০০
৪০) ওসি চাদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭১২
৪১) ওসি হাজীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭১৩
৪২) ওসি মতলব- ০১৭১৩৩৭৩৭১৪
৪৩) ওসি মতলব উত্তর- ০১৭১৩৩৭৩৭১৪
৪৪) ওসি মতলব দক্ষিন- ০১৭১৩৩৭৩৭১৫
৪৫) ওসি শাহারাস্তি- ০১৭১৩৩৭৩৭১৬
৪৬) ওসি কচুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭১৭
৪৭) ওসি ফরিদগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭১৮
৪৮) ওসি হাইমচর- ০১৭১৩৩৭৩৭১৯
৪৯) ওসি ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়া সদর-
০১৭১৩৩৭৩৭৩০
৫০) ওসি সরাইল- ০১৭১৩৩৭৩৭৩১
৫১) ওসি আশুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৩২
৫২) ওসি নাসিরনগর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৩
৫৩) ওসি নবীনগর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৪
৫৪) ওসি বাঞ্ছারামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৫
৫৫) ওসি কসবা- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৬
৫৬) ওসি আখাউড়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৭
৫৭) ওসি সুধারাম, নোয়াখালী-
০১৭১৩৩৭৩৭৪৮
৫৮) ওসি বেগমগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৪৯
৫৯) ওসি সেনবাগ- ০১৭১৩৩৭৩৭৫০
৬০) ওসি সোনাইমুরি- ০১৭১৩৩৭৩৭৫১
৬১) ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৫২
৬২) ওসি চাটখিল- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৩
৬৩) ওসি হাতিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৪
৬৪) ওসি চরজব্বার- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৫
৬৫) ওসি লক্ষীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৫
৬৬) ওসি রায়পুরা- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৬
৬৭) ওসি রামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৭
৬৮) ওসি রামগাতি- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৮
৬৯) ওসি ফেনী- ০১৭১৩৩৭৩৭৭৮
৭০) ওসি সোনাগাজী- ০১৭১৩৩৭৩৭৭৯
৭১) ওসি ফুলগাজী- ০১৭১৩৩৭৩৭৮০
৭২) ওসি পরশুরাম- ০১৭১৩৩৭৩৭৮১
৭৩) ওসি ছাগলনাইয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৮২
৭৪) ওসি দাগনভুইয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৮৩


রাজশাহী বিভাগ
১) ওসি পবা- ০১৭১৩৩৭৩৮০০
২) ওসি গুদাগাড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৮০১
৩) ওসি তানর- ০১৭১৩৩৭৩৮০২
৪) ওসি মোহনপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮০৩
৫) ওসি পুঠিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৮০৪
৬) ওসি বাগমারা- ০১৭১৩৩৭৩৮০৫
৭) ওসি দুর্গাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮০৬
৮) ওসি চারঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৮০৭
৯) ওসি বাঘা- ০১৭১৩৩৭৩৮০৮
১০) ওসি চাপাই নবাবগঞ্জ-
০১৭১৩৩৭৩৮১৯
১১) ওসি শিবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮২০
১২) ওসি গোমস্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮২১
১৩) ওসি নাচোল- ০১৭১৩৩৭৩৮২২
১৪) ওসি ভোলাহাট- ০১৭১৩৩৭৩৮২৩
১৫) ওসি নওগা- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৬
১৬) ওসি রায়নগর- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৭
১৭) ওসি আত্রাই- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৮
১৮) ওসি ধামরাই- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৯
১৯) ওসি বাদলগাছি- ০১৭১৩৩৭৩৮৪০
২০) ওসি মহাদেবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৪১
২১) ওসি পাটনীতলা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪২
২২) ওসি নিয়ামতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৩
২৩) ওসি মান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৪
২৪) ওসি সাপাহার- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৫
২৫) ওসি পর্শা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৬
২৬) ওসি নাটোর- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৭
২৭) ওসি সিংড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৮
২৮) ওসি বাঘাতিপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৯
২৯) ওসি গুরুদাসপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৬০
৩০) ওসি লালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৬১
৩১) ওসি বরইগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৮৬২
৩২) ওসি নলডাংগা- ০১৭১৩৩৭৩৮৬৩
৩৩) ওসি কোতয়ালী, রংপুর-
০১৭১৩৩৭৩৮৭৪
৩৪) ওসি গঙ্গাচুড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৫
৩৫) ওসি ভোদরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৬
৩৬) ওসি তারাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৭
৩৭) ওসি মিঠাপুকুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৮
৩৮) ওসি পীরগাছা- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৯
৩৯) ওসি কাউনিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৮০
৪০) ওসি পীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৮১
৪১) ওসি গাইবান্ধা- ০১৭১৩৩৭৩৮৯২
৪২) ওসি সাদুল্লাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৩
৪৩) ওসি সুন্দরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৪
৪৫) ওসি পলাশবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৫
৪৬) ওসি গোবিন্দগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৬
৪৭) ওসি সাতঘাটা- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৭
৪৮) ওসি ফুলছড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৮
৪৯) ওসি নিলফামারী- ০১৭১৩৩৭৩৯০৯
৫০) ওসি সৈয়দপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯১০
৫১) ওসি জলঢাকা- ০১৭১৩৩৭৩৯১১
৫২) ওসি কিশোরগঞ্জ (নিলফামারী)-
০১৭১৩৩৭৩৯১২
৫৩) ওসি ডোমার- ০১৭১৩৩৭৩৯১৩
৫৪) ওসি ডিমলা- ০১৭১৩৩৭৩৯১৪
৫৪) ওসি সৈয়দপুর পুলিশ ফাড়ী-
০১৭১৩৩৭৩৯১৫
৫৫) ওসি কুড়িগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৯২৬
৫৬) ওসি রাজারহাট- ০১৭১৩৩৭৩৯২৭
৫৭) ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯২৮
৫৮) ওসি নাগেশ্বর- ০১৭১৩৩৭৩৯২৯
৫৯) ওসি বুরুঙ্গামারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩০
৬০) ওসি উলিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৩১
৬১) ওসি চিলমারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩২
৬২) ওসি রৌমারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৩
৬৩) ওসি রাজীবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৪
৬৪) ওসি দুসমারা- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৫
৬৫) ওসি কোচাকাটা- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৬
৬৬) ওসি লালমনিরহাট- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৬
৬৭) ওসি আদিতমারি- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৭
৬৮) ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৮
৬৯) ওসি হাতিবান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৯
৭০) ওসি পাটগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৯৫০
৭১) ওসি কোতয়ালী দিনাজপুর-
০১৭১৩৩৭৩৯৬৩
৭২) ওসি চিরির বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৪
৭৩) ওসি রিরল- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৫
৭৪) ওসি পার্বতীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৬
৭৫) ওসি বীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৭
৭৬) ওসি বোছাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৮
৭৭) ওসি কাহারোল- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৯
৭৮) ওসি খানসামা- ০১৭১৩৩৭৩৯৭০
৭৯) ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯৭১
৮০) ওসি বিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৭২
৮২) ওসি নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর)
-০১৭১৩৩৭৩৯৭৩
৮৩) ওসি ঘোড়াঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৯৭৪
৮৪) ওসি হাকিমপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৭৫
৮৫) ওসি ঠাকুরগাও- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৫
৮৬) ওসি বালিয়াডাঙ্গী-
০১৭১৩৩৭৩৯৮৬
৮৭) ওসি রানীসঙ্কৌল- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৭
৮৮) ওসি পীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৮
৮৯) ওসি হরিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৯
৯০) ওসি পঞ্চগড়- ০১৭১৩৩৭৩৯৯৯
৯১) ওসি বোদা- ০১৭১৩৩৭৪০০০
৯২) ওসি আটোয়ারী- ০১৭১৩৩৭৪০০১
৯৩) ওসি তেতুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০০২
৯৪) ওসি দেবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০০৩
৯৫) ওসি পাবনা- ০১৭১৩৩৭৪০১৬
৯৬) ওসি ঈশ্বরদী- ০১৭১৩৩৭৪০১৭
৯৭) ওসি আটঘরিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০১৮
৯৮) ওসি চাটমোহর- ০১৭১৩৩৭৪০১৯
৯৯) ওসি ভঙ্গোরা- ০১৭১৩৩৭৪০২০
১০০) ওসি ফরিদপুর (পাবনা)-
০১৭১৩৩৭৪০২১
১০১) ওসি সূর্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪০২২
১০২) ওসি বেড়া- ০১৭১৩৩৭৪০২৩
১০৩) ওসি সাথিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০২৪
১০৪) ওসি আতাইকুলা- ০১৭১৩৩৭৪০২৫
১০৫) ওসি সিরাজগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৩৮
১০৬) ওসি শাহাজাদপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৩৯
১০৭) ওসি উল্লাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪০৪০
১০৮) ওসি চৌহালী- ০১৭১৩৩৭৪০৪১
১০৯) ওসি তারাস- ০১৭১৩৩৭৪০৪২
১১০) ওসি কাজিপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৪৩
১১১) ওসি কামারকান্দা- ০১৭১৩৩৭৪০৪৪
১১২) ওসি রায়গঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৪৫
১১৩) ওসি বেলকুচি- ০১৭১৩৩৭৪০৪৬
১১৪) ওসি যমুনা ব্রীজ পশ্চিম-
০১৭১৩৩৭৪০৪৭
১১৫) ওসি সালাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৪০৪৮
১১৬) ওসি এনায়েতপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৪৯
১১৭) ওসি বগুড়া- ০১৭১৩৩৭৪০৬১
১১৮) ওসি শিবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৬২
১১৯) ওসি সোনাতলা- ০১৭১৩৩৭৪০৬৩
১২০) ওসি গাবতলী- ০১৭১৩৩৭৪০৬৪
১২১) ওসি সারিয়াকান্দি-
০১৭১৩৩৭৪০৬৫
১২২) ওসি আদমদিঘী- ০১৭১৩৩৭৪০৬৬
১২৩) ওসি ধুপচাচিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০৬৭
১২৪) ওসি কাহালু- ০১৭১৩৩৭৪০৬৮
১২৫) ওসি শেরপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৬৯
১২৬) ওসি ধুনট- ০১৭১৩৩৭৪০৭০
১২৭) ওসি নন্দিগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৪০৭১
১২৮) ওসি শাহজাহানপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৭২
১২৯) ওসি জয়পুরহাট- ০১৭১৩৩৭৪০৮২
১৩০) ওসি কালাই- ০১৭১৩৩৭৪০৮৩
১৩১) ওসি ক্ষেতলাল- ০১৭১৩৩৭৪০৮৪
১৩২) ওসি আক্কেলপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৮৫
১৩৩) ওসি পাচবিবি- ০১৭১৩৩৭৪০৮৬


খুলনা বিভাগ
১) ওসি ফুলতলা- ০১৭১৩৩৭৪১০৩
২) ওসি দিঘলিয়া- ০১৭১৩৩৭৪১০৪
৩) ওসি পাইকগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১০৫
৪) ওসি বটিয়াঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪১০৬
৫) ওসি ডুমুরিয়া- ০১৭১৩৩৭৪১০৭
৬) ওসি তেরখাদা- ০১৭১৩৩৭৪১০৮
৭) ওসি রুপসা- ০১৭১৩৩৭৪১০৯
৮) ওসি দাকোপ- ০১৭১৩৩৭৪১১০
৯) ওসি কয়রা- ০১৭১৩৩৭৪১১১
১০) ওসি বাগেরহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২২
১১) ওসি ফকিরহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২৩
১২) ওসি মোল্লারহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২৪
১৩) ওসি চিতলমারী- ০১৭১৩৩৭৪১২৫
১৪) ওসি কচুয়া- ০১৭১৩৩৭৪১২৬
১৫) ওসি মোরলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১২৭
১৬) ওসি শরনখোলা- ০১৭১৩৩৭৪১২৮
১৭) ওসি মংলা- ০১৭১৩৩৭৪১২৯
১৮) ওসি রামপাল- ০১৭১৩৩৭৪১৩০
১৯) ওসি সাতক্ষীরা- ০১৭১৩৩৭৪১৪১
২০) ওসি কলারোয়া- ০১৭১৩৩৭৪১৪২
২১) ওসি তালা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৩
২২) ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১৪৪
২৩) ওসি শ্যামনগর- ০১৭১৩৩৭৪১৪৫
২৪) ওসি দেবহাটা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৬
২৫) ওসি আশাশুনি- ০১৭১৩৩৭৪১৪৭
২৬) ওসি পাটকেলঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৮
২৭) ওসি কোতয়ালী যশোর-
০১৭১৩৩৭৪১৬১
২৮) ওসি ঝিকরগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১৬২
২৯) ওসি শার্শা- ০১৭১৩৩৭৪১৬৩
৩০) ওসি চৌগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১৬৪
৩১) ওসি মনিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৫
৩২) ওসি কেশবপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৬
৩৩) ওসি অভয়নগর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৭
৩৪) ওসি বাঘারপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪১৬৮
৩৫) ওসি বেনাপোল পোর্ট-
০১৭১৩৩৭৪১৬৯
৩৬) ওসি বেনাপোল চেক পোষ্ট-
০১৭১৩৩৭৪১৭০
৩৭) ওসি মাগুরা- ০১৭১৩৩৭৪১৭৯
৩৮) ওসি শালিখা- ০১৭১৩৩৭৪১৮০
৩৯) ওসি শ্রীপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৮১
৪০) ওসি মোহাম্মদপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৮২
৪১) ওসি ঝিনাইদহ- ০১৭১৩৩৭৪১৯২
৪২) ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১৯৩
৪৩) ওসি শৈলকুপা- ০১৭১৩৩৭৪১৯৪
৪৪) ওসি হরিনাকুন্ডু- ০১৭১৩৩৭৪১৯৫
৪৫) ওসি কোটচাদপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৯৬
৪৬) ওসি মহেশপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৯৭
৪৭) ওসি নড়াইল- ০১৭১৩৩৭৪২০৬
৪৮) ওসি কালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২০৭
৪৯) ওসি লোহাগড়া- ০১৭১৩৩৭৪২০৮
৫০) ওসি নড়াগাতি- ০১৭১৩৩৭৪২০৯
৫১) ওসি কুষ্টিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২২০
৫২) ওসি খোকসা- ০১৭১৩৩৭৪২২১
৫৩) ওসি কুমারখালী- ০১৭১৩৩৭৪২২২
৫৪) ওসি ভেড়ামারা- ০১৭১৩৩৭৪২২৩
৫৫) ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৪২২৪
৫৬) ওসি মিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২২৫
৫৭) ওসি ইসলামী ইউনিভার্সিটি-
০১৭১৩৩৭৪২২৬
৫৮) ওসি চুয়াডাংগা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৬
৫৯) ওসি আলমডাংগা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৭
৬০) ওসি জীবননগর- ০১৭১৩৩৭৪২৩৮
৬১) ওসি ডামুরহুদা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৯
৬২) ওসি মেহেরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৪৯
৬৩) ওসি গাংনী- ০১৭১৩৩৭৪২৫০
৬৪) ওসি মুজিবনগর- ০১৭১৩৩৭৪২৫১


বরিশাল বিভাগ
১) ওসি কোতয়ালী বরিশাল-
০১৭১৩৩৭৪২৬৭
২) ওসি হিজলা- ০১৭১৩৩৭৪২৬৮
৩) ওসি মেহেদীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৬৯
৪) ওসি মুলাদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭০
৫) ওসি বাবুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭১
৬) ওসি বাকেরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭২
৭) ওসি বানারীপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৩
৮) ওসি আগৌলঝাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৪
৯) ওসি গৌরনদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭৫
১০) ওসি উজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৭৬
১১) ওসি ঝালকাঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৬
১২) ওসি নলছিঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৭
১৩) ওসি রাজাপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৮৮
১৪) ওসি কাঠালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২৮৯
১৫) ওসি ভোলা- ০১৭১৩৩৭৪৩০০
১৬) ওসি দৌলতখান- ০১৭১৩৩৭৪৩০১
১৭) ওসি তজুমুদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০২
১৮) ওসি বোরহানউদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৩
১৯) ওসি লালমোহন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৪
২০) ওসি চরফ্যাশন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৫
২১) ওসি মনপুরা- ০১৭১৩৩৭৪৩০৬
২২) ওসি পটুয়াখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩১৮
২৩) ওসি বাউফল- ০১৭১৩৩৭৪৩১৯
২৪) ওসি গলাচিপা- ০১৭১৩৩৭৪৩২০
২৫) ওসি দশমিনা- ০১৭১৩৩৭৪৩২১
২৬) ওসি দুমকী- ০১৭১৩৩৭৪৩২২
২৭) ওসি কলাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪৩২৩
২৮) ওসি মির্জাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩২৪
২৯) ওসি রাঙ্গাবালি- ০১৭১৩৩৭৪৩২৫
৩০) ওসি পিরোজপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৬
৩১) ওসি ভান্ডারিয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৭
৩২) ওসি নেসারাবাদ- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৮
৩৩) ওসি কাউখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৯
৩৪) ওসি নাজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪০
৩৫) ওসি জিয়া নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪১
৩৬) ওসি মঠবাড়ীয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৪২
৩৭) ওসি বরগুনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৩
৩৮) ওসি আমতলী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৪
৩৯) ওসি পাথরঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৫
৪০) ওসি বেতাগী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৬
৪১) ওসি বামনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৭
৪২) ওসি তালতলি- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৮


সিলেট বিভাগ
১) ওসি কোতয়ালী (সিলেট)-
০১৭১৩৩৭৪৩৭৫
২) ওসি বালাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৬
৩) ওসি জৈন্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৭
৪) ওসি গোয়াইনঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৮
৫) ওসি কানাইঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৯
৬) ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮০
৭) ওসি জকিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮১
৮) ওসি বিয়ানীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৩৮২
৯) ওসি গোলাপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৩
১০) ওসি বিশ্বনাথ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৪
১১) ওসি ফেঞ্চুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৫
১২) ওসি দক্ষিন সুরমা- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৬
১৩) ওসি ওসমানী নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৭
১৪) ওসি হবিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৮
১৫) ওসি মাধবপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৯
১৬) ওসি চুনারুঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৪০০
১৭) ওসি বাহুবল- ০১৭১৩৩৭৪৪০১
১৮) ওসি লাখাই- ০১৭১৩৩৭৪৪০২
১৯) ওসি নবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৩
২০) ওসি বানিয়াচং- ০১৭১৩৩৭৪৪০৪
২১) ওসি আজমিরিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৫
২২) ওসি শায়েস্তাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৬
২৩) ওসি সুনামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪১৮
২৪) ওসি ছাতক- ০১৭১৩৩৭৪৪১৯
২৫) ওসি জগন্নাথপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২০
২৬) ওসি তাহিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২১
২৭) ওসি বিশ্বম্বরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২২
২৮) ওসি দোয়ারাবাজার-
০১৭১৩৩৭৪৪২৩
২৯) ওসি দিরাই- ০১৭১৩৩৭৪৪২৪
৩০) ওসি সালনা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৫
৩১) ওসি জামালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪২৬
৩২) ওসি ধর্মপাশা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৭
৩৩) ওসি মধ্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪২৮
৩৪) ওসি মৌলভীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৪৩৯
৩৫) ওসি শ্রীমঙ্গল- ০১৭১৩৩৭৪৪৪০
৩৬) ওসি কমলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪৪১
৩৭) ওসি রাজনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪৪২
৩৮) ওসি কুলাউড়া- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৩
৩৯) ওসি বড়লেখা- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৪
৪০) ওসি জুরি- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৫


সকল থানার মোবাইল নাম্বার ,বাংলাদেশ সকল থানার মোবাইল নাম্বার,সকল থানার ওসির নাম ও নাম্বার, সকল থানার ওসিদের মোবাইল, সকল থানার নং, বাংলাদেশের সকল থানার ফোন নাম্বার,জরুরী মোবাইল নাম্বার, ডিবি পুলিশ ফোন নাম্বার

Friday, September 6, 2019

রাসূল (ছাঃ) কর্তৃক স্বপ্নে দেখা একদল মানুষের বিবরণ

রাসূল (ছাঃ) কর্তৃক স্বপ্নে দেখা একদল মানুষের বিবরণ


আবু উমামা বাহেলী (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা রাসূল (ছাঃ) ফজরের ছালাতের সময় আমাদের নিকটে এসে বললেন, গতরাতে আমি একটি সত্য স্বপ্ন দেখেছি। তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ কর। আমার নিকট দু’জন লোক এসে আমার দু’হাত ধরে এক দুর্গম পাহাড়ের কাছে নিয়ে গিয়ে বলল, এতে আরোহণ করুন! আমি বললাম, আমি পর্বতারোহণে সক্ষম নই। তারা বললেন, আমরা শীঘ্রই আপনার জন্য তা সুগম করে দিব। আমি যখনই পা উঠাচ্ছিলাম তখনই সিঁড়িতে পা রাখছিলাম। অবশেষে পর্বতের সমতল ভূমিতে পৌঁছে গেলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে জিজ্ঞেস করলাম, এটা কিসের শব্দ? তারা বললেন, এটি জাহান্নামীদের আর্তনাদ। আমরা সামনের দিকে অগ্রসর হতেই একদল নারী ও পুরুষকে দেখলাম যাদের দু’চোয়াল ফাড়া রয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা ঐ সকল লোক যারা নিজেরা যা বলত তদনুযায়ী আমল করত না। অতঃপর আমরা সামনে অগ্রসর হতেই আরেকদল নারী ও পুরুষকে দেখলাম, যাদের চোখ ও কানে পেরেক মারা আছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা ঐ সকল লোক যারা এমন কিছু দেখার দাবী করত, যা তারা দেখেনি। এমন কিছু শুনার দাবী করত, যা তারা শুনেনি (অর্থাৎ মিথ্যা বলত)।

এরপর তারা আমাকে নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হলেন। সেখানে দেখলাম, একদল নারী ও পুরুষের পায়ের গোছায় রশি বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, চোয়াল ফাড়া আছে এবং তা থেকে রক্ত বেরুচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা ঐ সকল লোক যারা সময়ের পূর্বে ইফতার করত। তিনি বললেন, ইহূদী-নাছারারা ধ্বংস হউক! সুলায়মান বলেন, আমি জানিনা আবু উমামা এ উক্তিটি রাসূল (ছাঃ) থেকে শুনেছেন, না একথাটি তিনি নিজে বলেছেন। অতঃপর তারা আমাকে নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হলেন। সেখানে গিয়ে দেখলাম, একদল নারী-পুরুষের লাশ পড়ে আছে। যা অত্যন্ত ফুলে-ফেঁপে আছে, দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং তার দৃশ্য অত্যন্ত বীভৎস। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা কাফেরদের নিহত ব্যক্তিবর্গ। আমরা কিছুদূর অগ্রসর হতেই একদল লোককে গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে থাকতে দেখলাম। জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এগুলো মুসলমানদের লাশ। তারা আমাকে আরো সামনে নিয়ে গেলেন। সেখানে দেখলাম, একদল নারী-পুরুষের লাশ পড়ে আছে। যা অত্যন্ত ফুলে-ফেঁপে আছে, যেগুলোর দৃশ্য অত্যন্ত বীভৎস এবং (সেগুলো থেকে) বাথরুমের মত দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা হ’ল ব্যভিচারী নারী ও পুরুষ। অতঃপর আমাকে আরো সামনে নিয়ে যাওয়া হল। সেখানে দেখলাম একদল নারীর পায়ের গোছায় রশি বেঁধে নীচের দিকে মাথা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আর সাপ তাদের স্তন দংশন করছে। জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? উত্তরে তারা বললেন, এরা ঐ সকল মহিলা, যারা (শারীরিক সৌন্দর্য অটুট রাখার জন্য) নিজ সন্তানদের দুধ পান থেকে বঞ্চিত করেছিল। অতঃপর তারা আমাকে সামনে নিয়ে গেলেন। সেখানে দেখলাম, একদল শিশু দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থানে খেলছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা মুমিনদের সন্তান। অতঃপর সামনে চললাম। কিছু লোককে দেখলাম যাদের চেহারা অত্যন্ত সুন্দর, পোষাক সুন্দর এবং সুগন্ধির অধিকারী। তাদের চেহারা ‘কারাতীস’ সদৃশ (সাদা কাগজের ন্যায়)। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা হলেন ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীলগণ। আরো কিছুদূর অগ্রসর হয়ে তিনজন লোককে দেখলাম, যারা শরাব পান করছিল এবং গান গাচ্ছিল। জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, এরা হলেন যায়েদ বিন হারেছা, জা‘ফর বিন আবু ত্বালিব ও আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহা (রাঃ)। অতঃপর আমি উপরের দিকে মাথা উঁচু করে আরশের নীচে তিনজন ব্যক্তিকে দেখলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তারা বললেন, তাঁরা হলেন আপনার পিতা ইবরাহীম এবং মূসা ও ঈসা (আঃ)। তাঁরা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে ।
(মু‘জামুল কাবীর হা/৭৬৬৭; ইবনু খুযায়মাহ হা/১৯৮৬; হাকেম হা/২৮৩৭; ছহীহাহ হা/৩৯৫১; ছহীহ তারগীব হা/২৩৯৩)।

হাদিসের শিক্ষা:

(১) সূর্যাস্তের সাথে সাথে ছায়েম ইফতার করবে। তার পূর্বেও না, পরেও না।
(২) নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে ইফতার করার কারণে এতো বড় শাস্তি হলে, যারা ছিয়াম পালন করে না তাদের কিরূপ শাস্তি হবে তা সহজেই অনুমেয়।
(৩) আযান দেওয়ার ক্ষেত্রে মুওয়াযযিনদের খুবই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ মানুষজন স্বভাবতঃ তাদের আযান শুনে ইফতার করে।
(৪) শারীরিক সৌন্দর্য অটুট রাখার অভিপ্রায়ে যে সকল নারী তাদের শিশু সন্তানদের নিজের বুকের দুধ পান করান না সাপ তাদের স্তন দংশন করবে।
(৫) ব্যভিচারের শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ।
(৬) সদা-সর্বদা সত্য কথা বলতে হবে এবং তদনুযায়ী আমল করতে হবে। অন্যথায় কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
(৭) মুসলমানদের সন্তানেরা জান্নাতী হবে।
– মুহাম্মাদ আব্দুর রহীম
সংগৃহীত।। ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া