Sunday, February 23, 2020

বৃষ্টির দিনের এসএমএস | বৃষ্টির সকালের sms বৃষ্টি ভেজা সকালের শুভেচ্ছা sms বৃষ্টি ভেজা সকাল মেসেজ বৃষ্টির রাতের sms

বৃষ্টির দিনের এসএমএস |  বৃষ্টির সকালের sms বৃষ্টি ভেজা সকালের শুভেচ্ছা sms বৃষ্টি ভেজা সকাল মেসেজ বৃষ্টির রাতের sms   


(১) উদাস হয়ে তাকিয়ে........দেখি দুরেকেন রে বৃষ্টি পাগল করিছ মোরে....... দুরে ডোবায় ভেসে থাকা কচুরিপানায় বৃষ্টির আলতো ছোঁয়ায় ভরে উঠছে যেন সবুজের সজিবতায়,


 (২) এখানে এই শহরে বৃষ্টির শব্দ কানে আসে না কখন আসে কখন যায় মনে যে থাকে না ।


 (৩) কথাগুলো শুনে খিলখিলিয়ে যেন হেসে উঠেছিল পাশের ফুলবাগানের ফুল আন্দন্দে আত্মহারা হয়ে দুলে দুলে বলেছিল যেন, আর করো নাক কোন ভুল..


 (৪) কষ্টের মেঘগুলো বৃষ্টি হয়ে ঝরে এই শহরে সবুজ পাতার হলুদবর্ণ দেয় যে নিমিষে সরিয়ে ।


 (৫) গোলাপের পাপড়ীগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে ভাসিয়ে দেই জলে স্মৃতিগুলো কেন আজ বারবার নাড়া দেয় পলে পলে.......


 (৬) গ্রামের বাদলা দিনের দিনগুলোয় চাল ভাজা আর নারকেল শহরের মানুষগুলো পায় না যে এর স্বাদ কেমন যেন সব বেআক্কেল....


 (৭) ঝুম বৃষ্টি যেন রিনিঝিনি নুপুরের ধ্বনি মন পাগল করা অপরূপ সৃষ্টি । উদাস হয়ে শুধুই তাকিয়ে থাকা ভেতরটা আজ কেন এত লাগে ফাঁকা?


 (৮) যান্ত্রিক শহরে বৃষ্টির ছায়া কারো উপর পড়ে না কাজে কামে ব্যস্ত সবে বৃষ্টির রোমান্টিকতা মনে যে আসে না


 (৯) টিনের চাল গড়িয়ে টুপটাপ টুপটাপ বৃষ্টির ফোঁটা বাড়িয়ে দিয়ে হাত.... লাগাই ছোঁয়া..... শীতল পরশে........... অনুভূতিতে স্মৃতিতে আজ সব কিছু্ই লাগে যেন ধোঁয়া ধোঁয়া....


 (১০) তুমিহীন আজ আমি একা পথে হাটি পায়ের নিচে আজ খালি ভেজা মাটি ....


 (১১) নীল আকাশে মেঘের বাতাসে আকাশপটে কত যে স্বপ্নআঁকা রঙধনু রঙে আকাশে দেখি নীল রং হাসে ঠোঁট করে বাঁকা


 (১২) বৃষ্টি ভেজা দিনে বৃষ্টি ভেজা কিরণ নিত্য নতুন আনন্দে তাকেই করি বরণ ।


 (১৩) ভাল আছি ভাল আছি সখা তুমি বিনে............. কাছে থেকোনা দুরে যাও চলে শুধু অনুভবে থাকো শুধু অন্তরে থাকো ফোটা ফোটা বৃষ্টি হয়ে মিশে যাও জলে...... ভাল আছি ভাল আছি সখা তুমি বিনে.......


 (১৪) মেঘ গুড় গুড় মেঘলা দিনে কালো মেঘের সাজ গুড়ুম গুড়ুম শব্দে খালি পড়ে ভাজ ।


 (১৫) মেঘের খেয়ার ভেসে যাব অচিনপুরের দেশে দেশা দেশান্তরে বেড়াব ঘুরে রাজকন্যার বেশে ।


 (১৬) মেঘলা দিনের ঠান্ডা হাওয়া রিমঝিম বৃষ্টির বেলা মনে পড়ে যায় সেই দিনগুলি শৈশবে বৃষ্টি নিয়ে খেলা |


 (১৭) রিমঝিম রিমঝিম এই বাদল দিনে তুমি ছাড়া কিছুতে কেন মন লাগে না ।। ঝিরঝির হাওয়া চঞ্চল মেঘে মন চায় মন চায় তোমাকে নিতে চিনে

Thursday, February 6, 2020

পহেলা ফাল্গুন শুভেচ্ছা এসএমএস ফেসবুক স্ট্যাটাস | বসন্তের এসএমএস শুভেচ্ছা কবিতা

পহেলা ফাল্গুন শুভেচ্ছা এসএমএস  ফেসবুক স্ট্যাটাস | বসন্তের এসএমএস শুভেচ্ছা কবিতা    


বাংলা পহেলা ফাল্গুন এসএমএস, পহেলা ফাল্গুনের শুভেচ্ছা বক্তব্য, বসন্তের শুভেচ্ছা এসএমএস। ফাল্গুনী শুভেচ্ছা। ফাগুনের শুভেচ্ছা। বসন্তের এসএমএস,  ফাল্গুনের কবিতা, ছন্দ, ছড়া, ফেসবুক স্ট্যাটাস। বসন্তের কবিতা,  ফাল্গুনের ভালোবাসা এসএমএস। বসন্ত ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। ফালগুন এবং চৈত্র মাস মিলে হয় বসন্ত ঋতু। বসন্ত ঋতুর আগমন ঘটে শীত চলে যাবার পর এবং গ্রীষ্ম আসার আগে। পহেলা ফাল্গুনের নতুন এসএমএস। Pohela Falgun. পহেলা ফাল্গুনের ছন্দ।

১। ধরণী আজ উঠিছে সাজি
মনের দক্ষিণ দার খুলে দেবো আজি
মাতাল হবো সুখে আজকে অনন্ত
সার্থক হবে ফাগুন, সার্থক বসন্ত।

২। বসন্ত মাস ভালোবাসায় ভরপুর
তুমি আর আমি ঘুরবো সারা দুপুর
বসন্তের ফুল গুজে দেবো তোমার খোপায়
ভালোবাসার এটাই তো সেরা সময়।



৩। আসমান জমিন মিশে গেছে বসন্তেরই পরশে
সবার হৃদয় ছুয়ে গেছে অকাল প্রেমের আবেশে
ভালোবাসার জোয়ার ওঠে বসন্তের কূলে,
সেই জোয়ারে যুব-যুবতীর প্রাণ ওঠে দুলে ।
৩। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে যেই মেলেছি আখি
সামনে যকে দেখেছে সেজন কি তুমি?
বাসন্তি রঙ শাড়ীতে আজ লাগছে অপরূপা
খোলা চুলে জবা ফুলে বেঁধেছো ঐ খোপা।

৪। ভালোবাসার এই ফাগুনে
যদি হই পাগলা হাওয়া,
ভাবনার গভীর দেশে
হারিয়ে নিবিড় পাওয়া ।

৪। কত বসন্ত আসে
কত বসন্ত চলে যায়
কত কোকিলের পথ হারিয়ে
কণ্ঠ থেমে যায় অবলীলায়।
শুধু আমি কোথাও যেতে পারলাম না
তোমাকে ছেড়ে কোথাও না।

৫। দেখো বসন্তের বাতাস বইছে আজি
এসো বসন্তের রঙ্গে সাজি
আজ ঘরে ফিরতে চাইছে না যে
আমার এ মনের মাঝি।

৬। প্রেম ফাগুনের হাওয়া যখন লাগে আমার গায়
উদাস হয়ে যায়রে বন্ধু, মন যে তোমার নায়।
তোমায় ভালবাসতে চায়রে বন্ধু কাছে পেতে চায় ।
তোমার পায়ের ধূলো পরে যখন আমার আঙ্গিনায়
ধন্য আমার ভালবাসা ফুল ফোঁটা মন বাগিচায়,
আমার বাকি জীবন চায়রে বন্ধু তোমার থাকতে চায়।

৭। প্রথম ফাগুন দিনে
একগুচ্ছ গোলাপ দিলেম কিনে।
সেই সে গোলাপ
ফুটেছিল সাহারার প্রান্তরে
একটি একটি করে।


৮। চেনা সুর অচেনা রঙ একেলা পথের মাঝে
হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে রই ফাল্গুন এসেছে
তাই তোমায় দিলাম ফাল্গুনের শুভেচ্ছা।
শুভ হোক ফাল্গুন।
৯। হয়তো ফুটেনি ফুল রবীন্দ্র-সঙ্গীতে যতো আছে,
হয়তো গাহেনি পাখি অন্তর উদাস করা সুরে বনের কুসুমগুলি ঘিরে।
আকাশে মেলিয়া আঁখি তবুও ফুটেছে জবা, দূরন্ত শিমুল গাছে গাছে,
তার তলে ভালোবেসে বসে আছে বসন্তপথিক ।

১০। বাতাসে বহিছে প্রেম নয়নে লাগিলো নেশা, বসন্ত এসে গেছে
মধুরও অমৃত বানী বেলা গেলো সহজেই, মরমে উঠিলো বাজি বসন্ত এসে গেছে।

১১। ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত
শান বাধানো ফুটপাতে
পাথরে ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ
কচি কচি পাতায় পাজর ফাটিয়ে হাসছে।
ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত।

১২। মেঘ কে দূত বানিয়ে যে চিঠি পাঠালে অজানার ঠিকানায়
তাতে লাগুক দখিনা হাওয়া
সমীরণ ছেড়ে নিমজ্জিত হোক পৃথিবীর রুক্ষ বুকে
কমলতাই উদ্ভাসিত হোক বশুমতি
বসন্তের ফুলের সৌরভে মুখরিত পৃথিবীর অপার মহিমা
দোলা দিক লোকের মনে মনে
কামনাই বাধি বুক আর তোমাকে পাঠাই
ফাল্গুনের পরিস্ফুট প্রথম ফুলকলি স্পর্শের অসীম সুখ।

১৩। সূর্য-ঘড়ি সাত সকালে,
ফাগুন রাঙ্গা শাড়ি পড়ে দিন গোনে আজ কার?
বাসন্তিরা সবুজ টিপে,
লাল সাদা আর হলুদ পাড়ে হাত ধরেছে তার

১৪। আজি এ বসন্ত দিনে বাসন্তী রঙ ছুয়েছে মনে
মনে পরে তোমাকে ক্ষণে ক্ষণে চুপি চুপি নিঃশব্দে সঙ্গোপনে
ফাগুনের রঙে রেঙেছো তুমি, না বলা কথা আজ বলবো আমি
হৃদয়ের ডাক শুনবে কি তুমি?

১৫। ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান
তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান।
আমার আপন হারা প্রাণ
আমার বাধন ছেঁড়া প্রাণ।

১৬। বসন্ত বাতাসে সই গো বসন্ত বাতাসে
বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ আমার বাড়ি আসে
সই গো বসন্ত বাতাসে সই গো বসন্ত বাতাসে।

১৭। ফাগুনের প্রথম সকালে
মেঘের কাছে পাঠালাম চিঠি
সে চিঠি হারিয়ে যাবে কিনা আছলের আচমকা বাতাসে
তবুও প্রতি ফাগুনে পাথাবো চিঠি
আকাশের খোলা খামে
সবাইকে ফাল্গুনের অনেক শুভেচ্ছা।


১৮। আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে।
তব অবগুণ্ঠিত কুণ্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে।
আজি খুলিয়ো হৃদয়দল খুলিয়ো,
আজি ভুলিয়ো আপনপর ভুলিয়ো,
১৯। আজি আসিয়াছে বসন্ত, গাছে গাছে ফুটিয়াছে ফুল;
গজিয়াছে নব পল্লব, পাখিরা করিছে কলরোল।
প্রকৃতি সাজিয়াছে অপরূপ সাজে,
জনমনে প্রফুল্লতা সর্ব কাজে।

২০। মাঘের অস্থি কম্পিত শীত পালিয়ে
হলো ঋতু রাজের নব জাগরণ ;
ফাগুনের মিষ্টি রোদ্দুর কিরণে
চিত্তে জাগে আহ্লাদের শিহরণ।

বাংলা পহেলা ফাল্গুন এসএমএস, পহেলা ফাল্গুনের শুভেচ্ছা বক্তব্য, ফাগুনের শুভেচ্ছা। ফাল্গুনী শুভেচ্ছা। ফাগুনের শুভেচ্ছা। ফাল্গুনের কবিতা, ছন্দ, ছড়া, ফেসবুক স্ট্যাটাস। ফাল্গুনের ভালোবাসা এসএমএস। বসন্ত ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। ফালগুন এবং চৈত্র মাস মিলে হয় বসন্ত ঋতু। বসন্ত ঋতুর আগমন ঘটে শীত চলে যাবার পর এবং গ্রীষ্ম আসার আগে। পহেলা ফাল্গুনের নতুন এসএমএস। Pohela Falgun. পহেলা ফাল্গুনের ছন্দ।

Wednesday, February 5, 2020

এক নজরে ২০২০ সালে সরকারি ছুটির তালিকা

এক নজরে ২০২০ সালে সরকারি ছুটির তালিকা 

নতুন বছরের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২০ সালে মোট সরকারি ছুটি ২২ দিন। এর মধ্যে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন। আর নির্বাহী আদেশে ছুটি ৮দিন।


এছাড়া মুসলিমদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি রয়েছে ৫ দিন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি ৮ দিন, খ্রিস্টানদের জন্য রয়েছে ৮ দিন ও বৌদ্ধদের জন্য ৫ দিন।
সাধারণ ছুটিসমূহ

২১ ফেব্রুয়ারি, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস;

২৬ মার্চ, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস; ১ মে, মে দিবস; ৬ মে, বুদ্ধ পূর্ণিমা; ২২ মে, জুমাতুল বিদা; ২৫ মে, ঈদ-উল-ফিতর; ১ আগস্ট, ঈদ-উল-আযহা; ১১ আগস্ট, শুভ জন্মাষ্টমী; ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস; ২৬ অক্টোবর, দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী); ৩০ অক্টোবর, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.); ১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবস; ২৫ ডিসেম্বর, যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন (বড় দিন) সহ মোট ১৪ দিন।


নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটিসমূহ
৯ এপ্রিল, শব-ই-বরাত; ১৪ এপ্রিল নববর্ষ; ২১ মে, শব-ই-ক্বদর; ২৪ ও ২৬ মে, ঈদ-উল-ফিতর (ঈদের পূর্বের ও পরের দিন); ৩১ জুলাই ও ২ আগস্ট, ঈদ-উল-আযহা (ঈদের পূর্বের ও পরের দিন); ৩০ আগস্ট, আশুরা-সহ মোট ৮ দিন।


ঐচ্ছিক ছুটি (মুসলিম পর্ব)সমূহ হচ্ছে- ২৩ মার্চ, শব-ই-মিরাজ; ২৭ মে, ঈদ-উল-ফিতর (ঈদের পরের ২য় দিন); ৩ আগস্ট, ঈদ-উল-আযহা (ঈদের পরের ২য় দিন); ১৪ অক্টোবর, আখেরি চাহার সোম্বা; ২৭ নভেম্বর, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম-সহ মোট ৫ দিন।

ঐচ্ছিক ছুটি (হিন্দু পর্ব) সমূহ
২৯ জানুয়ারি, শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা; ২১ ফেব্রুয়ারি, শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত; ৯ মার্চ, শুভ দোলযাত্রা; ২২ মার্চ, শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব; ১৭ সেপ্টেম্বর, শুভ মহালয়া।
২৫ অক্টোবর, শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা (নবমী); ৩০ অক্টোবর, শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজা; ১৪ নভেম্বর, শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা-সহ মোট ৮ দিন।


ঐচ্ছিক ছুটি (খ্রিস্টান পর্ব) সমূহ
১ জানুয়ারি, ইংরেজি নববর্ষ; ২৬ ফেব্রুয়ারি ভস্ম বুধবার; ৯ এপ্রিল, পুণ্য বৃহস্পতিবার; ১০ এপ্রিল, পুণ্য শুক্রবার; ১১ এপ্রিল, পুণ্য শনিবার; ১২ এপ্রিল, ইস্টার সানডে; ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর, যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড় দিনের পূর্বের ও পরের দিন)-সহ মোট ৮ দিন।


ঐচ্ছিক ছুটি (বৌদ্ধ পর্ব)সমূহ
৮ ফেব্রুয়ারি, মাঘী পূর্ণিমা; ১৩ এপ্রিল, চৈত্র সংক্রান্তি; ৪ জুলাই, আষাঢ়ি পূর্ণিমা; ২ সেপ্টেম্বর, মধু পূর্ণিমা (ভাদ্র পূর্ণিমা); ১ অক্টোবর, প্রবারণা পূর্ণিমা (আশ্বিনী পূর্ণিমা)-সহ মোট ৫ দিন।


ঐচ্ছিক ছুটি (পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে কর্মরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের জন্য) সমূহ হচ্ছে- ১২ ও ১৫ এপ্রিল, বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের অনুরূপ সামাজিক উৎসব-সহ মোট ২ দিন।

Sunday, February 2, 2020

স্বামী স্ত্রীর ভালবাসার sms - bangla love sms for wife -স্বামী স্ত্রীর প্রেমের কবিতা

স্বামী স্ত্রীর ভালবাসার sms - bangla love sms for wife -স্বামী স্ত্রীর প্রেমের কবিতা



পুরুষদের এবং মহিলাদের দ্বারা আবিষ্কার ও উদ্ভাবন
পুরুষদের COLORS আবিষ্কৃত এবং পেইন্ট উদ্ভাবিত,
নারী PAINT আবিষ্কৃত এবং মেকআপ উদ্ভাবিত.
পুরুষদের শব্দ আবিষ্কার করেন এবং কথোপকথন উদ্ভাবিত,
নারী কথোপকথন আবিষ্কৃত এবং পরচর্চা উদ্ভাবিত.

প্রত্যেক সফল মানুষের পিছনে
একটি সন্তুষ্ট মহিলার আছে.
কিন্তু প্রতি সন্তুষ্ট মহিলার পিছনে.
একটি exausted মানুষ আছে.

প্রেম জীবন নয়,
লাইফ স্ত্রী
WIFE ছুরি নয়
এবং
ছুরি বিপজ্জনক


প্রেমের একটি দীর্ঘ মিষ্টি স্বপ্ন ভালো হয়
এবং বিবাহ একটি অ্যালার্মঘড়ি হয়.
সুতরাং আপনার পর্যন্ত একটি মিষ্টি স্বপ্ন আছে
বিপদাশঙ্কা আপনি জেগে উঠছে.
শুভ অবিবাহিত জীবন.

পিকনিক নেভিগেশন স্বামী এবং স্ত্রীর.
একটি গাধা খাওয়া ঘাস ছিল.
স্ত্রী বলেন,: আপনার আত্মীয় খাওয়া ঘাস দেখুন, উচ্চ বলুন
স্বামী বলেন,: শ্বশুর হ্যালো.


দম্পতি তারা যৌন সম্পর্ক করতে চান যখনই তারা বলবেঃ একমত যে-
"চলুন শুরু করা যাক একটি ফোন কল করতে"
1 তিনি রান্নাঘরে ব্যস্ত ছিল যখন দিনের মানুষ Tel মায়ের তার পুত্র পাঠানো.
এর: মায়ের, তিনি একটি ফোন কল করতে পারেন, তাই বাবা মি তোমার জিজ্ঞাসা.
মায়ের: কাভারেজ এলাকার Tel তোমার দর্শন লগ করা ছুটা.
বাবা: তিনি নাকিসুরে সেমি যদি আমি অন্যত্র D CAL করতে হবে যে টেলিফোন উর মায়ের যান.
মায়ের: আমি এখানে একটি কল সেন্টার খুলে দেবে হলে Tel উর বাবা যান.


নারী বানান "ওয়াট" দিয়ে শুরু হয় কেন তোমার কি জানেন ?
Becoz বিশ্বের সকল প্রশ্নের ওয়াট দিয়ে শুরু হয় ..
কি ?
কেন ?
কে ?
যখন ?
যেটি ?
যেখানে ?
যাহাকে ?
নারী?:-ডি


দোষী কে?
রাতে dreaming স্ত্রী হঠাৎ নাম.
দ্রুত ...! আমার স্বামী ফিরে.
ম্যান আপ পায়, উইন্ডো আউট উঁচুতে লাফাতে এবং Realises.
"Dammit তোমার স্বামী am".

ডাক্তার:Madam, আপনার স্বামী বিশ্রাম প্রয়োজন
এবং কিছু ঘুমের বড়ি তাই এখানে pease হয়.
স্ত্রী: Doc, যখন আমি তাকে তাদের দিতে হবে?
ডাক্তার:তারা আপনার জন্য.!!



দুই বধির পুরুষদের আলোচনা করছে
সাইন ভাষা ব্যবহার করে তাদের wives.
1ST: যখন আপনি কি করতে হবে
আপনার স্ত্রী অভিযোগ শুরু.
2ND: শুধু শোনা বন্ধ
1ST: কিভাবে ...?
2ND: আমি লাইট বন্ধ করে


জাপানি একটি ক্যামেরা উত্পাদিত হয়েছে
যে যেমন একটি দ্রুত শাটার স্পিড আছে
এটা তার মুখ বন্ধ সঙ্গে একটি মহিলা একটি ছবি গ্রহণ করতে পারেন!

এটি একটি পুরানো বলছে.
ঘুমের সময় টান দূরে রাখুন.
.
.
.
কিন্তু আমি জানি না কেন মানুষ
এখনও তাদের wives সঙ্গে ঘুমের.


একটি সম্প্রতি বহিস্কার
স্টক ব্যবসায়ী বলেন, ...
"এই তালাক চেয়ে খারাপ হয় ...
আমি সবকিছু হারিয়ে
এবং
আমি এখনও আমার স্ত্রী আছে ... "

একটি স্ত্রী যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: আপনি সবচেয়ে কি বই পছন্দ করেন?
তিনি উত্তর: আমার স্বামী এর চেক বই.


একটি স্ত্রী একটি ফ্রাইং প্যান সঙ্গে তার স্বামী আঘাত.
স্বামী: জন্য যে কি ছিল ..?
স্ত্রী: আমি আপনার পকেটে একটি কাগজ পাওয়া যায় নি
এটি সম্পর্কে নাম Jenny সঙ্গে.
স্বামী: আমি গত সপ্তাহে একটি রেসে অংশ নেন
এবং জেনি আমার ঘোড়ার নাম ছিল.
স্ত্রী: দুঃখিত ..!
পরের দিন আবার স্ত্রী ফ্রাইং প্যান সঙ্গে তাকে আঘাত
স্বামী: এখন কি ..?
স্ত্রী: তোমার ঘোড়া কোনটা […]


একটি নতুন Wed স্ত্রী স্বামী!
আমি আপনার জন্য বিশ্বের শেষে যেতে পারে
স্ত্রী:ধন্যবাদ,কিন্তু আমার প্রতিজ্ঞা
আপনি আপনার জীবনের বাকি জন্য সেখানে থাকতে হবে.


একটি মানসিক জরিপ প্রতিবেদন:
যখন 2 দম্পতিরা অভিহিত মুখোমুখি আসা,
Wives প্রতিটি অন্যের তাকান
শহিদুল
&
স্বামী প্রতিটি অন্যের স্ত্রীদের তাকান ...:-ডি


একজন মহিলার যদি আপনি একটি ধনকুবের করতে পারেন?
.
.
.
হ্যাঁ! আপনি একটি Billionaire হন তাহলে ..!!


একজন মানুষ, একটি দৈত্য পূরণ.
দৈত্য তিনি চায় যাই হোক না কেন জন্য অনুরোধ করতে পারেন তাকে বলে,
কিন্তু তার শাশুড়ী সে পায় কি ডবল পায়.
মানুষের জন্য একটি মুহূর্ত মনে করে এবং বলেছেন,
ঠিক আছে, আমাকে একটা মিলিয়ন ডলার দিতে
আমি অর্ধমৃত না হওয়া পর্যন্ত এবং আমাকে বীট.


একজন মানুষ আপনার স্ত্রী হাসিল করে নেয় যখন
আর কোন ভাল প্রতিশোধ আছে
তাকে রাখা যাক তার.


আমি না, কারণ আপনি কে আপনাকে ভালোবাসি,
কিন্তু কারণ আমি সাথে থাকি যখন অনলাইনে যারা.


এক গাছ একটি বন শুরু করতে পারেন,
এক হাসি একটি বন্ধুত্ব শুরু করতে পারেন
এক স্পর্শ প্রেম এবং যত্ন দেখাতে পারেন
আপনার মত একজন ব্যক্তিকে জীবিত মূল্য জীবন করতে পারেন!



আমার স্ত্রী এবং আমি
খুশি ছিলাম 20 বছর.
আমরা পূরণ আর.



আপনি কি জানেন
নারী বানানটি ডব্লিউ সঙ্গে শুরু হয়.?
কারণ
বিশ্বের সকল প্রশ্নের ডব্লিউ সঙ্গে শুরু হয়.!
যথা.
কে
কেন
কি
যখন
যেটি
যাহাকে
যেখানে
স্ত্রী ...?


অ্যাংরি স্বামী শ্বশুর এসএমএস পাঠানো:
"আপনার ব্যবহার করা উত্পাদনটি আমার যোগ্যতা সভা না."
শ্বশুর স্মার্ট:
"ওয়্যারেন্টি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, প্রস্তুতকর্তা দায়ী না .. "

Saturday, February 1, 2020

ভুলের sms | ক্ষমা চাওয়ার স্ট্যাটাস | সরি বলার মেসেজ | সরি বলার sms

ভুলের sms | ক্ষমা চাওয়ার স্ট্যাটাস | সরি বলার মেসেজ | সরি বলার sms



(১) আচ্ছা তুমি যদি আমার মতন ভুলটা করতে,তাহলে এমন রেগে থাকলে তোমার ভালো লাগত? আমি বলছি তো অ্যাম সরি...ক্ষমা করে দাও প্লিজ?


 (২) আমাদের দুজনের মধ্যে তুমি সবসময়ই বেশি পরিনতবয়্স্কা আর বুদ্ধিমান...দয়া করে প্রতিবারের মতন এবার ক্ষমা করে দাও..


 (৩) আমার উপর রেগে থাকা তোমার প্রতিটি মিনিটের জন্যে তুমি নিজের জীবন থেকে খুশীর ৬০টি করে সেকেন্ড হারাচ্ছ...


 (৪) আমার কথা না ভাবো,আমাদের এতদিনের সম্পর্কটার কথা ভেবে আজ আমায় ক্ষমা করে দাও...আর কখনও এমন হবে না...


 (৫) আমার চোখের জল তোমায় সেই ক্ষমা চাওয়ার বার্তাটুকু দিতে চাইছে যেটা আমার মন তোমাকে বোঝাতে পারছে না কোনভাবেই...প্লিজ ক্ষমা করে দাও...


 (৬) আমার মিথ্যা তোমায় দিয়েছে অনেক কষ্ট, দেরিতে হলেও বুঝেছি আমি,বুঝেছি আমি স্পষ্ট.. কথা দিচ্ছি তোমায় এমন হবে না কখনো আর,এবারের মতন ক্ষমা করে দাও প্লিজ সোনা আমার.. একটু হাসো,অনেক হলো কান্নাকাটি রাগ,ভালো লাগছে না আমার যে আর ঝগড়া-ঝাঁটি-বিবাদ!


 (৭) আমার সবচেয়ে খারাপ সময়ে আমার সঙ্গ দেওয়ার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ...


 (৮) আমি আমার ভুল থেকে এবং তোমার চোখের জল দেখে বুঝতে পেরেছি যে দোষটা আমারই ছিল... ক্ষমা করে দাও প্লিজ্...


 (৯) আমি খুব দুঃখিত জেলাস হওয়ার জন্যে..কিন্তু আমি যে তোমায় ভালবাসি...আর তাই তোমাকে হারাতে ভীষণ ভয় পাই..


 (১০) আমি চাই তোমায় হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাতে, কিন্তু তোমার জন্যে আমার হৃদয়ে গভীরতার যে অন্ত নেই...


 (১১) আমি জানি আমার বেস্ট ফ্রেণ্ড আমার উপর রাগ করে বেশীক্ষণ থাকতেই পারবে না...তাও বলছি,মন থেকে sorry!!


 (১২) আমি জানি যে আমি যা করেছি তা বোকামি... আবেগের বশে আমি ভুল করে ফেলেছি... ইচ্ছা করে তোমায় আঘাত করতে চাই নি আমি..এবারের মতন ক্ষমা করে দাও..


 (১৩) আমি জানি তোরা আজ আমার কারণে কষ্ট পেয়েছিস...রাগের মাথায় হয়তো বেশীই বলে ফেলেছি একটু...পারলে আমায় ক্ষমা করে দিস...


 (১৪) আমি জানি তুমি কতটা রেগে আছ..আর তোমার মনের মধ্যে এখন কি চলছে.. তাই আশা করি তুমিও বুঝতে পারছ যে এই সব কিছুর জন্যে আমি কতটা দুঃখিত.. ক্ষমা করে দাও প্লিজ


 (১৫) আমি জানি না যে কি করলে আমাদের মধ্যে সবকিছু আবার আগের মতন হয়ে যাবে.. কিন্তু শুরুটা আমি করতে চাই আই আম সরি বলে.. আমি সত্যিই দুঃখিত..


 (১৬) আমি যা করেছি তা নিতান্তই কষ্ট আর রাগ থেকে করেছি...হয়ত ভুল করেছি,তাই আমি দুঃখিত...


 (১৭) আমি যা করেছি তা বোকামি ছিল, সবকিছু আগের মতন করে দেওয়ার ক্ষমতা থাকলে আমি এখুনি তা করে দিতাম, আমি মন থেকে কখনো চাই নি তোমাকে আঘাত করতে, তাই ভীষণ দুঃখিত...


 (১৮) আমি শব্দের মাধ্যমে বোঝাতে পারব না যে আমি সবকিছুর জন্যে কতটা দুঃখিত! মনে মনে আমার অনুতাপ আজ ব্যথার চেহারা নিয়েছে... এবার তো আমাকে ক্ষমা করে দাও!


 (১৯) আমি হয়ত পারিনি তোমার জীবনটাকে আমার করে নিতে... কিন্তু তুমি তো পারতে আমার জীবনটাকে তোমার করে নিতে ???ভুলটা না হয় আমারি ছিলো... শুধরানোর অধিকার কি তোমার ছিলো না ?


 (২০) আমি হয়ত পারিনি তোমার জীবনটাকে আমার করে নিতে... কিন্তু তুমি তো পারতে আমার জীবনটাকে তোমার করে নিতে ???ভুলটা না হয় আমারি ছিলো... শুধরানোর অধিকার কি তোমার ছিলো না ???


 (২১) আমরা যদি নিজের প্রতি ভালবাসায় অন্ধ হয়ে নিজের সব ভুল ক্ষমা করে দিতে পারি, তাহলে অন্য কেউ কিছু ভুল করার পর ক্ষমা চাইলে তাকে ক্ষমা করতে পারব না কেন?


 (২২) এ পৃথিবীতে তারাই এক সাথে থাকেতে পারে....... যারা ক্ষমা করতে জানে... যারা ক্ষমা করতে জানে না, তারা এ পৃথিবীতে কোটি কোটি মনুষের ভিড়েও একা হয়ে থেকে যায়...


 (২৩) একটা সময় আমার চেয়ে একাকী কেউ ছিল না...কিন্তু তুই আমার বেস্ট ফ্রেণ্ড হয়ে আমার সব একাকিত্ব কেড়ে নিয়েছিস...থ্যাঙ্ক ইউ রে...


 (২৪) এবার তো কথা বল..আর কতক্ষন রাগ করে থাকবে.. বলছি তো sorry ...


 (২৫) কখনো কখনো কারো কাছে ক্ষমা চাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর মধ্যে একটা হয়ে দাঁড়ায়.. কিন্তু এই কাজটাই সম্পর্ক নামে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান উপহারটাকে ঠিক রাখার জন্যে সবচেয়ে সহজ কাজ..


 (২৬) কখনো কাউকে তোমার কোনো অনুভুতি বা ভাবনার জন্যে সরি বোলো না.. সেটা অনেকটা সঠিক হয়েও ক্ষমা চাওয়ার মতন শোনাবে..


 (২৭) কিছু লোক আছে যাদের স্বভাবই হল জেনেশুনে ভুল করা এবং তারপরে একটা sorry তে কাজ মিটিয়ে নেওয়া... তারা জানেই না যে Sorry শব্দটির আভ্যন্তরীণ তাত্পর্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ...


 (২৮) কিছু সত্যি এতটাই ঝাঁঝালো হয় যে তাদেরকে লুকিয়ে রাখাটাই ভালো.... আশা করি ভবিষ্যতে কথাটা মনে রাখবে...


 (২৯) কেউ তোমাকে বারবার সরি বলে মানাতে চাইলে এটা ভেবো না যে তার কোনো পার্সোনালিটি নেই... বরং বোঝার চেষ্টা কোরো যে তুমি তার জীবনে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে সে কোনভাবেই তোমাকে হারাতে চায় না...


 (৩০) কষ্ট পেতে পেতে এ মন হয়ে গেছে পাথর,,তুমি আর কষ্ট দিওনা,,তুমি তোমার একটু ছোয়াতে আমার এই পাথর হৃদয় টাকে নরম করে দাও....॥


 (৩১) ক্ষমা করে দিলে অতীত হয়তো চেঞ্জ হয়ে যাবে না,কিন্তু ভবিষ্যতটা সুন্দর হয়ে উঠবে...


 (৩২) কয়েকটা শব্দ দিয়ে হয়তো আমার পক্ষে এটা বোঝানো সম্ভব না যে আমি কতটা দুঃখিত এই অনিচ্ছাকৃত ভুলটার জন্যে.. কিন্তু সত্যি সত্যি আমি ক্ষমাপ্রার্থী এই সবকিছুর জন্যে..


 (৩৩) যে নিজের ভুল হলে মাথা ঝুঁকিয়ে ক্ষমা চাইতে জানে,তার হৃদয় সত্যিকারের ভালবাসতে জানে..


 (৩৪) যে নির্বিবাদে সবাইকে ক্ষমা করতে পারে,তার মন সত্যিই অনেক বড়...


 (৩৫) তোমাকে কষ্ট দিয়ে আমি নিজেও তো খুব কষ্ট পাচ্ছি বাবু...প্লিজ আমায় বোঝার চেষ্টা কর...এবারকার মতন ক্ষমা করে দাও...


 (৩৬) তোমার দেওয়া ভালোবাসার কারণে আমার জীবন থমকে দাড়িয়েছে____ এমন তো কথা ছিলো না তবে কেনো তুমি আমার সাথে এমন করলে? জানি তুমি আমার কথার জবাব দিতে পারবে না____ তবু ও বলবো ভালো থেকো____


 (৩৭) তোমায় আমি ভালোবাসি সত্যি ভালোবাসি......তুমি আমার জীবনের একমাত্র সাথী... আমার কোনো কথায় যদি সত্যি আযাত পাও... পারলে এই হতভাগ্য মানুষটাকে খমা করে দাও.... এই কতাদিন আমি শুধু কঁদেছি অঝোর ধারায়.... তুমি ছাড়া আমার জীবনে নেই কেও এই ধরায়....


 (৩৮) তুমি চলে গিয়ে কষ্ট পেয়েছি কতটা জানি না..কিন্তু শিক্ষা পেয়েছি প্রচুর.... আমাকে মানসিকভাবে এতটা শক্ত করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ..


 (৩৯) তুমি তো জানো যে তোমার কিছু না বলাটা আমার কাছে আরও বেশী বড় শাস্তি সোনা...প্লিজ কথা বল সোনা...আর কষ্ট দিও না আমায়...


 (৪০) দুখের বোঝা আমার ঘারে চাপিয়ে দিয়ে তুমি যদি সুখী হতে পারো তবে সুখে থেকো____ আমি তোমার সুখ দেখতে চাই____


 (৪১) দুখের বোঝা আমার ঘারে চাপিয়ে দিয়ে তুমি যদি সুখী হতে পারো তবে সুখে থেকো____ আমি তোমার সুখ দেখতে চাই____আর তাও যদি তোমার আমায় দোষী মনে হয়ে থাকে,তাহলে Im sorry


 (৪২) ধন্যবাদ সবকিছুর জন্যে...আমি জানি মাঝে মাঝে হয়তো আমাকে সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়ে, তারপরেও আমার বন্ধু হয়ে থাকার জন্য,আমায় ভালবাসার জন্য ধন্যবাদ...


 (৪৩) ভুল করে যদি কোনো ভুল করে থাকি, তবে তা ভুল ভেবেই ভুলে যেও.. আর শুধু ভুলটাকেই ভুলে যেও, ভুল করেও আমাকে ভুলে যেও না..


 (৪৪) ভুল হয়ে গেছে সোনা,এবারকার মতন ক্ষমা করে দাও...


 (৪৫) ভুলত আমিই করেছি,তাইত অবিরত কেদেই যাচ্ছি।এই কান্না তুমি না আসলে শেষ হবে না। কিন্তু একটাই প্রশ্ন ভুল কি আমি একাই করেছি, তোমার কি ভুল ছিলনা, তুমি আবার আমার বুকে ফিরে আসো, আমি তোমার অপেক্ষায় থাকব..


 (৪৬) ভুলত আমিই করেছি,তাইত অবিরত কেদেই যাচ্ছি।এই কান্না তুমি না আসলে শেষ হবে না। কিন্তু একটাই প্রশ্ন ভুল কি আমি একাই করেছি, তোমার কি ভুল ছিলনা, তুমি আবার আমার বুকে ফিরে আসো, আমি তোমার অপেক্ষায় থাকব।


 (৪৭) মনে কর আমরা একসাথে কত সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি...একসাথে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছি.... সব মন থেকেই করেছি...আমি চাই নি আমাদের মধ্যে এই দুরত্বটা তৈরী করতে... দয়া করে আমায় একটা সুযোগ দাও এই দুরত্বের মাঝে একটা সেতু তৈরী করার.. কথা দিচ্ছি নিরাশ করব না তোমায়...


 (৪৮) সব কিছু আমায় শিখিয়ে দিলি কিছুই গ্রহন করলি না, সব কষ্ট আমার কেড়ে নিলি সুখটুকু নিলি না । ধন্যবাদ রে...


 (৪৯) সব ক্ষেত্রে sorry বলাটা শুধুমাত্র দুঃখ প্রকাশ করাই নয়... এটি সেই অসময়ে ভুল করে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনার অভিজ্ঞতাটিকে ভুলে সবকিছু আবার আগের মতন করতে চাওয়ার ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশও বটে...


 (৫০) সব ঝগড়া মিটিয়ে নেওয়ার দাবি বা অনুরোধটা সবসময় যে ভুল করেছে তার দিক থেকেই আসতে হবে এমন কোনো কথা নেই.. সম্পর্কটা যদি মূল্যবান হয় তবে তা অন্যদিক থেকে আসলেও তাতে মাথা কাটা যাওয়ার মতন কিছু নেই..


 (৫১) সবার কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছি,ক্ষমা করে দেবেন প্লিজ্...


 (৫২) সবচেয়ে দ্রুতগামী ঘোড়াটিও সেই শব্দগুলোকে ধরতে পারবে না যেটা রাগের মাথায় বলা হয়ে যায়... তাই আমি জানি আমি দোষী...আমার ভুল ছিল.... কিন্তু এবারকার মতন ক্ষমা করে প্লিজ আমাকে সুযোগ দাও নিজেকে শুধরে নেওয়ার...


 (৫৩) সহজেই ক্ষমা করে দেওয়াটা কিন্তু মিষ্টিভাবে নেওয়া বদলার মধ্যে পড়ে...


 (৫৪) হে আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দাও। আমিন।


 (৫৫) হতে পারি আমি তোমাকে মিথ্যে বলেছি..তবুও সেটা কি এটা প্রমান করতে পারে যে আমি তোমাকে ভালবাসি না? ভালবাসার মধ্যে যেমন স্নেহ, যত্ন থাকে তেমনি কিন্তু ভয়-ও থাকে..আমার ক্ষেত্রে তেমনিভাবে কাজ করেছে তোমার প্রতি ভয়টা... তাই এমন করে ফেলেছি.. ভুল বুঝো না আমায় সোনা... দিনের শেষে আমি তোমাকেই ভালবাসি..

Tuesday, January 21, 2020

বেস্ট বন্ধু sms, প্রিয় বন্ধু স্ট্যাটাস, প্রিয় বন্ধু কবিতা, বন্ধু কবিতা sms

বেস্ট বন্ধু sms, প্রিয় বন্ধু স্ট্যাটাস, প্রিয় বন্ধু কবিতা, বন্ধু কবিতা sms


1) একটি বই একশ বন্ধুর চেয়ে ভালো, একটি ভালো বন্ধু একটি লাইব্রেরির সমান।


 2) আৱসি, কোলা, লেমন- বন্ধু তুমি কেমন? চিড়া, মুড়ি, খই- বন্ধু তুমি কই?


 3) একটা ভাল গান 5 মিনিটের জন্য একটা ভাল ছবি 3 ঘন্টার জন্য একটা ভাল কলেজ 2 বছরের জন্য আর একটা ভাল বন্ধু সারা জীবনের জন্য


 4) নরমাল হাতের সুইট লেখা । বন্ধু আমি ভেরী একা । চাঁদের গাঁয়ে জোসনা মাখা, মনটা আমার ভিষন ফাকা । ফাকা মনটা পূরণ কর, একটু আমায় স্বরন কর ।


 5) বন্ধু আমার জানের জান SmS শুধু পড়তে চান লিখতে গেলে মন আনচান ব্যালেন্স নিয়ে শুধু টেনশান এই করে শুধু টাকা বাচান কিপটামী ছেড়ে SmS পাঠান!


 6) দুঃখ তুমি প্রমিস করো, আমায় ছোবে না ! সুখ তুমি প্রমিস কর, আমায় ছাড়বে না ! চোখ তুমি প্রমিস কর, আমায় কাঁদাবে না ! আর বন্ধু তুমি প্রমিস কর, আমায় ভুলবে না..!!


 7) বন্ধু তুমি একা হলে আমায় দিও ডাক, গল্প করবো তোমার সাথে আমি সারা রাত, তুমি যদি কষ্ট পাও,আমায় দিও ভাগ, তোমার কষ্ট শেয়ার করব, হাতে রেখে হাত....


 8) কিছু কিছু পাতা আছে হালকা বাতাসে ঝরে যায়. কিছু কিছু ফুল আছে একটু গরমে শোকিয়ে যায়. আর কিছু কিছু বন্ধু আছে যারা একটু অভিমানে ভুলে যায়।


 9) ফুল ফুটে কি হবে, একদিন তো ঝরে যাবে। স্বপ্ন দেখে কি হবে, সকালে তো ভেংগে যাবে। বন্ধু ভেবে কি হবে, বন্ধু তো ভুলে যাবে।


 10) বুকের ভিতর মন আছে মনের ভিতর তুমি বন্ধু হয়ে তোমার হৃদয়ে থাকতে চাই আমি...


 11) বন্ধু তোমায় খুব বেশি মনে পড়ে যেন পৃথিবীর সব হারিয়ে ফেলি, একবার তুমি চোখের আড়াল হলে। বন্ধু তুমি আমার ভালবাসার বাঁধন আছো তুমি থাকবে ভালবাসায়, আমার হৃদয়ে হাজার জনম জনম।


 12) বন্ধু তুমি আপন হয়ে,, বাধলে বুকে ঘর.. কষ্ট পাব আমায় যদি,, করে দাও পর.. সুখের নদী হয়না যেন,, দুঃখের বালু চর.. সব সময় নিও বন্ধু আমার খবর..!!


 13) যে বন্ধু সুদিনে ভাগ বসায়,, আর দুর্দিনে ত্যাগ করে চলে যায়,, সেই তোমার সবচেয়ে বড় শত্রু..!


 14) বন্ধু... কথাটি খুব ছোট্ট হলেও গভীরতা আকাশ সমান বিশাল । জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা একা নই । চলার পথের বন্ধুর রাস্তা গুলো বন্ধু বিনে চলা প্রায় অসম্ভব। তাই শুধু বন্ধু হলেই পুরন হলেই হবেনা বন্ধুত্বের পুর্ন দাবী, হতে হবে বন্ধুর মতো বন্ধু। কথায় আছে Friends Never Die. বন্ধু কখনো মরেনা।


 15) তুমি কখনও বন্ধুত্বকে কিনতে পারবে না, তুমি এটা উপার্জন করে নাও। কেউ যদি সাহায্যের জন্য আসে, তখন তুমি সত্যিকার বন্ধু হয়ে যেও।


 16) পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান হলো খঁাটি বন্ধুত্ব, যদি বন্ধু ভালো হয়- তাহলে সেখানে, অশ্রুর কোনো ঠাই নেই।।


 17) ভালবাসা তৈরী হয় ভাললাগা থেকে, স্বপ্ন তৈরী হয়, কল্পনা থেকে অনুভব তৈরী হয় অনুভূতি থেকে, আর বন্ধুত্ব তৈরী হয় মনের গভীর থেকে।


 18) ভালো একজন বন্ধু যতোই ভুল করুক , তাকে কখন্ও ভুলে যেও না। কারন, পানি যতোই ময়লা হোক, আগুন নিভাতে সেই পানিই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে।


 19) নদীর পারে আমি একা.., নদী চলে আঁকা বাঁকা... আমি বন্ব্দু বড়ো একা..., এখন ভাবছি তোমার কথা... তোমার সাথে আমার কিগো.., কখনো হবেনা দেখা ?


 20) আকাশ দেখেছি,, নদী দেখেছি,, দেখেছি অনেক তারা.. দেখেনি আজ ও ফেসবুকে আমার আসল বন্ধু কারা...!!


 21) হয়তো সময় যাবে থেমে, হয়তো সুর্য যাবে ডুবে, হয়তো কেউ রবে না পাশে, ভয় পেয় না তুমি হবেনা একা, হাত বাড়ালেই পাবে তুমি তোমার বন্ধুর দেখা।


 22) দিন যদি হারিয়ে যায়, দিগন্তের কাছে। ফুল যদি ঝরে যায়, বেলার শেষে। রাত যদি হারিয়ে যায়, তারার দেশে, জেনে রেখো, আমি বন্ধু থেকে যাবো তোমার পাশে।


 23) সত্যিকারের বন্ধু আর ছায়ার মাঝে অনেকটাই মিল আছে। কারণ, সত্যিকারের বন্ধু সুখে -দুখে ছায়ার মতোই পাশে থাকে।


 24) বন্ধু বলে ডাকো যারে, সে কি তোমায় ভুলতে পারে, যেমন ছিলাম তোমার পাশে, আজও আছি ভালোবেসে ।


 25) একদিন হয়তো চলে যাবো পূথিবীর শেষ সিমানায়, সে দিন ও দেখবে তুমি আছি তোমার কিনারাই, স্রিতি হয়তো বলবে কথা, বলব নাক আমি, পারলে দিয় মনে একটু জায়গা যেথাই থাকব আমি। বন্ধু বল আমায় মনে রাখবে কি তুমি?


 26) নয়ন জলে ভাসিয়ে দুচোখ কাঁদছো কেনো তুমি- এই দেখো তোমার পাশে দাড়িয়ে আছি আমি- তোমার চোখের এক ফোটা জল পড়বে নাকো নিচে- যতো দিন আমি বন্ধু আছি তোমার পাশে ||


 27) যে মানুষটি তোমার বিপদের সময় এড়িয়ে সুখের সময় কাছে থাকে সে তোমার প্রকৃত বন্ধু হতে পারেনা। বরং যে মানুষটি তোমার বিপদের সময় পাশে থাকে সেই তোমার প্রকৃত বন্ধু।


 28) হারিয়ে যাব একদিন আকাশের এককোণে, পাবেনা আমায় সেদিন খুঁজবে সব খানে, হাসবো সেদিন ভাসবো তোমার চোখের জ্বলে, সেদিন বুঝবে বন্ধু কাকে বলে ?


 29) কে গো তুমি নাম কি গো তোমার, তুমি কী পাগল না পাগলি, পর কী শার্ট না শাড়ি, মুখে কী মেকাপ না দাড়ি, হাতে কি ব্যাসলেট না ঘড়ি, তুমি কি নর না নারী, তুমি কি জিন না পরি, আমি কি তোমার বন্ধু হতে পারি?


 30) বজরের পর বছর চলে যাবে, চোখের অশ্রু শুকিয়ে যাবে, কিন্তু তোমার আমার বন্ধুত্ব কখনই শেষ হবে না।


 31) ভালো বন্ধু হলো সেই, যে আপনাকে আপনার মায়ের মতোই যত্নে আগলে রাখবে, পিতার মতো শাসন করবে, বোনের মতো খুনসুটি, ভাইয়ের মতো জ্বালাবে আর ভালবাসবে আপনার প্রেমের মানুষের থেকেও বেশী।


 32) সত্যিকারের বন্ধু জীবন থেকে হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু মন থেকে নয়। সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ জীবন থেকে চলে যেতে পারে কিন্তু হৃদয় থেকে নয়।


 33) উত্তম বন্ধুর পরিচয়ঃ ১. যখন সাক্ষাৎ হয় তখন সে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ২. তার পাশে বসলে ঈমান বৃদ্ধি পায়। ৩. তার সাথে কথা বললে নিজের জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। ৪. তার কাজ- কর্ম দেখলে আখিরাতের কথা স্মরণ হয়।


 34) বন্ধু তুই কোথায় গেলি আমাকে না বলে আমি আজ চেয়ে আছি তোর পথের পানে জানি তুই আসবি ফিরে একদিন হঠাৎ করে সে দিন ও দেখবি বন্ধু আমি যাই নিই তোকে ভুলে


 35) আমি সেই বৃষ্টি চাইনা, যে বৃষ্টিতে বন্যা হয়, আমি সেই আকাশ চাইনা, যে আকাশ মেঘলা হয়, আমি এমন বন্ধু চাইনা যে নতুন কাউকে পেয়ে আমাকে ভুলে যাবে


 36) আমি মুছে দিবো তোর চোখের জল, বন্ধু ভেভে সব কিছু আমায় খুলে বল। সুখ দুঃখের সাথী হয়ে রব তোর সাথে, এইটুকু বিশ্বাস থাকলে হাত রাখ হাতে।


 37) মানুষের জীবনে এমন কিছু সময় আসে যখন নিজেকে অসহায় মনে হয়,, তখন নিঃস্বাথ্র্ ভাবে যে পাশে দাড়ায় সে হল সত্যিকারের _বন্ধু_


 38) আমি মেঘের মতো চেয়ে থাকি, চাঁদের মতো হাসি, তারার মতো জ্বলে থাকি, বৃস্টির মতো কাঁদি, দূর থেকে বন্ধু আমি শুধু তোমার কথা ভাবি।


 39) বন্ধু তোকে কাছে না পাওয়ার যন্ত্রনা যে কি, তোর হলে তুই বুজতিস, তোকে দোষ দিবনা, দোষ আমারি, আমি তোকে আমার ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখতে পারিনি , তাই ছুটে চলিস বহুদূরে....


 40) ব্ন্ধু মানে জোসনা ভেজা গলপো বলা রাত.. বন্ধু মানে ভালোবাসার শিক্ত দুটি হাত.. বন্ধু মানে মনের যত গোপন কথা বলা.. বন্ধু মানে তোমার সাথে সারা জীবন চলা...


 41) আমি ১টা দিন চাই আলয় আলয় ভরা। আমি ১টা রাত চাই, অন্ধকার ছারা। আমি ১টা ফুল চাই, সুন্দর সুবাস ভরা। আর ১টা ভাল বন্ধু চাই সবার চেয়ে সেরা…


 42) সবাই আমার বুন্ধু নয়। আবার, আমার বুন্ধু সবার মত নয়। সে আমার কথা মনে রাখে শত কাজের ভিরে। ফ্রী হলে ডাকি ও আমায়, আছি আমি তুমার দুয়ারে..


 43) সেই প্রকৃত বন্ধু যে বন্ধুর চোখের প্রথম ফোটা পানি দেখে দ্বিতীয় ফোটা পরার আগে ধরে ফেলে আর ৩য় ফোটা পরার আগে তা হাঁসিতে পরিনত করে ...


 44) চোখের আড়াল মানে হারিয়ে যাওয়া নয়, হারিয়ে গেলে খুজে নিতে হয়, খুজে না পেলে হাত বাড়াতে হয়, হাত ধরে বুঝে নিতে হয়, আসল বন্ধু কয়জন এ বা হয়।

Thursday, January 9, 2020

২১ শে ফেব্রুয়ারি ইতিহাস রচনা | আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস | international language day

 ২১ শে ফেব্রুয়ারি ইতিহাস রচনা |  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস | international language day


* ২১ শে ফেব্রুয়ারী ভাষা দিবস *

 *** ইতিহাস ***

১৯ মার্চ ১৯৪৮-এ ঢাকায় এসে পৌঁছান পাকিস্তানের স্থপতি ও গভর্ণর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্। ভারত বিভাগের পর এটাই ছিল তার প্রথম পূর্ব পাকিস্তান সফর। ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান) এক গণ-সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ও সেখানে তিনি ভাষণ দেন। তাঁর ভাষণে তিনি ভাষা আন্দোলনকে পাকিস্তানের মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। যদিও তিনি বলেন পূর্ববঙ্গের প্রাদেশিক ভাষা নির্ধারিত হবে প্রদেশের অধিবাসীদের ভাষা অনুযায়ী; কিন্তু দ্ব্যর্থহীন চিত্তে ঘোষণা করেন - ""উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, অন্য কোনো ভাষা নয়""।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ""জনগণের মধ্যে যারা ষড়যন্ত্রকারী রয়েছে, তারা পাকিস্তানের শত্রু এবং তাদের কখনোই ক্ষমা করা হবে না""। জিন্নাহ্‌'র এ বিরূপ মন্তব্যে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে উপস্থিত ছাত্র-জনতার একাংশ। উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা - এ ধরণের একপেশে উক্তিতে আন্দোলনকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে গিয়েও তিনি একই ধরণের বক্তব্য রাখেন। তিনি উল্লেখ করেন এ আন্দোলন সঙ্কীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গীর বহিঃপ্রকাশ এবং অভিযোগ করেন কিছু লোক এর মাধ্যমে তাদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে চাইছে। যখন তিনি উর্দুর ব্যাপারে তাঁর অবস্থানের কথা পুনরুল্লেখ করেন, উপস্থিত ছাত্ররা সমস্বরে না, না বলে চিৎকার করে ওঠে।

একই দিনে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের একটি প্রতিনিধিদল জিন্নাহ্‌'র সাথে সাক্ষাৎ করে এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি দেয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন শামসুল হক, কামরুদ্দিন আহমদ, আবুল কাশেম, তাজউদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ তোয়াহা, আজিজ আহমদ, অলি আহাদ, নঈমুদ্দিন আহমদ, শামসুল আলম এবং নজরুল ইসলাম। কিন্তু জিন্নাহ্ খাজা নাজিমুদ্দিনের সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে একপেশে এবং চাপের মুখে সম্পাদিত বলে প্রত্যাখান করেন। অনেক তর্ক-বিতর্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্ররা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য জিন্নাহ্'র নিকট স্মারকলিপি পেশ করে।[২৪] ২৮ মার্চ জিন্নাহ্ ঢাকা ত্যাগ করেন এবং সেদিন সন্ধ্যায় রেডিওতে দেয়া ভাষণে তাঁর পূর্বেকার অবস্থানের কথাই পুনর্ব্যক্ত করেন। জিন্নাহ্'র ঢাকা ত্যাগের পর ছাত্রলীগ এবং তমুদ্দন মজলিসের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তমুদ্দন মজলিসের আহ্বায়ক শামসুল আলম তার দায়িত্ব মোহাম্মদ তোয়াহা'র কাছে হস্তান্তর করেন।[২৭] পরবর্তীতে তমুদ্দন মজলিস আন্দোলন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবার জন্য কমিউনিস্টদের দায়ী করে একটি বিবৃতি প্রদান করে এবং পরে তারা আস্তে আস্তে আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসে।

লিয়াকত আলি খানের ঢাকা সফরঃ

১৯৪৮ সালের ১৮ নভেম্বর পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন। ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে তিনি এক ছাত্রসভায় ভাষণ দেন। ঐ সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের তরফ থেকে প্রদত্ত মানপত্রে বাংলা ভাষার দাবি পুনরায় উত্থাপন করা হয়, কিন্তু তিনি কোনোরূপ মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। ১৭ নভেম্বর তারিখে আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের এক সভায় আজিজ আহমদ, আবুল কাশেম, শেখ মুজিবুর রহমান, কামরুদ্দীন আহমদ, আবদুল মান্নান, তাজউদ্দিন আহমদ প্রমুখ একটি স্মারকলিপি প্রণয়ন করেন এবং সেটি প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানের কাছে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী এক্ষেত্রেও কোনো সাড়া দেননি।

ভাষা সমস্যার প্রস্তাবিত সমাধানঃ

এর কিছুদিন পরই, পূর্ব বাংলা সরকারের পক্ষ থেকে ভাষা সমস্যার ব্যাপারে একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানতে মাওলানা আকরাম খানের নেতৃত্বে পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি গঠনকরা হয়, এবং এই বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে বলা হয়।[৩৬] ১৯৫০ সালের ৬ ডিসেম্বর তারিখের মধ্যে কমিটি তাদের প্রতিবেদন তৈরি করে; তবে এটি ১৯৫৮ সালের আগে প্রকাশ করা হয়নি। এখানে ভাষা সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একটি কার্যকর ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়, যেখানে তারা বাংলাকে আরবি অক্ষরের মাধ্যমে লেখার সুপারিশ করেছিলেন।

১৯৫২: ভাষা আন্দোলনের পুনর্জাগরণঃ

১৯৫২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারী নওয়াবপুর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) (তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ) ছাত্রদের মিছিল। ভাষা আন্দোলনের মতো আবেগিক বিষয়ের পুনরায় জোরালো হবার পেছনে ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দিনের ভাষণ প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন খাজা নাজিমুদ্দিন ২৫ জানুয়ারি ঢাকায় আসেন এবং ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের এক জনসভায় দীর্ঘ ভাষণ দেন। তিনি মূলত জিন্নাহ্'র কথারই পুনরুক্তি করে বলেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু। রেডিওতে সরাসরি সম্প্রচারিত তাঁর ভাষণে তিনি আরো উল্লেখ করেন যে কোনো জাতি দু'টি রাষ্ট্রভাষা নিয়ে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে পারেনি। নাজিমুদ্দিনের বক্তৃতার প্রতিবাদে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ২৯ জানুয়ারি প্রতিবাদ সভা এবং ৩০ জানুয়ারি ঢাকায় ছাত্র ধর্মঘট পালন করে। সেদিন ছাত্রসহ নেতৃবৃন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় সমবেত হয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট ও প্রতিবাদ সভা এবং ২১ ফেব্রুয়ারি প্রদেশব্যাপী হরতাল পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে তারা তাদের মিছিল নিয়ে বর্ধমান হাউসের (বর্তমান বাংলা একাডেমী) দিকে অগ্রসর হয়। পরদিন ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে অনুষ্ঠিত সভায় মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ৪০ সদস্যের সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মী পরিষদ গঠিত হয়। সভায় আরবি লিপিতে বাংলা লেখার সরকারি প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করা হয় এবং ৩০ জানুয়ারির সভায় গৃহীত ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন দেয়া হয়। পরিষদ ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল, সমাবেশ ও মিছিলের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে।

পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসে সমবেত হয়। সমাবেশ থেকে আরবি লিপিতে বাংলা লেখার প্রস্তাবের প্রতিবাদ এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণের দাবি জানানো হয়। ছাত্ররা তাদের সমাবেশ শেষে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

২০ ফেব্রুয়ারি সরকার স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায় এক মাসের জন্য সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিভিন্ন হলে সভা করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে ৯৪ নবাবপুর রোডস্থ আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আবুল হাশিমের সভাপতিত্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের কিছু সদস্য নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার পক্ষে থাকলেও, সবশেষে ১১-৩ ভোটে[৪০] ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে একই বিষয় নিয়ে পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় সলিমুল্লাহ হলে ফকির শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ফজলুল হক মুসলিম হলে অনুষ্ঠিত সভায় নেতৃত্ব দেন আবদুল মোমিন। শাহাবুদ্দিন আহমদের প্রস্তাব অনুযায়ী রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদকে এই সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দেয়ার দায়িত্ব নেন আবদুল মোমিন এবং শামসুল আলম।

২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনাঃ

২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২: ১৪৪ ধারা ভঙ্গের প্রশ্নে পুরাতন কলাভবন প্রাঙ্গণে আমতলায় ঐতিহাসিক ছাত্রসভা। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী অনুযায়ী এ দিন সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসে জড়ো হয়। তারা ১৪৪ ধারা জারির বিপক্ষে স্লোগান দিতে থাকে এবং পূর্ব বঙ্গ আইন পরিষদের সদস্যদের ভাষা সম্পর্কে সাধারণ জনগণের মতামতকে বিবেচনা করার আহ্বান জানাতে থাকে। পুলিশ অস্ত্র হাতে সভাস্থলের চারদিক ঘিরে রাখে। বিভিন্ন অনুষদের ডীন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ঐসময় উপস্থিত ছিলেন। বেলা সোয়া এগারটার দিকে ছাত্ররা গেটে জড়ো হয়ে প্রতিবন্ধকতা ভেঙে রাস্তায় নামার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে ছাত্রদের সতর্ক করে দেয়।কিছু ছাত্র ঐসময়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের দিকে দৌঁড়ে চলে গেলেও বাদ-বাকিরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে পুলিশ দ্বারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং পুলিশের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। উপাচার্য তখন পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ বন্ধ করতে অনুরোধ জানান এবং ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দেন। কিন্তু ছাত্ররা ক্যাম্পাস ত্যাগ করার সময় কয়েকজনকে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার শুরু করলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ছাত্রকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় ছাত্ররা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে পুনরায় তাদের বিক্ষোভ শুরু করে।

২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২: পুরাতন কলাভবন প্রাঙ্গণ, ১৪৪ ধারা ভঙ্গের প্রাক্কালে।

বেলা ২টার দিকে আইন পরিষদের সদস্যরা আইনসভায় যোগ দিতে এলে ছাত্ররা তাদের বাঁধা দেয়। কিন্তু পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে যখন কিছু ছাত্র সিদ্ধান্ত নেয় তারা আইনসভায় গিয়ে তাদের দাবি উত্থাপন করবে। ছাত্ররা ঐ উদ্দেশ্যে আইনসভার দিকে রওনা করলে বেলা ৩টার দিকে পুলিশ দৌঁড়ে এসে ছাত্রাবাসে গুলিবর্ষণ শুরু করে।[২৪] পুলিশের গুলিবর্ষণে আব্দুল জব্বার এবং রফিক উদ্দিন আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এছাড়া আব্দুস সালাম, আবুল বরকতসহ আরও অনেকে সেসময় নিহত হন। ঐদিন অহিউল্লাহ নামের একজন ৮/৯ বছরেরে কিশোরও নিহত হয়।

ছাত্র হত্যার সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে জনগণ ঘটনাস্থলে আসার উদ্যোগ নেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সমস্ত অফিস, দোকানপাট ও পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। ছাত্রদের শুরু করা আন্দোলন সাথে সাথে জনমানুষের আন্দোলনে রূপ নেয়।রেডিও শিল্পীরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে শিল্পী ধর্মঘট আহ্বান করে এবং রেডিও স্টেশন পূর্বে ধারণকৃত অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতে থাকে।

ঐসময় গণপরিষদে অধিবেশন শুরুর প্রস্তুতি চলছিল। পুলিশের গুলির খবর জানতে পেরে মাওলানা তর্কবাগিশসহ বিরোধী দলীয় বেশ কয়েকজন অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে বিক্ষুদ্ধ ছাত্রদের পাশে এসে দাঁড়ান।গণপরিষদে মনোরঞ্জন ধর, বসন্তকুমার দাস, শামসুদ্দিন আহমেদ এবং ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত-সহ ছোট ছয়জন সদস্য মুখ্যমন্ত্রী নুরুল আমিনকে হাসপাতালে আহত ছাত্রদের দেখতে যাবার জন্যে অনুরোধ করেন এবং শোক প্রদর্শনের লক্ষ্যে অধিবেশন স্থগিত করার কথা বলেন। কোষাগার বিভাগের মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ, শরফুদ্দিন আহমেদ, সামশুদ্দিন আহমেদ খন্দকার এবং মসলেউদ্দিন আহমেদ এই কার্যক্রমে সমর্থন দিয়েছিলেন। যদিও নুরুল আমিন অন্যান্য নেতাদের অনুরোধ রাখেননি এবং অধিবেশনে বাংলা ভাষার বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন।"

21st february bangla sms status kobita | ২১ শে ফেব্রুয়ারি এসএমএস স্টেটস কবিতা

21st february bangla sms status kobita | ২১ শে ফেব্রুয়ারি এসএমএস  স্টেটস কবিতা  


Valobasar majhe kosto ache. Valo thakar majhe shanti ache. Dure thakar majhe tan ache. mone rakhar majhe santona ache. Tai mone rekho....21...FEBRUARY..

Rokte Rangano Bristi Jhorano 21 february... Vasa Sahid der jibon dan ami ki volite pari... Jader rokte rangano 21 february tara je Omlam. Sobar sera bangla vasha , Seto Sahid deri dan.

Rofik
Sofik Jobbar Ar Binimoye Pelam Mora Vasa. Lokkho Manusher Rokto Cilo Ak
Sutre Badha. Kemon Kore Vuli Bolo 21February ? Ajo Tomai Binomro 
Sroddhai Soron Kori.

21 Mane Shohid Minar Fule Fule Chaowa , 21 Mane Amr Bhaier Rokte Ranganu Muktu Mone Gaowa , 21 Mane Provat Feri, Nogno Paye Chola , 21 Mane Bornomala Batir Moto Jola......

Aj 21 February Din Ai Dine Lokho Koti Baba Maa Vhai Bon Der Rokter Binimoy Aj Amader Ai Sonar Bangla.Ai Dintir Opakhay Amra Koti Manush Lakho Ful Hajar Tora Niye Janai Tader Shuve ccha,Tader Amra Kokhono Vhulbo Na.

Tomra Lokkho Lokkho Takar Ful Dao Pathorer Upor,,, R Amar Jutena Aktu Vat, Nai Sorir Dhakar Moto Kapor...!!

Rokte Lekha Akta Din Nam Tar 21. Sroddhai Aj Sikto Jati Provate Ful Diye Janai Mora Priti. Baki 364 Din Shohid Minar Kate Je Obohelai. Aj Tui Jobab De Ma Jader Jonno Joba Ful Holo Lal Rokte Te Vase Galo Banglar Mati 1din Shoron Kore Ki Shod Hobe Ki Tader Rin ?

Rafiq ,salam, borkot aro hajar beer sontan, Korlo vashar man rokkhe bilie apon pran. Jader rokte rangano ekush ora je omlan, Dhonno amar matrivasha dhonno oder pran..

Bayann0te vese ota,
rokto veja k0to k0tha, Seto amar bangla vasa, Sokol vasar sera....ai voboner sera vasa, Bissojonin kotha, Tar0i maje stan paoa, Bangla amar vasa....

Ajke Holo 21 February Ei Dine Onek Rokter Binimoye Peyechi Moder Bangla Vasha.. Parbo Ki Amara Sei Shohider Poti Dekhate Sonman. Jodi O Na Pari Oder Moto Rokto Dite Tobu Jeno Tader Morjada Rakhte Pari Shahider Sorone..!

U know? What is 1971; "1971" means: 1=1ta Juddho. 9=9ta Mash. 7=7jon Bir Srestho. 1=1ta Shadin Desh.So I love BANGLADESH.WE PROUD WE ARE BANGLADESHI

Oma tumi bolona ora keno shohid holo...tumi akush ale vasho chokher jole,fojore namaj shesh kore ful hate jao goros thane,,,

Pranta Churiye Jay, Jokhon Shune Gram Banglar Gan, Ki Modhur Bangla Ganer Sur, Mon Vore Jay, Jokhon Pran Khule Kotha Boli Mayer Vashay. Gorbe Bukta Vore Uthe, Tader Jonno Jara Jibon Diyeche Dan Vashar Tore.

Dear frnd ,welcome to victory day!!!Red-green flagR BangladeshER birthday agamikal.Ai mohan dinE apnk shuveccha O mubarakbad janai.

Bangladesh er sonar chele, Vasa sohidder dol. Jibon diye ene dilo bangla vasar fol.. Tader dane ajke amra sadhin vabe bangla boli, Sei sonader tag er kotha kemon kore vuli..

Rokte kena Bangla amar Lokkho Sohider Dan,Tobu o keno Bondhu 2mader Bidesher Proti Tan?Sokal Bela Panta Kheye Boishaker Oi Dine,Bikale Abar Uthcho Mete English Hindi Gane..!But Way Bangaly Bondhura?..!

O Ma Kemon Kore Vuli Bolo 21 A February ? Amr Prane Ajo Tader Sur E Baji. Buker Taja Rokte Jara Likha Chilo Bangla Vasa. 21 February Provate Ful Diye O Ma Puron Hobe Ki Tader Asha ?

Oh My Bangla! Oh My Languae! U r My Heart,U r Soul, I Love u all the More. U Vibrate in My heart. I Feel it, i Realize it. Ekushey-February Omor Hok.


Falgone mane borno malar khala.Falgone mane hajar foler mala.Falgone mane futonto lal golap.Falgone mane sadenater alape.Falgone mane vasar mala amar tomer sober. (For 21 february)

Daoai boshe ma abar dhan vange, Binni dhaner khoi vaje, khoka tar kokhon ase kokhon ase.

Selut Amar Priyo Bangladesh-k, Selut Amar Shohid Minar-k, Selut Amar 30 Lokkho Shohidder Proti.. Amara Sobai Jeno Sob Shohidder Jonno Allahor Dorbare Doa Kori And Tader Uddese Salam Poson Kori..!!

Mukto bangla jugto koro , Sonar bangla dhonno korn, Mukto bangla sobar ache. Jukto kora moder asha, Bangla vasa praner vasa..!


Mone pore 52 er kotha, Mone pore 21 february er kotha. Jokhon hariyechi vaider, Diyeche rokto vasar jonno.

Jodi Ei VasaTa Na Thakto-Tobe Ato Kabbo Ato KobiTa K Likhto,Jodi Ei VasaTa Na Thakto-Tobe Valobashi Ei Misti KothaTa k Kake Bolto,Ar Jodi Ei VasaTa Nai Thakto-Tobe Ma Ke Ato Modur Sure K DakTo, Sobai k 21February Shuve ccha,

February Amar Bhai Er,
February Amar Maayer,
Eakusay February...
Ami ki Volite Pa...ri!!


"Amar viyer rokte rangano 21e february, ami ki vulite pari". Tader k janai sosroddho salam. Tara amar p der sololer gorbo. 
21february omor hok. Sobai valobashi........

Tuesday, January 7, 2020

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি lyrics

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি  আমি কি ভুলিতে পারি  lyrics


একুশের গান একটি বাংলা গান যাআমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো হিসেবে সুপরিচিত (প্রথম চরণ দ্বারা)। এই গানের কথায় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি ২১ তারিখে সংঘটিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ফুটে উঠেছে। সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে গানটি রচনা করেন। প্রথমে আবদুল লতিফ গানটি সুরারোপ করেন। তবে পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদের করা সুরটিই অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করে, ১৯৫৪ সালের প্রভাত ফেরীতে প্রথম গাওয়া হয় আলতাফ মাহমুদের সুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো গানটি এবং এটিই এখন গানটির প্রাতিষ্ঠানিক সুর। ১৯৬৯ সালে জহির রায়হান তার 'জীবন থেকে নেওয়া' চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করেন। বর্তমানে এই গানটি হিন্দি, মালয়, ইংরেজি, ফরাসি, সুইডিশ, জাপানিসহ ১২টি ভাষায় গাওয়া হয়।

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি
ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু ঝরা এ ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি
আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি।।

জাগো নাগিনীরা জাগো নাগিনীরা জাগো কালবোশেখীরা
শিশু হত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা,
দেশের সোনার ছেলে খুন করে রোখে মানুষের দাবী
দিন বদলের ক্রান্তিলগ্নে তবু তোরা পার পাবি?
না, না, না, না খুন রাঙা ইতিহাসে শেষ রায় দেওয়া তারই
একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।

সেদিনও এমনি নীল গগনের বসনে শীতের শেষে
রাত জাগা চাঁদ চুমো খেয়েছিল হেসে;
পথে পথে ফোটে রজনীগন্ধা অলকনন্দা যেন,
এমন সময় ঝড় এলো এক ঝড় এলো খ্যাপা বুনো।।

সেই আঁধারের পশুদের মুখ চেনা,
তাহাদের তরে মায়ের, বোনের, ভায়ের চরম ঘৃণা
ওরা গুলি ছোঁড়ে এদেশের প্রাণে দেশের দাবীকে রোখে
ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই সারা বাংলার বুকে
ওরা এদেশের নয়,
দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়
ওরা মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শান্তি নিয়েছে কাড়ি
একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।।

তুমি আজ জাগো তুমি আজ জাগো একুশে ফেব্রুয়ারি
আজো জালিমের কারাগারে মরে বীর ছেলে বীর নারী
আমার শহীদ ভায়ের আত্মা ডাকে
জাগো মানুষের সুপ্ত শক্তি হাটে মাঠে ঘাটে বাটে
দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালবো ফেব্রুয়ারি
একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।।